সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

মেয়েদের সেনাবাহিনী মাঠে যা করনীয়

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫, ৩:৫১ পিএম | 500 বার পড়া হয়েছে
মেয়েদের সেনাবাহিনী মাঠে যা করনীয়

সেনাবাহিনী তে শুধু মেয়েদের কিছু তথ্য👮

মেয়েদের সেনাবাহিনী মাঠে যা করনীয়👎👎

সেনাবাহিনীর লাইনে দাড়ানোর আগে অবশ্যই যে বিষয় খেয়াল রাখবেন।
১. ভদ্রতা বজায় রাখুন । কোন প্রকার বেয়াদবি করলে কঠোর শাস্তি তখনই দেওয়া হবে।
২. শরীর উপর থেকে নিচ একেবারে ক্লিন সেভ করা। (গোপনাঙ্গ সহ মেডিকেল এর জন্য)
৩. চুল সাধারন ভাবে রাখবেন। কারণ চুলের ধরন
দেখেই অনেককে বাতিল করা হয়। মানে অগোছালো চুল সেনাবাহিনীতে অপছন্দ।
৪. মোবাইল ফোন না নিলে ভালো। তবে যদি ফোন নিয়ে যান তাহলে ফোনে অশ্লিল বা খারাপ কোন কন্টেন্ট/SMS/ Video ইত্যাদি থাকতে পারবে না। (না জানিয়ে চ্যাক করবে)
৫. সততা বা সত্যি কথা বলুন।
৬. ঘোষ থেকে বিরত থাকুন। (দিতে চাইলে মার+জেল হবে)
৭. পরিক্ষার জন্য। সাধারন গনিত সূত্র, সাধারন জ্ঞান আর কিছু ইংরেজি অনুবাদ বা পেরেগ্রাফ জানা থাকলেই চলবে।
৮. আপনি যদি পাবলিক স্কেলে অর্থাৎ মাপের ফিতায় 5.8″ হয়ে থাকেন তাহলে সেনাবাহিনীর মাপে সেটা 5.7″/5.⅞” হবে। কারন আমাদের স্কেলে একটু বেশি বারতি থাকে।
৯. সেনানিবাসে কোন সেলফি বা ছবি তোলা নিষেধ।
১০. আপনি লিখিত পরীক্ষা দেওয়ার সময় নিজের মাথা ভুলে’ও ডানবামে নড়াচড়া করবেন না।
১১. বাইভায় ( মৌখিক ) সবকটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করুন।
১২. সেনানিবাস গেইট এ গিয়ে এদিক ওদিক ঘুরাঘুরি করবেন না।
১৩. খুব বেশি সাজগোজ না করাই ভাল, সাধারন ভাবে চলার চেষ্টা করবেন।
১৪. আপনার A to Z জামা কাপর ব্যাগ করে নিয়ে যাবেন মেডিকেল এ ধরকার পড়তে পারে
১৬. শরীরলে কোনো টেটু+ কার ও নাম লেখা তাকলে যাওয়ার ধরকার নাই।
১৭.আপনাদের মাঠ কার্যক্রম করবে মেয়ে অফিসার রা এবং মেডিকেল ও মেয়েরাই করবে তাই যখন যা বলা হয় লজ্জা বাদ দিয়ে করে ফেলুন নইলে বাদ দেওয়া হবে।
১৮. যার যার personality ভেবে যাবেন। আপনি কোনো বাজে অভ্যাস এ শিকার থাকলে পরিচিত কোনো সেনাবাহিনী কে লজ্জা না ভেবে বলে এটার সমাধান করে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।

টানা ৫ দিন দেশজুড়ে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৪ পিএম
টানা ৫ দিন দেশজুড়ে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

চৈত্র মাসের প্রথম থেকে প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে কালবৈশাখী। এর সঙ্গে কোথাও কোথাও হচ্ছে শিলাবৃষ্টি। মধ্য চৈত্র চলেও এলেও আবহাওয়ার তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। আজ সোমবারও (১৬ চৈত্র) দেশের ৮টি বিভাগেই কালবৈশাখী বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আজ সকাল ৯টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের আগামী ৫ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দু-এক জায়গায় আজ অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। একই সময় রাজধানী ঢাকায় পশ্চিম অথবা উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।

পূর্বাভাসের তথ্য অনুয়ায়ী, আগামী ৩ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখীসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে আজ সকাল ৯টা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাজধানী ঢাকায় যা ছিল ২৪ দশমিক ৯। এ ছাড়া গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৩৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অন্যদিকে গতকাল সকাল ৯টা থেকে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীতে।

মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি

ঝালকাঠি গাবখান নদীতে নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর কিশোর আলিফের মরদেহ উদ্ধার

মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৪ পিএম
ঝালকাঠি গাবখান নদীতে নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর কিশোর আলিফের মরদেহ উদ্ধার

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির কেফাইত নগর এলাকায় গাবখান সেতুর নিচে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া কিশোর আলিফের মরদেহ ৪৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে গাবখান নদীতে ভাসমান অবস্থায় স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পেয়ে তীরে তুলে আনে। নিহত আলিফ একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও হাফেজ ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে আলিফ তার ছোট ভাই আলফি ও খালাতো ভাই টুকটুককে সঙ্গে নিয়ে নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় প্রবল স্রোতে পড়ে হঠাৎ করেই তলিয়ে যায় সে। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিল আলিফ। ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এবং স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান শুরু করে। টানা দুই দিন খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে নিখোঁজের প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

স্বজনরা জানান, আলিফ সিলেটের হবিগঞ্জে বসবাস করতেন। ঈদের ছুটিতে ঝালকাঠির কেফাইত নগরে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল সে। ছুটি শেষে রোববার (২৯ মার্চ) তার বাবা সেলিম তাকে নিতে আসার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়েই বাবা পৌঁছালেও জীবিত সন্তানের বদলে তাকে ফিরতে হয়েছে সন্তানের নিথর দেহ নিয়ে—যা স্বজনদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের ভাষ্য, গাবখান সেতুর নিচের এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে সাঁতার না জানা শিশু-কিশোরদের জন্য এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। পর্যাপ্ত সতর্কতা ও সচেতনতার অভাবে এখানে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে বলে তারা অভিযোগ করেন।

মালিকুজ্জামান কাকা

জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রেলগেটের আব্দুর রাজ্জাকের জিডি

মালিকুজ্জামান কাকা প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪২ পিএম
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রেলগেটের আব্দুর রাজ্জাকের জিডি

যশোর শহরের ৫নং ওয়ার্ড রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আব্দুর রাজ্জাক (৬৩) প্রানহানি আশঙ্কায় রয়েছেন। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। আব্দুর রাজ্জাক মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে। জিডি নং ২০৩০, তারিখ: ২৬/০৩/২০২৫।

অভিযোগ অনুসারে অভিযুক্ত হচ্ছে ১) রোজীনা বেগম (৩৮) পিতা- মৃত। অনি মোহাম্মাদ ২) আবু মুসা (২০) পিতা- লাল যাবু ৩) রায়হান (২৮)bপিতা- আবুল বাশার ৪) মুন্নি (৪৯) স্বামী আবুল বাসার ৫) ইসলাম শিতা মৃত: অলি মোহাম্মাদ। আসামিরা সবাই রেলগেট পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা। আব্দুর রাজ্জাকের জমি জমা নিয়ে উল্লেখিত বিবাদীদের সাথে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে। জমি-জমা নিয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসরাল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত কোতয়ালি যশোরে একাধিক মামলা রয়েছে। ১নং বিবাদীত নামের দায়েরকৃত সিন্নার মামলা নং- ১৪২৯/২২। ৪নং বিবাদীর নামের সিআর মামলা নং-১৫১৪/২৩, ৫নং বিবাদীর নামের সিআর মামলা নং-১১২০/২৩। মূলত এসব মামল্যর কারনে বিবাদীরা আব্দুর রাজ্জাকের উপর ক্ষিপ্ত। মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন হুমকি সহ মারপিট ও হত্যা চেষ্টা করে। বিবাদীরা আমার নামে মিথ্যা মামলা, মিথ্যা অভিযোগ ও মিথ্য জিডি করে তাকে হয়রানি করছে বলেও জোর অভিযোগ।
গত ২৫ মার্চ বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী নাছিমা বেগম একই মহল্লার বাবুর দোকনে কেনাকাটা করতে গেলে স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে বিবাদীরা তার স্ত্রীকে যেকোন সমায় মারপিটসহ ও প্রকাশ্যে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। বিববাদীরা মামলা তুলে নিতেও বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করছে। বর্তমানে আব্দুর রাজ্জাক চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন। এ হুমকি ঘটনার সাক্ষী জহুরা বেগম (৩৮), জবেদা বেগম (৪৫), বাবুর স্ত্রী ও কন্যা সহ আশে পাশের আরো অনেকে। জরুরি বিধায় উক্ত বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন সহ ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য সাধারন ডাইরী করা হয়েছে।

error: Content is protected !!