বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২

মাদকমুক্ত,সুশীল ও সংস্কৃতমনা প্রজন্ম গড়ার সংগ্রামে কামারপাড়া হাই স্কুল

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:৩০ পিএম | 121 বার পড়া হয়েছে
মাদকমুক্ত,সুশীল ও সংস্কৃতমনা প্রজন্ম গড়ার সংগ্রামে কামারপাড়া হাই স্কুল

হরিরামপুর সাংস্কৃতিক সংসদের মহৎ উদ্যোগে গড়া এক উজ্জ্বল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

ঢাকার তুরাগ থানা এলাকার খয়েরটেক ও নিশাতনগর অঞ্চলের শিক্ষাবঞ্চিত মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করে হরিরামপুর সাংস্কৃতিক সংসদ যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছে, সেটিই আজকের “কামারপাড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ”। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি শুধু পাঠদানই নয়, বরং শিক্ষার্থীদের নৈতিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক উন্নয়নেও অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে।

প্রতিষ্ঠার ইতিহাস: সমাজের স্বপ্ন থেকে বাস্তবে রূপ

যে সময় এলাকায় কোনো মানসম্মত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল না, সেই সময় হরিরামপুর সাংস্কৃতিক সংসদের সদস্যরা শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে এগিয়ে আসেন।
তাদের লক্ষ্য ছিল—

স্থানীয় দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের জন্য শিক্ষা সহজলভ্য করা,

মাদকের ঝুঁকি ও কুসংস্কার থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখা,

সংস্কৃতি, সংগীত ও নৈতিক চর্চার মাধ্যমে একটি আদর্শ সমাজ গড়ে তোলা।

এই স্বপ্ন-চিন্তা থেকেই প্রতিষ্ঠা পায় কামারপাড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ, যা অল্প সময়েই একটি দক্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

ঐতিহ্য: সংস্কৃতি ও শিক্ষার অনন্য সমন্বয়

হরিরামপুর সাংস্কৃতিক সংসদ মূলত সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও সামাজিক দায়িত্ববোধের ওপর ভিত্তি করে কাজ করা এক ব্যতিক্রমধর্মী সংগঠন। তাদের ৩০ বছরের সাংস্কৃতিক চর্চার অভিজ্ঞতা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশে গভীর প্রভাব ফেলেছে। ফলে স্কুলটি প্রতিষ্ঠার দিন থেকে নিয়মিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন, দেশীয় গান, নাটক, আবৃত্তি প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের মানবিক ও সামাজিক মূল্যবোধ তৈরির কার্যক্রম গুলোকে শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আজ প্রতিষ্ঠানটি ‘‘সংস্কৃতিনির্ভর শিক্ষার’’ এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

অবদান: এলাকার শিক্ষা ও সমাজ পরিবর্তনে স্কুলটির ভূমিকা

কামারপাড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ শুধু পাঠদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান নয়।এটি একটি সমাজ পরিবর্তনের কেন্দ্র।

প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য অবদান—

দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ ও ফি-ছাড়ের ব্যবস্থা

মাদকবিরোধী সচেতনতা কার্যক্রম

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবক সভা

সৃজনশীল মেধা বিকাশ কর্মশালা

স্থানীয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে নেতৃত্ব

সমাজসেবা, বৃক্ষরোপণ ও রক্তদান কর্মসূচি

প্রতিষ্ঠানটি পুরো এলাকাকে শিক্ষায় আলোকিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

শিক্ষাক্ষেত্রে বর্তমান অবস্থান

বর্তমানে কামারপাড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ খয়েরটেক–নিশাতনগর–তুরাগ অঞ্চলের একটি বিশ্বস্ত ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

বর্তমান অবস্থানের কিছু বৈশিষ্ট্য—

অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক মণ্ডলী

বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে সুশৃঙ্খল পাঠদান

এসএসসি ও এইচএসসিতে সন্তোষজনক ফলাফল

ডিজিটাল ক্লাসরুম ও আধুনিক শিক্ষাসামগ্রীর ব্যবহার

নিয়মিত অভিভাবক–শিক্ষক যোগাযোগ ব্যবস্থা

শিক্ষার্থীদের সহপাঠ কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ

শিক্ষার গুণমান, শৃঙ্খলা, সহশিক্ষা—সব দিক দিয়েই প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে।

আগামী দিনের লক্ষ্য ও স্বপ্ন

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ এবং হরিরামপুর সাংস্কৃতিক সংসদের সদস্যরা আগামী দিনে—

একটি পূর্ণাঙ্গ কলেজ ভবন,

আধুনিক বিজ্ঞানাগার,

আইসিটি ল্যাব,

সঙ্গীত ও নাট্য চর্চার আরও বিস্তৃত সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছেন। লক্ষ্য একটাই: এই অঞ্চলকে একটি শিক্ষাপ্রবণ, সংস্কৃতিমনা ও মানবিক সমাজে রূপান্তর করা।

 

জয় ই মামুন

মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

জয় ই মামুন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৫ পিএম
মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃষিজমির উর্বর উপরিভাগের মাটি কেটে ইট তৈরির অভিযোগে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর ৫(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১৫(১) ধারা অনুযায়ী এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অভিযানে যেসব ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে সেগুলো হলো- কে এফ সি ব্রিকস (বেরুন্ডি) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স সোহানা ব্রিকস (খোলাপাড়া) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স এ এ বি অ্যান্ড কোং (গাড়াদিয়া) ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স জে বি সি ব্রিকস (গোবিন্দল) ২ লাখ টাকা, মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-১ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা,
মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-২ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেসার্স এম আর এম ব্রিকস (রামকান্তপুর) ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অভিযানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক মো. মোজাফফর খান।

অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাব-৪ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা সহায়তা প্রদান করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে পরিবেশ ধ্বংস রোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিস্টরা।

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী

জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ী পৌর (৪নং ওয়ার্ড) ডাঙ্গপাড়া এলাকায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় মানববন্ধন করেছে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

নিহত মিমনুর রহমান ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন (আল্লীর) প্রথম পুত্র এবং বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ তিনি ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হয়ে নিহত হন। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উদ্বেগ, শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে ব্যানার হাতে নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা ন্যায়বিচারের দাবি জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা মোছা: মনোয়ারা বেগম, সহকারী প্রধান শিক্ষক মহুবর রহমান, শিক্ষক আব্দুল হাই, মিজানুর রহমান, স্বপন কুমার রায়, ভগীরথ চন্দ্র রায় এবং সহকারী শিক্ষিকা সাজেদা সুলতানা ও শিলা রানী রায়সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন নিরপরাধ শিক্ষার্থীর এমন নির্মম মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একইসঙ্গে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে, নিহতের পরিবার শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে এবং দ্রুত বিচার প্রত্যাশা করছে। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এমন ঘটনা আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে চারতলা ভবন

আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

মেহেদী হাসান রিপন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১১ পিএম
আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

যশোরবাসীর পুলিশি সেবা আরও বেগবান ও আধুনিক করতে বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগে হাত দিয়েছে সরকার। শহরের জরাজীর্ণ কোতোয়ালি মডেল থানা ভবনটি ভেঙে সেখানে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক চারতলা ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ষাট দশকে নির্মিত বর্তমান থানা ভবনটি দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সরকারের দেশব্যাপী ১০৭টি থানা আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় এই সংস্কার কাজ শুরু হচ্ছে। যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ভবনটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২৬ হাজার স্কয়ার ফিটের এই ভবনের মূল কাঠামো বা ফাউন্ডেশন হবে ছয়তলা পর্যন্ত, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে এটি চারতলা হিসেবে নির্মিত হবে। ঝিনাইদহের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব পেয়েছে। আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেবাপ্রার্থী এবং পুলিশ সদস্যদের সুবিধার্থে ভবনের প্রতিটি তলা সুনিপুণভাবে সাজানো হয়েছে:
* প্রথম তলা: অভ্যর্থনা কেন্দ্র এবং দাপ্তরিক অফিস।
* দ্বিতীয় তলা: হাজতখানা ও প্রশাসনিক শাখা।
* তৃতীয় তলা: অফিস এবং নারী পুলিশ সদস্যদের জন্য ব্যারাক।
* চতুর্থ তলা: পুরুষ পুলিশ সদস্যদের জন্য আধুনিক ব্যারাক।

অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম চলবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়িতে

নির্মাণ কাজ চলাকালীন জনসেবা যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য থানার যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পরিচালিত হবে। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে বর্তমান ভবনটি খালি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে জনবল অনুযায়ী চাঁচড়া ফাঁড়িতে পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় পুলিশ সদস্যদের সাময়িকভাবে কিছুটা আবাসন সংকটে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, উন্নত ও আধুনিক পুলিশি সেবার স্বার্থে এই সাময়িক কষ্টটুকু মেনে নিতে হবে। নতুন ভবন নির্মিত হলে যশোরবাসীকে সেবা প্রদানের মান ও পুলিশের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

error: Content is protected !!