শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

বগুড়া অফিসঃ

বগুড়ায় বিএনপি সেজে প্রতারণা, জামায়াতে ফিরলো আ’লীগ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৪৯ এএম | 71 বার পড়া হয়েছে
বগুড়ায় বিএনপি সেজে প্রতারণা, জামায়াতে ফিরলো আ’লীগ

বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিএনপি সেজে প্রতারণা করে আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক কর্মী সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রহিমসহ জামায়াতে যোগ দেওয়া কয়েকজনের আওয়ামী লীগ সম্পৃক্ততা ও নৌকার প্রচারণার ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিএনপির দাবি, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকরা কৌশলে জামায়াতে ফিরেছে। তারা কখনোই বিএনপির নেতাকর্মী ছিল না। তবে জামায়াত বলছে, তারা যোগদান অনুষ্ঠানে নিজেদের বিএনপির লোক পরিচয় দিয়েছে। সেই ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে নন্দীগ্রাম উপজেলার রায়পুর কুস্তা ফুলবাড়ি মাঠে যোগদান অনুষ্ঠান আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী। স্থানীয় ফারুক হোসেন ও ভাটগ্রাম ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক জনতা জামায়াতে যোগদান করে। তাদেরকে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করেন বগুড়া-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ।

বিএনপি ছেড়ে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেছে উল্লেখ করে ফেসবুকে প্রচার হলে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে নব্য যোগদান করা ইউপি সদস্য আব্দুর রহিমের আওয়ামী লীগ সম্পৃক্ততার ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন রানার সঙ্গে হাট-বাজারে নৌকা প্রতীকের প্রকাশ্য প্রচারণা করেন ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম। উপজেলা নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করে নৌকার প্রার্থী রানার পক্ষে ভোট নেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। আব্দুর রহিমের দাবি, আওয়ামী লীগের সময় চাপে পড়ে তাদের সঙ্গে মিশতে বাধ্য হয়েছি। আমরা জামায়াত সমর্থক ছিলাম।

এছাড়া জামায়াতে যোগ দেওয়ার সময় ফারুক হোসেন নামের একজন ভাটগ্রাম ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি পরিচয় দিয়েছেন। বিএনপির কোনো কমিটির কাগজে তার নাম পাওয়া যায়নি। ফারুক হোসেনের দাবি, তিনি ১৯৯৭ সাল থেকে বিএনপি করেন। মৌখিকভাবে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ছিলেন।

ভাটগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিম ও সাধারণ সম্পাদক ইউপি আব্দুল হাসেম জানান, ওয়ার্ড সভাপতি দাবি করা ফারুক বিএনপির কেউ নন। কোনো কমিটিতে তার নাম নেই। তিনি বিএনপি সেজে প্রকাশ্য প্রতারণা করেছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকরা কৌশলে জামায়াতে ফিরেছে।

নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার বলেন, মৌখিক সভাপতি বলাটা হাস্যকর। তারা কখনোই বিএনপির নেতাকর্মী ছিল না। জামায়াতে যারা যোগদান করেছে, তারা আগে জামায়াত, পরে ভাগবাটোয়ারা খেতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর ছিল। বিএনপির জনপ্রিয়তা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে একটি গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র করছে।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন আদর বলেন, একসময় ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম খাসি জবাই করে আনুষ্ঠানিক ভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছিল। এখন আবার জামায়াতে যোগ দিচ্ছে। তাদেরকে বিএনপির নেতাকর্মী উল্লেখ করে গুজব ছড়ানো হয়েছে। বেশকিছুদিন ধরেই ফেসবুকে বিএনপির বিরুদ্ধে সাইবার বুলিং ও ট্যাগিং করছে জামায়াত নেতাকর্মী।

এ ব্যাপারে বগুড়া-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ বলেন, ৫২-৫৩ জন জনতা জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। তারা নিজেদের বিএনপি নেতাকর্মী পরিচয় দিয়েছে। স্থানীয় জামায়াত নেতারা তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েই যোগদান করিয়েছে।

রাজশাহী মহানগর ফারিয়ার দ্বিবার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পাভেল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:১০ এএম
রাজশাহী মহানগর ফারিয়ার দ্বিবার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেনটেটিভ এসোসিয়েশন ফারিয়া রাজশাহী মহানগর কমিটির আয়োজনে দ্বিবার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৯ টা থেকে রাজশাহী বোটানিক্যাল গার্ডেন চিড়িয়াখানায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিত্বে ছিলেন আরিফুল ইসলাম রতন।

অনুষ্ঠানের প্রথমার্ধে ফারিয়ার সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বক্তব্য ও বিগত মহানগর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন এরিয়া ম্যানেজার মিজানুর রহমান মিজান,এরিয়া ম্যানেজার জাহাঙ্গীর,এরিয়া ম্যানেজার নাসির,এরিয়া ম্যানেজার মোস্তফা,এরিয়া ম্যানেজার সুলতান,ফারিয়ার উপদেস্টা আরিফুল ইসলাম মাসুম,ফারিয়ার প্রতিষ্ঠাকালীন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর,সাবেক সভাপতি শামসসহ ফারিয়ার নেতৃবৃন্দ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সভাপতি,সাধারন সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দুইজন করে প্রার্থী অংশগ্রহণ করে। পরবর্তীতে অনুষ্ঠানের আয়োজক আরিফুল ইসলাম রতনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিটির সদস্য এরিয়া ম্যানেজার মিজানুর রহমান সহ নির্বাচন কমিটির তত্বাবধানে ফারিয়া রাজশাহী মহানগরের সকল সদস্যদের ভোটে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে মো: সামস উদ্দীন আহম্মেদ নয়ন,সাধারন সম্পাদক হিসেবে মাসুদ আলম নয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মাসুদ রানা জয়লাভ করে। ভোট গননা পরিচালনা করেন ফারিয়ার সাবেক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর।

মধ্যাহ্ন ভোজের পরে ফারিয়ার সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা র‍্যাফেল ড্র’র পুরস্কার বিতরন, বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপন হয়। সম্মেলনে ফারিয়ার প্রায় সাতশ সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন রাজশাহী মহানগর কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ।

উল্লেখ্য ফারিয়া সারা বাংলাদেশের ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেনটেটিভদের বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষে ২০১৫ সালে গঠন করা হয়।

ক্যাপশন- নবনির্বাচিত সভাপতি সাধারন সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকের সাথে সম্মেলনের সভাপতি আরিফুল ইসলাম রতন।

চিকিৎসায় সাফল্য ও মানবিকতা: ঢাকা-১৭ আসনে ডা. খালিদুজ্জামানের পক্ষে গণজোয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১০ এএম
চিকিৎসায় সাফল্য ও মানবিকতা: ঢাকা-১৭ আসনে ডা. খালিদুজ্জামানের পক্ষে গণজোয়ার

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি এক নিঃসন্তান মায়ের আবেগঘন স্ট্যাটাস ভাইরাল হওয়ার পর তার প্রতি জনসমর্থন ও সাধারণ মানুষের সহমর্মিতা আরও বেড়েছে।

চিকিৎসায় অভাবনীয় সাফল্য

পিরোজপুরের বাসিন্দা আইরিন সুলতানা নামে এক নারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, দীর্ঘ ৬ বছর দেশের নামি-দামি বহু চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েও তিনি মাতৃত্বের স্বাদ পাননি। অবশেষে ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের চিকিৎসায় মাত্র ২৬ দিনের মাথায় তিনি গর্ভধারণ করেন। বর্তমানে তিনি একটি সুস্থ কন্যাসন্তানের মা। তার মতে, রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি থাকলেও একজন চিকিৎসক হিসেবে ডা. খালিদুজ্জামান বহু পরিবারে আশার আলো জ্বালিয়েছেন।

যোগ্যতা নিয়ে অপপ্রচারের জবাব

ডা. খালিদুজ্জামানের এমএসসি ইন ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলজি (ভারত) ডিগ্রিসহ চিকিৎসা ক্ষেত্রে তার সফলতার রেকর্ডটি দীর্ঘ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম টেস্টটিউব বেবি সফলতায় তার অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, তার মেধা ও দক্ষতাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে।

নির্বাচনী মাঠে ‘দাড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রভাব

ব্যক্তিগত জীবনে পরোপকারী এবং সফল এই চিকিৎসককে ঘিরে ঢাকা-১৭ আসনের ভোটারদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। ভোটারদের একাংশ মনে করছেন, প্রথাগত রাজনীতির বাইরে একজন দক্ষ পেশাজীবীকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে পাওয়া এলাকার উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের কাছে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে উন্নত চিকিৎসার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিচ্ছেন, তা সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

জনগণের প্রত্যাশা

নির্বাচনী প্রচারণায় ডা. খালিদুজ্জামান বলছেন, তিনি নির্বাচিত হলে ঢাকা-১৭ আসনকে একটি আধুনিক ও স্বাস্থ্যসেবা-বান্ধব মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন। কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং কর্মের মাধ্যমেই তিনি সকল সমালোচনার জবাব দিতে চান।

পরিশেষে, একজন সফল চিকিৎসক যখন রাজনৈতিক ময়দানে আসেন, তখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে যায়। আইরিন সুলতানার মতো হাজারো মানুষের দোয়া ও ভালোবাসাই এখন ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার বড় শক্তি।

আহত-৩০

কিশোরগঞ্জে বিএনপির জনসভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

এ.এস.এম হামিদ হাসান, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩১ পিএম
কিশোরগঞ্জে বিএনপির জনসভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২৩জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামে এসংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, বিকেলে ভাতশালা গ্রামে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট ফজলুর রহমানের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা চলছিল। তবে তিনি অসুস্থতার কারণে ওই জনসভায় উপস্থিত হতে পারেননি।

ঘটনা সূত্রে আরো জানা যায়, সভার শেষে পর্যায়ে কাস্তুল ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম কিসমতের নেতৃত্বে একটি মিছিল সভাস্থলে পৌঁছায়। এসময় ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়ার সমর্থকদের সঙ্গে যুবদল নেতাকর্মীদের চেয়ারে বসা নিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তা হাতাহাতি পর্যায়ে রূপ নেয়। সংঘর্ষে যুবদল নেতা মাহবুব আলম কিসমতসহ অন্তত ২০জন আহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে যুবদল নেতা মাহবুব আলম কিসমত অভিযোগ করে বলেন, মিছিল নিয়ে জনসভায় পৌঁছানোর পর ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া ও তার সাথে থাকা লোকজন আমাদের ওপর হঠাৎ হামলা চালায়। এতে আমি সহ অন্তত দলের ২০ নেতাকর্মী আহত হই।

অপরদিকে তার দেওয়া অভিযোগ অস্বীকার করে ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া বলেন যুবদল নেতা কিসমত ও তার সাথে থাকা লোকজনই প্রথম আমাদের উপর হামলা করেছে। হামলায় আমি সহ অন্তত দলের ৮-১০ জন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছে।

এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েব খান জানান, বর্তমানে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এখানকার পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। তবে হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তাদের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।