শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

“দি ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লার সনদ দিয়ে এমপিও বেতন করতে সরকারী ভাবে কোন সমস্যা বাধানেই।

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১০ পিএম | 67 বার পড়া হয়েছে
“দি ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লার সনদ দিয়ে এমপিও বেতন করতে সরকারী ভাবে কোন সমস্যা বাধানেই।

 

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ইউজিসি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমতি অনুমোদন প্রাপ্ত,সরকারি ভাবে শিক্ষক,প্রভাষক,
গ্ৰন্থাগারিক নিয়োগ প্রাপ্তদের তাদের বেতন ও এমপিও পেতে কোন বাধা নেই।
দি ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লা (ইউনিক)ঢাকা, বাংলাদেশ। বর্তমান চেয়ারম্যান ড.মাহফুজুর রাহমান বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ দি ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লা,এন্ড চেয়ারম্যান এটিএন বাংলা এন্ড এটিএন নিউজ লিমিটেড।
তিনি বলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ দিয়ে নিয়োগ প্রাপ্ত সকলের জন্য সুখবর,এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ দিয়ে সরকারী বেসরকারী ইত্যাদি চাকুরী নিতে এবং বেতন ভাতা ইন্ডেক্স হতেও কোনো বাধা নেই। সরকার অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দিয়েছেন,বিভিন্ন সময় অনেক বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে আবার পুনরায় চালু হয়েছে,এমন ঘটনা অনেক ঘটেছে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এর ওয়েব সাইটে বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বৈধ তালিকায় আপলোড রয়েছে। অনুমোদিত বৈধ ক্যাম্পাস থেকে ছাত্র ছাত্রী বিভিন্ন বিষয়ের উপর ডিগ্রী ও মাষ্টার ডিগ্রী অর্জন করেন। গ্ৰন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বিষয়ে মাষ্টার ডিগ্রী অর্জন বৈধ সনদ,নিয়োগ পেতে সমস্যা নেই। কিছু কর্মকর্তার কারনে নিয়োগ প্রাপ্তগন এমন সমস্যায় সম্মুখীন হয়।সর্ব শেষ ২০১৫ সালের শেষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কমিটির মাধ্যমে অনেকেই নিয়োগ যোগদান বর্তমানে তাদের এখনো বেতন ভাতা হয়নি, ২০২৫সালে অডিড রিপোর্ট তাদের পক্ষে দিয়ে,বিভিন্ন স্কুল কলেজের তালিকা আঞ্চলিক পরিচালক মহোদয়গনকে, আগে এবং পরে অর্জিত সনদ কারো থাকলে মূল্যয়ন করে আপডেট তথ্য হালনাগাদ করে বিষয়টি মানবিক উন্নয়ন সৃষ্টি করতে অনুরোধ করা হলো।

দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, এটি ঢাকায় অবস্থিত, ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়,সেই প্রেক্ষিতে ড.মাহফুজুর রাহমান চেয়ারম্যান বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ দি ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লা এন্ড চেয়ারম্যান এটিএন বাংলা এন্ড এটিএন নিউজ লিমিটেড, বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ এর চেয়ারম্যান বলেন আমাদের সনদ অনলাইন ও অফিস ভেরিফাইড যাচাইকৃত সঠিক, বেতন ভাতা এমপিও পেতে কোন বাধা নেই। সরকারি নিয়মে প্রতিষ্ঠান স্থাপন পরিচালনা ইত্যাদি অনুমতি রয়েছে। গত ২৮/০১/২০১৮ ইং তারিখের স্বারক নং ইউজিসি/প্রশা:/লিগ্যাল/৭০(১)২০১৪/৭৬৩
সূত্র -শিক্ষা/শা:১৭/১০এম-১৪/৮-৯(২)অংশ -১)/৮০০,
তারিখ ২৯/১১/২০১৭ পুনরায় শিক্ষা কার্যক্রম চালুকরনের অনুমতি আদেশ দেন। দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা ৯বি পলওয়েল কর্নেশন, সেকশন -৮, উওরা, ঢাকা ১২৩০, একমাত্র প্রধান ক্যাম্পাস। এই ইউনিভার্সিটি স্থাপিত হয় ১৯৯৫ সালে। বোর্ড অফ ট্রাস্টি এর চেয়ারম্যান জনাব, প্রফেসর ড.মোঃ জিয়াউল করিম উজ্জ্বল, ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর জনাব মোঃ কালাম হোসেন তাদের বক্তব্য দি ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লা এর সকল ছাত্র ছাত্রীদের সনদ পত্র বৈধ। তাদেরকে বিভিন্ন স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ নিয়ে যোগদান করে চাকুরী করার ন্যায্য অধিকার রয়েছে। এতদিন পরে এসে দয়া করে তাদের কোন সমস্যা করবেননা। তাদের মন্তব্য খুব চমৎকার করে দিতে আপনার দৃষ্টি কামনা করছি। সরকারি বিধি মোতাবেক এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ দিয়ে সরকারী, বেসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত, সকল ক্ষেত্রে চাকুরী করতে পারবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ইন্ডেক্স ও বেতন দিতে কোনো বাধা নেই। সকল নিয়োগ প্রাপ্তদের ছাড় করনে আঞ্চলিক শিক্ষা অফিস পরিচালক মহোদয়গনকে, প্রশাসন নির্দেশ প্রদান করেছেন।
অনুলিপি: (১)মহাপরিচালক-২ মহোদয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা,প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় তেজগাঁও ঢাকা
(২)জনাব হাসান আরিফ সাবেক এটর্নি জেনারেল, এডভোকেট সুপ্রিম কোর্ট, চেম্বার: সি-২/১২,আল বারাকা টাওয়ার ২৪২ এলিফ্যান্ট রোড ঢাকা ১২০৫ ।
(৩) উপ-পরিচালক, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগ, ইউজিসি ঢাকা ।
(৪) একান্ত সচিব (উপ-সচিব) চেয়ারম্যান মহোদয়ের দপ্তর ইউজিসি ঢাকা।
(৫) সিনিয়র সহকারী সচিব, সদস্য প্রফেসর ড.মো: আখতার হোসেন মহোদয়ের দপ্তর, ইউজিসি ঢাকা।
৬/ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, সচিব মহোদয়ের দপ্তর,ইউজিসি ঢাকা। ৭-৮/নথি/ মহানতি।
উল্লেখ্য মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চে ১৬৭১/২০১৪ নং রীট পিটিশন চূড়ান্ত ভাবে আদেশ প্রদান করেন যে,দি ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লা পুনরায় শিক্ষা কার্যক্রম চালুকরনের অনুমতি প্রাপ্ত হয়েছেন, দি ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লা এর সনদ বৈধ, চাকুরী পেতে কোন সমস্যা নেই। ঠিকানা: শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত একাডেমিক ভবন: ৯/বি পল ওয়েল কর্নেশন, সেকশন -৮, উওরা, ঢাকা ১২৩০,
ট্রাস্ট অফিস: ২২৮/ক, কুড়িল প্রগতি স্বরনী, লেভেল -৩ (দক্ষিণ পাশে) ভাটারা, ঢাকা
১২২৯, email: unicedu.ac
যোগাযোগ
০১৯৭২১১১৭২১
ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার অনুমতি পেয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন,সুপ্রিম কোর্ট অনুমতি ও আদেশ প্রদান করেছেন কোন সমস্যা নেই।
দি ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষগন পুনরায় শিক্ষা কার্যক্রম চালুকরনের অনুমতি আদেশ পাওয়ায় আন্তরিক ভাবে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেছেন।

ভারতীয় নাগরিকের লাশ দেখার সুযোগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর মানবিক দৃষ্টান্ত

শামসুন্নাহার সুমা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৪০ পিএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর মানবিক দৃষ্টান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় গত ০৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাত ঘটিকায় ভারতীয় নাগরিক মালদা জেলায় কালিয়াচক থানা দিছতরদিঘির গ্রামের বাসিন্দা কসিমুদ্দিনের স্ত্রী ফনি বেগম (৭৫) বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। সংবাদ পেয়ে বাংলাদেশে বসবাসকারী চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর জমিনপুর গ্রামে মৃত ফনি বেগম এর ভাই আতাউর রহমান (৬০) ও তার স্বজনরা লাশ দেখার জন্য বিজিবি’র নিকট আবেদন করেন।

সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজিবি’র পক্ষ হতে তাৎক্ষণিক প্রতিপক্ষ বিএসএফ এর সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং গতকাল (০৫ ডিসেম্বর) শুক্রবার সকাল সাড়ে আট ঘটিকায় মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধীনস্থ কিরণগঞ্জ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৭৯/৩-এস এর নিকট শূন্য লাইনে বিজিবি-বিএসএফ এর উপস্থিতিতে মৃতের লাশ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। লাশ দেখে বাংলাদেশী আত্মীয়-স্বজন আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং শেষবারের মত আত্মীয়কে দেখতে পেরে তারা বিজিবি’র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ ব্যাপারে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিজিবি অত্যন্ত মানবিক এবং মানবিক কাজে সব সময় সহানুভূতিশীল। বিজিবি সকল প্রকার মানবিক কাজ মৌলিক কর্তব্য হিসেবে সম্পাদনে বদ্ধ পরিকর।

ক্ষমতায় গেলে মাটিসহ খেয়ে ফেলবে

বিএনপি দুর্নীতিতে ৫ বারের চ্যাম্পিয়ন: জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম পাবনা ঈশ্বরদী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৩৬ পিএম
বিএনপি দুর্নীতিতে ৫ বারের চ্যাম্পিয়ন: জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন-“ বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে দুর্নীতিতে ৫ বারের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দেশের সর্বত্র বালু খাওয়া, পাথর খাওয়া, সব শেষ। টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ভুমিদখল, খুন, রাহাজানি করেছে। এবার যদি বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যায় তাহলে দেশের মাটিসহ খেয়ে ফেলবে। তার প্রমান হলো, গত ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে ফ্যাসিবাদ শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগ পালালে বিএনপি ভেবেছিল তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা চলে গেছে। এই কারণে দেশের সব জায়গায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি, খুন, জখম করেছে। নিজ দলের নেতাকর্মীদের খুন করেছে। মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছে”।

আজ (শুক্রবার) বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াত ইসলামির আমির ড. নুরুজ্জামান প্রামানিকের সভাপতিত্বে আলহাজ্ব খায়রুজ্জামান বাবু বাস টার্মিনালে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘড়িয়া) আসনে দলীয় প্রার্থীর আবু তালেব মন্ডলের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন-“ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনটি দল বাংলাদেশকে শাসন করেছে। তার একটি দল পালিয়েছে। আরেকটি দল অতিরিক্ত দালানি করে মুছে গেছে। আরেকটি দল বাকি। যারা দুর্নীতিতে ৫ বারের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই দলের নেতাকর্মী আজকে অনেক কিছু করতে পারেন। অথচ সেদিন বেগম জিয়া কাজের মেয়ে ফাতেমাকে নিয়ে বালুর ট্রাকের সামনে পড়েছিলেন। সেদিন তো আপনারা কেউ এগিয়ে যাননি। মানুষ এখন বলছে সব দল দেখা শেষ, এখন জামায়াত ইসলামের বাংলাদেশ”।

মোঃ আবু সাঈদ বাঘা (রাজশাহী) প্রতিবেদক

বাঘায় গ্রাম্য শালিসের আংশিক মীমাংসা হলো ষাট বছরের জমি বিরোধ

মোঃ আবু সাঈদ বাঘা (রাজশাহী) প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৬ পিএম
বাঘায় গ্রাম্য শালিসের আংশিক মীমাংসা হলো ষাট বছরের জমি বিরোধ

রাজশাহীর বাঘায় দীর্ঘ ছয় দশকের জমি-সংক্রান্ত বিরোধ আংশিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে। বাউসা ইউনিয়নের ফতিয়াদাড় গ্রামে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এই বড় পরিসরের শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

শালিসে উপস্থিত ছিলেন—বাউসা ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল জলিল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সহকারী অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন, বাউসা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন, বাঘা প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ মিঞা, বিএনপি নেতা আব্দুর রশিদ মাস্টার, রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হক, মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ মুকুলসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দীর্ঘ সময় উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা, আদালতের রায়, পরিমাপ, নথিপত্র ও পুরোনো দলিল যাচাইয়ের পর সালিস কমিটি একমত সিদ্ধান্তে পৌঁছে।

জানা যায়, ফতিয়াদাড় গ্রামের মৃত তজিম উদ্দীনের ছেলে নাজিম উদ্দীন লাল্টু ও মৃত জেকের আলীর ছেলে আরিফুল ইসলামের মধ্যে পারিবারিক উত্তরাধিকার ও ক্রয় সূত্রে পাওয়া জমি নিয়ে প্রায় ৬০ বছর ধরে বিরোধ চলছিল। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার অভিযোগ, থানায় জিডি এবং আদালতে মামলা করেও জটিলতায় দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়। এতে দুই পরিবারের সম্পর্কও তিক্ত হয়ে ওঠে।

সালিস সূত্রে জানা যায়, নাজিম উদ্দীন লাল্টু পাচপাড়া মৌজায় তার প্রাপ্য ৭ একর ২৫ শতাংশ জমির চেয়ে ২ একর ২২ শতাংশ বেশি—মোট ৯ একর ৪৭ শতাংশ জমি ভোগদখলে রেখেছিলেন। এই অতিরিক্ত অংশ নিয়েই আরিফুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল।

সালিস কমিটি আদালতের রায় ও কাগজপত্র যাচাই শেষে নাজিম উদ্দীন লাল্টুর দখলে থাকা জমির মধ্যে ৭৫ শতাংশ (প্রায় আড়াই বিঘা) জমি আরিফুল ইসলামকে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয়।

শালিসের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল জলিল জানান, সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সার্ভেয়ারের মাধ্যমে আরিফুল ইসলামকে ৬৩ শতাংশ জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় আগামী ১৩ ডিসেম্বর পরবর্তী শালিসে তা নিষ্পত্তি করা হবে।

সার্ভেয়ার মামুনুর রশিদও নিশ্চিত করেন যে, আরিফুল ইসলামকে ৬৩ শতাংশ জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। উভয় পক্ষ সালিসি সিদ্ধান্তের বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে।