বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩

চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩১ এএম | 80 বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত

 

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে বিক্ষোভ ও প্রশ্নের মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। একপর্যায়ে পুলিশি নিরাপত্তায় দ্রুত সেখান থেকে বের হয়ে যেতে দেখা যায় তাকে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে নগরের আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকার ‘এইচ এম ভিলা’ নামের একটি বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে হাসনাত আবদুল্লাহ সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় যান। তার আগমনকে ঘিরে এলাকায় আলোচনা শুরু হলে ছাত্রদল, জুলাই আন্দোলনের কর্মী ও স্থানীয় কিছু মানুষ বাসার সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।
তারা জানতে চান, কী উদ্দেশ্যে তিনি ওই বাসায় এসেছেন এবং সেখানে কোনো ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছিল কি না। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন, আওয়ামী লীগের একজন নেতার বাসায় তিনি কেন গেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে হাসনাত আবদুল্লাহ বাসা থেকে বের হয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথা বলেন। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে দ্রুত গাড়িতে করে স্থান ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরের সমন্বয়কারী সদস্য ও মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়কারী রিদুয়ান হৃদয় সাংবাদিকদের বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ ব্যক্তিগত কাজে চট্টগ্রামে এসেছিলেন। এ সময় সাবেক মেয়র মনজুর আলমের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তিনি তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
রাত ৮টায় এনসিপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী দিনে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন উভয় নেতা।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষুব্ধরা হাসনাত আবদুল্লাহকে প্রশ্ন করছেন—‘আপনি সংসদে দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার কথা বলছেন, তাহলে আওয়ামী লীগের দোসরের বাসায় কেন?’
তখন হাসনাত আবদুল্লাহকে হাত নাড়িয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে, এনসিপি থেকে চট্টগ্রামে মেয়র পদে নির্বাচন করার বিষয়ে প্রাথমিক আলাপ করতেই মনজুর আলমের সঙ্গে দেখা করতে যান হাসনাত। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মনজুর আলম। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণেই হাসনাত তাকে দেখতে এসেছিলেন। কুশল বিনিময় ও দুপুরের খাবার শেষে তিনি চলে যান।
উল্লেখ্য, মোহাম্মদ মনজুর আলম ২০১০ সালে বিএনপির সমর্থনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি চারবার ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন।

লামা ৩০-আনসার ব্যাটেলিয়ান হেডকোয়ার্টারে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন।

বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:- মোঃ নুরুল আলম) প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৪ এএম
লামা ৩০-আনসার ব্যাটেলিয়ান হেডকোয়ার্টারে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন।

 

আজ ১৪-ই এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি রোজ মঙ্গলবার। লামা ৩০- আনসার ব্যাটালিয়ান হেড কোয়ার্টারের মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন। এতে ৪-টি দল অংশগ্রহণ করেন, বিভিন্ন জেলা হতে আগত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, লামা। আজ সকাল ৯:০০ টার দুটি দল অংশগ্রহণ করেন, চট্টগ্রাম আনসার ব্যাটালিয়ান বনাম বান্দরবান আনসার ব্যাটালিয়ান, দুই দলের ফলাফল ড্র। আজ বিকেল ৪:৩০ মিনিটে ৩০- আনসার ব্যাট্যালিয়ান বনাম ১- আনসার ব্যাটালিয়ান মধ্যে খেলা হয়। এতে প্রত্যেক টিমের সিনিয়র অফিসার জেসিও উপস্থিত ছিলেন। আজ খেলায় ৩০-আনসার ব্যাটেলিয়ান ৫-০ গোলে ১-ওয়ান আনসার ব্যাটলিয়ান কে হারিয়ে জয় লাভ করেন।

দৈনিক চাঁপাই দর্পণ-এর যুগপূর্তি ও ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩২ এএম
দৈনিক চাঁপাই দর্পণ-এর যুগপূর্তি ও ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

 

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জনপ্রিয় স্থানীয় পত্রিকা “দৈনিক চাঁপাই দর্পণ”-এর যুগপূর্তি উদ্‌যাপন এবং বহুল প্রতীক্ষিত ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠান গত ১৪ এপ্রিল (দুপুর ১২টা) পত্রিকার নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ এনামুল হক।
উদ্বোধনী আয়োজনে স্থানীয় সাংবাদিক, সুধীজন, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
পত্রিকার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু তাঁর বক্তব্যে বলেন, ই-পেপার চালুর মাধ্যমে “দৈনিক চাঁপাই দর্পণ” সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আরও দ্রুত, সহজলভ্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পাঠকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। তিনি পত্রিকার ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ পত্রিকার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের উন্নয়নে এর ভূমিকার প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে ডিজিটাল রূপান্তরের ধারায় এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়, যা ভবিষ্যতে পাঠকদের জন্য আরও আধুনিক ও কার্যকর সংবাদ সেবা নিশ্চিত করবে।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ বরণে মেতে উঠেছে বোয়ালমারীবাসী

মো:মিজানুর রহমান (মিজান মৃধা) প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৮ এএম
বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ বরণে মেতে উঠেছে বোয়ালমারীবাসী

 

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে বর্ণালী সাজে সেজেছিল বোয়ালমারীবাসী। নানা আয়োজনে বাঙ্গালী ঐতিহ্যের চিরায়িত রূপ ফুটে উঠেছিল বৈশাখী উৎসবে।বোয়ালমারী উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বেশ কয়েকটি সংগঠনের আয়োজন ছিল চোখে পড়ার মত।পহেলা বৈশাখ, বাংলা নতুন বর্ষ বরণের উৎসবে মেতে উঠেছিল বোয়ালমারীবাসী।
বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আনন্দে মেতেছে বোয়ালমারী উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ। উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত করলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩।মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম রকিবুল হাসানের নেতৃত্বে সকাল হতে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা চত্বরে প্রভাতী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হয় নববর্ষ বরণের এই আয়োজন । ভোর হতে শুরু হয় লোক সমাগম। এ সময় তারা বিভিন্ন ধরনের পোশাক, গ্রাম বাংলা ঐতিহ্য সম্বলিত সরঞ্জাম নিয়ে হাজির হন। নবীন ও প্রবীণ একাকার হয়ে পুরো এলাকা রূপ নেয় নতুন আবহে। বৈশাখের বর্ণাঢ্য রেলী উপজেলা থেকে শুরু হয়ে বাজারে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতেই ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ গানের সুর মূর্ছনায় নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। এরপর একে একে সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য কৌতুক পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দেখা যায় যোদ্ধার সাজে।
শোভাযাত্রায় বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি ও গ্রামীণ জীবনের রঙিন প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে, বৈচিত্র্যময় ঘোড়ারগাড়ি, জেলে, মুখোশ, রঙিন মুকুট, টোপর, তালপাখা, ঘটক, প্রতিকৃতি এবং লোকজ ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গ দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।বাংলাদেশ পুলিশ, গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনী আনসার নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের সাজসজ্জা ছিল চোখে পড়ার মতো। এতে শিশু থেকে শুরু করে সববয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে দেয় ভিন্ন মাত্রা।পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে উপজেলা শিশু পার্ক উন্মুক্ত রাখা হয়।

error: Content is protected !!