শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

পাতে চাই খিচুড়ি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪, ১:৫৬ পিএম | 116 বার পড়া হয়েছে
পাতে চাই খিচুড়ি

কর্মব্যস্ত এই দিনের বৃষ্টিবিলাসের সঙ্গী খিচুড়ি তাই রেঁধে ফেলুন ডিনারের মেন্যুতে।

এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তৈরি করবেন এই সুস্বাদু ফিস খিচুড়ি:

উপকরণ

*পরিমাণ মতো বাসমতী চাল

*মুগ ডাল-২ কাপ

*মটরশুঁটি-২ টেবিল চামচ

*একটা পেঁয়াজ কুচি

*রসুন কুচি-১ কাপ

*আদা কুচি-২ চা চামচ

*গোলমরিচ গুড়ো-২ চা চামচ

*হলুদ গুঁড়ো- ১ চা চামচ

*জিরা গুঁড়ো- ১ চা চামচ

*গোটা জিরা- হাফ চা চামচ

*তেল- ২ টেবিল চামচ

*লবণ পরিমাণ মতো

*ঘি- হাফ চা চামচ

*ধনেপাতা কুচি- ২ টেবিল চামচ

*লেবুর রস-২ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালি

একটি পাত্রে চাল আর ডাল একসঙ্গে নিয়ে ধুয়ে আধা ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন৷ এরপর কড়াইয়ে তেল গরম করুন৷ তেল গরম হয়ে আসলে একে একে জিরা ও পেঁয়াজ কুচি একসঙ্গে বাদামী করে ভেজে নিন৷

এবার এতে আদা কুচি, রশুন কুচি, হলুদ গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, পরিমাণ মতো লবণ ও অল্প পানি দিয়ে মশলাগুলো ভালো করে কষিয়ে নিন৷ এবার পানিতে ভিজিয়ে রাখা চাল ও ডাল পানি ঝড়িয়ে কড়াই দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করুন৷ তিন চার মিনিট মশলার সঙ্গে চাল ও ডাল ভালো করে নাড়িয়ে দুই কাপ পানি দিন৷ তারপর একে একে মটরশুঁটি, ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন৷

এরপর ঢাকনা দিয়ে মিডিয়াম আঁচে রান্না করুন, চাল সিদ্ধ হওয়ার পর্যন্ত রেখে দিন৷ পানি পরিমাণমতো দিলে খিচুড়ি ঝরঝরে হবে৷ খিচুড়ি হয়ে আসলে নামানোর আগে অল্প ঘি ছিটিয়ে দিতে পারেন৷ টমেটো, পেয়াজ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন স্পাইসি খিচুড়ি৷

রূপপুর প্রকল্পে ব্যয় সমন্বয়: জিওবি খাতে সাশ্রয় ১৬৬ কোটি টাকা

ঈশ্বরদী সংবাদদাতা, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
রূপপুর প্রকল্পে ব্যয় সমন্বয়: জিওবি খাতে সাশ্রয় ১৬৬ কোটি টাকা

ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় পুনর্নির্ধারণ করা হলেও এতে বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন (জিওবি) খাতে প্রায় ১৬৬ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বাস্তবায়নাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। সে সময় প্রকল্পটির মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা, এবং মেয়াদ ধরা হয় ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত। তবে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়নের বাস্তবতা বিবেচনায় প্রথম সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনায় (ডিপিপি) প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন তথ্য কর্মকর্তা সৈকত আহমেদ জানান, বর্তমানে ডিপিপি সংশোধনের কাজ চলমান রয়েছে।
সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা। যদিও সামগ্রিক ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—জিওবি খাতে ব্যয় ১৬৬ কোটি টাকা কমেছে, ফলে জাতীয় বাজেটের ওপর সরকারের সরাসরি চাপ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
প্রকল্প অনুমোদনের সময় প্রতি মার্কিন ডলার ৮০ টাকা ধরে ব্যয় হিসাব করা হয়েছিল। কিন্তু গত নয় বছরে ডলারের বিনিময় হার বেড়ে প্রায় ১২২.৪০ টাকা হওয়ায় বৈদেশিক ঋণের অংশ টাকায় রূপান্তরিত হয়ে প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বাস্তবতায় সংশোধিত ডিপিপিতে বিভিন্ন খাতে ব্যয় পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
সংশোধিত প্রস্তাবে ৩৪টি খাতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং ৪৯টি খাতে বরাদ্দ হ্রাস করা হয়েছে। জনবল ব্যয়, ভূমি অধিগ্রহণ ক্ষতিপূরণ, বিদ্যুৎ বিল ও পরামর্শক খাতে সাশ্রয়ের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অর্থ সাশ্রয় সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি, প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত প্রয়োজন মেটাতে ১০টি নতুন খাত সংযোজন করা হয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি পরিচালনা নিশ্চিত করতে অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ (O&M) সংক্রান্ত সেবা চুক্তি এবং খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ চুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলমান রয়েছে। এছাড়া আন্তঃরাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় রাশিয়ান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিদেশি জনবলের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে গ্রিনসিটি আবাসিক এলাকার অসমাপ্ত ভবন সম্পন্ন এবং নতুন অধিগ্রহণকৃত প্রায় ৬.০৬ একর জমিতে প্রয়োজনীয় স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনাও সংশোধিত প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কোভিড-১৯ মহামারী, রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধজনিত বৈশ্বিক পরিস্থিতি, সরবরাহ চেইনের সীমাবদ্ধতা এবং প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি বিবেচনায় Joint Coordination Committee (JCC) ঋণচুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুপারিশ করে। এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-২-এর প্রভিশনাল টেকওভার সময়সীমা ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের সূত্রে জানা যায়, একই VVER-1200 প্রযুক্তি ব্যবহার করে হাঙ্গেরিতে দুই ইউনিটের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৩.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, মিশরে চার ইউনিটে ৩০ বিলিয়ন ডলার, তুরস্কে রাশিয়ার মালিকানাধীন চার ইউনিটে ২০ বিলিয়ন ডলার এবং বেলারুশে দুই ইউনিটে ১১ বিলিয়ন ডলার। এসব প্রকল্পের সঙ্গে তুলনা করলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ব্যয় আন্তর্জাতিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছে কমিশন।
অন্যদিকে, ভারতের কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে VVER-1000 প্রযুক্তির পঞ্চম ও ষষ্ঠ ইউনিটের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যন্ত্রপাতি সরবরাহেই ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতের পারমাণবিক শক্তিতে পূর্ব অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষিত জনবল এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর কারণে তুলনামূলক কম ব্যয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১-এর কমিশনিং কার্যক্রম বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, যা দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুই ইউনিট চালু হলে জাতীয় গ্রিডে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।

নানা আয়োজনে পালিত হলো সরস্বতী পূজা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫০ এএম
নানা আয়োজনে পালিত হলো সরস্বতী পূজা

বিভিন্ন মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে গতকাল সনাতন ধর্মালম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মীয় বিধান অনুসারে, মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে শুভ্র হংসের পিঠে চড়ে পৃথিবীতে নেমে আসবেন বিদ্যা ও ললিতকলার দেবী সরস্বতী। শ্বেত-শুভ্র বসনা স্বরসতী দেবীর এক হাতে বেদ, অন্য হাতে বীণা। এজন্য তাকে বীণাপানিও বলা হয়। সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জ্ঞান ও বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী তার আশীর্বাদের মাধ্যমে মানুষের চেতনাকে উদ্দীপ্ত করতে প্রতি বছর আবির্ভূত হন ভক্তদের মাঝে। পাবনা জিলা স্কুল, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সেন্ট্রাল গার্লস হাই স্কুল, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র আশ্রমসহ বিভিন্ন স্কুল কলেজ, পূজা মন্ডপ এবং ঘরে ঘরে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পূজা ছাড়াও পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনেকস্থানে দেবীর সামনে ‘হাতেখড়ি’ দিয়ে শিশুদের বিদ্যা চর্চার সূচনা করা হয়।

জামায়াতের আমীর এডওয়ার্ডের জনসভায়

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৯ এএম
জামায়াতের আমীর এডওয়ার্ডের জনসভায়

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ডা. শফিকুর রহমান আজ পাবনা আসছেন। বিকাল তিনটায় পাবনা জেলা জামায়াতের উদ্যোগে সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন তিনি। সভায় বিশেষ অতিথি থাকবেন দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান। সভায় সভাপতিত্ব করবেন জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল। জনসভায় জেলার ৫ টি সংসদীয় আসনে দলীয় প্রার্থীবৃন্দসহ বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেবেন বলে দলীয় সূত্র জানায়।