সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৪৯ পিএম | 101 বার পড়া হয়েছে
লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে

হিজবুল্লাহ শনিবার ভোরের দিকে বলেছে, তারা লেবানন সীমান্ত এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের সাথে চলমান সংঘর্ষে নতুন করে ইসরায়েলি সৈন্যদের পিছু হটতে বাধ্য করেছে।

বৈরুত থেকে এএফপি জানায়, হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা ইসরায়েলের শত্রু সৈন্যদের আদায়েসেহ পৌর এলাকার আশেপাশে অগ্রসর হওয়ার একটি নতুন প্রচেষ্টা প্রতিহত করে, সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। এর আগে গ্রুপটি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছিল, তাদের যোদ্ধারা ইসরায়েলিদের সৈন্যদের একই এলাকায় “পিছু হটতে” বাধ্য করে।

জন্মনিবন্ধনের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় জামিন

মিথ্যা অভিযোগ ও জেল হাজতের শিকার রোমিও

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৪ পিএম
মিথ্যা অভিযোগ ও জেল হাজতের শিকার রোমিও

রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া আহসান হাবিব রোমিও অবশেষে আদালতের মাধ্যমে জামিনে মুক্তি পেয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়েছেন। মামলাটির মূল অভিযোগ ছিল নাবালিকা অপহরণ, যেখানে ভুয়া জন্মনিবন্ধনের মাধ্যমে রোমিওকে অপহরণকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়।

ঘটনার সূত্রপাত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং, যখন রুনা লায়লা তার মেয়ে মোহসিনা আক্তারের নিখোঁজ হবার অভিযোগ দায়ের করেন। কোনো প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই পুলিশ মামলাটি গ্রহণ করে এবং রোমিওকে গ্রেফতার করে হাজতে পাঠায়। গ্রেফতারের সময় রোমিও অসুস্থ হয়ে পড়েন, যার ফলে তাকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

পরবর্তীতে ২৩ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞ মহানগর নারী ও শিশু আদালতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়। আদালত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং তারিখে মোহসিনাকে হাজির করার নির্দেশ দেন এবং জন্মনিবন্ধনের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন।

তদন্তে প্রমাণিত হয়, মামলাকৃত জন্মনিবন্ধন ভুয়া এবং মোহসিনা খাতুন সেচ্ছায় রোমিওর কাছে গেছেন। তিনি ১৮ বছরের বেশি বয়সী এবং লিখিত কাবিননামা অনুযায়ী তাদের বৈধভাবে বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত রোমিওকে জামিন মঞ্জুর করেন এবং তাদের সংসার করার অনুমতি দেন।

উল্লেখযোগ্য, আহসান হাবিব রোমিও একজন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সুরক্ষা ও বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্রের (নিবন্ধন নং: 8201 – Bk -IV – 09/25) প্রধান নির্বাহী পরিচালক, ঢাকা সেন্ট্রাল ব্রাঞ্চ। তার সামাজিক ও মানবাধিকার কার্যক্রমের জন্য দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পুরষ্কার প্রাপ্ত।

ভুক্তভোগীর পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, মিথ্যা মামলা ও প্রকাশিত ভুয়া সংবাদ জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত। এই কর্মকাণ্ডে পুলিশের সহযোগিতা, প্রাক্তন স্ত্রী রীপা এবং বাদিনী রুনা লায়লাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে। এছাড়া কিছু নামধারী সাংবাদিক, বিশেষ করে আতিকুর রহমান আতিককে ব্যবহার করে সামাজিক ও অনলাইন মাধ্যমে ঘটনার ভুয়া প্রচারণা চালানো হয়েছিল।

এই ঘটনায় রোমিওর সংস্থা, কর্মকর্তা, কর্মী ও সমর্থকরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। দেশের বিভিন্ন সমাজকর্মীও প্রকাশ্যভাবে মিথ্যা অভিযোগ ও ভুয়া সংবাদকে গর্হিত হিসেবে অভিহিত করেছেন। আদালতও রোমিওর জামিন মঞ্জুর এবং সত্যতা প্রমাণের বিষয়টি প্রশংসা করেছেন।

আইন বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন, মিথ্যা মামলা ও ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করা একটি গুরুতর অপরাধ। এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়েছে যে, প্রাথমিক তদন্ত, জন্মনিবন্ধনের সত্যতা যাচাই এবং আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে সমাজে অনাকাঙ্ক্ষিত দূষণ ও অন্যায় প্রতিরোধ করা যায়।

মোহসিনা খাতুনের লিখিত জবানবন্দি প্রমাণ করে, মামলাটি সম্পূর্ণ রূপে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক। এ ঘটনার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান, যাতে এমন উদ্দেশ্যমূলক অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং নিরপরাধদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

সাঁথিয়ায় নির্যাতিত মাকে ঘর উপহার দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩১ পিএম
সাঁথিয়ায় নির্যাতিত মাকে ঘর উপহার দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

পাবনার সাঁথিয়ায় নিজ সন্তানের দ্বারা নির্যাতিত অসহায় মা কাঞ্চন মালা (৭৫) কে ঈদ উপলক্ষে ঘর উপহার দিলেন সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিজু তামান্না।

সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে অসহায় মা কাঞ্চনমালার মেয়ের বাড়িতে নির্মান করা ঘর বুঝে দেয়া হয় বৃদ্ধ মহিলাকে।

এ সময় বৃদ্ধ কাঞ্চন মালা নিজের ঘর পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে। কাঞ্চন মালার মেয়ে জানান, আমার মায়ের কোন ঘর ছিলো না। সে ছেলের বাড়িতে রোদ বৃষ্টিতে ভাঙ্গা ঘরে থাকতো। এখন তার মাথা গোজার ঠাঁই হলো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিজু তামান্না জানান, গত বছরের ৩০ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বৃদ্ধা মহিলাকে পুত্র ও পুত্র বধু দ্বারা নির্যাতনের ঘটনা আমার নজরে আসে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। তবে বৃদ্ধা মায়ের থাকার ঘর ছিল জড়াজিন্ন। তখনই আমার মনে হয়েছিল বৃদ্ধা মায়ের জন্য কিছু করা প্রয়োজন। পরে জেলা প্রশাসকের বিশেষ টিআর এর আওতায় তাকে স্থায়ী ভাবে একটি ঘর নির্মান করে দেই। যেখানে সে যত দিন বেঁচে থাকবে ততদিন বসবাস করতে পারবে।

ঈদ উপলক্ষে উপহারের ঘর উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন সাঁথিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুলতান হোসেন ও ধোপাদহ ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেযারম্যান সানাউল্লাহ ছানা।

মিজান মৃধা

বাবার জানাজার ৩ ঘন্টা আগে মাছ চুরির অভিযোগ ও সাবেক দুই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

মিজান মৃধা প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৯ পিএম
বাবার জানাজার ৩ ঘন্টা আগে মাছ চুরির অভিযোগ ও সাবেক দুই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

বাবার জানাজার ৩ ঘন্টা আগে মাছ ছুরির অভিযোগ এনে দুই চেয়ারম্যানকে আসামি করে স্থানীয় থানায় মামলা করেছেন বোয়ালমারী উপজেলার বিলচাপাদাহর পরিচালনা কমিটির সভাপতি আশুতোষ বিশ্বাস। গত রবিবার রাতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়,মামলা নাম্বার ৭। এ মামলায় ২৫ জনের নাম এজাহারে উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।ওই দুই চেয়ারম্যান হলো বোয়ালমারী উপজেলা আ’লীগের অর্থ সম্পাদক ও ঘোষপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো: ফারুক হোসেন এবং সাতৈর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ও সাতৈর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো: মজিবর রহমান।এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের গত ২ মার্চ সকাল ৭টার দিকে ওই দুই চেয়ারম্যান লোকজন নিয়ে সঙ্গবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে বিলচাপাদহ এলাকায় প্রবেশ করে।
এ সময় তারা জোরপূর্বক বিল থেকে বিপুল পরিমাণ মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এতে বিলের মালিক ও সংশ্লিষ্টদের আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাতৈর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো: মজিবর রহমান বলেন, আমার বাবা ১ মার্চ রাতে মারা যায়। তার জানাজা হয় পরের দিন ২ মার্চ সকাল ১০ টায়। আমার বাবার লাশ জানাজায় রেখে আমি মাছ চুরি করতে গিয়েছিলাম, এটা হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়। মিথ্যার তো একটা শেষ থাকার দরকার আছে। আমাকে হেনস্তা করার একটা কৌশল।
ঘোষপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো: ফারুক হোসেন বলেন, আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা করা হয়েছে, হেনেস্তা করার জন্য। বিগত বছর ধরে মাঝিদের সাথে নিয়ে, এ বিলটি আমি আর সাবেক চেয়ারম্যান মো: মজিবর রহমান দেখভাল করে আসছি।
বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত করে সত্য মিথ্যা যাচাই করা হবে। তদন্তে যা পাওয়া যায় সেই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

error: Content is protected !!