সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনের শেষ ২৪ ঘণ্টা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৩০ এএম | 127 বার পড়া হয়েছে
রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনের শেষ ২৪ ঘণ্টা

১১ রবিউল আউয়াল আনুমানিক দুপুর ১২টায় কয়েকদিনের অসুস্থতার পর রাসূলুল্লাহ ﷺ কিছুটা সুস্থ অনুভব করেন।
যুহরের নামাজের পর, অর্থাৎ আনুমানিক দুপুর ১.৩০ এ তিনি তাঁর দুই চাচাতো ভাই আলী ও ফদল ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমার কাঁধে ভর করে মসজিদে যান।
রাসূলুল্লাহ ﷺ কে মসজিদে আসতে দেখে সাহাবীরা খুশি হন। মসজিদে গিয়ে তিনি ঘোষণা করেন— যার ওপর আমার হক আছে, সে যেন এসে নিয়ে যায়।
তখন সাহাবী উকাশা ইবনে মিহসান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন বদর যুদ্ধের কিসাসের কথা, রাসূলুল্লাহ ﷺ বদরের দিন তাঁকে মিসওয়াক দিয়ে সামান্য আঘাত করেছিলেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ অনুমতি দিলে উকাশা অদ্ভুত একটি কাজ করেন!
তিনি ক্ষতিপূরণ হিশেবে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর পেটে চুমু দিলেন!
.
বিকেল ৩.৩০ অর্থাৎ আসরের পর থেকে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আবার অসুস্থতা শুরু হয়।
আস্তে আস্তে জ্বর বাড়তে থাকে। তিনি মাগরিবের নামাজে যেতে পারেননি। তাঁর অনুপস্থিতিতে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু মাগরিবের নামাজের ইমামতি করেন।
রাত ৮টা। এশার নামাজের সময় তিনি ওঠার চেষ্টা করেন। কিন্তু তীব্র জ্বরে ওঠার সামর্থ্য ছিলো না। অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিলেন!
রাত ১০ টার পর তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কোলে মাথা রেখে শুয়ে থাকেন। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা পানির পাত্রে হাত ডুবিয়ে তাঁর মুখ মুছে দেন।
আনুমানিক রাত ২ টার পর থেকে রাসূলুল্লাহ ﷺ মিনমিন করে দুআ করতে থাকেন— “আল্লাহুম্মা রফীকুল আ’লা।”
.
১২ রবিউল আউয়াল, ভোর ৫.১৫।
রাসূলুল্লাহ ﷺ ফজরের নামাজের সময় ঘর থেকে পর্দা সরান। সাহাবীদেরকে নামাজে দেখতে পেয়ে তিনি সন্তুষ্টমনে হাসেন। সাহাবীদের মনে হচ্ছিলো রাসূলুল্লাহ ﷺ বুঝি সুস্থ হয়ে ওঠেছেন, তিনি নামাজ পড়াতে আসবেন।
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু ইমামতি ছেড়ে পেছনে আসতে চাইলে রাসূলুল্লাহ ﷺ বুঝালেন— ইমামতি চালিয়ে যেতে।
তিনি শুধু আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নামাজ চালিয়ে যেতে বলেন, এইদিন জামআতে অংশগ্রহণ করেননি।
তাঁর এই অবস্থা দেখে সাহাবীরা ভেবেছিলেন— এই তো রাসূলুল্লাহ ﷺ সুস্থ হয়ে ওঠেছেন।
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু নামাজ শেষে চলে যান তাঁর একজন স্ত্রী হাবিবা বিনতে খারিজা রাদিয়াল্লাহু আনহার বাড়ি। মসজিদে নববী থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে।
.
ফজরের পর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর শারীরিক অবস্থা দুর্বল হতে থাকে। তিনি চেতন হচ্ছিলেন, আবার অচেতন হচ্ছিলেন।
একবার চেতনা ফিরে পাবার পর দেখতে পেলেন আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা মিসওয়াক করছেন। তখন তাঁকে বলেন তাঁর জন্য মিসওয়াক নরম করে দিতে।
আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা মিসওয়াক নরম করে দিলে রাসূলুল্লাহ ﷺ মিসওয়াক করেন।
বলা হয়ে থাকে, এটা ছিলো রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনের বাহ্যিক সর্বশেষ আমল— মিসওয়াক করা।
তখন ঘড়ির কাটায় আনুমানিক সকাল ৮ টা।
.
এরপর রাসূলুল্লাহ ﷺ মৃদুস্বরে উপদেশ দিলেন— নামাজ…নামাজ…নামাজ। তোমরা দাস-দাসীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো।
.
১২ রবিউল আউয়াল সকাল আনুমানিক ১০ টা থেকে ১১.৩০।
রাসূলুল্লাহ ﷺ এর শরীর দুর্বল হয়ে আসে।
তিনি ছিলেন তখন আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কোলে। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা উদ্বিগ্ন।
তিনি বুঝতে পারছেন রাসূলুল্লাহর নিঃশ্বাস ভারি হচ্ছে, তাঁর শরীরে ঢলে পড়ছেন।
বারবার তিনি উপরের দিকে তাকাচ্ছিলেন, যেন কিছু দেখতে পাচ্ছেন। আর বলছেন- …রফীকুল আ’লা…।
হঠাৎ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা খেয়াল করলেন তাঁর কোল ভারী হয়ে আসছে। যেন পুরো শরীর তার কোলে ঢলে পড়লো!
রাসূলুল্লাহ ﷺ এর পবিত্র দেহ মোবারক নিথর হয়ে আছে। কোনো সাড়াশব্দ নেই, শরীরের কোনো স্পন্দন নেই!
১৮ বছর বয়সী আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার বুঝতে বাকি রইলো না— পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ পৃথিবীর সফর শেষ করে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে গেছেন!
ইন্নালিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজীউন!
সাহাবীরা বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তাঁদের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। এইতো ৪-৫ ঘণ্টা আগেও তিনি ফজরের নামাজের সময় পর্দা তুলে তাকিয়ে হেসেছিলেন।
তাঁর হাসি দেখে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুই তো ভেবেছিলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ সুস্থ হয়েছেন, তিনি চলে গিয়েছিলেন দূরে।
কিন্তু, কে জানতো ফজরের নামাজে যে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁদের দিকে তাকিয়েছিলেন, এটাই ছিলো সাহাবীদের দিকে তাঁর শেষ তাকানো!
সাহাবীরা পাগলের মতো চারিদিকে ছুটছেন। বুঝতেই পারছেন না কী হলো।
উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তো মসজিদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেন— যে বলবে রাসূলুল্লাহ ﷺ ইন্তেকাল করেছেন, তাকে এই তরবারি দিয়ে হত্যা করবো!
অনেকেই ভাবছে, এটা বুঝি উহুদ যুদ্ধের সেই গুজবের মতো। রাসূলুল্লাহ ﷺ আবার উঠে দাঁড়াবেন। তিনি কীভাবে ইন্তেকাল করতে পারেন!?
আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন- “যে দিন নবী ﷺ আমাদের মাঝে এসেছিলেন, সেই দিনের মতো উজ্জ্বল দিন আর কখনো দেখিনি।
আর যে দিন তিনি ইন্তেকাল করলেন, সেই দিনের মতো অন্ধকার দিনও আর কখনো দেখিনি!”
১২ রবিউল আউয়াল আনুমানিক সকাল ১০-১১.৩০ এর মধ্যে রাসূলুল্লাহ ﷺ ইন্তেকাল করেন।
অর্থাৎ যুহরের নামাজের আগেই।
.
চিন্তা করুন, তাঁর ইন্তেকালের পর যুহরের আযান দিতে গিয়ে কী অবস্থা হয়েছিলো বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুর?
‘আসহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ বলার পর তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান!
কেনোই বা পড়বেন না?
গত ১০ বছর ধরে প্রায় ১৮,২৫০ ওয়াক্ত নামাজের আযান দেবার সময় যখন বলতেন ‘আসহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’, তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর আশেপাশেই থাকতেন।
আর এবার যখন আযান দিতে গেলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ দুনিয়ার বুকে নেই!
চিন্তা করুন, কেমন ছিলো সাহাবীদের সেদিনের মানসিক অবস্থা!
আল্লাহ যদি আত্মহত্যা ‘হালাল’ করতেন, সেদিন কয়েকশো সাহাবী কি সেই পথ বেছে নিতেন?
সাহাবীদের জীবনে সেই দিনটি ছিলো তাদের সবচেয়ে সবচেয়ে কষ্টের দিন!
কেউ যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না!
যিনি ছিলেন তাঁদের সবচেয়ে প্রিয়, তিনি নেই!
কীভাবে তারা সহ্য করলেন!
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৭ পিএম
ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির উত্তরাঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তৌহিদ মো. সিয়াম পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে সিয়াম লিখেছেন, ‘গত ২৮ মার্চ আমি জাতীয় ছাত্রশক্তি থেকে পদত্যাগ করেছি। এই পথচলায় যারা আমার সহযোদ্ধা ছিলেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। জাতীয় ছাত্রশক্তি ও এনসিপির নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রয়াস সফল হোক এই কামনা করি।’

আবু তৌহিদ মো. সিয়াম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বাগছাসের নাম পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে গত ২৩ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় ছাত্রশক্তি।

এরপর ৩১ অক্টোবর সংগঠনটির চার সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) পদে দায়িত্ব পেয়েছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু তৌহিদ মো. সিয়াম।

মোঃ সাকিব মুন্সী

মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ সাকিব মুন্সী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান আকন্দ শফিক, তিনি মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার নিজ বাড়ির সামনে বিলে ঘাস কাটতে গেলে জমির মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে একই গ্রামের মো. সোহেল (৩৫), তার ভাই মো. কায়েস (২৮), কাউসার (৩০) ও মো. সাগর (২২) মিলে তাকে মারধর করে এবং পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদে রোববার মদন পৌরশহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা, এতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত সোহেল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “মেহেদী হাসান আমার চাষকৃত জমিতে ঘাস কাটছিল। আমি বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয়। তবে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ সঠিক নয়।”
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৩ পিএম
জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নিউজফিডে অহেতুক একটা বিতর্ক দেখছি।
দুজনের বয়স কাছাকাছি, কিন্তু জয়া যেভাবে নিজেকে মেন্টেইন করেছেন, নিজের বয়সকে ধরে রেখেছেন, বিপাশা সেভাবে পারেননি,
তার শরীরে বয়সের ছাপ পড়েছে, চুল পেকেছে আরো কত কি।
সমস্যাটা আসলে কার চুল সাদা, কার ফিগার ছিপছিপে, কার মেকআপ কম সেটা না, সমস্যাটা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে।
একটা অদ্ভুত মানসিকতা ধীরে ধীরে সমাজে জায়গা করে নিয়েছে।
যেখানে একজন নারী বয়সকে যেভাবে গ্রহণ করবেন, সেটাকেই আদর্শ বানিয়ে অন্যদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিপাশা হায়াত যদি নিজের সাদা চুল, স্বাভাবিক বয়স এসবকে গ্রহণ করেন, সেটা তার ব্যক্তিগত পছন্দ, তার স্বাচ্ছন্দ্য।
কিন্তু সেই পছন্দকে মাপকাঠি বানিয়ে অন্য নারীদের বিচার করা এটা আসলে প্রশংসা না, এটা নিয়ন্ত্রণের আরেক রূপ।
একইভাবে, জয়া আহসান যদি নিজেকে ফিট রাখেন, স্টাইলিশ থাকেন, কিংবা নিজের মতো করে ইয়াং অনুভব করতে চান, তাহলে সেটাও তার অধিকার।
বয়স বাড়লেই কেন একজন নারীকে নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢুকে যেতে হবে?
কেন তার সাজ, পোশাক, এমনকি নিজের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি সবকিছু সমাজ ঠিক করে দেবে?
সবচেয়ে বড় সমস্যার বিষয় হলো এই তুলনাটা।
একজনকে তুলে ধরতে গিয়ে আরেকজনকে ছোট করা।
একজন স্বাভাবিক, কারণ তিনি বয়স মেনে নিয়েছেন,
আরেকজন অস্বাভাবিক, কারণ তিনি নিজেকে ধরে রাখতে চান।
এই বিভাজনটা আসলে কতটা যুক্তিযুক্ত?
সত্যি বলতে, এখানে প্রশংসার আড়ালে একটা সূক্ষ্ম চাপ কাজ করে, তুমি এমন হও, না হলে তুমি ভুল, তুমি খারাপ।
কেউ সাদা চুলে স্বাচ্ছন্দ,
কেউ রঙ করে ভালো লাগে।
কেউ মেকআপ ছাড়াই স্বস্তিতে,
কেউ সাজতে ভালোবাসে।
এই ভিন্নতাই স্বাভাবিক।
সমালোচনা যদি করতেই হয়, তাহলে এই দ্বিমুখী মানসিকতারই করা উচিত।
যেখানে একজন নারীর স্বাধীন পছন্দকে আরেকজনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়।
কারণ শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা খুব সহজ,
নারী কি নিজের মতো করে বাঁচতে পারবে?
নাকি তাকে সবসময় অন্যের পছন্দ অনুযায়ী বদলাতে হবে?

error: Content is protected !!