শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বাড়ল, ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫, ১:০৭ পিএম | 174 বার পড়া হয়েছে
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বাড়ল, ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর

সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)। এখন থেকে ছয় মাস পর পর বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশে প্রচলিত পাঁচ ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদহার নির্ধারণ করা হবে।

সঞ্চয়পত্রের সুদহার পুনর্নির্ধারণ করে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে সই করেছেন উপসচিব মকিমা বেগম।

নতুন সুদহার ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের অধীন পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পরিবার সঞ্চয়পত্র এবং ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক মেয়াদি হিসাবের সুদের হার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এ সুদহার কার্যকর থাকবে। এরপর থেকে ছয় মাস পর পর বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে সঞ্চয়পত্রের সুদহার নির্ধারণ করা হবে।

বিনিয়োগকারী ইস্যুকালীন বিদ্যমান মুনাফার হার বিনিয়োগকালের পূর্ণ মেয়াদের জন্য প্রাপ্য হবেন। অর্থাৎ যে মেয়াদের জন্য তা ইস্যু করা হয়েছিল, সে মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত একই হারে মুনাফা প্রাপ্য হবে।

এতদিন ধরে তিন ধাপে সঞ্চয়পত্রের সুদহার নির্ধারণ করা হতো। ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে বেশি সুদ পেতেন। এরপর ১৫ লাখ এক টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে এক ধরনের সুদহার এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে আরেক ধরনের সুদহার ছিল। অর্থাৎ যত বেশি বিনিয়োগ, তত কম সুদহার ছিল।

নতুন প্রজ্ঞাপনে তিনটি ধাপের পরিবর্তে দুটি ধাপ তৈরি করা হয়েছে। একটি ধাপ সাড়ে সাত লাখ টাকা এবং অন্যটি সাড়ে সাত লাখ টাকার লাখের বেশি। এ ছাড়া আগের মতো বিনিয়োগের মেয়াদপূর্তির পূর্বে নগদায়নের ক্ষেত্রে বছরভিত্তিক হারে মুনাফা প্রাপ্য হবে।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, অপেক্ষাকৃত সুবিধাবঞ্চিত শ্রেণিকে সমতা প্রদানের লক্ষ্যে এ ধাপ ও বিনিয়োগের পরিমাণে পরিবর্তন আনা হয়েছে।তবে এতে সরকারের ব্যয় বাড়বে।

জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের অধীনে চারটি সঞ্চয়পত্র রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে এখন সর্বোচ্চ সুদহার ১২.৪০ শতাংশ, যা আগে ছিল ১১.২৮ শতাংশ। এ ছাড়া তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ সুদহার ১২.৩০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১১.০৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, পেনশন সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ সুদহার ১২.৫৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১১.৭৬ শতাংশ। আর সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্রের সুদহার ১২.৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১১.৫২ শতাংশ।

এছাড়া ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে মেয়াদি হিসাবের সুদের হারও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে ডাকঘরে সঞ্চয়কারীরা ১২.৩০ শতাংশ হারে সুদ পাবেন, যা আগে ছিল ১১.২৮ শতাংশ।

মুনাফার হার পুনর্নির্ধারণের ফলে দেশের প্রান্তিক বিনিয়োগকারীগণ উপকৃত হবেন এবং জাতীয় সঞ্চয় স্কিমে বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

এ সঞ্চয় স্কিমের মাধ্যমে নারী, অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী, পেনশনার, বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনার সুযোগ থাকবে।

মোঃ সুজন বেপারী

মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মোঃ সুজন বেপারী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ এএম
মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ওস্তাদ মোতালেব পাটোয়ারী সুপরিচিত মিরকাদিম পৌর রিকাবী বাজার মিনি স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি গঠনে দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা জানিয়েছেন মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ।

মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক নতুন মিনি স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে জনাব মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ বলেন, সারাবাংলাদেশে ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য যে প্রকল্প নিয়েছে এটা একটা উল্লেখযোগ্য কারণ আমাদের জাতি কে ও সমাজ কে যারা উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে আমাদের তরুণ সমাজ উপকৃত হবে, রাষ্ট্রীয় উপকৃত হবে, তবে আমি আশাবাদী এজন্যই আল্লাহ্ রহমতে খেলাধুলা তরুণদের লক্ষ্য এগিয়ে যাওয়ার সহায়তা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম এর ক্রিকেট ও মাঠ পরিচালক ও জেলা সহ-সভাপতি ক্রিকেট এসোসিয়েশন ক্রীড়া মোঃ রনি খাঁন বলেন, ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল, মাদক ছেড়ে মাঠে চল, আমরা শুধু ভালো ক্রিকেটার তৈরি করতে চাই না, আমরা ভালো মানুষও তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশে আমরা ক্রিকেটের মাধ্যমে ভালো তরুণ খেলোয়াড় খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দেওয়া প্রজন্মেদের গড়ে তুলতে চাই।

রনি খাঁন কথাতেই বোঝা যায়, তিনি ক্রিকেটকে জাতীয় আত্মপরিচয়ের অংশ হিসেবে দেখেন। তার ভাবনায় মিরকাদিম স্টেডিয়াম ক্রিকেট শুধু মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নয়, আচরণ ও মূল্যবোধ দিয়েও নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করবে। বলেন, ‘ক্রিকেট আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় ঐক্যের জায়গা। এখান থেকেই আমরা শিখতে পারি পরিশ্রম, নিয়মানুবর্তিতা, দেশপ্রেম। এই গুণগুলোই আমাদের ভালো তরুন প্রজন্মেদের হতে সাহায্য করবে।’

মিরকাদিম পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠের ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার নিজেরই সঁপ্ন ছিলো অনেক বড় পিলিয়ার হওয়া যেটা আমি যখন দেখেছি যে একটা সময় ভালো জায়গায় পোঁছাতে পারিনি তো সেটা আমার নিজেরই ব্যার্থতা।

ফুটবল এর কোচ তিনি আরও বলেন, তবে আমরা আপনারা মাধ্যমে সবাইর কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যদি অনেকেই বলে যে মাদক ছেরে মাঠে আয় আসলে এটা সবাইর মুখেমুখেই বাস্তবে সেটা হয়না। বাস্তবে অনেক ছেলেবেলেরা দেখি এন্ড্রয়েড বড় বড় মোবাইল নিয়ে বসে থাকে এবং গেমস খেলে যদি বলি মাঠে আসতে তো আমি অনেক চেষ্টা করি সবাইকে মাঠে আনার জন্য নিজেকে ফুটবল বা ক্রিকেট একটা খেলার সাথে সম্পৃক্ত রাখার জন্য যাতে ফুটবল বা ক্রিকেট খেললে মনমানসিকতা এবং শারীরিক সুস্থ্যতা অনেক ভালো থাকে।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম মাঠের দায়িত্ব পদে ক্রিকেট পরিচালক রনি খাঁন ও ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোহাম্মদ মোজ্জামেল হোসেন বলেন, আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখেন, আমরা পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলোয়াড়দের এমন উচ্চতায় নিয়ে যাব, যাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ফুটবল নিয়ে গর্ব করতে পারি মিরকাদিম পৌরবাসী ইনশাআল্লাহ্।

বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে লাঞ্ছিত

‎মুক্তাগাছায় আবাদী জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

ডাঃ মোঃ আবুল কালাম, ‎জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৯ পিএম
‎মুক্তাগাছায় আবাদী জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্রের বিরুদ্ধে সরকারি ম্যাপ পরিবর্তন করে জোরপূর্বক ব্যক্তিমালিকানাধীন আবাদী জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে বাধা দিতে গেলে ভুক্তভোগী এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের স্ত্রীকে লাঞ্ছিত ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
‎গত সোমবার (৩০ মার্চ, ২০২৬) দুপুরে মুক্তাগাছা থানার ১নং দুল্লা ইউনিয়নের চন্ডিমন্ডপ (গজিয়াপাড়া) গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মোঃ সরোয়ার হোসেন মুক্তাগাছা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ সরোয়ার হোসেনের আবাদী জমির ওপর দিয়ে কোনো সরকারি রাস্তা না থাকলেও স্থানীয় অভিযুক্ত মোঃ ফজলুল হক মাস্টার (৫০), মোঃ নজরুল ইসলাম (৫৫) ও মোঃ রুহুল আমীন মাস্টারসহ (৩০) আরও কয়েকজন মিলে ক্ষমতার দাপটে জমির মাঝখান দিয়ে রাস্তা নেওয়ার চেষ্টা করেন। এর আগে ভুক্তভোগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দিলে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
‎তবে গত ৩০ মার্চ সোমবার দুপুরে সরোয়ার হোসেনের অনুপস্থিতিতে অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে আবাদী জমির মাঝখান দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তার কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে সরোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোছাঃ আছমা ইয়াসমিন (৪৭) ঘটনাস্থলে গিয়ে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করতে চাইলে অভিযুক্তরা উত্তেজিত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধর করতে উদ্যত হন। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে তিনি উদ্ধার হলেও অভিযুক্তরা তাকে খুন-জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
‎ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। জমির মালিক মোঃ সরোয়ার হোসেন বলেন, “আমার আবাদী জমির ক্ষতি করে ম্যাপ বহির্ভূতভাবে এই রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করায় আমার স্ত্রীকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার ও জানমালের নিরাপত্তা চাই।”
‎মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উলিপুরে মাদ্রাসার ছাত্র রাকিব হাসান নিখোঁজ

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৬ পিএম
উলিপুরে মাদ্রাসার ছাত্র রাকিব হাসান নিখোঁজ

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ময়নার বাজার এলাকায় রাকিব হাসান নামে এক হাফিজি মাদ্রাসার হেফজো বিভাগের কিশোর নিখোঁজ হয়েছে। গতকাল (১ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে বাড়ির পাশের মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে রওনা হলে সে নিখোঁজ হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকার আশেপাশে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এতে করে পরিবারে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
যদি কোনো ব্যক্তি রাকিব হাসানের সন্ধান যদি কেউ পেয়ে থাকেন বা কোথাও দেখে থাকেন,অনুগ্রহ করে তাকে নিরাপদে হেফাজতে রেখে মানবিক সহযোগিতায় উক্ত নাম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

যোগাযোগ: 01309424992/01318102259

error: Content is protected !!