রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২
রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

নৌ ও বিমান হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪, ২:১৪ এএম | 106 বার পড়া হয়েছে
নৌ ও বিমান হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে তারা ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথিদের অন্তত পনেরটি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

পেন্টাগন বলেছে ‘নৌ চলাচল নির্বিঘ্ন’ রাখতে যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে। রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের প্রধান কয়েকটি শহরে কিছু বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

গত নভেম্বর থেকে হুথিরা লোহিত সাগরে অন্তত একশ জাহাজে হামলা করেছে এবং এর মধ্যে দুটি নৌযান ডুবে গেছে। বিদ্রোহী এই গোষ্ঠীটি বলেছে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতিশোধ নিতে তারা এসব হামলা করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ডের দায়িত্বে থাকা সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে এবার হুথিদের অস্ত্র সম্ভার, ঘাঁটি ও অন্য উপকরণ লক্ষ্য করে হামলা করা হয়েছে।

হুথি সমর্থিত মিডিয়া জানিয়েছে যেসব শহর আক্রান্ত হয়েছে তার মধ্যে সানা একটি।

সোমবার হুথিরা জানিয়েছে তারা ইয়েমেনের আকাশসীমায় থাকা যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত এমকিউ-৯ রিয়েপার ড্রোন ভূপাতিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি মনুষ্যহীন আকাশযান হারানোর কথা স্বীকার করেছে।

গত সপ্তাহে পেন্টাগন বলেছে হুথিরা ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর জাহাজ লক্ষ্য করে ‘জটিল হামলা’ চালিয়েছে। যদিও হুথিদের নিক্ষেপ করা সব কিছুই গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে।

ইয়েমেনের লড়াইরত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব কিছুটা প্রশমিত হওয়ায় সানায় গত দু বছর তেমন কোন বোমাবর্ষণের ঘটনা ঘটেনি।

তবে লোহিত সাগরে নৌযানের ওপর হামলার পাশাপাশি হুথিরা সরাসরি ইসরায়েলে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

গত জুলাইতে ইয়েমেন থেকে পাঠানো ড্রোন হামলা হয়েছে তেল আবিবে। এ ঘটনায় একজন নিহত ও দশ জন আহত হয়।

গত মাসে তারা ইসরায়েলে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে, যার একটির লক্ষ্য ছিলো ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দর।

উভয় ঘটনাতেই ইসরায়েল ইয়েমেনের বিভিন্ন জায়গায় হামলা করে পাল্টা জবাব দেয়।

এর আগে বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও আরটি দেশ লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হুথিদের বিরুদ্ধে হামলা চালায়।

গাজায় হামাস, লেবাননে হেজবুল্লাহর পর মধ্যপ্রাচ্যে হুতিরাও ইরান সমর্থিত নেটওয়ার্কের অংশ।

হুথিদের সামরিক সক্ষমতা কেমন?

লোহিত সাগরে জাহাজে হুথিদের বিভিন্ন হামলায় দেখা গিয়েছে তারা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ব্যালিস্টিক মিসাইল, ড্রোন (ইউএভি) ও চালকবিহীন জাহাজ (ইউএসভিস) ব্যবহার করেছে।

এছাড়া শুরুর দিকে হামলায় দেখা যায় হুথিরা ছোট ছোট নৌকা বা হেলিকপ্টার নিয়ে বড় জাহাজে উঠে পড়ছে ও সেটা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।

ইউএভি বা তথাকথিত “কামিকাজে ড্রোন”- যেটা হুথিরা ব্যবহার করছে, ধারণা করা হচ্ছে এগুলো কাসেফ ড্রোন, সেই সাথে আছে অনেক দূর পর্যন্ত হামলায় সক্ষম সামাদস যুদ্ধবিমান – লেজের দিকে যেটায় ভি আকৃতির পাখা থাকে। এই অস্ত্র হুথিরা ব্যবহার শুরু করে আসছে সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের সংঘাতে।

দ্য ওয়াশিংটন ইন্সটিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসি বলছে, বিভিন্ন ধরনের জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে হুথিদের, যেগুলো ৮০ কিলোমিটার থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম। এর মধ্যে আছে সায়াদ এবং সেজ্জিল মিসাইল।

এই থিঙ্কট্যাঙ্ক মনে করে হুথি গোষ্ঠীর কাছে এমন জাহাজ বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক মিসাইলও আছে যা ৩০০ কিলোমিটার দূর থেকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

এই মিসাইলগুলোর অবস্থান নির্ণয় করাও কঠিন কারণ তারা খুব দ্রুতগতির হয় এবং মূহুর্তের মধ্যে আক্রমণ করতে পারে। তবে এর জন্য দরকার হয় “ড্রোন, অন্য জাহাজ বা অস্ত্রের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিশদ তথ্য।”

সমুদ্রের ইতিহাসবিদ সাল মারকোগলিয়ানো বিবিসিকে বলেন, ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ এই দুই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রই ড্রোনের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী, কারণ “তাদের সাথে বড় যুদ্ধাস্ত্র থাকে এবং আরও বেশি গতিশক্তি থাকে।”

ইতিহাসবিদ সাল মারকোগলিয়ানো বলেন, একমুখী ড্রোনগুলো সংখ্যায় অসংখ্য কারণ এগুলো খুবই সস্তা এবং সহজেই ব্যবহার করা যায়, তবে একটু ধীরগতির।

এই ড্রোনগুলো ঠিক পানির উপর জাহাজের ভেসে থাকা জায়গা বরাবর আঘাত করে এবং তা থেকে আগুন ধরে যাওয়াটা হল সবচেয়ে দুশ্চিন্তার।

তবে মি. মারকোগলিয়ানোর বিশ্বাস ‘সবচেয়ে ভয়ের’ হল ইউএসভিস বা চালকবিহীন জাহাজ, “কারণ এটি পানির উপরে জাহাজে আঘাত করে, যার মাধ্যমে এটি ফুটো হয়ে ভেতরে পানি ঢোকে এবং জাহাজটি ডুবে যায়।”

ইউএস নেভি বলছে চলমান সংঘাতে হুথিরা প্রথম এই চালকবিহীন জাহাজটি বিস্ফারণ সহকারে ব্যবহার করে গত ৪ই জানুয়ারি এবং সেটি জাহাজ চলাচলের আন্তর্জাতিক লেনে এসে বিস্ফারিত হয়।

“সৌভাগ্যক্রমে কোন হতাহত হয়নি বা কোন জাহাজকেও এটি আঘাত করতে পারেনি, কিন্তু এই একমুখী ইউএসভিস ব্যবহারের সূচনাটা চিন্তার কারণ,” বলেন ইউএস নেভি কমান্ডার ভাইস অ্যাডমিরাল ব্রাড কুপার।

তিনি বলেন, এরকম আক্রমণ তাদের “নতুন সক্ষমতা” সম্পর্কে জানান দেয়।

তবে সৌদি সরকার জানাচ্ছে, হুথিরা এই এইএসভিস প্রথম ব্যবহার হয় ২০১৭ সালে জানুয়ারিতে সৌদি বাহিনীর আল-মদিনার উপর একটা হামলায়, আর এরপর “২০২০ সালে মার্চে এডেন উপসাগর দিয়ে একটা তেলবাহী জাহাজ ইয়েমেন যাওয়ার পথে সেটার উপর হামলার একটা ব্যর্থ চেষ্টা চালায় তারা।”

সূত্র: বিবিসি বাংলা

‘৫১’র জাগরণ’-এর উদ্যোগে 

মোল্লাহাটে ভোটাধিকার ও গণভোট বিষয়ে যুব-নেতৃত্বাধীন সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক

আজিজুল গাজী, বাগেরহাট প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৫ এএম
মোল্লাহাটে ভোটাধিকার ও গণভোট বিষয়ে যুব-নেতৃত্বাধীন সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক সচেতনতা ও গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরতে যুব-নেতৃত্বাধীন স্থানীয় পর্যায়ের সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সামাজিক ও নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ‘৫১’র জাগরণ’।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মোল্লারহাট উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আয়োজন করা হয় একাধিক উঠান বৈঠক, যেখানে নারীদের ও যুবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে ভোটাধিকার প্রয়োগে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা, নাগরিক দায়িত্ব এবং গণভোটের ধারণা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনা সভার মূল প্রতিপাদ্য ছিল—
“আমরা কেমন বাংলাদেশ চাই” ও “গণ ভোট কেন প্রয়োজন”।
উঠান বৈঠকে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুম্পা আক্তার মিম, ‘৫১’র জগগরণ’-এর নাগরিক ও ভোটার শিক্ষা বিষয়ক স্থানীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষক এবং VBD বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি। তিনি অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন,
“ভোট শুধু একটি অধিকার নয়, এটি নাগরিক শক্তির প্রতিফলন। গণভোট হচ্ছে জনগণের সরাসরি মত প্রকাশের একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যা সম্পর্কে আমাদের দেশে এখনো ব্যাপক অজ্ঞতা রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, মোল্লারহাটের অনেক মানুষ আগে জানতেন না গণভোট কী, এটি কীভাবে কাজ করে কিংবা কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণ ও আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীরা গণভোটের ধারণা, উদ্দেশ্য এবং গণতন্ত্রে এর ভূমিকা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করেন।
আলোচনায় নারীরা বলেন, ভোটকেন্দ্রে যেতে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, নিরাপত্তাহীনতা এবং তথ্যের অভাব তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগে বড় বাধা। অন্যদিকে যুবরা জানান, তারা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী হলেও সঠিক দিকনির্দেশনা ও নাগরিক শিক্ষার অভাবে অনেক সময় পিছিয়ে পড়েন।
‘৫১’র জাগরণ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ভোটার তালিকাভুক্তি, ভোট প্রদানের গুরুত্ব, ভোটের গোপনীয়তা, গণভোটের আন্তর্জাতিক উদাহরণ এবং একটি কাঙ্ক্ষিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা পুরো কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের মতামত সংগ্রহ করেন।
স্থানীয় এক নারী অংশগ্রহণকারী বলেন,
“আগে ভোটকে তেমন গুরুত্ব দিতাম না। আজ বুঝলাম, আমার একটি ভোটই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে।”
আয়োজকরা জানান, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং বিশেষ করে নারী ও যুব সমাজকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা। ভবিষ্যতে মোল্লারহাটসহ বাগেরহাট জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।
উল্লেখ্য, ‘৫১’র জাগরণ’ দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক অধিকার, ভোটার শিক্ষা ও গণতন্ত্র চর্চা বিষয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করে আসছে। এই সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত উঠান বৈঠক স্থানীয় পর্যায়ে গণতান্ত্রিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঘিলাতলী পাড়ার মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া) প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৮ এএম
ঘিলাতলী পাড়ার মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সাবেক বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় রাজাপালং ইউনিয়ন উত্তর শাখার ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ–সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, জননেতা Sarwar Jahan Chowdhury, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব, জনতার চেয়ারম্যান ও জননেতা Sadman Zami Chowdhury.

ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে এক কিশোর নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া) প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৯ এএম
ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে এক কিশোর নিখোঁজ

ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে এক কিশোর নিখোঁজ হয়েছেন।

নিখোঁজ কিশোরের নাম ইমরুল আলম প্রবাল (১৬)। তিনি ঢাকা মতিঝিল বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। তাঁর পিতার নাম এডভোকেট মোহাম্মদ আলম এবং মাতার নাম সেনোয়ারা বেগম।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইমরুল আলম প্রবাল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। নামাজ শেষে এখনও সে বাসায় ফিরে আসেনি এবং দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

নিখোঁজের সময় তার পরনের পোশাক ও অন্যান্য বিবরণ হালকা সবুজ পাঞ্জাবি ও ল্যাব কালার টাউজার পরনে ছিল।

নিখোঁজ কিশোরের
বর্তমান ঠিকানা: সিদ্ধেশ্বরী, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড, রমনা, ঢাকা।
স্থায়ী ঠিকানা: পিএমখালী ৭ নম্বর ওয়ার্ড, ধাউনখালী, এডভোকেট আলমের বাড়ি, কক্সবাজার সদর।

কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি ইমরুল আলম প্রবালকে কোথাও দেখে থাকেন বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে—

📞 যোগাযোগ নম্বর:
০১৩২১৮৬৯৬০৮
০১৬২৬১৮২৭৩২

পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।