সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের ঐতিহাসিক ভূমিকা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫১ এএম | 63 বার পড়া হয়েছে
১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের ঐতিহাসিক ভূমিকা

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রাম শুধু একটি দেশের যুদ্ধ ছিল না—এটি ছিল মানবতা, ন্যায় ও আত্মনিয়ন্ত্রণের লড়াই। এই মহান যুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (USSR) সরাসরি অস্ত্র হাতে না নিলেও কূটনৈতিক, রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা অঙ্গনে বাংলাদেশের পক্ষে এক শক্তিশালী অবস্থান নেয়।
🌍 কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববাসীর সামনে দৃঢ় কণ্ঠে প্রতিবাদ জানায়।
➡️ তারা স্পষ্টভাবে বলে—এটি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
➡️ জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে তারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ন্যায্যতা তুলে ধরে।
🛡️ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ঐতিহাসিক ভেটো
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনলে—
✋ সোভিয়েত ইউনিয়ন তিনবার ভেটো প্রয়োগ করে।
এর ফলে—
✔️ পাকিস্তানি বাহিনী আন্তর্জাতিকভাবে রক্ষা পায়নি
✔️ ভারত ও মুক্তিবাহিনী সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়
✔️ বিজয়ের পথ আরও সুগম হয়
🤝 ভারত–সোভিয়েত মৈত্রী চুক্তি (৯ আগস্ট ১৯৭১)
এই চুক্তি ছিল মুক্তিযুদ্ধের একটি বড় টার্নিং পয়েন্ট।
📜 Indo-Soviet Treaty of Peace, Friendship and Cooperation
এর মাধ্যমে—
🔹 ভারত বাংলাদেশের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর কূটনৈতিক নিশ্চয়তা পায়
🔹 যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের আশঙ্কা কমে যায়
⚓ বঙ্গোপসাগরে শক্তির ভারসাম্য
ডিসেম্বর ১৯৭১-এ যুক্তরাষ্ট্রের ৭ম নৌবহর (USS Enterprise) বঙ্গোপসাগরের দিকে অগ্রসর হলে—
🚢 সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের নৌবহর ও সাবমেরিন মোতায়েন করে।
ফলাফল—
✔️ মার্কিন হস্তক্ষেপ কার্যত ঠেকানো যায়
✔️ যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের পক্ষে থাকে
🕊️ স্বাধীনতার পর স্বীকৃতি ও পুনর্গঠন
🇧🇩 ২৫ জানুয়ারি ১৯৭২ সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
এরপর—
⚙️ চট্টগ্রাম বন্দরের পানিতে পুঁতে রাখা মাইন অপসারণে সোভিয়েত নৌবিশেষজ্ঞদের সহায়তা
🏗️ যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে কারিগরি সহযোগিতা
🌟 উপসংহার
সোভিয়েত ইউনিয়ন সরাসরি যুদ্ধ না করেও—
✔️ কূটনৈতিক ভেটো
✔️ আন্তর্জাতিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষা
✔️ ভারতের দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করা
✔️ মার্কিন হস্তক্ষেপ প্রতিরোধ
এই সবের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে এক অপরিসীম ও ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে।
🙏 ইতিহাসের এই বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী

নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩০ পিএম
নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদক সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে মো. নিরব (২৬) নামে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে রোববার দুপুরে উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মাইজচরা গ্রামের বাংলাবাজারের উত্তর পাশে কালা দুলালের বাপের বাড়ির সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় নিরবকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত নিরব একই ওয়ার্ডের আব্দুল গনি বাড়ির আব্দুল গনির ছেলে। তিনি পেশায় একজন স’মিল শ্রমিক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিরব কিছুদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। কয়েকদিন আগে মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের ইটভাটা শ্রমিক রুবেল মাঝির (২৮) ভাতিজার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
ওই বিরোধের জেরে রোববার সকাল ১০টার দিকে নিরব তার তিন সহযোগীকে নিয়ে বাংলাবাজারের উত্তর পাশে রুবেল মাঝির ওপর হামলা চালায়। এ সময় ছুরিকাঘাতে রুবেল মাঝির ৩-৪ জন অনুসারী আহত হয়।

পরে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে নিরবের অনুসারীরা প্রতিপক্ষ রুবেল মাঝির বাড়ির সামনে চলে গেলে রুবেল মাঝির লোকজন ধাওয়া দিয়ে নিরবকে আটক করে। পরে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিরবকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. জহির ওরফে আব্দুল গনি রোববার রাতে ২২ জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে রোববার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে পূর্ব মাইজচরা গ্রাম থেকে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

SIRAJUL KABIR BULBUL

উখিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক কারানির্যাতিত সাবেক, ছাত্রনেতা, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

SIRAJUL KABIR BULBUL প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
উখিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহ সাধারণ  সম্পাদক কারানির্যাতিত সাবেক, ছাত্রনেতা, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

SIRAJUL KABIR BULBUL

নিরাপত্তা ও বৈধতা নিয়েও শঙ্কা, সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি

সৌদি প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:২১ পিএম
সৌদি প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছেন “সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিম”-এর পরিচালক মো: সেলিম রানা। তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে সকল প্রবাসীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তার দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, “যারা সৌদি আরবে আছেন, তারা অপ্রয়োজনে বাইরে বের হবেন না। আকামার মেয়াদ ও কাগজপত্র বৈধ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদ ও আটক হওয়ার ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে উমরাহ বা হজের উদ্দেশ্যে চলাচলের সময়ও অনেক প্রবাসী সমস্যায় পড়ছেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও প্রবাসীদের আটক করে জেল খাটিয়ে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে করে শত শত বাংলাদেশি প্রবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ছেন এবং তাদের পরিবারগুলোও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে।
১০১ টিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইতোমধ্যে অনেক প্রবাসী কান্না ও আহাজারির মধ্য দিয়ে দেশে ফেরত যেতে বাধ্য হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় হতাশা বাড়ছে প্রবাসীদের মধ্যে।
এ বিষয়ে ১০১ টিমের সদস্য ফয়সাল, জাহিদ ও নাঈম বলেন, “আমরা জানতে চাই—বৈধভাবে সৌদি আরবে থাকার পরও কেন আমরা নিরাপদ নই? আমাদের সমস্যা কে দেখবে?”
তারা আরও দাবি জানান, বাংলাদেশের সরকারকে দ্রুত এ বিষয়ে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে এবং প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি আরবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয় এবং ভিসা ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। তাই প্রবাসীদের সবসময় নিজেদের কাগজপত্র হালনাগাদ রাখা, নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলা এবং সন্দেহজনক পরিস্থিতি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
উপসংহার:
বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি প্রবাসীদের জন্য সচেতনতা ও সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপই পারে প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও আস্থার জায়গা পুনরুদ্ধার করতে।

error: Content is protected !!