সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

ইসলামি সম্মেলন ও ক্বেরাত মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

সোনাগাজী মারকাযুল কোরআন হিফজ মাদ্রাসার হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:৩৩ পিএম | 115 বার পড়া হয়েছে
সোনাগাজী মারকাযুল কোরআন হিফজ মাদ্রাসার হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান

মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বয়ান করবেন মাও. ড. এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী, সভাপতিত্ব করবেন শায়খুল হাদীস নুরুল ইসলাম আদিব

সোনাগাজী মারকাযুল কোরআন হিফজ মাদ্রাসার হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান উপলক্ষে আয়োজিতব্য ইসলামি সম্মেলন ও আন্তর্জাতিক ক্বেরাত মাহফিল সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে সোনাগাজী মারকাযুল কোরআন হিফজ মাদ্রাসার হলরুমে এই পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার উপদেষ্টা ও সোনাগাজী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ইমাম উদ্দিন ভূঞা। সভাটি পরিচালনা করেন মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা বেলায়েত হোসেন।

পরামর্শ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাও. মো. মোস্তফা, দারুল উলুম ওলামাবাজার মাদ্রাসার সাবেক সিনিয়র উস্তাদ মাওলানা মোজাম্মেল হোসেন, সোনাগাজী কামিল মাদ্রাসার আরবি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আবুল কাশেম।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সোনাগাজী প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ আবদুল হান্নান, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ হোসাইন মামুন, পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি মহসিন ভূঞা, চরচান্দিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মুজিবুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সভায় বক্তারা বলেন, হাফেজে কোরআনরা জাতির গর্ব। তাদের সম্মাননা প্রদান ও কোরআনের খেদমতে উৎসাহিত করার জন্য এই ধরনের আয়োজন অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আসন্ন মাহফিলটি সুশৃঙ্খল ও সুন্দরভাবে আয়োজন করার জন্য সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা বেলায়েত হোসেন জানান, আয়োজিত ইসলামি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করবেন খতমে তাহরিকে নবুয়তের আমির বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাও. ড. এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী। মাহফিলে সভাপতিত্ব করবেন দারুল উলুম ওলামাবাজার মাদ্রাসার মুহতামিম শায়খুল হাদীস নুরুল ইসলাম আদিব।

তিনি আরও জানান, ক্বেরাত মাহফিলে মিশর, তানজানিয়া, আফ্রিকা ও পাকিস্তান থেকে আগত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্বারীগণ অংশগ্রহণ করবেন, যা মাহফিলকে আরও প্রাণবন্ত ও হৃদয়স্পর্শী করে তুলবে।

পরামর্শ সভায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে আসন্ন মাহফিল সফল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উপকমিটি গঠন ও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।

ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৭ পিএম
ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির উত্তরাঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তৌহিদ মো. সিয়াম পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে সিয়াম লিখেছেন, ‘গত ২৮ মার্চ আমি জাতীয় ছাত্রশক্তি থেকে পদত্যাগ করেছি। এই পথচলায় যারা আমার সহযোদ্ধা ছিলেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। জাতীয় ছাত্রশক্তি ও এনসিপির নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রয়াস সফল হোক এই কামনা করি।’

আবু তৌহিদ মো. সিয়াম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বাগছাসের নাম পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে গত ২৩ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় ছাত্রশক্তি।

এরপর ৩১ অক্টোবর সংগঠনটির চার সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) পদে দায়িত্ব পেয়েছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু তৌহিদ মো. সিয়াম।

মোঃ সাকিব মুন্সী

মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ সাকিব মুন্সী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান আকন্দ শফিক, তিনি মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার নিজ বাড়ির সামনে বিলে ঘাস কাটতে গেলে জমির মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে একই গ্রামের মো. সোহেল (৩৫), তার ভাই মো. কায়েস (২৮), কাউসার (৩০) ও মো. সাগর (২২) মিলে তাকে মারধর করে এবং পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদে রোববার মদন পৌরশহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা, এতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত সোহেল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “মেহেদী হাসান আমার চাষকৃত জমিতে ঘাস কাটছিল। আমি বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয়। তবে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ সঠিক নয়।”
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৩ পিএম
জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নিউজফিডে অহেতুক একটা বিতর্ক দেখছি।
দুজনের বয়স কাছাকাছি, কিন্তু জয়া যেভাবে নিজেকে মেন্টেইন করেছেন, নিজের বয়সকে ধরে রেখেছেন, বিপাশা সেভাবে পারেননি,
তার শরীরে বয়সের ছাপ পড়েছে, চুল পেকেছে আরো কত কি।
সমস্যাটা আসলে কার চুল সাদা, কার ফিগার ছিপছিপে, কার মেকআপ কম সেটা না, সমস্যাটা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে।
একটা অদ্ভুত মানসিকতা ধীরে ধীরে সমাজে জায়গা করে নিয়েছে।
যেখানে একজন নারী বয়সকে যেভাবে গ্রহণ করবেন, সেটাকেই আদর্শ বানিয়ে অন্যদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিপাশা হায়াত যদি নিজের সাদা চুল, স্বাভাবিক বয়স এসবকে গ্রহণ করেন, সেটা তার ব্যক্তিগত পছন্দ, তার স্বাচ্ছন্দ্য।
কিন্তু সেই পছন্দকে মাপকাঠি বানিয়ে অন্য নারীদের বিচার করা এটা আসলে প্রশংসা না, এটা নিয়ন্ত্রণের আরেক রূপ।
একইভাবে, জয়া আহসান যদি নিজেকে ফিট রাখেন, স্টাইলিশ থাকেন, কিংবা নিজের মতো করে ইয়াং অনুভব করতে চান, তাহলে সেটাও তার অধিকার।
বয়স বাড়লেই কেন একজন নারীকে নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢুকে যেতে হবে?
কেন তার সাজ, পোশাক, এমনকি নিজের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি সবকিছু সমাজ ঠিক করে দেবে?
সবচেয়ে বড় সমস্যার বিষয় হলো এই তুলনাটা।
একজনকে তুলে ধরতে গিয়ে আরেকজনকে ছোট করা।
একজন স্বাভাবিক, কারণ তিনি বয়স মেনে নিয়েছেন,
আরেকজন অস্বাভাবিক, কারণ তিনি নিজেকে ধরে রাখতে চান।
এই বিভাজনটা আসলে কতটা যুক্তিযুক্ত?
সত্যি বলতে, এখানে প্রশংসার আড়ালে একটা সূক্ষ্ম চাপ কাজ করে, তুমি এমন হও, না হলে তুমি ভুল, তুমি খারাপ।
কেউ সাদা চুলে স্বাচ্ছন্দ,
কেউ রঙ করে ভালো লাগে।
কেউ মেকআপ ছাড়াই স্বস্তিতে,
কেউ সাজতে ভালোবাসে।
এই ভিন্নতাই স্বাভাবিক।
সমালোচনা যদি করতেই হয়, তাহলে এই দ্বিমুখী মানসিকতারই করা উচিত।
যেখানে একজন নারীর স্বাধীন পছন্দকে আরেকজনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়।
কারণ শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা খুব সহজ,
নারী কি নিজের মতো করে বাঁচতে পারবে?
নাকি তাকে সবসময় অন্যের পছন্দ অনুযায়ী বদলাতে হবে?

error: Content is protected !!