বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২

বান্দরবান প্রতিনিধি

উপজাতি সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার দাবি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:৩৬ পিএম | 134 বার পড়া হয়েছে
উপজাতি সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার দাবি

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, শৃঙ্খলা ও সকল সম্প্রদায়ের জনগণের নিরাপত্তার জন্য সেনাবাহিনীকে যথাযথ ক্ষমতা দিয়ে ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীকে শক্তিশালী করে যৌথ অভিযানের মাধ্যমে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী গুলোর হাত থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকারকে কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণের দাবি পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ বান্দরবান পার্বত্য জেলা শাখার।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর ৩.০০টায় বান্দরবান জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবরে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের পক্ষে জেলা সভাপতি আসিফ ইকবাল ও সাধারণ সম্পাদক হাবিব আল মাহমুদের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি টি বান্দরবান জেলা প্রশাসকের নিকট প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, খাগড়াছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক আবুল হাসান মুহাম্মদ সোহেল রানা। ২০২১ সালে তার বিরুদ্ধে এক পাহাড়ি ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে খাগড়াছড়ির উপজাতীয় আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ সোহেল রানার বিচার দাবি করে।

ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষিতা ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে খাগড়াছড়ি সদর থানায় মামলা করে। মামলার প্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ৩ মার্চ তারিখে সোহেল রানা ঢাকায় গ্রেফতার হন। এরপর তিনি কারাগারে ছিলেন।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন মৃধার তথ্য অনুযায়ী, বেশ কিছুদিন ধরেই শিক্ষক সোহেল রানাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছিল পাহাড়ি ছাত্রছাত্রীরা। বেশ কয়েক বছর আগে সোহেল রানার বিরুদ্ধে এক পাহাড়ি ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা হয়েছিল। ওই ছাত্রী আদালতে এসে সাক্ষ্য দেয় তিনি কোন ধর্ষণের শিকার হননি। পাহাড়ি সংগঠন ইউপিডিএফ এর চাপে মামলা করেছে মর্মে সাক্ষ্য দিলে সোহেল রানা খালাস পান এবং চাকরিতে যোগদান করেন। সোহেল রানা চাকরিতে যোগদানের পর থেকে পাহাড়ি ছাত্ররা তার বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির নানা অভিযোগ এনে প্রত্যাহার দাবি করে আসছিল। ১ অক্টোবর মঙ্গলবার শিক্ষক সোহেল রানা বিদ্যালয় এলে ত্রিপুরা এক ছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ এনে শিক্ষককে হত্যা করা হয়।

শিক্ষক সোহেল রানার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পাহাড়িদের প্রতিবাদের মুখে তিনি বিদ্যালয় রিলিজ অর্ডার নিতে এসেছিলেন। কিন্তু তাকে সেই সুযোগ দেয়া হলো না।

এবার বলুন রহস্যটা কোথায়? ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ এনে উপজাতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর চাপে এক অসহায় বাবা সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা করেন। অথচ যাকে ধর্ষিতা বলা হচ্ছে তিনি নিজেই আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন তিনি ধর্ষিতা নন। অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দোষ।

কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় সোহেল রানা চাকরিতে বহাল হন। কিন্তু, তাতে বাধা দিচ্ছিল সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়। ১অক্টোবর মঙ্গলবার তিনি রিলিজ অর্ডার নিতে বিদ্যালয়ে যান। সেখানে একই সময়ে ছাত্রী ধর্ষণ কতটুকু যৌক্তিক? পূর্বেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, কিন্তু তিনি আদালত কর্তৃক নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। তাহলে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে হত্যা করা এটি কিসের ইঙ্গিত বহন করে?

মূলত ১ অক্টোবর (মঙ্গলবার) শিক্ষক হত্যার ঘটনাটি অত্যান্ত সুপরিকল্পিত। চুরির অপবাদে খাগড়াছড়ি সদরের শালবাগানের বাসিন্দা ফার্নিচার ব্যবসায়ী মামুনকে হত্যা, এই হত্যাকান্ড নিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ পাহাড়ি উপজাতীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। গতকাল মঙ্গলবার ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক হত্যা। মোটকথা উপজাতি ষড়যন্ত্রকারীরা অত্যান্ত সুপরিকল্পিতভাবে পাহাড়কে অশান্ত রাখতে চাইছে। নচেৎ, এভাবে বিভিন্ন অপবাদ এনে বাঙালি হত্যার কোন অর্থ নেই।

চোর, ধর্ষক, খুনি- অপরাধী যাই হোক প্রত্যেক অপরাধের বিচারের জন্য দেশের সুনির্দিষ্ট আইন রয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করে এভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ায় উপজাতি একটি কুচক্রী মহল ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ রয়েছে। এই ষড়যন্ত্রকে যদি রাষ্ট্র অবহেলা করে তবে সামনে পাহাড়ের সাধারণ মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাহাড়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিরাজমান পরিস্থিতিকে আরও তুঙ্গে তুলে সাম্প্রদায়িকতার বেড়াজালে নিজেদের আবদ্ধ রেখে দেশভাগের ষড়যন্ত্রের নীলনকশা আরও সুদৃঢ় করতে পাহাড়ি উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী গুলো উঠেপড়ে লেগেছে। বাঙালিদের উপর একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ আর অপবাদের মাধ্যমে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড গুলো যার প্রমাণ বহন করে।

তাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিকট আমাদের জোর দাবি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান সহিংসতা ও বিচারবহির্ভূত হত্যায় জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। খাগড়াছড়িতে ১৮ সেপ্টেম্বর মামুন হত্যা, ১৯ সেপ্টেম্বর দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মিছিলে প্রথমে হামলাকারী ও ফাকা গুলি করা ইউপিডিএফের সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা, ২০ সেপ্টেম্বর রাঙামাটি শহরে সংঘাত ও বৈষম্য বিরোধী পাহাড়ি ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারের আড়ালে সশস্ত্র সংগঠনগুলোর সন্ত্রাসী কর্তৃক প্রথমে বাঙালিদের দোকানপাটে হামলা, মসজিদে হামলাকারী ও বাস, ট্রাক, সিএনজি ভাংচুর ও জ্বালিয়ে দেওয়া উপজাতি সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এবং পাহাড়ে চলমান অস্থিরতা তৈরিতে মূল উস্কানি দাতা চাকমা সার্কেল চীফ দেবাশীষ রায় ও তার ২য় স্ত্রী ইয়ান ইয়ান সহ সকল উস্কানিদাতের আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় লাগাতার অবরোধ, হরতাল সহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম অচল করে দেওয়া হবে।

খোকন হাওলাদার, সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

আশুলিয়ায় গার্মেন্টসকর্মী নারীকে নগ্ন ভিডিও ছড়িয়ে ব্ল্যাকমেইল, থানায় অভিযোগ

খোকন হাওলাদার, সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
আশুলিয়ায় গার্মেন্টসকর্মী নারীকে নগ্ন ভিডিও ছড়িয়ে ব্ল্যাকমেইল, থানায় অভিযোগ

ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় এক গার্মেন্টসকর্মী নারীকে নগ্ন ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী মোছাঃ মিনারা খাতুন (৩৬) অভিযুক্ত মোঃ সাজ্জাদ ঢালী (২৮)-এর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করায় তিনি কন্যাসন্তানকে নিয়ে আশুলিয়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন এবং স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। অভিযুক্ত সাজ্জাদ ঢালীর সঙ্গে তার পরিচয় হয় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে। অভিযুক্ত নিজেকে বিশ্বস্ত পরিচিত দাবি করে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে প্রায় ৫৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

পরবর্তীতে টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ভুক্তভোগীকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে শুরু করেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত ভুক্তভোগীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ছবি সংগ্রহ করে অন্য এক নারীর নগ্ন শরীরের সঙ্গে যুক্ত করে ভুয়া ভিডিও তৈরি করেন। পরে সেই ভিডিও ভুক্তভোগীর স্বামীর কাছে পাঠানোর হুমকি দিয়ে আরও অর্থ আদায় করেন তিনি।

একপর্যায়ে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত ইমু অ্যাপের ভিডিও কলে ভুক্তভোগীর নগ্ন ভিডিও ধারণ করেন এবং তা সরাসরি তার স্বামীর কাছে পাঠিয়ে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এর ফলে ভুক্তভোগীর দাম্পত্য জীবনে চরম সংকট সৃষ্টি হয় এবং তার স্বামী তালাকের হুমকি দেন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগে বলা হয়, সর্বশেষ গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ রাত আনুমানিক ১০টার দিকে অভিযুক্ত পুনরায় নগ্ন ভিডিও পাঠিয়ে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এমনকি থানায় অভিযোগ দায়ের করার পরও অভিযুক্ত মোবাইল ফোনে ভুক্তভোগীকে হুমকি দেন। তিনি ভুক্তভোগীর দেশে থাকা ভাইকে আটক করে মারধর ও হত্যার হুমকিও দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায়, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভুক্তভোগী মিনারা খাতুন বলেন, “আমি এই প্রতারক ও ব্ল্যাকমেইলকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নারী এ ধরনের ভয়াবহ অপরাধের শিকার না হন।”

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ

কাজিপুরে বাজার মনিটরিং জোরদার করেছে কাজিপুর উপজেলা প্রশাসন

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৭ পিএম
কাজিপুরে বাজার মনিটরিং জোরদার করেছে কাজিপুর উপজেলা প্রশাসন

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে বাজার মনিটরিং জোরদার করেছে কাজিপুর উপজেলা প্রশাসন। এ উপলক্ষ্যে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাজার পরিদর্শন করেন।

তিনি উপজেলার সিমান্তবাজার, সোনামুখী ও আলমপুর সহ বড় বাজারগুলো ঘুরে দেখেন এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নিত্যপণ্যের মূল্যতালিকা টানানো হয়েছে কিনা, অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে কিনা এবং পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে কিনা তা তদারকি করেন।

এছাড়াও বাজার দখলমুক্ত করতে বাজারে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেন। বাজার মনিটরিং শেষে ইউএনও গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্য বলেন, রমজান মাসে কোনোভাবেই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত মুনাফা আদায় বরদাস্ত করা হবে না। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। কেউ অনিয়ম করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাছাড়াও বাজারগুলোতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাইমা জাহান সুমাইয়া, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ শরীফুল ইসলাম, প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. দিদারুল আহসান সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য।

স্থানীয় ক্রেতারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিয়মিত মনিটরিং হলে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে রমজানের বাজার করতে পারবে।

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজানের চাঁদ গেছে

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৩ পিএম
বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজানের চাঁদ গেছে

বাংলাদেশের আকাশে আজ (১৮ই ফেব্রুয়ারি) ২০২৬ (বুধবার) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে বলে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি ঘোষণা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে সন্ধ্যার পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন চাঁদ দেখা গেছে এবং আগামী (১৯ই ফেব্রুয়ারি) (বৃহস্পতিবার) থেকে বাংলাদেশে রোজা শুরু হবে। চাঁদ দেখা যাওয়ার খবরটি আজ সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকের পরে নিশ্চিত করা হয়েছে। অর্থাৎ দেশের আকাশে রমজানের নতুন চাঁদ দেখা গেছে, তাই পবিত্র রমজান মাস আজ শুরুর ঘোষণা করা হয়েছে এবং কাল থেকে রোজা পালন শুরু হবে।