বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২

বিজিবি-বিএসএফ চুক্তি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২:৫২ পিএম | 108 বার পড়া হয়েছে
বিজিবি-বিএসএফ চুক্তি

বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৪ দিনব্যাপী (১৭-২০ ফেব্রুয়ারি) ৫৫তম সীমান্ত সম্মেলন ভারতের নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের সম্মেলনে সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো, হত্যা, আহত বা মারধরের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যৌথ টহল বৃদ্ধি, উভয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী উপকৃত হবে এমন তাৎক্ষণিক ও আগাম গোয়েন্দা তথ্য একে অপরের মধ্যে আদান-প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

পাশাপাশি সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো স্থাপনা, কাঁটাতারের বেড়া, প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত হয় এমন কোনো স্থাপনা বা বাংকার নির্মাণের ক্ষেত্রে উভয় দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ পরিদর্শক দলের পরিদর্শন এবং যৌথ আলোচনার দলিল (জেআরডি) এর ভিত্তিতে নির্মাণের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়।

ভারতের নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত ৫৫তম বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনের পর যৌথ প্রেস বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন।

অপরদিকে বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী দলজিৎ সিং চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিহতের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং সীমান্ত হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএসএফ মহাপরিচালকের প্রতি জোর আহ্বান জানান।

সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে যে কোনো স্থায়ী স্থাপনা এবং কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের ক্ষেত্রে উভয় দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ পরিদর্শকদলের পরিদর্শন ও যৌথ আলোচনার দলিল (জেআরডি) এর ভিত্তিতে নির্মাণের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়।

আঙ্গরপোতা-দহগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরে সীমান্তে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করার বিষয়ে বিজিবি মহাপরিচালক বিএসএফ মহাপরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এছাড়া সীমান্তবর্তী নদীর ভাঙন রোধে তীরবর্তী বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার কাজ এবং পূর্বাভাস না দিয়ে বাংলাদেশের উজানে বাঁধ খুলে পানি ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত বন্যার ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করার জন্য বিএসএফকে অনুরোধ জানানো হয়।

এছাড়া ভারত থেকে বাংলাদেশে মাদক ও অস্ত্র পাচার রোধ, স্বর্ণসহ অন্যান্য দ্রব্যাদির চোরাচালান রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং সীমান্তে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মতো অপরাধ দমনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। সীমান্তে শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা’ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিজিবি মহাপরিচালক।

বিএসএফ মহাপরিচালক মানুষের জীবন ও মানবাধিকার চেতনার প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান রেখে সীমান্তে হত্যা নিরসনে বিএসএফ কর্তৃক ‘অ-প্রাণঘাতী’ নীতি অনুসরণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি মাদক পাচার ও চোরাচালান রোধসহ সীমান্তে শান্তির জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে এমন যে কোনো ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।

এবারের সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ-

১. সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো/হত্যা/আহত/মারধরের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যৌথ টহল বৃদ্ধি, উভয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী উপকৃত হবে এমন তাৎক্ষণিক ও আগাম গোয়েন্দা তথ্য একে অপরের মধ্যে আদান-প্রদান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত জনসাধারণের মধ্যে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ এবং বিভিন্ন ধরনের আর্থ-সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ এবং সীমান্তে যে কোনো হত্যা সংঘটিত হলে তার যথাযথ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে।

২. আলোচনায় সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোন স্থাপনা, কাঁটাতারের বেড়া, প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত হয় এমন কোনো স্থাপনা বা বাংকার নির্মাণের ক্ষেত্রে উভয় দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ পরিদর্শক দলের পরিদর্শন এবং যৌথ আলোচনার দলিল (জেআরডি) এর ভিত্তিতে নির্মাণের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বন্ধ থাকা অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজগুলোর ব্যাপারে যথোপযুক্ত পর্যায়ে জয়েন্ট ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের ব্যাপারে আলোচনা হয়।

৩. বিভিন্ন ধরনের আন্ত:সীমান্ত অপরাধ দমন বিশেষ করে ফেনসিডিল, ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও গবাদিপশু পাচার রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানব পাচার, স্বর্ণ, অস্ত্র, জাল মুদ্রার নোট প্রভৃতি চোরাচালান রোধ এবং এসব অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান করতে উভয়পক্ষই সম্মত হয়েছে।

৪. আন্তর্জাতিক সীমানা আইন লঙ্ঘন করে উভয় দেশের নাগরিক ও বাহিনীর সদস্যদের অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের ফলে সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝি ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সীমান্তে উভয় বাহিনীর নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করা থেকে বিরত রাখতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করতে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে।

৫. মানবপাচার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ বিশেষ করে মানবপাচারের মত অমানবিক কার্ক্রমের সাথে জড়িত উভয় দেশের অপরাধী বা দালালচক্রের কার্যক্রম প্রতিরোধে পরস্পরকে সহায়তা এবং মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদেরকে সংশ্লিষ্ট দেশের প্রচলিত দেশের আইন অনুযায়ী উদ্ধার ও পুনর্বাসনে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছেন।

৬. এছাড়া আগরতলা থেকে আখাউড়ার দিকে প্রবাহিত সীমান্তবর্তী ৪টি খালের বর্জ্য পানি অপসারণে উপযুক্ত পানি শোধনাগার স্থাপন; জকিগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর সাথে রহিমপুর খালের মুখ উন্মুক্তকরণ; আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অবস্থান ও তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

৭. উভয়পক্ষ ‘সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (সিবিএমপি) এর আওতায় পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির জন্য গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে উভয় বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন। উভয়পক্ষ আগামী দিনে যৌথ খেলাধুলা ও জয়েন্ট রিট্রিট সিরিমনিসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে সম্মত হয়েছে।

বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে লাঞ্ছিত

‎মুক্তাগাছায় আবাদী জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

ডাঃ মোঃ আবুল কালাম, ‎জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৯ পিএম
‎মুক্তাগাছায় আবাদী জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্রের বিরুদ্ধে সরকারি ম্যাপ পরিবর্তন করে জোরপূর্বক ব্যক্তিমালিকানাধীন আবাদী জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে বাধা দিতে গেলে ভুক্তভোগী এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের স্ত্রীকে লাঞ্ছিত ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
‎গত সোমবার (৩০ মার্চ, ২০২৬) দুপুরে মুক্তাগাছা থানার ১নং দুল্লা ইউনিয়নের চন্ডিমন্ডপ (গজিয়াপাড়া) গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মোঃ সরোয়ার হোসেন মুক্তাগাছা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ সরোয়ার হোসেনের আবাদী জমির ওপর দিয়ে কোনো সরকারি রাস্তা না থাকলেও স্থানীয় অভিযুক্ত মোঃ ফজলুল হক মাস্টার (৫০), মোঃ নজরুল ইসলাম (৫৫) ও মোঃ রুহুল আমীন মাস্টারসহ (৩০) আরও কয়েকজন মিলে ক্ষমতার দাপটে জমির মাঝখান দিয়ে রাস্তা নেওয়ার চেষ্টা করেন। এর আগে ভুক্তভোগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দিলে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
‎তবে গত ৩০ মার্চ সোমবার দুপুরে সরোয়ার হোসেনের অনুপস্থিতিতে অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে আবাদী জমির মাঝখান দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তার কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে সরোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোছাঃ আছমা ইয়াসমিন (৪৭) ঘটনাস্থলে গিয়ে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করতে চাইলে অভিযুক্তরা উত্তেজিত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধর করতে উদ্যত হন। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে তিনি উদ্ধার হলেও অভিযুক্তরা তাকে খুন-জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
‎ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। জমির মালিক মোঃ সরোয়ার হোসেন বলেন, “আমার আবাদী জমির ক্ষতি করে ম্যাপ বহির্ভূতভাবে এই রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করায় আমার স্ত্রীকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার ও জানমালের নিরাপত্তা চাই।”
‎মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উলিপুরে মাদ্রাসার ছাত্র রাকিব হাসান নিখোঁজ

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৬ পিএম
উলিপুরে মাদ্রাসার ছাত্র রাকিব হাসান নিখোঁজ

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ময়নার বাজার এলাকায় রাকিব হাসান নামে এক হাফিজি মাদ্রাসার হেফজো বিভাগের কিশোর নিখোঁজ হয়েছে। গতকাল (১ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে বাড়ির পাশের মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে রওনা হলে সে নিখোঁজ হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকার আশেপাশে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এতে করে পরিবারে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
যদি কোনো ব্যক্তি রাকিব হাসানের সন্ধান যদি কেউ পেয়ে থাকেন বা কোথাও দেখে থাকেন,অনুগ্রহ করে তাকে নিরাপদে হেফাজতে রেখে মানবিক সহযোগিতায় উক্ত নাম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

যোগাযোগ: 01309424992/01318102259

বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম উখিয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ উখিয়া উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম
বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম উখিয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ উখিয়া উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল
error: Content is protected !!