সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

কোথায় নিরাপদ?

কি ধরনের সভ্যতা?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:২৭ এএম | 188 বার পড়া হয়েছে
কি ধরনের সভ্যতা?

ট্রেনে বাসে ওঠার আগে স্কুল ব্যাগটা পিঠে নয় মা, সামনে নিস— সম্মান বাঁচাবে! অটোয় উঠেও সামনে বসলে ব্যাগটাই তোর ঢাল, মনে রাখিস !
বাস না পেলেও একা একা ট্যাক্সিতে ওঠার দরকার নেই,
মা জানো, সাইন্সের টিচার খালি গায়ে হাত বুলিয়ে পড়ান , অস্বস্তিকর- –
দাদুটা পার্কে আমার সঙ্গে অসভ্য কথা বলছিল,
দাদা, একটু সরে দাঁড়ান এবার দেখছি গায়ে উঠে পড়বেন , হাতটা একটু ঠিক করে রাখুন,
কি খুকু মণি ! এত রাতে কোথা থেকে ?
‘পড়তে গেছিলাম,’—- মাঝে মাঝে সঙ্গে নিও,
গ্রামে পড়ে থেকে তোর কি হবে!
আমার সঙ্গে চল ভাল খাবার পাবি,
পোশাক পাবি, বাড়ির দেখভাল করাও হবে,—-
“দেখ মাসি, তাজা মাল এনেছি- –”
আবারও মেয়ে! তিনটে গতর খাকির জন্ম দিলি তাও আশ মিটল না? কালই বাপের বাড়ি চলে যাবি–
তোর বৌদি আজ ফ্ল্যাটে নেই, তোকেই একটু আদর করি চল—
রমলা বিকেলে এসে মজুরির পয়সা নিস ,
তোর সঙ্গে একটু সুখ দুঃখের গল্প করব- –
মীনা জামার পিছনটা পুরো গেছে ,
ট্রেনথেকে নামব কি করে? বললি না কেন? কাকে ধরবি, পিছনে পুরো দল ছিল- –
‘তোর মা বাবা নেই, আমি আশ্রয় দিয়েছি-
আমার ছেলেরা যা বলবে, তাই করবি!’
বাবা আমার সন্তান হচ্ছে না,
কাল সকালে বউকে নিয়ে আসিস
মা এই মন্ত্রপুত কলাটা খেয়ে ও ঘরে বোস আমি আসছি সারা শরীরে মন্ত্র পড়ে দেব–
এরকম তিন চারবার নিয়ে আসিস বউকে !
বাচ্চা তুই পাবিই, হাসিমুখে বাড়ি যা- –
কালকেই যাবি আমার সঙ্গে, ছবিতে এবারও মেয়ে?
নষ্ট করবি-
ভগবান মেয়ে দিওনা, আমার যন্ত্রণার আরও একজন সঙ্গী চাইনা- –
উদ্ধার করেছেন তিন মেয়ে পেটে ধরে বংশ টা শেষ হয়ে গেল,
বাতি জ্বালানোর কেউ রইল না- –
আমার প্রমোশন হবে— বসের সঙ্গে যেতে তুই বাধ্য, সতীপনা দেখাচ্ছ?
তবুও প্রতিবাদ করা তোমাকে মানায় না,
মেয়েকে মেরে ফেলার কথা বলে যাও পুরুষ,
উল্টো আঘাত সইবে না, নারী র্সবংসহা–
অল্প পয়সায় পেট-ভাড়া পাওয়া যায়,
পেটের জ্বালা ওদের সব করায়,
সৃষ্টির বীজ কিনতে অনেক অর্থ চাই ,
পুরুষ মূল্যবান এখানেও- –
ফেসবুকে ফ্রোফাইল জুড়ে লেখালেখি, প্রোফাইল পিকচার ছাড়া পোস দিয়ে ছবি নেই, তাও বাজে ছবি, বাজে মন্তব্য ইনবক্সে চলে আসছে, দেখোনা ব্লক করে দাও —
পুরুষের সামান্য লাম্পট্যের প্রমাণ নেই,
নারী চিৎকার করে বলতে পারবি? হাতটা কোথায় লেগেছিল! হা হা হা-
বলিসনা ,বললেই তুই তসলিমা! লেখিকা নোস্, নরকের কীট- –
প্রতিবাদ করলেই তুই পর্ণ জগতের লোক পর্ণ জগতটা শুধুমাত্র মেয়েদের !!! ছেলেদের নামগন্ধ নেই ওখানে- –
গণিকারা একাই বাইরের মেয়েছেলে, বাইরের ব্যাটাছেলে বলে কিছু হয়না ! ব্যাটাছেলে সৃষ্টিকর্তা, যে-সে নামে ডাকবে! তুমি কি সৃষ্টি বন্ধ করতে চাও!
যৌন অত্যাচারে পীড়িতদের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে
বাতি নিয়ে মিছিলে হেঁটেছি, ব্যক্তিগত ভাবে প্রকাশ করলে
সম্প্রদায়ের লজ্জা, হাতেগোনা ক’জন আছেন
এ ব্যাপারে নিযুক্ত, যা করার ওরা করুক- –
নারী ভুলে গেছে আমাদের পূর্বপুরুষ
বিদ্যাসাগর, রামমোহন, শরৎচন্দ্র
তাও পুরুষ খারাপ বলে,
পোস্ট দিচ্ছে এ অন্যায় এ অপরাধ- —
একাজ যারা করেছে ওরা বিকৃত মানসিকতার,
ওদের সংশোধনাগারে পাঠাও
এক আধটা নারীই তো মরেছে দেখ ,
ওরা এবার ভালো হবে- —
সফল পুরুষের পিছনে একজন নারী থাকে
এভাবে ভাবতে পারনা! খালি প্রতিবাদ, প্রতিবাদ আর প্রতিবাদ?
পিছনের সারি তো তোমার জন্য রাখাই আছে!

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব নেতাদের কুশল বিনিময়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৫ পিএম
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব নেতাদের কুশল বিনিময়

পাবনা সফররত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের নেতারা। আজ সোমবার দুপুরে পাবনা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তিনি তাঁদের কাছে ঈশ্বরদী থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র সম্পর্কে জানতে চান এবং কিছু স্মৃতির কথা স্মরণ করেন।

সাংবাদিক নেতারা রাষ্ট্রপতিকে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানালে তিনি গ্রহণ করেন এবং আগামীতে প্রেসক্লাব পরিদর্শনে তাঁর ইচ্ছের কথা ব্যক্ত করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন, প্রেস সচিব সরওয়ার আলম, রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব দিদারুল ইসলাম ও পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এ বি এম ফজলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল মান্নান টিপু, মোস্তাক আহমেদ কিরণ, খোন্দকার মাহাবুবুল হক, এস এম রাজা, সেলিম সরদার, জাহাঙ্গীর হোসেন, মহিদুল ইসলাম, ওহেদুজ্জামান টিপু, ওয়াহেদ আলী সিন্টু, শেখ মেহেদী হাসান, শহিদুল্লাহ খান প্রমুখ।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

বাথরুমে পড়ে গুরুতর আহত চট্টগ্রামের এসপি

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৬ পিএম
বাথরুমে পড়ে গুরুতর আহত চট্টগ্রামের এসপি

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) নাজির আহমেদ খান তাঁর সরকারি বাসভবনের বাথরুমে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। ২৯ মার্চ (সোমবার) সকালে নগরের সিআরবি এলাকায় অবস্থিত এসপির সরকারি বাংলোতে তিনি এ দূর্ঘটনার শিকার হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাথরুমে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন এসপি নাজির আহমেদ খান। পরে বাসার কর্মচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে জানান, তাঁর বাম পা মারাত্মকভাবে ভেঙে গেছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অভিযান) সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় রেফার করা হয়।
তিনি আরও জানান, সোমবার বেলা দুইটার দিকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে করে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল (নিটোর)-এ ভর্তি করা হয়েছে।

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

error: Content is protected !!