সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

ঈদ মানে হাসি খুশি, ঈদ মানে ছন্দো, ঈদ মানে ভুলে যাওয়া ভেদাভেদ দ্বন্দ্ব

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫, ৩:২১ পিএম | 293 বার পড়া হয়েছে
ঈদ মানে হাসি খুশি, ঈদ মানে ছন্দো, ঈদ মানে ভুলে যাওয়া ভেদাভেদ দ্বন্দ্ব

ঈদ মানে হাসি খুশি, ঈদ মানে ছন্দো, ঈদ মানে ভুলে যাওয়া ভেদাভেদ দ্বন্দ্ব, কবির এ কবিতার মতন পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের বার্তা নিয়ে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর আমাদের দুয়ারে কড়া নাড়ছে। ঈদ সম্প্রীতির এক মেলবন্ধন চিরকালের। ঈদ উল ফিতর এর অন্যতম বিষয় হলো যাকাত দেওয়া। যা ইসলামের ৫ টি স্তম্ভের গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরজ কাজ। (সুরা: বাকারা, আয়াত ২৬৪) এছাড়া সুরা আঘ্যারিয়াতের ১৯ নম্বর আয়াতে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নিশ্চয়ই তোমাদের সম্পদে নিঃস্ব ও অসহায়দের অধিকার রয়েছে। অর্থাৎ আমরা যা দান করি, কোরআনের দৃষ্টিতে তা দয়া নয়; তা অসহায়দের অধিকার বা হক্কুল ইবাদ। আপনি যখন দান করেন, তখন আপনি সৃষ্টির অধিকারকেই সম্মান করেন।এতেই প্রতীয়মান হয় যে ইসলাম কত সুন্দর। মুসলমানদের অন্যতম উৎসব ঈদ। এবারের ঈদ বহুদিক দিয়েই গুরুত্ব বহন করে। ভয়ডরহীন স্বাধীন ঈদ। একটা ভিন্ন আবহে ঈদ উল ফিতর দল, মত নির্বিশেষে সকলের জন্য আনন্দের হোক। পবিত্র রমজানে যেমন আন্তরিক ভাবে মহান আল্লাহর ইবাদতে মশগুল ছিলাম, তেমনিভাবে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ আহকামগুলো পালনেও সব সময় যেন সচেষ্ট থাকি সেদিকে নজর দেওয়াও অতি আবশ্যক। রোজা শব্দের পারিভাষিক অর্থ হলো বিরত থাকা। অনাচার, অবিচার, জুলুম, নির্যাতন, সহিংসতা, ভেদাভেদ, পাপাচারসহ নানা রকম অসামাজিক কাজ থেকে বিরত থাকতে পারলেই রোজার স্বার্থকতা। এটা যে কেবল রমজান মাসের জন্য তা নয়; এ প্র্যাকটিস যদি সারা বছর করা যায় তাহলে একটা সুষ্ঠু, সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে খুব তাড়াতাড়ি।
ইসলাম মানেই শান্তি আর রমজান হলো প্রশিক্ষণের মাস। আমরা এ রমজানে কতটুকু সঠিক প্রশিক্ষণ নিতে পেরেছি তা উপরওয়ালা ভালো জানবে। তবে এ রমজানের শপথ হোক অন্যের হক সঠিক ভাবে পালন করবো চিরদিন। হানাহানি, রেষারেষি ভুলে ভাতৃত্ববোধে জেগে উঠুক সকল মুসলমানদের প্রাণ। সেই সাথে এটাও কামনা করবো যারা অন্যায় ভাবে মুসলমানদের উপর জুলুম, নির্যাতন করছে তারা ধংস হোক।
ঈদের পরপরই রাজনৈতিক দলগুলো আবার সরব হবে। ইতোমধ্যে রাজনৈতিক ভাবে নানান বার্তা আসছে। সকল দল মিলে মিশে একটা স্বপ্নময় বাংলাদেশ উপহার দিবে এটা জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশের নাগরিকদের প্রত্যাশা। যে বাংলাদেশে ধর্ষণ থাকবে না, সংখ্যালঘু, সংখ্যাগুরুর বিষয় থাকবে না, সবাই সকলের আপনজন হয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে উৎসাহী হবে।
আন্দোলন, সংগ্রাম তারপর বাংলাদেশ এটা ভুলে গেলে চলবে না। পবিত্র মাহে রমজান, এবং ঈদ উল ফিতরে সবার কায়মনে প্রার্থনা আমরা আমাদের দেশ কে ভালো রাখবো। দেশকে ভালো বাসবো। সবার আগে দেশ সেটা মাথায় থাকলে অন্যায়, অবিচার, জুলুম, নির্যাতন, ষড়যন্ত্র দূর হয়ে যাবে এমনিতেই। পরিশেষে একটা সুন্দর ঈদ উদযাপিত হবে এটা প্রত্যাশা রাখি এবং সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাই।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী

নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩০ পিএম
নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদক সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে মো. নিরব (২৬) নামে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে রোববার দুপুরে উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মাইজচরা গ্রামের বাংলাবাজারের উত্তর পাশে কালা দুলালের বাপের বাড়ির সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় নিরবকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত নিরব একই ওয়ার্ডের আব্দুল গনি বাড়ির আব্দুল গনির ছেলে। তিনি পেশায় একজন স’মিল শ্রমিক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিরব কিছুদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। কয়েকদিন আগে মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের ইটভাটা শ্রমিক রুবেল মাঝির (২৮) ভাতিজার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
ওই বিরোধের জেরে রোববার সকাল ১০টার দিকে নিরব তার তিন সহযোগীকে নিয়ে বাংলাবাজারের উত্তর পাশে রুবেল মাঝির ওপর হামলা চালায়। এ সময় ছুরিকাঘাতে রুবেল মাঝির ৩-৪ জন অনুসারী আহত হয়।

পরে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে নিরবের অনুসারীরা প্রতিপক্ষ রুবেল মাঝির বাড়ির সামনে চলে গেলে রুবেল মাঝির লোকজন ধাওয়া দিয়ে নিরবকে আটক করে। পরে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিরবকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. জহির ওরফে আব্দুল গনি রোববার রাতে ২২ জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে রোববার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে পূর্ব মাইজচরা গ্রাম থেকে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

SIRAJUL KABIR BULBUL

উখিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক কারানির্যাতিত সাবেক, ছাত্রনেতা, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

SIRAJUL KABIR BULBUL প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
উখিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহ সাধারণ  সম্পাদক কারানির্যাতিত সাবেক, ছাত্রনেতা, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

SIRAJUL KABIR BULBUL

নিরাপত্তা ও বৈধতা নিয়েও শঙ্কা, সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি

সৌদি প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:২১ পিএম
সৌদি প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছেন “সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিম”-এর পরিচালক মো: সেলিম রানা। তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে সকল প্রবাসীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তার দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, “যারা সৌদি আরবে আছেন, তারা অপ্রয়োজনে বাইরে বের হবেন না। আকামার মেয়াদ ও কাগজপত্র বৈধ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদ ও আটক হওয়ার ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে উমরাহ বা হজের উদ্দেশ্যে চলাচলের সময়ও অনেক প্রবাসী সমস্যায় পড়ছেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও প্রবাসীদের আটক করে জেল খাটিয়ে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে করে শত শত বাংলাদেশি প্রবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ছেন এবং তাদের পরিবারগুলোও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে।
১০১ টিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইতোমধ্যে অনেক প্রবাসী কান্না ও আহাজারির মধ্য দিয়ে দেশে ফেরত যেতে বাধ্য হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় হতাশা বাড়ছে প্রবাসীদের মধ্যে।
এ বিষয়ে ১০১ টিমের সদস্য ফয়সাল, জাহিদ ও নাঈম বলেন, “আমরা জানতে চাই—বৈধভাবে সৌদি আরবে থাকার পরও কেন আমরা নিরাপদ নই? আমাদের সমস্যা কে দেখবে?”
তারা আরও দাবি জানান, বাংলাদেশের সরকারকে দ্রুত এ বিষয়ে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে এবং প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি আরবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয় এবং ভিসা ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। তাই প্রবাসীদের সবসময় নিজেদের কাগজপত্র হালনাগাদ রাখা, নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলা এবং সন্দেহজনক পরিস্থিতি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
উপসংহার:
বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি প্রবাসীদের জন্য সচেতনতা ও সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপই পারে প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও আস্থার জায়গা পুনরুদ্ধার করতে।

error: Content is protected !!