শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

যারা প্রতিমা তৈরি করে তাদের গ্রামেই হয়না দুর্গাপুজো

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৪, ১০:২০ পিএম | 120 বার পড়া হয়েছে
যারা প্রতিমা তৈরি করে তাদের গ্রামেই হয়না দুর্গাপুজো

অক্টোবর বৃহস্পতিবার, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুরের আকুলসাড়া গ্রাম এলাকায়, প্রতিমা শিল্পীরা ঠাকুর গড়লেও তাদের গ্রামে পুজো হয় না, আক্ষেপ শিল্পীদের।

মহালয়ার পূর্ণ তিথিতে অসুর পক্ষের নিধন ঘটিয়ে দেবিপক্ষের সূচনা হয়েছে ইতিমধ্যে, দিকে দিকে পূজোর আনন্দ । তবে এই গ্রামে বেশিরভাগ মানুষ পুজোর নানান সরঞ্জামের আয়োজন করলেও, গ্রামে নেই কোন পূজোর আয়োজন,

দুর্গা পুজোর রেস কয়েক মাস আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় পুজোর আয়োজন, তাই পুজো এলেই মন খারাপ শিল্পীদের, অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুরের আকুল সারা গ্রাম, গ্রামের শিল্পীরা দুর্গা প্রতিমা বানানোর কাজ করছে সকাল থেকে শুরু করে ভোররাত পর্যন্ত তবে দিনরাত পরিশ্রম করে কাজ করলেও হয়তো টাকা রোজগার হয় ঠিক কিন্তু মানসিকভাবে কোথাও একটা তাদের কাছে বিষাদের সুর।

গ্রামের মৃত শিল্পীরাও চাই, অন্যান্য গ্রামের মতো তাদের গ্রামে হোক দুর্গাপুজো, আনন্দ উৎসব মেতে উঠুক গ্রামের সব মানুষজন থেকে শুরু করে ছোট ছোট বাচ্চারাও। তাই সবাই পূজোতে আনন্দ করলেও গ্ৰামের মানুষের অন্ধকারেই দিন‌ কাটান, জলেনা গ্ৰামে রঙিন আলো।

 

স্বাধীনতা সাবভৌমত্ব রক্ষাসহ অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষে ভোট দিন

টেবুনিয়ায় নির্বাচনী জনসভায় বিএনপি প্রার্থী এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
টেবুনিয়ায় নির্বাচনী জনসভায় বিএনপি প্রার্থী এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস

পাবনা-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এ্যাড. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, স্বাধীনতা ও সাবভৌমত্ব রক্ষাসহ দেশপ্রেমিক মানুষদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষে ভোট দিন। আমাদের অস্তিত্বে মিশে আছে মানুষের ভালোবাসা, সারাজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছি, জীবনের বাকিটা সময়ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। সাধারন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ধানের শীষের কর্মীরা অতন্দ্র প্রহরী হয়ে কাজ করেছে। আগামী নির্বাচনে সকলের ঐক্যবদ্ধতা ও মানুষের ভালোবাসায় ধানের শীষ বিপুলভোটে জয়ী হবে। পাবনাকে এগিয়ে নেবার জন্য, আলোকিত ও সমৃদ্ধময় পাবনা গড়ে তুলতে আপনাদের ভোট দোয়া ও সমর্থন অত্যন্ত জরুরী। মানুষ অপেক্ষা করছে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিনে তারা তাদের পছন্দের প্রতীক, প্রাণের প্রতীক, সম্মানের প্রতীক ধানের শীষকে বিজয়ী করবে। গতকাল বিকালে টেবুনিয়া বাজারের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান, নূর মোহাম্মদ মাসুম বগা, মাহমুদুন্নবী স্বপন, এ্যাড. নাজমুল হোসেন শাহিন, রেহানুল ইসলাম বুলাল, যুবদল নেতা হিমেল রানা, মনির আহমেদ, শ্রমিক দল নেতা আব্দুল গফুর, মৎস্যজীবী দল নেতা আজম প্রামানিক, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইয়ামিন খান, কমল শেখ টিটু, সাবেক ছাত্রদল নেতা তসলিম হাসান খান সুইট, ছাত্রদল নেতা কামরুজ্জামান প্রিন্স, সাদ্দাম হোসেন, মাহবুবুল আলম তরুন প্রমূখ। জনসভায় বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারন জনতা অংশ নেন।

বিচ্ছু মঞ্চস্থ বনমালীতে

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
বিচ্ছু মঞ্চস্থ বনমালীতে

বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্রের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও পৃষ্টপোষকতায় গতকাল সন্ধ্যায় বনমালী মঞ্চে মঞ্চস্থ হয় ড্রামা সার্কেলের ২৫ তম প্রযোজনা নাটক বিচ্ছু। মলিয়ের এর দ্যা স্কাউন্ড্রেল অফ ক্যাপি অবলম্বনে এ নাটকটির রূপান্তর করেছেন তারিক আনাম খান। নাটকটির নির্দেশনা করেছেন খন্দকার ফরিদুল ইসলাম (ফিরোজ খন্দকার)। নাটকটিতে অভিনয় করেন বরকত উল্লাহ শিমুল, আমিনুল হক, ফিরোজ খন্দকার, রিপন হোসেন, ফয়সাল আহম্মেদ নাছিম, হাফিজুর রহমান, মামুনুর রশিদ, সিয়াম খান, মেহেদী হাসান আলিফ, অনুরাজ চন্দ্র দাস, আশীষ বৈরাগী, মোছা. রজনী আক্তার, বর্ষা বিশ্বাস সৃষ্টি, শারমিন জাহান প্রিয়া, অন্বেষা মন্ডল অর্পা ও পূর্ণিমা তরফদার। নাটকটির প্রচ্ছদকারী হলেন দোলন আজিজ। প্রপস সিরাজুল ইসলাম হীরা, আমিনুল হক, আলোক পরিকল্পনা ওহিদুল কাওসার, আবহ সঙ্গীতে ছিলেন মিকাইল হোসেন ও ওয়ালিদ হোসেন। রূপসজ্জায় ছিলেন সিরাজুল ইসলাম হীরা ও মামুনুর রশিদ। প্রযোজনা অধিকর্তা ছিলেন ওহিদুল কাওসার ও আব্দুল হাফিজ রতন। কারিগরি সহায়তায় ছিলেন মতিনুর আলম সবুজ, ফিরোজ আলম স্বপন, মারুফুর রহমান, রুমন, শিরোন, ইসাহক ও আছাদ। অসংখ্য দর্শক নাটকটি উপভোগ করেন।

বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪২ এএম
বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের নয়া দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে (এফসিসি) আয়োজিত ‘সেভ ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে অডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।

শেখ হাসিনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘অবৈধ, সহিংস’ প্রশাসনের প্রধান হিসেবে অভিযুক্ত করেন। বক্তব্যে তিনি ড. ইউনূসকে ‘দখলদার’, ‘অর্থ পাচারকারী’ এবং ‘ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে বারবার উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ আজ ধ্বংসের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে।”

তিনি অভিযোগ করেন যে, দেশ বর্তমানে “একটি বিশাল কারাগার, একটি বধ্যভূমি এবং মৃত্যু উপত্যকায়” পরিণত হয়েছে। মানবাধিকার পদদলিত হচ্ছে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয়েছে এবং নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকে একটি “সতর্কভাবে সাজানো ষড়যন্ত্র” হিসেবে বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র নির্বাসনে গিয়েছে। তার মতে, বর্তমানে দেশে আইনশৃঙ্খলার কোনো অস্তিত্ব নেই এবং মব ভায়োলেন্স, লুটতরাজ ও চাঁদাবাজিতে রাজধানী থেকে গ্রাম পর্যন্ত জিম্মি হয়ে পড়েছে। এর পেছনে তিনি উগ্রবাদী গোষ্ঠী ও বিদেশি স্বার্থকে দায়ী করেন।

শেখ হাসিনা দাবি করেন, ড. ইউনূস জাতীয় সম্পদ ও কৌশলগত স্বার্থ বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দিয়ে বাংলাদেশকে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “জাতিকে প্রতারিত করে খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনূস আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।”

বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে পাঁচটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন: ১. মুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘অবৈধ ইউনূস প্রশাসন’কে অপসারণ করা। ২. দৈনন্দিন সহিংসতা বন্ধ করে জননিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করা। ৩. ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী ও অসহায় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় দৃঢ় নিশ্চয়তা প্রদান করা। ৪. সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা বন্ধ এবং বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনা। ৫. গত এক বছরের ঘটনাবলী তদন্তে জাতিসংঘকে একটি “নতুন ও নিরপেক্ষ তদন্ত” পরিচালনার করতে হবে।

সবশেষে তিনি আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ‘একমাত্র বৈধ অভিভাবক’ হিসেবে দাবি করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তিকে সংবিধান পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

ভাষণের এক পর্যায়ে ইউনূসকে যে কোনো আসনে তার বিরুদ্ধে লড়াই করার চ্যালেঞ্জও জানান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।