বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

লোকসান ৫০ কোটি টাকা

সিরাজগঞ্জে কৃষি জমিতে অবাধে পুকুর খননে শতাধিক সেচ প্রকল্প বন্ধ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৫ পিএম | 22 বার পড়া হয়েছে
সিরাজগঞ্জে কৃষি জমিতে অবাধে পুকুর খননে শতাধিক সেচ প্রকল্প বন্ধ

সিরাজগঞ্জের চলনবিল অধ্যূষিত তিন উপজেলায়  বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অবৈধ পুকুর খননকারী চক্র।  কৃষকের জমি  ইজারা নিয়ে অবাধে পুকুর খনন করায় কৃষি জমির অভাবে সরকারিভাবে স্থাপন করা শতাধিক গভীর নলকূপ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে সরকার কে লোকসান গুনতে হচ্ছে ৫০ কোটি টাকা।

মাঠ পর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে, এসব উপজেলায় বর্তমানে শতাধিক  পুকুর খনন চলমান রয়েছে।  তারা প্রশাসন সহ প্রভাবশালী মহল কে ম্যানেজ করেই  পুকুর খনন করছেন । তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হচ্ছে,   পুকুর খনন রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন।

কিন্তু এসব অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই  প্রতি বছর শতাধিক পুকুর খনন করা সম্পন্ন হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আজ পর্যন্ত প্রশাসন কোনো পুকুর খনন বন্ধ করতে পেরেছে, এমন কোনো নজির নেই।  ফলে জেলার তাড়াশ, রায়গঞ্জ  ও  উল্লাপাড়া উপজেলায় উজাড় হচ্ছে তিন ফসলি উর্বর জমি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রমতে, পুকুর খননে এরই মধ্যে এই তিন উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার হেক্টর আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কমেছে। পাশাপাশি  শত শত বিঘা কৃষিজমিতে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা। মাটিখেকোদের এই অপকর্মে দেশের শস্যভান্ডার খ্যাত সিরাজগঞ্জে কমছে  ফসল  উৎপাদন। যা জাতীয় উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এ দিকে গণহারে পুকুর খননের ফলে, তিন উপজেলা শতাধিক গভীর নলকূপের প্রকল্প বন্ধ হয়ে গেছে। শস্য বহুমুখি করণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারিভাবে এসব সেচ প্রকল্প স্থাপন করা হয়। পুকুর খননের ফলে বরেন্দ্র বহুমুখী প্রকল্প ও বিএডিসির পানাসি প্রকল্পের আওতায়  গভীর নলকূপ গুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, তারা অন্যত্র পূণ: স্থাপনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় কে চিঠি দিয়েছে।

ইতোমধ্যে উভয় প্রকল্পের দশ টি গভীর নলকূপ  স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তা অন্যত্র পুনঃ স্থাপন করা হয়েছে।

বিএডিসি রায়গঞ্জ জোনের সহকারী প্রকৌশলী মি. আনন্দ বর্মন বলেন, প্রতিটি সেচ প্রকল্প স্থাপন করতে সরকারের ব্যয় হয়েছে  প্রায় ৫০ লাখ টাকা করে। সে হিসেবে গণহারে পুকুর খননের কারণে সরকারের  এসব সেচ প্রকল্পে সরকার কে ৫০ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।  কৃষি জমির অভাবে সেচ প্রকল্পগুলো থেকে সরকার কোনো প্রকার রাজস্ব আদায় করতে পারছে না। পাশাপাশি পুকুর খনন ও সৃষ্ট  জলাবদ্ধতায় আবাদি জমি কমে যাওয়ায় শস্য উৎপাদনেও পরছে নেতিবাচক প্রভাব।

সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মোহাম্মদ রেজাউল হক বলেন, কৃষিজমিতে পুকুর খনন বন্ধে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। কৃষিজমির শ্রেণি বদল করে পুকুর খনন পুরোপুরি বেআইনি। কিন্তু সুযোগ সন্ধানীরা অত্যান্ত কৌশলী। তারা আইন অমান্য করেই পুকুর খনন করছে। ফলে কৃষিজমি কমছে। এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ক্যাপশন:
০১.পুকুর খননে বন্ধ হয়ে যাওয়া বরেন্দ্র বহুমখি সেচ প্রকল্প। যা থেকে কৃষি জমিতে সেচ ও পরিবারের সুপেয় পানি সরবরাহ করা হতো। ছবিটি উল্লাপাড়া উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের উনুখাঁ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে ধারণ করা হয়েছে।

০২. প্রকাশ্যে পুকুর খনন চলছে। ছবিটি তাড়াশ উপজেলার তাড়াশ-মহিষলুটি আঞ্চলিক সড়কের ঘরগ্রাম মাঠ থেকে ধারণ করা হয়েছে।

আসন্ন ঈদুল উল ফিতর কে সামনে রেখে

ঈশ্বরদী থানা পুলিশের কড়া নজরদারি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টর প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৭ এএম
ঈশ্বরদী থানা পুলিশের কড়া নজরদারি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

আসন্ন ঈদ উল ফিতরকে সামনে রেখে ঈশ্বরদী এসপি সার্কেল প্রণব কুমার ও ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোমিনুজ্জামান এর নেতৃত্বে পুরো ঈশ্বরদী উপজেলা জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ।

ঈশ্বরদীতে মাদক-জুয়া/অনলাইন জুয়া, বাজিতে লুডু খেলা, রাত ৮ টার পর মহল্লার অলিগলিতে কিশোর স্কুল পড়ুয়া উঠতি বয়সের ছেলেদের চায়ের দোকানে আড্ডা রোধে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ নজরদারি জোরদার করেছে।

আসন্ন ঈদুল ফিতর ঈদের আগে আপনার এলাকায় বহিরাগত সন্দেহ জনক লোকের আনাগোনা দেখতে পেলে থানা পুলিশকে অবহিত করুন। ঈদে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে ঈশ্বরদী থানা পুলিশের একাধিক টহল টিম রাত্রিকালীন পেট্রোলিং কার্যক্রম চালু করেছে। শিল্প নগরীর ৭ টি ইউনিয়ন, ১টি পৌর শহর ও হাইওয়ে মহাসড়কে টহল জোরদার করেছে। আপনারা স্ব স্ব অবস্থানে থেকে পুলিশ কে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।
ঈশ্বরদী বাসীদের উদ্দেশ্যে সকল প্রকার সহযোগিতার জন্য উদাত্ত আহ্বান করেছেন।

 

উখিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া কক্সবাজার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৩ এএম
উখিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

(১১মার্চ) রোজ বুধবার উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যেগে উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার সভাপতিত্বে মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এই সময় নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার এহেচান উল্লাহ সিকদারকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পিত শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে আন্তরিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
এসময় উপজেলা পর্য্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।মাসিক সাধারণ সভায় উখিয়া উপজেলার সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে আরও সমন্বিত ও জনকল্যাণমুখী করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার এহেচান উল্লাহ সিকদার। মাসিক সাধারণ সভার সভাপতি উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা তার গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে জানান উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে এবং সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে সাধারণ মানুষ যাতে তাদের প্রাপ্য সেবা পাই সেদিন কড়া নজরদারি রাখা হবে।

নরসিংদীর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

তালাত মাহামুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১:৩০ এএম
নরসিংদীর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

নরসিংদীর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি পুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি গত ৫ আগস্টের পরে চেয়ারম্যান পালিয়ে যাওয়ার পর ইউনিয়ন বাসিকে নিয়ে কাজ করছেন সুনাম ও দক্ষতার সাথে।
পুটিয়া ইউনিয়ন বাসীর সুখে দুঃখে প্রতিটি এলাকার যে কোন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছেন অবিরত। এদিকে বিভিন্ন সেবা জয়িতা এসে সচিব আলতাফ হোসেন কে সাধুবাদ জানাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তাতে পুটিয়া ইউনিয়ন বাসী গর্বিত।
সরকারি কর্মকর্তা হয়েও পুটিয়া বাসীর কাছে তিনি মানবিক জনসেবক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। আলতাব হোসেন জানান পুটিয়া ইউনিয়ন এর উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়নে আমার তীক্ষ্ণ নজরদারিতে সঠিক ও স্বচ্ছতা সবসময়। বিগত সময়ের নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের তুলনায় বর্তমানে পুটিয়া ইউনিয়নে অনেক বেশি উন্নয়ন মুলক কাজ শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে। আমাল লক্ষ্য উদ্দেশ্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সকল সদস্যদের নিয়ে পুটিয়া ইউনিয়ন কে বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্য উদ্দেশ্য সফল করতে, ইউনিয়নবাসী পাশে থাকলে পুটিয়া ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। ইনশাআল্লাহ।

error: Content is protected !!