শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

তাড়াশে বিনা চাষে ভুট্টার বাম্পার ফলন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ মে, ২০২৫, ৩:১৫ পিএম | 165 বার পড়া হয়েছে
তাড়াশে বিনা চাষে ভুট্টার বাম্পার ফলন

ভাল দাম পেয়ে কৃষকের মুখে হাসি তাড়াশে বিনা চাষে ভুট্টার বাম্পার ফলন।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিনা চাষে ভুট্টার বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। প্রতি বিঘা ফলন হচ্ছে ৫০ খেকে ৬০ মন। কৃষক জমি থেকে ভুট্রার শীষ তুলে বাড়ির আঙ্গীনায় এনে মাড়াই যন্ত্রের সাহায্যে ভুট্রার দানা সংগ্রহে ব্যাস্ত সময় পার করছেন।

চলনবিল অধ্যুষিত তাড়শ উপজেলার নিম্নঞ্চল থেকে পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে জমি চাষ না দিয়ে জমির কাদার উপর কৃষক ভুট্রার বীজ বপন করেন। এ পদ্ধতিতে কৃষকের চাষ খরচ কম হয়েছে এবং ফলনও হয়েছে বাম্পার এমনটি জানিয়েছেন একাধিক ভুট্রা চাষী।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, এ বছর তাড়াশ উপজেলায় বিনা চাষে ভুট্টার আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৯৯০ হেক্টর জমিতে। এ অঞ্চলে বিনা চাষে সাধারণত হাইব্রিড জাতের বারি-৫, বারি-৬, বারি-৭, বারি মিষ্টি ভুট্টা-১, বারি বেবি কর্ণ-১ জাতের ভুট্টা বেশি চাষ হয়েছে ।

জানাগেছে, তাড়াশ উপজেলার বারুহাস, সগুনা, মাগুড়াবিনোদ ও নওগাঁ ইউনিয়নে বিনা চাষে ভুট্টার আবাদ হয়েছে। মাগুড়া ইউনিয়নের মাগুড়া গ্রামের কৃষক মাসুদ আলী জানান, এ বছর আমি ১০ বিঘা জমিতে বিনা চাষে ভুট্রা বুনেছি। এ পদ্ধতিতে চাষ খরচ কম। আবার ফলনও হচ্ছে প্রতি বিঘা ৫০ থেকে ৬০ মন। প্রতি মন ভুট্রা বিক্রি করছি ৯৫০ থেকে ১০৫০ টাকায়। বাম্পার ফলন এবং ভাল দামে আমরা লাভের মুখ দেখছি।

উপজেলার নাদোসৈয়দপুর গ্রামের কৃষক শফিকুল মিয়া জানান, সকল খরচ বাদে প্রতি বিঘা জমির ভুট্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে। উপজেলা নওগাঁ ইউনিয়ন কালিদাস নিলী গ্রামের কৃষক শাহআলম জানা,সকল খরচ বাদে ৪০থেকে ৪৫ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে। যা গত বছরের তুলনা দ্বিগুন।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুলাহ আল মামুন জানান, চাষ খরচ কম ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এ বছর বিনা চাষে ভুট্রার বাম্পার ফলন হয়েছে। আবার ভাল দাম পেয়ে ভুট্রা চাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে।

ঈদ উপলক্ষে হ্নীলা ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২০ পিএম
ঈদ উপলক্ষে হ্নীলা ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন

ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:১০ পিএম
ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রঙ্গন মিউজিক নির্মাণ করেছে বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’। শফিকুর রহমান শান্তনুর রচনায় নাটকটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ আহমেদ রানা ও সুব্রত মিত্র। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরা, মিরপুর ও আগারগাঁওয়ের বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির চিত্রধারণ সম্পন্ন হয়েছে।
নাটকটির গল্প আবর্তিত হয়েছে নাগরিক জীবনের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ষাটোর্ধ্ব হায়াত সাহেব, যিনি সারা জীবন মফস্বলে চাকরি করে একমাত্র ছেলেকে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর অসুস্থ হায়াত সাহেব চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছেলের বাসায় আসেন।
শুরুতে আনন্দ থাকলেও শহরের ব্যস্ততা আর বাস্তবতার চাপে বাবা-ছেলের সম্পর্কের মাঝে তৈরি হয় নানা তিক্ততা ও মানসিক দূরত্ব। নিদারুণ বাস্তবতায় বাবা ও সন্তানের চিরায়ত সম্পর্কের দেওয়ালে ঘেরা এক আবেগঘন কাহিনি ফুটে উঠবে এই নাটকে।
পরিচালক সুব্রত মিত্র বলেন, এটি পারিবারিক গল্পের নাটক। বাবা আর সন্তানের সম্পর্কের গল্পের নাটক। তাদের সাধ অনেক কিন্তু সাধ্যটা সীমিত। ছেলের ইচ্ছা করে বাবার জন্য জীবনের পুরোটা দিয়ে দিতে, কিন্তু বাস্তবতা তাকে দাঁড় করায় ভিন্ন এক দেয়ালের সামনে।
নাটকটিতে হায়াত সাহেবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াত। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ইরফান সাজ্জাদ, সুনেরাহ বিনতে কামাল, এস এম আশরাফুল আলম সোহাগ, রেশমা আহমেদ, আজম খান, ইফতেখার পলাশ ও শিশুশিল্পী ইব্রাহিমসহ আরও অনেকে।
মো. জামাল হোসেনের প্রযোজনায় নাটকটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন সুমন হোসেন এবং আবহসংগীত করেছেন প্রত্যয় খান। নাটকটি ‘রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্ট’ এর ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেওয়া হবে।

ট্রলিংয়ের একটা লিমিট থাকা উচিৎ : শ্রাবন্তী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:০৯ পিএম
ট্রলিংয়ের একটা লিমিট থাকা উচিৎ : শ্রাবন্তী

সামাজিক মাধ্যমে তারকাদের নিয়ে চলা ট্রল, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন ওপার বাংলার নায়িকা শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। এমন সম্মানহানি ঠেকাতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও কঠোর আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অভিনেত্রী।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে শ্রাবন্তী জানান, বাকস্বাধীনতা মানেই যা খুশি বলা নয়। মানুষের ভেতরের হতাশা এভাবে প্রকাশ করা কাম্য নয়। বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলিংয়ের একটা সীমা থাকা উচিত। আমি অনেক উপেক্ষা করেছি, কিন্তু এখন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি নারীরাই অন্য নারীকে অসম্মান করছেন।
এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তারকাদের নিয়ে তৈরি কুরুচিপূর্ণ ভিডিওর প্রসঙ্গও টানেন অভিনেত্রী। জানান, এসব কারণেই তিনি বাধ্য হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
অভিনেত্রী মনে করেন, সামাজিকমাধ্যমে যারা নাম পরিচয় লুকিয়ে বা প্রকাশ্যেই গালিগালাজ ও অশালীন মন্তব্য করেন, তাদের সতর্ক করতে কঠোর আইন প্রয়োজন। বলেন, শুধু নারী নয়, পুরুষরাও এখানে অপমানিত হচ্ছেন। তবে নারীদের বেশি লক্ষ্যবস্তু করা দীর্ঘদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এই অসভ্যতা বন্ধ হওয়া জরুরি।
অনলাইনে এত নেতিবাচকতা সত্ত্বেও সামাজিক মাধ্যম ছেড়ে দেওয়ার পক্ষপাতী নন শ্রাবন্তী। তার মতে, সেখানে তাকে ভালোবাসার মানুষের সংখ্যাও অনেক। এছাড়া বর্তমান ডিজিটাল যুগে পেশাগত কারণেই সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

error: Content is protected !!