মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩১ চৈত্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩১ চৈত্র ১৪৩৩

কেন বাঙালির পাতে আচার অপরিহার্য?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪৯ পিএম | 54 বার পড়া হয়েছে
কেন বাঙালির পাতে আচার অপরিহার্য?

🍋🌶️📜 আচারের ইতিহাস কোথা থেকে?
আচার বা “Pickle” এর ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো! ধারণা করা হয় প্রায় ৪০০০ বছর আগে প্রাচীন মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে প্রথম ফল ও সবজি সংরক্ষণের জন্য আচার বানানো শুরু হয়।
পরে Alexander the Great-এর সৈন্যরা দীর্ঘ যাত্রায় খাবার সংরক্ষণের জন্য আচার ব্যবহার করত। এমনকি Cleopatra-ও বিশ্বাস করতেন আচার সৌন্দর্য বাড়ায়! 😄
ভারতীয় উপমহাদেশে আচার এসেছে প্রাচীন আয়ুর্বেদিক খাদ্যসংস্কৃতির অংশ হিসেবে, যেখানে বিভিন্ন মশলা, তেল আর লবণ দিয়ে খাবার সংরক্ষণ করা হতো।
🍽️ বাঙালির জীবনে আচার এত জনপ্রিয় কেন?
👉 ১. সংরক্ষণের সহজ উপায়
বাংলার গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় খাবার দ্রুত নষ্ট হয়। তাই আম, কুল, জলপাই, লেবু—সবকিছু দীর্ঘদিন রাখতে আচারই ছিল সবচেয়ে সহজ সমাধান।
👉 ২. স্বাদের বিস্ফোরণ! 😋
টক, ঝাল, মিষ্টি—একসাথে এত স্বাদের মিশেল খুব কম খাবারেই পাওয়া যায়। ভাতের সাথে একটু আচার মানেই পুরো খাবার জমে যায়!
👉 ৩. ঋতুভিত্তিক সংস্কৃতি 🌦️
গ্রীষ্ম মানেই কাঁচা আমের আচার, শীত মানেই কুলের আচার—ঋতুর সাথে তাল মিলিয়ে আচার বানানো বাঙালির এক ঐতিহ্য।
👉 ৪. পারিবারিক ঐতিহ্য 👵
দাদী-নানীদের হাতের আচার মানেই ভালোবাসা! পরিবারে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে রেসিপি চলে আসছে।
👉 ৫. হজমে সাহায্য করে 🧘‍♂️
আচার তৈরির সময় ব্যবহৃত মশলা যেমন সরিষা, মেথি, জিরা—এসব হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
🌿 বাংলার জনপ্রিয় আচারগুলো
🥭 আমের আচার
🍒 কুলের আচার
🍋 লেবুর আচার
🫒 জলপাই আচার
🌶️ মরিচের আচার
💡 মজার তথ্য!
আচার শুধু খাবার নয়, এটি এক ধরনের “food preservation technology” যা প্রাচীনকাল থেকেই মানুষকে খাদ্য সংকট মোকাবিলা করতে সাহায্য করেছে।
📢 শেষ কথা
আচার শুধু স্বাদের জন্য নয়—এটি বাঙালির ইতিহাস, সংস্কৃতি আর আবেগের অংশ। এক চামচ আচার মানেই শৈশবের স্মৃতি, গ্রামের উঠান আর রোদে শুকানো বয়ামের গল্প! ❤️

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী

লোকজ মেলা ও সংগীতে জমজমাট সেনবাগের পহেলা বৈশাখ

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৮ পিএম
লোকজ মেলা ও সংগীতে জমজমাট সেনবাগের পহেলা বৈশাখ

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় সেনবাগ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক বর্ণিল মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি সেনবাগ পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।

শোভাযাত্রা শেষে সেনবাগ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকজ বৈশাখী মেলা। অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় বাংলা গান, নৃত্য ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

অনুষ্ঠানে সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহসিয়া তাবাসসুম বৈশাখী মেলায় উপস্থিত সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। এসময় তিনি বৈশাখের ঐতিহ্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন এবং দর্শনার্থীদের আনন্দ দিতে রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করেন, যা উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

দিনব্যাপী লোকজ বৈশাখী মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা পণ্য, হস্তশিল্প, খাবার ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী চলতে থাকে নববর্ষের আনন্দ আয়োজন।

বাংলা নববর্ষকে ঘিরে সেনবাগে এমন প্রাণবন্ত আয়োজন স্থানীয়দের মাঝে নতুন বছরের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

সুলেখা আক্তার শান্তা

নব উদ্যম

সুলেখা আক্তার শান্তা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২২ পিএম
নব উদ্যম

ওই ডাকে কে যায় বৈশাখী সকালে,
আলো মেখে বাতাসে নাচে পলাশ-পাতার ঢেউ।
ঘরের কোণে জমে থাকা আবিলতা সরিয়ে,
আজ নতুন বরণে বুক বাঁধি
আনন্দের রঙে আজ রাঙাব সব দিক।
যা ছিলাম গত বছর, সে আমি আছি জাগ্রত,
নেই কোনো আফসোস, নেই পুরোনো ক্ষত।
নতুন পথ দেখায় হাতে ধরা রোদ্দুরের শপথ
কালের চাকা চিনি, তবু সৃষ্টির আহ্বান মিথ্যে নয়।
হে বৈশাখ, তোমারই লাগি সাজাই হৃদয় মাঠ
আশার বীজ ছড়াই চারদিকে ফসল উঠুক।
এবারের গান যেন নিঃশব্দ ব্যথা নয়
বরং সম্ভাবনার ঝলক যেন চোখে লাগে স্পষ্ট।
এসো হে বৈশাখ।

কামরুল ইসলাম

টেকনাফে অস্ত্র ও গুলিসহ মাদক চোরাচালান চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

কামরুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২০ পিএম
টেকনাফে অস্ত্র ও গুলিসহ মাদক চোরাচালান চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জরপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ মাদক চোরাচালান চক্রের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৫।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোররাত পৌনে ৪টার দিকে র‍্যাব-১৫ (সিপিসি-২) এর হোয়াইক্যং ক্যাম্পের একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তর কাঞ্জরপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

র‍্যাব সূত্র জানায়, ওই এলাকায় মাদকের একটি বড় চালান হাতবদলের উদ্দেশ্যে একদল স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী অবস্থান করছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এসময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তিনজনকে আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—
মোঃ রাশেদ (প্রকাশ রাসেল) (২৫),
মোঃ সোহেল উদ্দিন (প্রকাশ লালু) (২৩) এবং
এহসান উল্লাহ (২৫)।

অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ২টি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক (এলজি), ৮ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ১টি বড় রামদা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক পাচার, দস্যুতা ও অস্ত্র প্রদর্শনের একাধিক অভিযোগ ও মামলা রয়েছে।

এ বিষয়ে র‍্যাব-১৫ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত মিডিয়া কর্মকর্তা জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন ও ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে জব্দকৃত আলামতসহ টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

error: Content is protected !!