✍️দিলরুবা আক্তার পারভীন॥
নিজেকে চেনা
মানুষ তার নিজের ভিতরে একাধিক রূপ নিয়ে বেঁচে থাকে। সময়ের প্রয়োজনে সে তার সেই সব অভিব্যক্তি প্রকাশ করে অথবা নিজের ভেতরে আত্মগোপনে রাখে। মানুষ যখন তার যে রূপটি দেখাতে চায় সেটাই কেবল বাইরে নিয়ে আসে। অর্থাৎ নিজেকে প্রকাশ করার ক্ষমতা সম্পূর্ণ সে নিজেই নিয়ন্ত্রণ করে। যাকে আমরা সচরাচর সমাজে ,কর্মক্ষেত্রে একজন সুশীল, নম্র ,ভদ্র অমায়িক ,পোশাক-আশাকে কেতাদুরস্ত হিসেবে দেখি। আবার এই মানুষটিই হঠাৎ রুঢ় বিনয় বহির্ভূত ,অসভ্য কর্কশ মানুষে রূপান্তরিত হয়। এটার কারণ কিন্তু একটাই নিজের উপর তার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা।তার মানে আমরা সব ক্ষেত্রে বিবেক বা বুদ্ধি দিয়ে পরিচালিত হই না ।কখনো কখনো অনিয়ন্ত্রিত মন দ্বারা ও পরিচালিত হয়ে থাকি। আর তখনই ঘটে বিপত্তি। মানুষ রেগে গিয়ে তার লুকানো ভয়ঙ্কর ডেভিল চেহারাটি বেরিয়ে আসে।আসলে মানুষের মধ্যেই বসবাস করে ঈশ্বর ,খোদা, ভগবান। তারই অন্তরালে লুকিয়ে থাকে ডেভিল ,ইপশ অথবা শয়তান। পঞ্চম ইন্দ্রিয় কে বশে রাখা হয়তোবা সব সময় কঠিন তবে অসম্ভব কিছু নয়। মানুষ পারে না এমন কোন কিছু হতে পারে না। মানুষ সবকিছু নিয়ন্ত্রণকারী। আপনাকে একবার যে চিনে যায় তার জন্য কোন কিছুই অসাধ্য নয়। তাই হয়তো কবি গুরু বলেছেন”আপনাকে এই জানা আমার ফুরাবে না, সেই জানার সঙ্গে সঙ্গে তোমায় চেনা।” যে একবার নিজেকে চিনে নেয় জগত সংসার তার কাছে অচেনা নয়।

















