বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

বাংলার জনপ্রিয় কিংবদন্তী কণ্ঠশিল্পী খুরশিদ আলমের জন্মদিন আজ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫, ৬:০২ পিএম | 83 বার পড়া হয়েছে
বাংলার জনপ্রিয় কিংবদন্তী কণ্ঠশিল্পী খুরশিদ আলমের জন্মদিন আজ

জয়পুরহাট জেলার জীবন্ত কিংবদন্তি বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী খুরশিদ আলম এর শুভ জন্মদিন। তিনি ১৯৪৬ সালের ১ আগস্ট জয়পুরহাট জেলার কালাই উপজেলার হারুন্জা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতাঃ এ, এফ তসলিম উদ্দীন আহমেদ। মাতাঃ মোসা মেহেরুন নেছা। দুই কন্যা বড় মেয়ে মেহেরিন আলম। ছোটো মেয়ে মেহনাজ আলম।

তিনি বেড়ে উঠেছেন পুরান ঢাকার কাজী আলাউদ্দিন রোডের একটি বাড়িতে তিনি মাত্র তিন বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় আসেন চাচা বাংলাদেশের জনপ্রিয় গীতিকার ডাক্তার আবু হায়দার মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান। খুরশিদ আলমের হাতে খড়ির ওস্তাদ চাচা জনাব সাজেদুর রহমান রবীন্দ্র সংঙ্গীত গাইতেন।

জনাব খুরশিদ আলম ১৯৬২ সনে রেডিও পাকিস্তানে আধুনিক সংগীত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সংগীত জীবন শুরু করেন। ১৯৬৩ সনে বেতারের রবীন্দ্র সংগীত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।

১৯৬৫ সালে শেখ বোরহানউদ্দিন কলেজে খুরশিদ আলম প্রথম গিয়েছিলেন রবীন্দ্র সংগীত ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্র সংগীত গাওয়া বন্ধ করে দেয়।তখন তিনি রেডিওতে আধুনিক গানের শিল্পী হওয়ার জন্য অডিশন দেন।

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আব্দুল আলিম ও আব্বাস উদ্দিন আহমেদের পর মোহাম্মদ খুরশীদ আলম আপন প্রতিভাবলে দরাজ মিষ্টি মধুর শুরে সংগীত ভবনে তার শক্ত অবস্থান গড়ে তোলেন।

শিল্পী মাহমুদুন্নবী, আপেল মাহমুদ,বশির আহমেদ, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, রথীন্দ্রনাথ রায়, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী,ও সুবীর নন্দীর মতো গুণী শিল্পীরা তার সমকক্ষ ছিলেন। সত্তর ও আশির দশকে বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম রেডিও ও টেলিভিশনের যুগে বাংলাদে শের শ্রোতাদের নয়নমণি ছিলেন জয়পুরহাট জেলার এই কৃতি সন্তান।

জনাব খুরশিদ আলম বেতারে গান গাইতে এসে প্রথম পরিচয় হয় প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক সমর দাসের সঙ্গে।এরপর পরিচয় হয় আর এক বিখ্যাত সংগীত পরিচালক আজাদ রহমানের সঙ্গে।১৯৬৭ সালে আজাদ রহমানের সুরে কন্ঠ দেন “তোমার দু হাত ছুঁয়ে শপথ নিলাম থাকব তোমারি আমি কথা দিলাম”এবং সেই বছর জনপ্রিয়তা পায় আরেক গান চঞ্চলা দুই নয়নে বলো না কি খুঁজছো”

১৯৬২ সনে বাবুল চৌধুরী পরিচালিত সিনেমা আগন্তকে” তিনি প্রথম সিনেমার গান পরিবেশন করেন গানটি শিরোনাম ছিলোঃ বন্দী পাখির মত মনটা কেঁদে মরে”।

গানের সংখ্যাঃ

১৯৬৯ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি প্রায় ৫০০শত চলচ্চিত্রে সংগীত পরিবেশন করেন। তিনি ৪২৫টি সিনেমায় গান পরিবেশন করেন।

সংগীত ভুবনে তার অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০১৮ সালে একুশে পদকে ভূষিত করেন।এই মহান গুণী শিল্পী বর্তমানে মাঝে মাঝে বিভিন্ন বাংলা টি,ভি চ্যানেলে আসলেও অধিকাংশ সময় অবসর জীবন যাপন করছেন।

শিল্পীর গাওয়া জনপ্রিয় গানঃ

(১)তোমরা যারা আজ আমাকে ভাবছো মা (লালু ভুলু)

(২) মাগো মা ওগো মা আমারে বানাইলে তুমি (সমাধি)

(৩) বাপের চোখের মনি নয় মায়ের সোনার (জোকার) (৪)মাগো তোর কান্না আমি সইতে পারিনা দোহাই মা।

(৫) চুমকি চলেছে একা পথে সঙ্গী হলে (দোস্ত দুশমন)

(৬) বন্দী পাখির মত মনটা কেঁদে মরে (আগন্তুক)

(৭) ধীরে ধীরে চল ঘোড়া সাথী বড় আন (শাপ মুক্তি)

(৮) ওদুটি নয়নে স্বপনে চয়নে নিজে (অশ্রু দিয়েলেখা)

(৯) তোমার দুহাত ছুঁয়ে শপথ নিলাম (আধুনিক গান)

(৯) চঞ্চলা দুই নয়নে বলো নাকি খুচ্ছ(আধুনিক গান)

(১০) ঐ আকাশকে সাক্ষী রেখে ওই বাতাসকে সাক্ষী

(১১)ঐ আঁকাবাঁকা নদীর ধারে ছিলো(আলী হোসেন)

(১২) একটি রাতের গল্প তুমি হাজার রাতের মর্জিনা। (১৩)যদি বউ সাজো গো আরো সুন্দর লাগবে গো।

(১৪) ও অনুপমা ও নিরুপমা পাখির নীড়ের মত দুটি

(১৫) ও সাগর কন্যারে কাঁচা সোনা গায়ে তোর রুপের।

(১৬) শোন ওগো মনেরও মিতা শোনো ওগো।

(১৭) হীরার চেয়ে দামি সোনার চেয়ে নামি আমার না

(১৮) প্রেম করেছো তুমি আর মন দিয়েছি আমি।

(১৯) কথা দাও সাথী হবে কথা দাও সাথী হবে।

(২০) চুপি চুপি বল কেউ জেনে যাবে জেনে যা( নিশান) (২১) সোনা চান্দি মতি মহল কিছুই চাইনা শুধু একটা।

(২২) সংগীত ভুবনে লেখাপড়া জানতাম যদি আমার।

(২৩) ও চোখে চোখ পড়েছে যখনই আমি হলেম।

(২৪) মুন্না আমার লক্ষী সোনা আমার নয়ন মনি।

(২৫) ও আমি বাঘ শিকার যাইমু বন্দুক লইয়া রেডি।

আজ এই বরেণ্য কণ্ঠশিল্পীর জন্মদিনে জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার, মানুষের মনে জাগিয়েছেন আশার আলো

অকুতোভয় কলমযোদ্ধা ড. মোহাম্মদ আবু নাছের: নোয়াখালী সাংবাদিকতায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৪ পিএম
অকুতোভয় কলমযোদ্ধা ড. মোহাম্মদ আবু নাছের: নোয়াখালী সাংবাদিকতায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

সাংবাদিকতা মানেই সত্যের সন্ধান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আর সমাজের কল্যাণে নিরলস কাজ। সেই আদর্শকে বুকে ধারণ করে নোয়াখালী জেলায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। তিনি বর্তমানে সেনবাগ উপজেলা প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, সেনবাগ উপজেলা শাখার সভাপতি, নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিটির যুগ্ম আহবায়ক, ন্যাশনাল রিপোর্টার্স ইউনিটি ফোরাম এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং দৈনিক উপকন্ঠ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জাতীয় দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার। বিভিন্ন দৈনিক প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় তাঁর প্রেরিত সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার হওয়ায় দৃষ্টি নন্দন কয়েকটি ভাইরাল নিউজ মানুষের মাঝে আশার আলো জুগিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে নির্ভীক ও সাহসী সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। বিশেষ করে তাঁর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে সমাজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে।

সাংবাদিকতায় তাঁর এই সাহসী পদচারণা তাকে নোয়াখালীর গণমাধ্যম অঙ্গনে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। অনেকেই তাঁকে ‘অকুতোভয় কলমযোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। সত্য প্রকাশে তিনি কখনোই আপোস করেননি—যা নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, ড. আবু নাছেরের মতো সাহসী ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের হাত ধরেই সমাজে ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তাঁর প্রতিটি প্রতিবেদন শুধু সংবাদ নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের একেকটি শক্তিশালী হাতিয়ার।

এদিকে, তাঁর এই অবদানের জন্য বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রশংসা ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও তিনি একইভাবে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবেন। সাংবাদিকতার অঙ্গনে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের শুধু একটি নাম নয়, বরং একটি সাহস, একটি আদর্শ এবং একটি পরিবর্তনের প্রতীক।

চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক

টেকনাফে বাস–সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৪

কামরুল ইসলাম প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৯ পিএম
টেকনাফে বাস–সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৪

টেকনাফ উপজেলা: কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমনখালী হাইওয়ে সড়কে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত এবং অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সিএনজি চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৮ মার্চ ২০২৬) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ঝিমনখালী হাইওয়ে সড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিতে থাকা এক যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে সিএনজি চালকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অতিরিক্ত গতি ও অসতর্কতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

হাইওয়ে পুলিশের ওসি নুরুল আফসার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ

এতিমদের মাঝে ৫৯ বিজিবি’র ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৭ পিএম
এতিমদের মাঝে ৫৯ বিজিবি’র ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা ব্যাটেলিয়ান ৫৯ বিজিবির উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজানের বিদায় লগ্ন, চারিদিকে সবাই মা-বাবা, ভাই-বোন ও আত্মীয় স্বজন নিয়ে ঈদ উৎসব আয়োজনের প্রস্তুতি—ঠিক সেই মুহূর্তে কিছু নিষ্পাপ মুখে ফুটে ওঠে এক অনাবিল প্রশান্তির হাসি। সমাজের অবহেলিত, সুবিধা বঞ্চিত এতিম শিশুদের হাতে যখন ঈদ উপহার ও ঈদের দিনের খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়, তখন সেটি শুধু উপহার নয়—একটি ভালোবাসা, একটি যত্ন, একটি আপন করে নেওয়ার অনুভূতি জাগ্রত করে।

আজ ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ ১০২০ ঘটিকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম পাশে দাঁড়িয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাধীন গোমস্তাপুর উপজেলার চকপুস্তম এলাকার শিশু সদনে অসহায় ও মা-বাবা হারা শিশুদের পাশে। ঈদের দিনের জন্য নতুন পোশাক এবং ঈদের দিনের উন্নত খাদ্য পরিবেশনের জন্য পোলাও চাল, সেমাই, তৈলসহ সহায়ক খাদ্য উপকরণ নিয়ে হাজির হন শিশুদের দরজায় এবং তাদের ন্যূনতম ঈদের দিনের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করেন। এ ঈদ উপহার সামগ্রী শুধু তাদের চাহিদা মেটায়নি, তার চেয়েও বেশি পূরণ করেছে ভালোবাসার অভাবটুকু। আর নতুন পোশাক হাতে পেয়ে সেই অভিভাবকহীন সন্তানদের চোখেই জ্বলে উঠেছে তৃপ্তি ও প্রশান্তির আলো।

ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ শেষে লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম আবেগঘন কণ্ঠে জানান, “এতিমদের মুখে একটুখানি হাসি ফোটাতে পারা—এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কিছু হতে পারে না। এই শিশুরাই আমাদের সমাজের অংশ, তাদের আনন্দই আমাদের প্রকৃত অভিপ্রায় ও চাওয়া।”তিনি আরো বলেন আমরা সবাই নিজেদের অবস্থান থেকে যদি এভাবে একটু করে এগিয়ে আসি, তবে হয়েতো কোনো শিশু আর নিজেকে একা ও অসহায় ভাববে না। বিজিবির এই উদার ও জনহিতকর কর্মকান্ডে বিজিবি’র ভাবমূর্তি বেসামরিক অঙ্গনে বহুল প্রশংসিত হয়েছে। তাঁর এ মানবদরদী কর্মকান্ডে সমাজের বিত্তবানরা উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত হবে বলে সাধারণ জনগণ মনে করছে।

error: Content is protected !!