শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে সত্যিই কি প্রেম ছিল নায়িকার?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৪ পিএম | 70 বার পড়া হয়েছে
সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে সত্যিই কি প্রেম ছিল নায়িকার?

দুই দশক আগের কথা। টেলিভিশনে ভারতীয় ক্রিকেট দল হারলেই এক নাম ভেসে উঠত আলোচনায়—নাগমা। ক্রিকেটপ্রেমীদের এক বড় অংশের অভিযোগ ছিল, সৌরভ গাঙ্গুলীর জীবনে ‘অন্য কারও উপস্থিতি’ নাকি তাঁর খেলায় প্রভাব ফেলছে। আর সেই ‘অন্য কেউ’ বলতে তাঁরা ইঙ্গিত করতেন অভিনেত্রী নাগমার দিকেই।
যদিও প্রকাশ্যে কেউ কখনো মুখ খোলেননি। তবু ক্রিকেট–বলিউড ঘিরে সম্পর্কের সেই গুঞ্জন একসময় তুমুল আলোচনার জন্ম দেয়। গত ২৫ ডিসেম্বর এই অভিনেত্রীর জন্মদিন ছিল। অর্ধশতক পূর্ণ করলেন সেই নাগমা—বলিউডের আলোচিত ও বিতর্কিত এক নায়িকা।
সালমানের হাত ধরে শুরু
নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বলিউডে আবির্ভূত হন নাগমা। মাত্র ১৬–১৭ বছর বয়সেই তাঁর নায়িকা–জীবন শুরু। ১৯৯০ সালে সালমান খানের বিপরীতে ‘বাঘী: এ রেবেল ফর লাভ’ ছবিতে অভিনয় করে রাতারাতি পরিচিতি পান তিনি।
ছবিটি সে বছর বলিউডে সর্বাধিক ব্যবসাসফল ছবির মধ্যে ছিল, আর নতুন নায়িকা হিসেবেই নাগমা নিশ্চিত জায়গা করে নেন দর্শকের মনে। এরপর তাঁর যাত্রা থামেনি—শাহরুখ খান, অক্ষয় কুমার, অজয় দেবগন, সুনীল শেঠি—তখনকার জনপ্রিয় প্রায় সব নায়কের সঙ্গেই কাজ করেছেন তিনি। শুধু হিন্দি নয়, তিনি সমান সাফল্য পেয়েছেন দক্ষিণি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেও।
তামিল, তেলুগু, মালয়ালম ও কন্নড়ের বহু ছবিতে অভিনয় করেছেন, এমনকি পরে ভোজপুরি, পাঞ্জাবি ও মারাঠি সিনেমাতেও নিয়মিত দেখা গেছে তাঁকে। রজনীকান্তের সঙ্গেও তাঁর অভিনয় ছিল বিশেষ আলোচনায়।
ফলে অল্প সময়েই তিনি হয়ে ওঠেন বহুভাষিক সিনেমার জনপ্রিয় ও ‘গ্ল্যামারাস’ নায়িকা। তবে পর্দার এই সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও তিনি ছিলেন মিডিয়ার স্থায়ী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপেই যার ছায়া পড়েছে কমবেশি।
সৌরভ–নাগমা: রহস্যঘেরা সম্পর্ক
২০০০ সালের দিকটা ছিল যেন রূপকথার মতো—তবে শেষটা কিন্তু ছকভাঙা! আচমকাই বলিউড আর ক্রিকেট মিলিয়ে ছড়িয়ে পড়ে এক কানাঘুষা—ভারতের অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী নাকি প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী নাগমার। খবরটা যেন আগুনে ঘি ঢালার মতো ছড়িয়ে পড়ে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, একই পরিবারের ৪ জন আহত

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ পিএম
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, একই পরিবারের ৪ জন আহত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুকানুপুর ইউনিয়নের তালুকানুপুর গ্রামে একই পরিবারের ৪ জনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে। এতে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার শিকার হন বাবলুর বোনসহ পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) বিকেলে তালুকানুপুর গ্রামের মৃত আবুল ডাক্তারের ছেলে বাবলুর বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় এক দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বাবলুর বোনের গলায় গুরুতর আঘাতসহ পরিবারের আরও ৩ জন ছুরিকাঘাতে আহত হন।
আহতদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে হামলাকারী একজনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্তে অভিযান চালাচ্ছে।

যশোরে কোটি টাকার হীরা ও বৈদেশিক মুদ্রাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৮ পিএম
যশোরে কোটি টাকার হীরা ও বৈদেশিক মুদ্রাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

যশোরে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ হীরা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রাসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ কোটি ৬২ লাখ টাকারও বেশি।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নতুনহাট বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযানে সুজাউদ্দিন নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের আবু বক্করের ছেলে বলে জানা গেছে।
বিকেলে যশোরের ঝুমঝুমপুরে বিজিবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বড় হীরার চালান পাচারের পরিকল্পনার খবর পেয়ে তারা নতুনহাট বাজার এলাকায় নজরদারি জোরদার করে। এ সময় সন্দেহজনক আচরণের কারণে সুজাউদ্দিনকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ১৫৫.৬৭ গ্রাম ওজনের হীরা, ৫৫০ মার্কিন ডলার, ৫ হাজার ৮৮০ ভারতীয় রুপি, ২০০ থাই বাথ এবং ৫ হাজার ৫৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুজাউদ্দিন নিজেকে পেশাদার চোরাকারবারি হিসেবে স্বীকার করেছেন বলে জানায় বিজিবি। তিনি এর আগে একাধিকবার বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় যাতায়াত করেছেন এবং ঢাকা থেকে সংগ্রহ করা হীরা ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।
এ ঘটনায় চোরাচালান দমন আইনে মামলা দায়ের করে তাকে যশোর কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত হীরা ও বৈদেশিক মুদ্রা সরকারি ট্রেজারিতে জমা দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি।

ধামরাইয়ে ব্যাটারি কারখানায় ডাকাতি: লুটের মালামালসহ গ্রেপ্তার ৩

সম্রাট আলাউদ্দিন,ধামরাই (ঢাকা) প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ পিএম
ধামরাইয়ে ব্যাটারি কারখানায় ডাকাতি: লুটের মালামালসহ গ্রেপ্তার ৩

ঢাকার ধামরাইয়ে একটি ব্যাটারি কারখানায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ডাকাতিতে ব্যবহৃত দুটি পিকআপ ভ্যান এবং লুট হওয়া ব্যাটারির কাঁচামাল উদ্ধার করা হয়েছে।শুক্রবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পৃথক অভিযানে পাবনার বেড়া, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত দুটি পিকআপ ভ্যানও উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- জাহিদ হাসান (৩৫), চাঁদ মিয়া (৬২) ও শোয়েব মিয়া (৩৯)। পুলিশ জানায়, গত ২২ মার্চ গভীর রাতে ৩৫ থেকে ৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ধামরাইয়ের একটি ব্যাটারি কারখানায় হামলা চালায়। তারা আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কারখানায় ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের মারধর করে বেঁধে ফেলে এবং প্রায় ৫৮ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় কারখানার মালিক মো. রুবেল ধামরাই থানায় মামলা করেন।পুলিশ জানায়, ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাত দলের সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। প্রথমে জাহিদ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার কাছ থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাবনার বেড়া এলাকা থেকে চাঁদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদে চাঁদ মিয়া জানান, তিনি লুট হওয়া মালামাল ১৭ লাখ টাকায় কিনে ২৪ লাখ টাকায় শোয়েব মিয়ার কাছে বিক্রি করেন। এরপর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শোয়েব মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।পরে শোয়েব মিয়ার কারখানার গুদাম থেকে লুট হওয়া ব্যাটারির কাঁচামাল গলিয়ে তৈরি ৪৯টি সিসার গোলবার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা এসব সিসার ওজন প্রায় ১ হাজার ৪৪৯ কেজি, যার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া এলাকা থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত আরও একটি পিকআপ ভ্যান উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা দুটি পিকআপের মোট মূল্য প্রায় ৪৮ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এস এম কাওসার সুলতান বলেন, এ ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে।

error: Content is protected !!