শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

শাবনূরকে দেখেই নায়িকা হতে চেয়েছি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৯ পিএম | 79 বার পড়া হয়েছে
শাবনূরকে দেখেই নায়িকা হতে চেয়েছি

‘নদীজন’ সিনেমায় অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন চিত্রনায়িকা তমা মির্জা। ক্যারিয়ারে বাণিজ্যিক সিনেমার পাশাপাশি ভিন্ন ধারার গল্পপ্রধান কাজও করেছেন। ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেও দারুণ সাড়া পেয়েছেন। আফরান নিশোর সঙ্গে জুটি বেঁধে পেয়েছেন সফলতা।
গত বছর তার অভিনীত ‘দাগি’ সিনেমা এবং ‘আমলনামা’ ওয়েব ফিল্ম দর্শকরা সাদরে গ্রহণ করেছেন। নতুন বছরে দুটি নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি।
নতুন বছরে নিশ্চয়ই নতুন সিনেমার খবর দেবেন?
নতুন দুটি সিনেমার খবর দিতে পারব। সব কথা চূড়ান্ত হয়েছে। তবে এখনই বিস্তারিত বলতে চাই না। শুটিং শুরুর আগে সব খবর দেব। তখন পরিচালক কিংবা সহশিল্পীর নামও জানা যাবে। এটুকু বলতে পারি, আগামী মাসে একটি সিনেমার শুটিং শুরু হবে। নতুন চুক্তিবদ্ধ দুটি সিনেমা ছাড়াও আরও কিছু কাজ নিয়ে কথা হচ্ছে।
নতুন দুটি সিনেমায় আমাকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে। গল্পগুলোও ভিন্ন। সব সময় চেষ্টা করি ভিন্নধর্মী কাজের সঙ্গে থাকতে। গ্ল্যামারাস নয়, আমাকে সাধারণত মধ্যবিত্ত চরিত্রেই বেশি দেখা যায়। নতুন বছরের নতুন সিনেমাতেও দর্শক আমাকে নতুনভাবে পাবেন।
এমন কোনো নায়িকা আছেন কি, যার অভিনয় দেখে আপনি নায়িকা হতে চেয়েছেন?
ঢাকাই সিনেমায় কয়েক দশকে অনেক নায়িকা এসেছেন। শাবানা আপা, কবরী আপা, ববিতা আপা—তারা তো কিংবদন্তি। শাবনূর ও মৌসুমী আপা আমাদের সময়ের নায়িকা। দুজনই আমার অনেক প্রিয়। তবে শাবনূরের সিনেমা দেখেই নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। তার ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘চার সতীনের ঘর’, ‘মোল্লাবাড়ির বউ’, ‘কে অপরাধী’—আমার অনেক ভালো লাগার সিনেমা।
নায়িকা হওয়ার জন্য পরিবার থেকে কতটা সমর্থন পেয়েছেন?
সমর্থন পেয়েছি। সত্যি বলতে, শুরুতে পরিবার থেকে বলা হয়েছিল একটিমাত্র সিনেমা করতে। আমিও ভেবেছিলাম, একটা সিনেমা করে দেখি। সেভাবেই জীবনের প্রথম সিনেমায় অভিনয় করি। এরপর মনে হলো, আরও একটা সিনেমা করি যেখানে নিজেকে আরও ভালোভাবে উপস্থাপন করা যাবে, মনের মতো কিছু হবে। মূলত একটি ভালো সিনেমার আশায় কাজ চালিয়ে যেতে থাকি। এখনো একটি ভালো সিনেমার অপেক্ষায় আছি। যখন যে কাজটি করি, মনে হয় আরও ভালো করতে হবে। এভাবেই রুপালি পর্দায় বেশ কয়েক বছর কেটে গেছে। তবে এখানে এসে অনেক মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি।
গত বছরের কাজ নিয়ে কতটা খুশি?
তমা মির্জা: অনেক বেশি খুশি। গত বছর ‘দাগি’ মুক্তি পেয়েছে। আফরান নিশোর সঙ্গে এটি আমার দ্বিতীয় সিনেমা। ‘দাগি’ সবার প্রশংসা পেয়েছে, অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। আবার ‘আমলনামা’ নামের ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেও সবার প্রশংসা পেয়েছি। দুটি কাজে দুই রকম চরিত্র করেছি। ‘আমলনামা’য় মায়ের চরিত্রে ছিলাম। বিশেষ পরিস্থিতিতে একজন মেয়ে কতটা অসহায় হয়ে পড়ে, তা ফুটিয়ে তুলতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, একই পরিবারের ৪ জন আহত

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ পিএম
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, একই পরিবারের ৪ জন আহত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুকানুপুর ইউনিয়নের তালুকানুপুর গ্রামে একই পরিবারের ৪ জনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে। এতে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার শিকার হন বাবলুর বোনসহ পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) বিকেলে তালুকানুপুর গ্রামের মৃত আবুল ডাক্তারের ছেলে বাবলুর বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় এক দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বাবলুর বোনের গলায় গুরুতর আঘাতসহ পরিবারের আরও ৩ জন ছুরিকাঘাতে আহত হন।
আহতদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে হামলাকারী একজনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্তে অভিযান চালাচ্ছে।

যশোরে কোটি টাকার হীরা ও বৈদেশিক মুদ্রাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৮ পিএম
যশোরে কোটি টাকার হীরা ও বৈদেশিক মুদ্রাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

যশোরে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ হীরা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রাসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ কোটি ৬২ লাখ টাকারও বেশি।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নতুনহাট বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযানে সুজাউদ্দিন নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের আবু বক্করের ছেলে বলে জানা গেছে।
বিকেলে যশোরের ঝুমঝুমপুরে বিজিবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বড় হীরার চালান পাচারের পরিকল্পনার খবর পেয়ে তারা নতুনহাট বাজার এলাকায় নজরদারি জোরদার করে। এ সময় সন্দেহজনক আচরণের কারণে সুজাউদ্দিনকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ১৫৫.৬৭ গ্রাম ওজনের হীরা, ৫৫০ মার্কিন ডলার, ৫ হাজার ৮৮০ ভারতীয় রুপি, ২০০ থাই বাথ এবং ৫ হাজার ৫৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুজাউদ্দিন নিজেকে পেশাদার চোরাকারবারি হিসেবে স্বীকার করেছেন বলে জানায় বিজিবি। তিনি এর আগে একাধিকবার বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় যাতায়াত করেছেন এবং ঢাকা থেকে সংগ্রহ করা হীরা ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।
এ ঘটনায় চোরাচালান দমন আইনে মামলা দায়ের করে তাকে যশোর কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত হীরা ও বৈদেশিক মুদ্রা সরকারি ট্রেজারিতে জমা দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি।

ধামরাইয়ে ব্যাটারি কারখানায় ডাকাতি: লুটের মালামালসহ গ্রেপ্তার ৩

সম্রাট আলাউদ্দিন,ধামরাই (ঢাকা) প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ পিএম
ধামরাইয়ে ব্যাটারি কারখানায় ডাকাতি: লুটের মালামালসহ গ্রেপ্তার ৩

ঢাকার ধামরাইয়ে একটি ব্যাটারি কারখানায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ডাকাতিতে ব্যবহৃত দুটি পিকআপ ভ্যান এবং লুট হওয়া ব্যাটারির কাঁচামাল উদ্ধার করা হয়েছে।শুক্রবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পৃথক অভিযানে পাবনার বেড়া, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত দুটি পিকআপ ভ্যানও উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- জাহিদ হাসান (৩৫), চাঁদ মিয়া (৬২) ও শোয়েব মিয়া (৩৯)। পুলিশ জানায়, গত ২২ মার্চ গভীর রাতে ৩৫ থেকে ৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ধামরাইয়ের একটি ব্যাটারি কারখানায় হামলা চালায়। তারা আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কারখানায় ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের মারধর করে বেঁধে ফেলে এবং প্রায় ৫৮ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় কারখানার মালিক মো. রুবেল ধামরাই থানায় মামলা করেন।পুলিশ জানায়, ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাত দলের সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। প্রথমে জাহিদ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার কাছ থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাবনার বেড়া এলাকা থেকে চাঁদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদে চাঁদ মিয়া জানান, তিনি লুট হওয়া মালামাল ১৭ লাখ টাকায় কিনে ২৪ লাখ টাকায় শোয়েব মিয়ার কাছে বিক্রি করেন। এরপর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শোয়েব মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।পরে শোয়েব মিয়ার কারখানার গুদাম থেকে লুট হওয়া ব্যাটারির কাঁচামাল গলিয়ে তৈরি ৪৯টি সিসার গোলবার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা এসব সিসার ওজন প্রায় ১ হাজার ৪৪৯ কেজি, যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া এলাকা থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত আরও একটি পিকআপ ভ্যান উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা দুটি পিকআপের মোট মূল্য প্রায় ৪৮ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এস এম কাওসার সুলতান বলেন, এ ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে।

error: Content is protected !!