বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২

৬০ হাজারের অধিক পদ শূন্য থাকা সত্ত্বেও

১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৬, ২১৩ জন প্রার্থীর নিয়োগ বঞ্চিত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৪ এএম | 438 বার পড়া হয়েছে
১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৬, ২১৩ জন প্রার্থীর নিয়োগ বঞ্চিত

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ কিন্তু ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি হতে সুপারিশ বঞ্চিত ১৬, ২১৩ জন প্রার্থীর ‘বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ প্রদানকরায় আমরা ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি থেকে সুপারিশ বঞ্চিত ১৮তম নিবন্ধনে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ। বেসরকারি স্কুল ও
কলেজের লক্ষাধিক পদে শিক্ষকের সংকট পূরণের লক্ষ্যে বিগত ০২/১১/২০২৩ তারিখে NTRCA বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ করে। যেখানে ১৮, ৬৫, ৭১৯ জন আবেদনকারী থেকে প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় ৪,৭৯, ৯১১ জন প্রার্থী
উত্তীর্ণ হয়, সেখান থেকে লিখিত পরীক্ষায় ৮৩,৮৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয় এবং সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষায়
সর্বোচ্চ মেধার স্বাক্ষর রেখে ৬০,৫২১ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়। অর্থাৎ, আমরা যারা আজ এখানে
উপস্থিত, তারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শিক্ষাদান করার জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক যাচাইকৃত যোগ্য শিক্ষক।
গত ১৯/০৮/২০২৫ তারিখে ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় এবং ১ লক্ষের বেশি পদের বিপরীতে মাত্র ৪১,৬২৭
জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়। যেখানে আরো প্রায় ৬০ হাজারের অধিক পদ শূন্য থাকা সত্ত্বেও ১৮তম শিক্ষক
নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৬, ২১৩ জন প্রার্থীর নিয়োগ বঞ্চিত হয়। সর্বোচ্চ মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েও
নিয়োগ না পাওয়ায় এই বিশাল সংখ্যক প্রার্থী এখন প্রচন্ড হতাশা, মানসিক চাপ সহ পারিবারিক ও সামাজিক
নিগ্রহের শিকার।
ইতিমধ্যে ঘোষণা হয়েছে ১৯তম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পরিবর্তিত পদ্ধতিতে হবে, সেহেতু সনদের মেয়াদ
থাকা শর্তে ১৮তম সকল নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থীদের সুপারিশ নিশ্চিত করার পর ১৯তম সার্কুলার প্রদান করার
জন্য NTRCA কর্তৃপক্ষকে সবিনয়ে অনুরোধ সহ জোর দাবি জানাচ্ছি। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সাল পর্যন্ত
পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। উক্ত কারণে প্রভাষক পদে বিভিন্ন বিষয়ে অর্ধেকেরও বেশি প্রার্থী
সুপারিশ বঞ্চিত হয়। এছাড়া স্কুল ও স্কুল পর্যায়-২ এ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী বাদ পড়ে। সেক্ষেত্রে
NTRCA কর্তৃপক্ষ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সাল পর্যন্ত শূন্য পদ যুক্ত করে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রদান করে
আমাদের সকলের সুপারিশ নিশ্চিত করলে আমরা চির ১৬, ২১৩ প্রার্থীর ভিতর অনেক প্রার্থী আছেন স্কুল
ও কলেজ উভয় পদেই সনদপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেখান থেকে একটি পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও আমাদের নিয়োগ
প্রত্যাশী প্রার্থী সংখ্যায় আরো অনেক কম হবে। ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়ার আগে NTRCA শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
হতে ৩ বছরের অগ্রিম শূন্য পদের চাহিদা নিয়ে রেখেছে। এই বিরাট সংখ্যক শূন্য পদের বিপরীতে আমাদের
নিয়োগ প্রদান করলেও অনেক শিক্ষক চাহিদা থেকে যাবে।
উল্লেখ্য যে, আমরা সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিকট থেকে নিশ্চিত হয়েছি যে সদ্য সুপারিশকৃত পদে অনেক প্রার্থী
বিভিন্ন কারনে যোগদান করবেন না। তাই চলমান তীব্র শিক্ষক সংকট আরো তীব্রতর হবে। ফলে শিক্ষাব্যবস্থা
হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়বে। তাই এই অযোগদানকৃত পদ গুলোতে শূন্য পদ যুক্ত করে দ্রুত বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি
সহজেই প্রদান করা যায়। সেজন্য শিক্ষক সংকট নিরসন করতে আমরা এরুপ ব্যবস্থা নিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে
অনুরোধ জানাচ্ছি।
সুদীর্ঘ ২ বছরেরও অধিক কাল চলমান পরীক্ষার প্রত্যেকটি ধাপে কৃতিত্বের সাথে
উত্তীর্ণ প্রতিটি প্রার্থীই অত্যন্ত যোগ্য ও মেধাবী। এই দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও আমরা যোগ্য প্রার্থীরা এখনো নিয়োগ
বঞ্চিত। তাই আজ আমরা আপনাদের মাধ্যমে এই ন্যায্য দাবিটি জাতির সামনে তুলে ধরতে চাই।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, শিক্ষক সংকট নিরসনে ২০২২ সালের ০৬ ফেব্রুয়ারী ১৫, ১৬৩ জন প্রার্থীর চাহিদা সহ
বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল। এবারো ৬০ হাজারের অধিক শূন্য পদের শিক্ষক সংকট নিরসনে ১৮তম
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মাত্র ১৬, ২১৩ জন প্রার্থীকে NTRCA কর্তৃপক্ষ- “বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির”
মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান করবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।
আমরা ইতিমধ্যেই নিম্নোক্ত দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেছি
১. প্রধান উপদেষ্টা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
2.
মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
৩. চেয়ারম্যান, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA)।
৪. মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা।
৫. শিক্ষা সচিব, শিক্ষা মন্ত্রাণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
৬. যুগ্মসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা ।
সম্মানিত সকল অতিথিবৃন্দ, জাতীয় এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ-
আমরা কেউ কোন বিশেষ সুবিধা চাই না। আমরা শুধু চাই আমাদের ন্যায্য অধিকার – নিয়োগ প্রাপ্তির
নিশ্চয়তা। শিক্ষক সমাজ জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাতা। তাই আমাদের দাবি শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি জাতির শিক্ষার
মানোন্নয়নের সাথেও জড়িত।
আপনাদের কলম ও ক্যামেরার মাধ্যমে আমাদের এই ন্যায্য দাবিটি দেশব্যাপী তুলে ধরলে আমরা কৃতজ্ঞ
থাকব। আমরা আশা করি সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত আমাদের সমস্যার সমাধানের আহ্বান করা হয়।

জয় ই মামুন

মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

জয় ই মামুন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৫ পিএম
মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃষিজমির উর্বর উপরিভাগের মাটি কেটে ইট তৈরির অভিযোগে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর ৫(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১৫(১) ধারা অনুযায়ী এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অভিযানে যেসব ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে সেগুলো হলো- কে এফ সি ব্রিকস (বেরুন্ডি) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স সোহানা ব্রিকস (খোলাপাড়া) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স এ এ বি অ্যান্ড কোং (গাড়াদিয়া) ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স জে বি সি ব্রিকস (গোবিন্দল) ২ লাখ টাকা, মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-১ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা,
মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-২ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেসার্স এম আর এম ব্রিকস (রামকান্তপুর) ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অভিযানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক মো. মোজাফফর খান।

অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাব-৪ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা সহায়তা প্রদান করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে পরিবেশ ধ্বংস রোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিস্টরা।

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী

জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ী পৌর (৪নং ওয়ার্ড) ডাঙ্গপাড়া এলাকায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় মানববন্ধন করেছে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

নিহত মিমনুর রহমান ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন (আল্লীর) প্রথম পুত্র এবং বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ তিনি ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হয়ে নিহত হন। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উদ্বেগ, শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে ব্যানার হাতে নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা ন্যায়বিচারের দাবি জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা মোছা: মনোয়ারা বেগম, সহকারী প্রধান শিক্ষক মহুবর রহমান, শিক্ষক আব্দুল হাই, মিজানুর রহমান, স্বপন কুমার রায়, ভগীরথ চন্দ্র রায় এবং সহকারী শিক্ষিকা সাজেদা সুলতানা ও শিলা রানী রায়সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন নিরপরাধ শিক্ষার্থীর এমন নির্মম মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একইসঙ্গে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে, নিহতের পরিবার শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে এবং দ্রুত বিচার প্রত্যাশা করছে। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এমন ঘটনা আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে চারতলা ভবন

আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

মেহেদী হাসান রিপন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১১ পিএম
আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

যশোরবাসীর পুলিশি সেবা আরও বেগবান ও আধুনিক করতে বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগে হাত দিয়েছে সরকার। শহরের জরাজীর্ণ কোতোয়ালি মডেল থানা ভবনটি ভেঙে সেখানে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক চারতলা ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ষাট দশকে নির্মিত বর্তমান থানা ভবনটি দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সরকারের দেশব্যাপী ১০৭টি থানা আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় এই সংস্কার কাজ শুরু হচ্ছে। যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ভবনটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২৬ হাজার স্কয়ার ফিটের এই ভবনের মূল কাঠামো বা ফাউন্ডেশন হবে ছয়তলা পর্যন্ত, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে এটি চারতলা হিসেবে নির্মিত হবে। ঝিনাইদহের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব পেয়েছে। আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেবাপ্রার্থী এবং পুলিশ সদস্যদের সুবিধার্থে ভবনের প্রতিটি তলা সুনিপুণভাবে সাজানো হয়েছে:
* প্রথম তলা: অভ্যর্থনা কেন্দ্র এবং দাপ্তরিক অফিস।
* দ্বিতীয় তলা: হাজতখানা ও প্রশাসনিক শাখা।
* তৃতীয় তলা: অফিস এবং নারী পুলিশ সদস্যদের জন্য ব্যারাক।
* চতুর্থ তলা: পুরুষ পুলিশ সদস্যদের জন্য আধুনিক ব্যারাক।

অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম চলবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়িতে

নির্মাণ কাজ চলাকালীন জনসেবা যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য থানার যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পরিচালিত হবে। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে বর্তমান ভবনটি খালি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে জনবল অনুযায়ী চাঁচড়া ফাঁড়িতে পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় পুলিশ সদস্যদের সাময়িকভাবে কিছুটা আবাসন সংকটে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, উন্নত ও আধুনিক পুলিশি সেবার স্বার্থে এই সাময়িক কষ্টটুকু মেনে নিতে হবে। নতুন ভবন নির্মিত হলে যশোরবাসীকে সেবা প্রদানের মান ও পুলিশের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

error: Content is protected !!