বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান: আলহাজ্ব শিপলু খান

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৫ এএম | 96 বার পড়া হয়েছে
সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান: আলহাজ্ব শিপলু খান

পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা উলানিয়া বন্দর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া বিএনপি নেতৃবৃন্দকে, প্রাঙ্গণে হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে এ আয়োজন করা হয়। বিএনপির সকল প্রবীণ ও নবীনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা থানাধীন উলানিয়া বন্দরে বিএনপির সকল প্রবীণ ও নবীনদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জনাব মোঃ আলহাজ্ব শিপলু খান সাবেক চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, জেলা যুবদল, পটুয়াখালী। বিশেষ অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব সোহরাব হোসেন মিয়া, সাবেক ছাত্র দল সাধারণ সম্পাদক বর্তমান যুবদলের নেতা এস এম সোহাগ রানা , গলাচিপা উপজেলা বিএন পি। বিশেষ অতিথি জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম খান সাবেক সভাপতি, গলাচিপা পৌর বিএনপি সাবেক পৌর কাউন্সিলর। আরো বিশেষ অতিথি জনাব আব্দুস সোবাহান মিয়া সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গলাচিপা উপজেলা বিএনপি। বিশেষ অতিথি জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান নেছার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, গলাচিপা পৌর বিএমপি। বিশেষ অতিথি জনাবা মোসাঃ রেনু আক্তার সদস্য, পটুয়াখালী জেলা মহিলা দল সাবেক সভানেত্রী উপজেলা মহিলা দল ও সাবেক সভাপতি, চর বিশ্বাস ইউনিয়ন বিএনপি। বিশেষ অতিথি জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন সিকদার যুগ্ন আহবায়ক, গলাচিপা উপজেলা যুবদল ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর। বিশেষ অতিথি জনাব শায়েব আলী মাতুব্বর যুগ্ন আহবায়ক, গলাচিপা উপজেলা যুবদল ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর। বিশেষ অতিথি জনাব সোহাগ মিয়া যুগ্ন আহবায়ক গলাচিপা উপজেলা যুবদল ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আরো উপস্থিত থাকেন ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়ন ও ৫ নং রতনদী তালতলী ইউনিয়নের বিএনপির প্রবীণ ও তরুণ সকল অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সভাপতিত্ব করেনঃ জনাব মোঃ আলহাজ্ব ফজলে আলী খান সাবেক ইউ পি সদস্য ১ ২ ৩ নং ওয়ার্ড ডাকুয়া।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে
আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি এন পি জনাব,মোঃ আলহাজ্ব শাজাহান খান, তার একমাত্র পুত্র মোঃ শিপলু খান বক্তব্যে তিনি বলেন—
“মিথ্যা মামলা দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের দমিয়ে রাখা যায় না। প্রতিহিংসার রাজনীতির মাধ্যমে সত্যকে আটকে রাখা যায় না—শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচারই বিজয়ী হয়।”
তিনি আরও বলেন—
“এদেশে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বহু নেতাকর্মী জেল-জুলুম সহ্য করেছেন। সেই সময়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে কেউ ১০ টাকাও দেয়নি। অথচ আজ একই মানুষরা নমিনেশন দাবিতে উচ্চস্বরে কথা বলেন। দলের জন্য ত্যাগের কোনো বিকল্প নেই—ত্যাগীরাই শেষ পর্যন্ত সম্মান পায়।”

প্রধান অতিথি অভিযোগ করে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার লক্ষ্যেই এসব মিথ্যা মামলা সাজানো হয়েছিল। এসব মামলায় বহু পরিবার আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। তবে আদালত প্রমাণ করেছে—সত্যকে কোনদিনই চাপা রাখা যায় না।

বক্তারা বলেন, ত্যাগী নেতাদের অব্যাহতি BNP-র আন্দোলন-সংগ্রামেরই সাফল্য। দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট করা, ভিন্নমতের মানুষকে দমন করা এবং মিথ্যা মামলায় হয়রানি—এসব বছরের পর বছর ধরে চলেছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—
উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি,
এছাড়াও উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা আরও বলেন—
“এই অব্যাহতি প্রমাণ করেছে—বিচারব্যবস্থার ওপর এখনো জনগণের আস্থা রাখার জায়গা আছে। যারা ত্যাগ করে দলের পাশে ছিলেন—বিএনপির ইতিহাসে তাদের নাম সোনালি অক্ষরে লেখা থাকবে।”
ভরে যায় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে। সংবর্ধিত নেতাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাদের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
শেষে প্রধান অতিথিসহ বক্তারা দলীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

অবৈধ পুকুর খননের সংবাদ করতে গিয়ে তাড়াশে সাংবাদিক লাঞ্ছিত,থানায় অভিযোগ দায়ের

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
অবৈধ পুকুর খননের সংবাদ করতে গিয়ে তাড়াশে সাংবাদিক লাঞ্ছিত,থানায় অভিযোগ দায়ের

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অবৈধ পুকুর খননের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তাড়াশ উপজেলার সগুনা গ্রামের বাসিন্দা ও দৈনিক চলনবিল প্রবাহ পত্রিকার সাংবাদিক রাশিদুল হাসান (৩২) গত ৪ মার্চ ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার গুল্টা এলাকায় অবৈধ পুকুর খননে উপজেলা প্রশাসনের একটি অভিযানের সংবাদ সংগ্রহে যান। তার সঙ্গে ছিলেন দৈনিক শ্যামল বাংলা ও দৈনিক তৃতীয় মাত্রা পত্রিকার সাংবাদিক খালিদ হাসান।

‎সংবাদ সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৪৫ মিনিটে তাড়াশ থানাধীন ধোপাগাড়ি বাজার এলাকায় পৌঁছালে ঠিকাদার মো. রাজু আহমেদ (৫৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন তাদের পথরোধ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

‎ভুক্তভোগীদের দাবি, এ সময় তাদের মারধর করা হয় এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে চেয়ার দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে হাত তুলে বাধা দিলে রাশিদুল হাসানের হাতে ও মাথায় আঘাত লাগে। এতে তার হাতে ক্ষত সৃষ্টি হয়ে রক্তপাত হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে শাবল ও লোহার রড নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

‎ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা তাড়াশ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তারা হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

‎এ বিষয়ে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎উল্লেখ্য, তাড়াশ উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনহীন পুকুর খননের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব খননের ফলে কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অবৈধ খনন বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি জরুরি।

‎সচেতন মহল মনে করছেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা অবাধ ও অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন। অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

error: Content is protected !!