প্রাচীন পানীয়
কথায় কথায় আমরা বলি, আমাদের নিজস্ব পানীয় নেই। কিন্তু এই গ্রীষ্মের জন্য নিজস্ব পানীয় আছে। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোতে সেগুলোর উল্লেখ পাওয়া যায় কখনো ‘আমের পানা’ কিংবা কখনো ‘বেলের পানা’ নামে। মূলত ‘পানা’ শব্দটি দিয়ে পানীয় বোঝানো হতো। পরবর্তী সময়ে মোগল প্রভাবে সেগুলোই হয়ে গেছে শরবত; যেমন আম পোড়ার শরবত বা বেলের শরবত। কিন্তু রেসিপিতে খুব বেশি পার্থক্য হয়নি। আমাদের গ্রীষ্মকালের দুটি পানীয়র সহজ রেসিপি রইল এখানে।
আম পোড়ার শরবত
উপকরণ
কাঁচা আম ছয়টি, জিরাগুঁড়া এক চা-চামচ, মৌরিগুঁড়া আধা চা-চামচ, শুকনা মরিচগুঁড়া তিনটি, কালো গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, বিট লবণ এক চা-চামচ, চিনি এক কাপ, চাট মসলা এক চা-চামচ, আমচুর পাউডার এক চা-চামচ, কাঁচা মরিচ তিন থেকে চারটি, পুদিনাপাতা আধা কাপ, বরফকুচি স্বাদমতো, লেবুর রস আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো এবং আদাকুচি আধা চা-চামচ।
প্রণালি
খোসাসহ আম চুলায় পুড়ে নিন। এবার বরফকুচি ছাড়া সব উপকরণ একসঙ্গে দিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে পেস্ট করে ছেঁকে নিন। সবশেষে গ্লাসে বরফকুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।











