সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

বিশ্বনবী সা. বিদায় হজের ভাষণ মুসলিম উম্মাহর জন্য শিক্ষণীয়

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৬:০৩ পিএম | 262 বার পড়া হয়েছে
বিশ্বনবী সা. বিদায় হজের ভাষণ মুসলিম উম্মাহর জন্য শিক্ষণীয়

বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের শেষ হজকে বিদায় হজ বলা হয়। এই হজে আল্লাহর রাসূল সা. এক ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন, যা বিদায় হজের ভাষণ হিসেবে পরিচিত মুসলিম বিশ্বের কাছে। এই ভাষণে তিনি মুসলিম উম্মাহর করণীয় সম্পর্কে জানিয়েছিলেন। এতো বছর পরও বিদায় হজের ভাষণ মুসলিম উম্মাহর জন্য শিক্ষণীয় ও স্মরণীয়।

দশম হিজরির জিলহজ মাসে বিদায় হজ পালন করেছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আরবি মাসের দশম হিজরির ৯ জিলহজ। রোজ শুক্রবার। হজের সময় আরাফা ময়দানে দুপুরের পর হজরত মুহাম্মদ (সা:) লক্ষাধিক সাহাবার সমাবেশে এ ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। হমদ ও সানার পর তিনি বলেন:

হে মানুষ! তোমরা আমার কথা শোনো। এরপর এই স্থানে তোমাদের সাথে আর একত্রিত হতে পারবো কি না, জানি না। হে মানুষ! আল্লাহ বলেন, হে মানব জাতি! তোমাদেরকে আমি একজন পুরুষ ও একজন নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে সমাজ ও গোত্রে ভাগ করে দিয়েছি যেন তোমরা পরস্পরের পরিচয়
জানতে পারো’।

অতএব শুনে রাখো, মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ নেই। আরবের ওপর কোনো আনারবের, অনারবের ওপর কোনো আরবের শ্রেষ্ঠত্ব নেই। তেমনি সাদার ওপর কালোর বা কালোর ওপর সাদার কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই আল্লাহর কাছে বেশি সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী, যে আল্লাহকে ভালোবাসে।

হে মানুষ! শুনে রাখো, অন্ধকার যুগের সকল বিষয় ও প্রথা আজ থেকে বিলুপ্ত হলো। জাহিলি যুগের রক্তের দাবিও রহিত করা হলো।…

হে মানুষ! শুনে রাখো, অপরাধের দায়িত্ব কেবল অপরাধীর ওপরই বর্তায়। পিতা তার পুত্রের জন্য আর পুত্র তার পিতার অপরাধের জন্য দায়ী নয়।

হে মানুষ! তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্মান, তোমাদের সম্পদ পরস্পরের জন্যে চিরস্থায়ীভাবে হারাম (অর্থাৎ পবিত্র ও নিরাপদ) করা হলো, যেমন আজকের এই দিন, আজকের এই মাস, এই শহরের সকলের জন্যে হারাম।…

হে মানুষ! তোমরা ঈর্ষা ও হিংসা- বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকবে। ঈর্ষা ও হিংসা মানুষের সকল সৎ গুণকে ধ্বংস করে। হে মানুষ! নারীদের সম্পর্কে আমি তোমাদের সর্তক করে দিচ্ছি। তাদের সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করো না। তাদের ওপর যেমন তোমাদের অধিকার রয়েছে, তেমনি তোমাদের ওপর তাদেরও অধিকার রয়েছে। সুতরাং তাদের কল্যাণের দিকে সব সময় খেয়াল রেখো।

হে মানুষ! অধীনস্থদের সম্পর্কে সতর্ক হও। তোমরা নিজেরা যা খাবে তাদেরও তা খাওয়াবে। নিজেরা যা পরবে, তাদেরও তা পরাবে। শ্রমিকের শরীরের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি পরিশোধ করবে।

যে মানুষ! বিশ্বাসী সেই ব্যক্তি যার হাতে ও মুখ থেকে অন্যের সম্মান, ধন ও প্রাণ নিরাপদ। সে নিজের জন্যে যা পছন্দ করে অন্যের জন্যেও তা-ই পছন্দ করে। হে মানুষ! বিশ্বাসীরা পরস্পরের ভাই। সাবধান! তোমরা একজন আরেকজনকে হত্যা করার মতো কুফরি কাজে লিপ্ত হয়ো না।…

হে মানুষ! শুনে রাখো, আজ হতে বংশগত শ্রেষ্ঠত্ব বা কৌলিন্য প্রথা বিলুপ্ত করা হলো। কুলীন বা শ্রেষ্ঠ সে-ই যে বিশ্বাসী ও মানুষের উপকার করে। হে মানুষ! ঋণ অবশ্যই ফেরত দিতে হবে। বিশ্বস্ততার সাথে প্রত্যেকের আমানত রক্ষা করতে হবে। কারো সম্পত্তি- সে যদি স্বেচ্ছায় না দেয়, তবে তা অপর কারো জন্যে হালাল নয়। তোমরা কেউ দুর্বলের ওপর অবিচার করো না।

হে মানুষ! জ্ঞানীর কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও মূল্যবান। জ্ঞানার্জন প্রত্যেক নর-নারীর জন্য ফরজ।কারণ জ্ঞান মানুষকে সঠিক পথ দেখায়। জ্ঞান অর্জনের জন্যে প্রয়োজনে তোমরা চীনে যাও। হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রভুর ইবাদত করবে। নামাজ কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে,রোজা রাখবে, হজ করবে আর সঙ্গবদ্ধভাবে নেতাকে অনুসরণ করবে; তাহলে তোমরা জান্নাতে দাখিল হতে পারবে।

হে মানুষ! শুনে রাখো, একজন কুশ্রী কদাকার ব্যক্তিও যদি তোমাদের নেতা মনোনীত হয়, যতদিন পর্যন্ত সে আল্লাহর কিতাব অনুসারে তোমাদের পরিচালিত করবে, ততদিন পর্যন্ত তাঁর আনুগত্য করা তোমাদের অবশ্য কর্তব্য।

হে মানুষ! শুনে রাখো, আমার পর আর কোন নবী নেই। হে মানুষ! আমি তোমাদের কাছে দুটো আলোকবর্তিকা রেখে যাচ্ছি। যতদিন তোমরা এ দুটোকে অনুসরণ করবে, ততদিন তোমরা সত্য পথে থাকবে। এর একটি আল্লাহর কিতাব। দ্বিতীয়টি হলো আমার জীবন-দৃষ্টান্ত।

হে মানুষ! তোমরা কখনোই ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। কেননা অতীতে বহু জাতি ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ির কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে।

হে মানুষ! প্রত্যেকেই শেষ বিচারের দিনে সকল কাজের হিসেব দিতে হবে। অতএব সাবধান হও! হে মানুষ! তোমরা যারা এখানে হাজির আছো, আমার! এ বাণী কে সবার কাছে পৌঁছে দিও।

(এরপর তিনি জনতার উদ্দেশ্যে জিজ্ঞেস করলেন)

হে মানুষ! আমি কি তোমাদের কাছে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দিয়েছি? সকলে সমস্বরে জবাব দিলোঃ হ্যাঁ! এরপর নবীজি (সা:) বললেন, হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী থাকো! আমি আমার সকল দায়িত্ব পালন করেছি!

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

রূপগঞ্জের সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৪ পিএম
রূপগঞ্জের সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজের রূপগঞ্জ প্রতিনিধি নাজমুল হুদা (৪৬) কে সন্ত্রাসীরা প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। গত ১৩মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় মোটরসাইকেলে ভুলতা গাউছিয়া যাওয়ার পথে কর্নগোপ রহিম মার্কেট এলাকায় মাস্ক ও হেলমেট পরিহিত অজ্ঞাত ৪জন সন্ত্রাসী এ হুমকি দেয়।
জানা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার কর্ণগোপ এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক নাজমুুল হুদা দীর্ঘদিন ধরে জাগো নিউজে সংবাদ পরিবেশন করে আসছেন। সন্ত্রাসী, চাঁদাবজিসহ অপরাধমূলক সংবাদ প্রচার করায় সন্ত্রাসীরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে সাংবাদিক নাজমুল হুদা অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে নাজমুল হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪/৫জনকে অভিযুক্ত করে রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সাংবাদিক নাজমুল হুদার এ হুমকির ঘটনায় রূপগঞ্জ প্রেসক্লাব, রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব, পূর্বাচলের সাংবাদিক কার্যালয় ও পূর্বাচল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে। অবিলম্বে সাংবাদিকের হুমকি দাতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য তারা দাবি জানায়।
রূপগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সবজেল হোসেন বলেন, সাংবাদিক নাজমুল হুদাকে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সন্ত্রাসীরা যতই প্রভাবশালী হোক ছাড় দেওয়া হবে না।

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী

খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫২ পিএম
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে

” খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে।” পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা নিজ এলাকা পটুয়াখালী -৩ গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলায় খাল খননে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন।নিজ এলাকায় খাল খননের উদ্বোধন করতে গিয়ে মাটি কেটে ওরায় করে মাথায় নিয়ে ফেললেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর,পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন।পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ ১৬ মার্চ ২০২৬, সোমবার দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে ‘সাহাপাড়া খাল’ খননের মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করে তিনি।সবাই বলছেন পিতার দেখানো পথেই হাঁটছেন তিনি। তাই সকলে তাঁর জন্য দোয়া করবেন – যেন দীর্ঘদিন বাংলাদেশের সেবা করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করে যেতে পারে।আগামী ১৬ মার্চ সোমবার দুপুর ১২ ঘটিকায় গলাচিপায় খাল খনন কর্মসূচি ও ১৭ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ৯ ঘটিকায় গলাচিপাবাসীর বহুল প্রত্যাশিত রামনাবাদ সেতুর উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবো।
দলমত নির্বিশেষে সকলে আমন্ত্রিত।
জনাব নুরুল হক নূর এমপি,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী- (প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়)
সভাপতি- গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)
সাবেক- ভিপি (ডাকসু)তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে কৃষিতে যে অগ্রগতি ও শস্য বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন তার পথ অনুসরন করে আমরা কৃষিতে বিপ্লব আনতে চাই। তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে সোমবার দুপুরে গলাচিপা উপজেলা খালের খনন কাজ উদ্বোধন উপলক্ষে এসব কথা বলেন। তিনি আর-ও বলেন কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করেনা। সকল দল,মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে আমরা কাজ করবো নুরুল হক নুর
বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে। জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন,জুলাই গনঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহিদদের আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। তিনি আরও বলেন,বিএনপি যা বলে তাই করে৷ সরকারের নেয়া কর্মসূচির মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করেছে। মাত্র অল্প সময়ের ব্যবধানে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পটুয়াখালী -৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর বলেন, নির্বাচনের তিনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। মাত্র এক মাসের মধ্যে সারাদেশ ব্যাপী একযোগে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে। যারা বলেছিলেন ফ্যামিলি কার্ড হবেনা,সে ধারনা ভুল প্রমানিত করে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। তিনি বলেন,আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে কৃষি কার্ড কৃষকদের মাঝে পৌঁছে যাবে। জেলা প্রশাসক
সঞ্চালনায় এতে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার,
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ ,বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ সহ বিএনপি ও তার অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫০ পিএম
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে দুই যাত্রীর কাছ থেকে ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও বিমানবন্দর শুল্ক বিভাগ।

রোববার সন্ধ্যা ৫টা ৫৫ মিনিটে শারজাহ থেকে আসা একটি উড়োজাহাজ অবতরণের পর বিমানবন্দরের শুল্ক বিভাগের হলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে শুল্ক গোয়েন্দা ও বিমানবন্দর শুল্ক শাখার কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ সময় দুই যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে মোট ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়। শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করা সিগারেটের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।
আটক যাত্রীরা হলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাসিন্দা হাসান মিয়া এবং কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইব্রাহিমুল করিম।
শুল্ক বিভাগ জানায়, উদ্ধার করা সিগারেট বিভাগীয় নথিভুক্ত মূল্যে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আটক দুই যাত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, দুই যাত্রীর কাছ থেকে ৪২৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি রোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!