শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞান শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫, ৪:৪৩ পিএম | 82 বার পড়া হয়েছে
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞান শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যে জ্ঞান অর্জন করা হয়, তা একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটা সময় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিকল্প ছিলো না। কিন্তু বর্তমানে বেসরকারি স্কুল, কিন্ডারগার্টেনের মতো অনেকগুলো বিকল্প তৈরি হয়েছে। ফলে অভিভাবকগণ সুবিধামাফিক নিজ সন্তানদের যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে পারেন।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক দেয়া হচ্ছে। অথচ, বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে পড়ানোর জন্য অভিভাবকদের বহু অর্থব্যয়ের প্রয়োজন হয়। সুতরাং, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিবর্তে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার কথা নয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের যে অবকাঠামো রয়েছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশিরভাগেরই সে অবকাঠামো নেই। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় মানসম্পন্ন এবং তাদের নিয়মিত ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা রয়েছে।

আজ ২২মার্চ শনিবার সকালে ময়মনসিংহের টাউন হল এডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা। ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারগণের সাথে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লুৎফুন নাহার, প্রাথমিক শিক্ষা ময়মনসিংহের বিভাগীয় উপপরিচালক মোঃ জালাল উদ্দিন, ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ ওবায়দুল্লাহ।

উপদেষ্টা আরো বলেন, কর্মঘণ্টা ঠিক রেখে প্রধান শিক্ষকরা রুটিন মডিফাই করতে পারবেন। শহর ও গ্রামে কোন সময়ে পাঠদানের সময় নির্ধারণ করলে ভালো হয়, সেভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে। স্থানীয়ভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে স্কুল বন্ধ রাখতে হলে, শনিবার খোলা রেখে সেটি কাভার দেয়া যেতে পারে। বছরে টোটাল কর্মদিবস মাত্র ১৮৫ দিনের মতো উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এর মধ্যেও অনেক দিন বিভিন্নভাবে নষ্ট হয়। তাই স্কুল শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, স্কুল চলাকালীন সময়ে তারা যেন নিজেদের অন্য কাজে নিয়োজিত না করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, স্কুলের ছুটি কমানোর ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে যৌথভাবে কাজ করার চেষ্টা করবো। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টার্গেটটা ছোট, কিন্তু তা জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে একজন শিক্ষার্থীকে স্বাক্ষর করে গড়ে তোলা হয়। উদ্দেশ্য থাকে শিক্ষার্থী যেন তার নিজের ভাষায় পড়তে, মনের ভাব ব্যক্ত করতে পারে।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সুপার, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর, সহকারী ইন্সট্রাক্টর এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীগণ।

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা লুট, অভিযোগ গুরুতর

মোঃ আজগার আলী, খুলনা ব্যুরো প্রধান: প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৭ পিএম
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা লুট, অভিযোগ গুরুতর

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে—কাজ না করেই বিল উত্তোলন, ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া, নামমাত্র কাজ করে পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ, ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে বিল বাণিজ্য এবং ঠিকাদার-কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ঘুষ বাণিজ্যের এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জেলা পরিষদের এডিপি ও উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আওতায় বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে—এই বরাদ্দের বড় একটি অংশ প্রকল্প বাস্তবায়ন ছাড়াই আত্মসাৎ করা হয়েছে।
বিশেষ করে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. আব্দুর রশিদের নাম ব্যবহার করে তার আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব প্রকল্পে জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মেহেদী মাসুদ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মসজিদ, ঈদগাহ, মাদ্রাসা, ক্লাব ও সড়ক উন্নয়নের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে কাজ হয়নি বা নামমাত্র কাজ করা হয়েছে।
খুবদিপুর ঈদগাহে ১০ লাখ, কদমতলা জামে মসজিদে ১৫ লাখ এবং আলামিন জামে মসজিদে ৫ লাখ টাকার বরাদ্দ থাকলেও কাজের মান ও পরিমাণ নিয়ে রয়েছে গুরুতর প্রশ্ন। একইভাবে কৃষ্ণনগরের একটি মসজিদে ১০ লাখ টাকার প্রকল্পেও নামমাত্র কাজের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো—অনেক প্রকল্পের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যায়নি। যেমন, জামিয়া ইমদাদিয়া তালিমুল কুরআন মাদ্রাসার নামে বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
কিছু ক্ষেত্রে একই প্রকল্পে একাধিকবার বরাদ্দ দেখিয়ে টাকা উত্তোলনের অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্যরা জানিয়েছেন, আগে করা কাজকে পুনরায় দেখিয়ে নতুন বরাদ্দ তুলে নেওয়া হয়েছে।
সিপিপিসি প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ পাওয়া অনেক প্রতিষ্ঠান প্রকৃত অর্থের অর্ধেকও পায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বাকিটা ভাগ-বাটোয়ারা হয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
দাদাভাই ক্লাবের নামে বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে, যেখানে ক্লাবের কোনো উন্নয়ন হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী প্রকৌশলী মেহেদী মাসুদ বিতর্কিত মন্তব্য করে বলেন, “আপনারা সাংবাদিক যত পারেন লিখেন, কিছুই করতে পারবেন না। টাকার ভাগ সবাই পায়।”—এমন বক্তব্য জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
তবে অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, তারা নিয়ম মেনেই কাজ করেছেন এবং দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন।
জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, এসব অভিযোগ সম্পর্কে তিনি অবগত নন।
স্থানীয়দের দাবি, জনগণের কষ্টার্জিত অর্থে বাস্তবায়িত প্রকল্পে এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

ধামইরহাট আইডিয়াল মাদ্রাসার কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

ধামইরহাট ( নওগাঁ) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৫ পিএম
ধামইরহাট আইডিয়াল মাদ্রাসার কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নওগাঁর ধামইরহাট আইডিয়াল মাদ্রাসার কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ ই এফ্রিল শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় আইডিয়াল মাদ্রাসার আয়োজনে উপজেলার ডাক বাংল হলরুমে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত চক্রবর্তী। আলহাজ সাইফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং আইডিয়াল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওাঃ মামুনুর রশীদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অত্র মাদ্রাসার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নজিপুর ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ ছানাউল ইসলাম, ইসলাম,সাবেক কমিশনার আমজাদ হোসেন। ৬ জন বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধামইরহাট বাজার বনিক সমিতির সভাপতি কোরবান আলী , অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক বৃন্দ, শিক্ষার্থীগন, অভিভাবক বৃন্দ ও সাংবাদিক বৃন্দ প্রমুখ । পরিশেষে জয়পুরহাট হতে উদ্ভোবন সাংস্কৃতিক শিল্পী গোস্টি ইসলামি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
মোঃ নুরুল ইসলাম
০১৭১০১৯০০১০

বেলকুচিতে অক্সফোর্ড স্কলার স্কুল: নৈতিকতা, আধুনিক শিক্ষা ও ইংরেজি ভাষাভিত্তিক শিক্ষার অনন্য ঠিকানা

বেলকুচিতে অক্সফোর্ড স্কলার স্কুল: নৈতিকতা, আধুনিক শিক্ষা ও ইংরেজি ভাষাভিত্তিক শিক্ষার অনন্য ঠিকানা প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৩ পিএম
বেলকুচিতে অক্সফোর্ড স্কলার স্কুল: নৈতিকতা, আধুনিক শিক্ষা ও ইংরেজি ভাষাভিত্তিক শিক্ষার অনন্য ঠিকানা

আশিকুল ইসলাম, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার শেরনগর এলাকায় অবস্থিত “অক্সফোর্ড স্কলার স্কুল” ইতোমধ্যেই মানসম্মত শিক্ষা, নৈতিকতা এবং ইংরেজি ভাষাভিত্তিক পাঠদানের সমন্বয়ে একটি আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্লে-গ্রুপ থেকে অষ্টম শ্রেণি (PLAY-EIGHT) পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানে। শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করতে রয়েছে সৃজনশীল, আনন্দময় ও ইংরেজি ভাষাভিত্তিক পাঠদান পদ্ধতি, যা তাদের শেখার আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বেলকুচি উপজেলায় একমাত্র ইংরেজি ভাষণভিত্তিক (English Medium/English version) স্কুল হিসেবে “অক্সফোর্ড স্কলার স্কুল” বিশেষ সুনাম অর্জন করেছে। ফলে অভিভাবকদের কাছে এটি একটি প্রথম পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম বিশেষত্ব হলো এর বহুমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা। এখানে রয়েছে আবাসিক (Residential), অনাবাসিক (Non-residential) এবং ডে-কেয়ার (Day Care) সুবিধা, যা অভিভাবকদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক। বিশেষ করে কর্মজীবী অভিভাবকদের সন্তানদের জন্য নিরাপদ ও যত্নশীল পরিবেশে ডে-কেয়ার ব্যবস্থা ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

“Excellence in Morality and Quality”—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আদর্শ, নৈতিক ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মতে, বেলকুচিতে মানসম্মত, আধুনিক ও ইংরেজি ভাষাভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে “অক্সফোর্ড স্কলার স্কুল” ইতোমধ্যেই একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নিয়েছে। ভবিষ্যতে এই প্রতিষ্ঠান আরও এগিয়ে যাবে এবং শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

error: Content is protected !!