রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২
রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামে বিসিক উদ্যোক্তা মেলার নামে বাণিজ্য মেলা পরিচালনা সহ নানা অভিযোগ

MD.Ruhul Amin (Ruku)
MD.Ruhul Amin (Ruku) - Kurigram District Reporter, Kurigram District প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:৪১ পিএম | 118 বার পড়া হয়েছে
কুড়িগ্রামে বিসিক উদ্যোক্তা মেলার নামে বাণিজ্য মেলা পরিচালনা সহ নানা অভিযোগ

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) আয়োজিত ১০ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বাণিজ্য মেলায় রূপ নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিসিকের স্থানীয় উপব্যবস্থাপকের কারসাজিতে মেলা পরিচালনার সুযোগ নিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে কয়েক লাখ টাকা।

বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের তথ্যানুসন্ধানের পর স্থানীয় প্রশাসন মেলায় বসানো সব বাণিজ্যিক রাইড বন্ধের নির্দেশ দিলেও অন্যান্য কার্যক্রম চলমান ছিল।

সরেজমিনে দেখা যায়, ২৭ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত উদ্যোক্তাদের হাতে তৈরি হস্ত ও কুটির শিল্প সামগ্রী প্রদর্শন ও বিক্রয়ের কথা থাকলেও মেলায় স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উপস্থিতি খুবই কম। অধিকাংশ স্টল ভরা সাধারণ বাণিজ্যিক পণ্যদ্রব্যে। অনেক স্টলে সাইনবোর্ড নিচে নামিয়ে রাখা হয়েছে অজ্ঞাত কারণে।

এছাড়া দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্টলের সামনে ভেজা পোশাক শুকানোয় মেলায় আসা নারী উদ্যোক্তা ও দর্শনার্থীরা পড়ছেন অস্বস্তিতে।

মেলার জন্য সরকারি বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কিন্তু স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ২০টি স্টল। মোট ৯৮টি স্টলের বাকি ৭৮টি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে নিবন্ধনহীন ব্যবসায়ীদের হাতে। সাভার, রাজশাহী, ঢাকা, চাঁদপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা এসব ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রতিদিন ১–২ হাজার টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। যদিও সরকারি হিসেবে প্রতিটি অনিবন্ধিত স্টলের ভাড়া জমা দেওয়ার কথা ৩ হাজার টাকা।

অভিযোগ রয়েছে, এসব ৭৮টি স্টল একাধিক দালালের মাধ্যমে ‘শ’ নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয় ৮–১০ হাজার টাকায়। যারা একাধিক স্টল পেয়েছেন, তাদের দিতে হয়েছে ২০–২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এসব হিসাব মিলিয়ে বিসিক উপব্যবস্থাপক আগাম হিসেবে পকেটস্থ করেন প্রায় ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। রংপুর ও লালমনিরহাটের তিস্তা এলাকায় ‘শ’ নামের ওই ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করে এসব অর্থ গ্রহণ করেন বলে জানা গেছে। এ কাজে তার বিশেষ সহকারী সুমন মিয়া সহযোগিতা করেছেন।

মেলার ভেতরের স্টল থেকে প্রতিদিন ১–২ হাজার টাকা তুলছেন বিসিকের আরেকজন কর্মী ও একটি মধ্যস্থতাকারী চক্র। এছাড়া নৌকা, ট্রেন, বক্সিং পয়েন্টসহ কয়েকটি রাইড থেকেও উপব্যবস্থাপকের পকেটে ঢুকছে মোটা অংকের টাকা। নাইটগার্ড থাকা সত্ত্বেও এসব স্টলে চুরির অভিযোগ করেছেন অনেক দোকানদার। তাদের দাবি, জামদানী শাড়ি, থ্রি–পিস, আংটিসহ নানা মালামাল চুরি গেছে।

মেলায় ঘুরতে আসা স্থানীয় দম্পতি আশিকুর ও রত্না বলেন, “হস্ত ও কুটির শিল্পের প্রদর্শনী দেখতে এসেছি। কিন্তু এখানে যে ধরনের পণ্যের স্টল আছে, তা দেখে বোঝা যাচ্ছে না—এটি উদ্যোক্তা মেলা, না বাণিজ্য মেলা।”

স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান, বার্ষিক পরীক্ষার সময় স্কুলসংলগ্ন স্থানে বাণিজ্যিক মেলা তাদের জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর।

সুজন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি খন্দকার খায়রুল আনাম বলেন, “মেলা নিয়ে যথাযথ প্রচারণা হয়নি। অনেক স্থানীয় উদ্যোক্তাই জানেন না মেলা হচ্ছে। পরীক্ষার সময়ে স্কুলের পাশে এমন মেলা অযৌক্তিক। এছাড়া দূরদূরান্তের ব্যবসায়ীদের টাকা নিয়ে সুযোগ দেওয়ার অভিযোগও গুরুতর। বিষয়টি প্রশাসনের তদন্ত করা উচিত।”

অভিযোগ সম্পর্কে উপব্যবস্থাপক শাহ মোহাম্মদ জোনায়েদ বলেন, “বাইরের উদ্যোক্তাদের আসায় কোনো বাধা নেই। স্থানীয়রা আগ্রহী না হওয়ায় তাদের ডাকা হয়েছে। আমরা তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিইনি। আমি ঢাকায় মিটিংয়ে আছি, ফিরে কথা বলব।”

জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, “মেলায় কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি কাম্য নয়। আপনারা যা যা জানালেন তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভূঞাপুরে মহিলা সমাবেশ ও দোয়া মাহফিল

খন্দকার আউয়াল ভাসানী (টাঙ্গাইল) প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ পিএম
ভূঞাপুরে মহিলা সমাবেশ ও দোয়া মাহফিল

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক মহিলা সমাবেশ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুর সহধর্মিণী বিলকিস সালাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভূঞাপুর পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।বিলকিস সালাম প্রধান অতিথি বিলকিস সালাম

তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। আমরা তাঁর আদর্শ ধারণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এগিয়ে নেব। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।”দোয়া মাহফিলে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তাঁর ভূমিকা এবং দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে বক্তারা তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। শেষে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

সাব্বির আলম বাবু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কালের স্বাক্ষী পাঁচ শতাধিক বছরের পুরনো কমলা রানীর দীঘি

সাব্বির আলম বাবু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৪৭ পিএম
কালের স্বাক্ষী পাঁচ শতাধিক বছরের পুরনো কমলা রানীর দীঘি

ঐতিহ্যের কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে পাঁচ শতাধিক বছরের পুরনো দক্ষিণ বাংলার সবচেয়ে বড় দীঘি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীর তীরে ‘সুন্দরী কমলা রানীর দীঘি’।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চন্দ্রদ্বীপ রাজার শৌর্যবীর্যের স্মৃতি এই কমলা রানীর দীঘি। কথিত আছে, রাজা জয়দেবের কোনো পুত্র সন্তান ছিল না। কমলা সুন্দরী ও বিদ্যাসুন্দরী নামে দুই মেয়ে ছিল। কমলা ছিলেন বুদ্ধিমতি। পিতার নির্দেশে তিনি রাজ্য পরিচালনা ও অস্ত্র চালনা শেখেন। পরিণত বয়সে রাজা কমলাকে বাবুগঞ্জ থানার দেহেরগতি গ্রামের উষাপতির পুত্র বলভদ্র বসুর সঙ্গে বিয়ে দেন।

বলভদ্র বসু ছিলেন বিদ্যোৎশায়ী ও বিভিন্ন শাসে্ত্র পণ্ডিত এবং যুদ্ধ বিদ্যায় অতুলনীয়। বলভদ্র বসু অবশ্য দেখতে কালো ছিলেন, তাই প্রজারা তাকে কালো রাজা বলতেন। বিয়ের পর কমলা স্বামীসহ কচুয়াতেই বসবাস করতেন। রাজা জয়দেব তার মৃত্যুর সময় কমলাকে পরবর্তী রাজা নিযুক্ত করেছিলেন।১৪৯০ খ্রিস্টাব্দে কমলা সিংহাসনে আরোহণ করেন।

কমলা রানীর দীঘির পাড়ের উচ্চতা প্রায় ৪০-৫০ ফুট। এতবড় এবং উঁচু পাড় বিশিষ্ট দীঘি তখন এ বঙ্গে ছিল প্রথম। দীঘি খননে তখনকার দিনে মোট ৯ লাখ টাকা খরচ হয়েছিল। কথিত আছে, দীঘি খনন হলেও দীঘিতে পানি উঠছিল না। অথচ দীঘির চার পাশে ছিল পুকুর, ডোবা-নালা, খাল-বিল পানিতে ভর্তি। পানি উঠাতে পূজা দেওয়া হয়, কাঙালি ভোজের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু তারপরেও পানি ওঠেনি। এ জন্য কমলা রানীসহ সভাসদ ও প্রজাদের চোখে ঘুম ছিল না। একদিন রাতে কমলা রানী পালংকে ঘুমাচ্ছিলেন। তখন কে যেন ফিস ফিস করে তার কানে কানে সাবধান করে দিয়ে যায়- যদি না সে পুকুরের ভিতর খালি পায়ে এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে হেঁটে না আসেন- তাহলে কিছুতেই এক ফোঁটা পানিও ওঠবে না। তখন কমলা রানী পূজা অর্চনা সেরে খালি পায়ে দীঘিতে হাঁটা শুরু করেন। তিনি দীঘির মাঝে পৌঁছাতেই পানি ওঠা শুরু করে। চোখের নিমিষে কমলার হাঁটু পর্যন্ত পানিতে ডুবে যায়। কমলা অবশ্য জিদ ধরে ছিলেন। পানি কোমর পর্যন্ত না ওঠা অবধি তিনি পাড়ে উঠবেন না। এই কাজ করতে গিয়ে পানি এতটাই উঠে যায় যে কমলা আর সেই পানি থেকে তীরে উঠতে পারেননি। তিনি ওই পানিতে ডুবে হারিয়ে যান। সেই কমলা সুন্দরী দীঘির উত্তর পাড় দিয়ে তেঁতুলিয়া নদীতে চলে গেল। ৫২৬ বছর আগের সেই খাল ও দীঘিটি এখন কালের সাক্ষী হয়ে নানা স্মৃতি বহন করছে।

অপহৃত ট্রাক ও চালক উদ্ধার

নওগাঁয় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

মর্তুজা শাহাদত সাধন, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৩৮ পিএম
নওগাঁয় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

নওগাঁর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) নওগাঁর টানা অভিযানে আন্তঃজেলা কুখ্যাত ডাকাত চক্রের ৬ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ডাকাতির শিকার হওয়া ট্রাক, অপহৃত ট্রাকচালক ও হেলপার এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত আরেকটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে।

ডাকাতির ঘটনার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার সময় প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

জানা যায়, গত ২২ জানুয়ারি দিনাজপুর জেলার বদরগঞ্জ এলাকা থেকে ট্রাকচালক মারুফ ও তার হেলপার শামীম একটি ট্রাকে (ঢাকা মেট্রো-ট ১৬-০১৩৮) করে প্রায় ২৫০ বস্তা (৫০০ মন) ধান বোঝাই করে নওগাঁ জেলার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পরদিন রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে নওগাঁ সদর থানার শেষ সীমানার কীর্ত্তিপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের নির্জন সড়কে পৌঁছালে একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল পিছন দিক থেকে আরেকটি ট্রাক দিয়ে ওভারটেক করে সামনে ব্যারিকেড দেয়। এ সময় ডাকাতরা ট্রাকের কাচ ভেঙে চালক ও হেলপারকে মারধর করে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং ধানসহ ট্রাকটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনাটি জানার সাথে সাথেই পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সদর থানা, বদলগাছি থানা ও সদর সার্কেলের পুলিশ সদস্যরা মাঠে নামেন। তদন্তের এক পর্যায়ে পাওয়া তথ্যে বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার মোকামতলা তদন্ত কেন্দ্রে একটি ট্রাক ও একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক রাখা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে ডিবি নওগাঁর একটি টিম সেখানে পৌঁছে আটক ব্যক্তি মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ (৩০) কে জিজ্ঞাসাবাদ করে ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত হয় যে, সে ডাকাতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এরপর আরিফুল ইসলামকে হেফাজতে নিয়ে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ ও সাদুল্যাপুর থানায় অভিযান চালিয়ে মো. গোলাপ (২৪), লাভলু (২৮) কে আরও দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর এলাকায় ডাকাত দলের সর্দার মো. সামিউল ইসলাম (৩০) কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে গেলেও তার ভাড়া বাসা থেকে ডাকাতি হওয়া ট্রাকের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ঢাকা জেলার আশুলিয়া, সাভার ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও তিনজন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।