বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩

মোঃ রফিকুল ইসলাম সোহাগ ​সুনামগঞ্জ

ধীর গতিতে চলছে বৈদ্যুতিক কুটি অপসারণের কাজ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৮ পিএম | 49 বার পড়া হয়েছে
ধীর গতিতে চলছে বৈদ্যুতিক কুটি অপসারণের কাজ

সুনামগঞ্জ জেলা শহরের বহুল প্রতীক্ষিত চার লেন সড়ক প্রশস্তকরণ কাজ এখন বৈদ্যুতিক খুঁটির জন্য ধীর গতির শিকার হচ্ছে। রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত বৈদ্যুতিক খুঁটির কারণে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্মাণকাজ কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগকে খুঁটি সরানোর জন্য নির্ধারিত প্রায় ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা পরিশোধ করা হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীরগতির কারণে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

​খুঁটির কারণে থমকে আছে উন্নয়ন
​সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের হাসন তোরণ থেকে ট্রাফিক পয়েন্ট পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় চার লেন প্রকল্পের কাজ চলছে। কিন্তু সড়কের ঠিক মাঝখানেই রয়ে গেছে ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি লাইনের খুঁটিগুলো। এর ফলে সওজ বিভাগ তাদের মূল নির্মাণকাজ ও কার্পেটিং শুরু করতে পারছে না। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, খুঁটিগুলো অপসারণ না করায় সরু রাস্তায় যানজট বাড়ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে বর্ষার আগে কাজ শেষ হওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তারা।

​সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল হামিদ বলেন,
​”রাস্তার মাঝখান থেকে খুঁটি অপসারণের জন্য আমরা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (পিডিবি) ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা পরিশোধ করেছি। আমাদের পক্ষ থেকে বারবার তাগিদ দেওয়া সত্ত্বেও তাদের ধীরগতির কারণে আমরা নির্ধারিত গতিতে কাজ করতে পারছি না। মূলত খুঁটি না সরার কারণেই রোড সসের কাজ ব্যাহত হচ্ছে।”
​অন্যদিকে, খুঁটি অপসারণের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ইঞ্জিনিয়ার ওমর ফারুক কাজের ধীরগতির পেছনে মাটির সমস্যাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন,
​”সড়কের পূর্ব পাশে বালু ভরাট না থাকা এবং পানির সমস্যার কারণে আমরা কাজ এগোতে পারিনি। তবে এখন বালু ভরাট হয়েছে, কাজ দ্রুত এগোবে। আশা করছি আগামী দুই মাসের মধ্যে সব খুঁটি সরিয়ে নতুন সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে।”

​সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী রাসেল আহমেদ জানান, প্রকল্পের আওতায় ৩৩ কেভি, ১১/৪ কেভি এবং ০.৪ কেভি লাইনের কাজ দুটি লটে ভাগ করে সম্পন্ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন,
​”ইতিমধ্যেই ৫৩ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রতিটি খুঁটি অপসারণের সাথে দীর্ঘ সময়ের শাটডাউন (বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা) জড়িত থাকে। জনগণের ভোগান্তি কমানো এবং রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রামে বিদ্যুৎ সচল রাখার বিষয়টি সমন্বয় করতে গিয়ে কিছুটা সময় লাগছে। তবে দ্রুতই এসব খুঁটি অপসারিত হবে।”
​বাড়ছে জনদুর্ভোগ
​এদিকে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ শহরবাসী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পথচারী জানান, সরকারের কোটি কোটি টাকা পরিশোধের পরও কেন সামান্য খুঁটি সরাতে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হবে তা বোধগম্য নয়। সমন্বয়হীনতার এই বলি হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
​সুনামগঞ্জবাসীর দাবি, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত বিষয়টি সমন্বয় করে বর্ষার আগেই চার লেন সড়কটি চলাচলের উপযোগী করে তোলেন।

অবৈধভাবে পাম্পে বোতলে তেল বিক্রির ভিডিও করায় সাংবাদিক হেনস্তার শিকার

মোঃ সবুজ খান রিপোর্টার প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১১ পিএম
অবৈধভাবে পাম্পে বোতলে তেল বিক্রির ভিডিও করায় সাংবাদিক হেনস্তার শিকার

টাঙ্গাইলে একটি তেলের পাম্পে বোতলে তেল বিক্রির দৃশ্য ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। এসময় তার মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর শহরের আমিন বাজার এলাকায় এম আরফান খান অ্যান্ড কোং নামের একটি তেলের পাম্পে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক রাব্বি খান স্টার নিউজের টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি। তিনি জানান, পাম্পে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারির লাইন দেখে তিনি সেখানে যান। পরে তিনি দেখতে পান, পেট্রোল পাম্পে নিয়ম ভেঙে বোতলে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে দায়িত্বে থাকা কর্মচারীদের জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান, পাম্প মালিকের স্ত্রীর জন্য তেল দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কিছুক্ষণ পর একাধিক গ্রাহককে বোতলে তেল দিতে দেখে তিনি ভিডিও ধারণ শুরু করেন। এসময় এক ব্যক্তি তার ওপর চড়াও হয়ে মোবাইল ছিনিয়ে নেন ও হুমকি দিয়ে বলেন, ‘মোবাইল পাবি না, যা করার কর, কার কাছে বিচার দিবি দে গা।’ সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে হেনস্তা করা হয়। অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে।
এদিকে লাইনে দাঁড়ানো মোটরসাইকেল চালকরা জানান, ২-৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তারা তেল পাচ্ছেন না। অথচ পাম্প কর্তৃপক্ষ বোতলে তেল বিক্রি করায় ভোগান্তি আরও বেড়ে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের দাবি তারা অবিলম্বে বোতলে তেল বিক্রি বন্ধের দাবি জানান। এ ব্যাপারে পাম্পের মালিকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।

কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৮ পিএম
কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই সরকার কৃষক কার্ড চালু করেছে। তিনি বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচিত সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। সে জন্যই এই কৃষক কার্ড আমরা দিয়েছি।’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেবে।

টাঙ্গাইলে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দেশের ১১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ১৫ জন প্রান্তিক কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়ার মাধ্যমে সারা দেশে প্রিপাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকা থেকে সড়কপথে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি টাঙ্গাইলে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আসেন। দুপুর ১২টা ২২ মিনিটে তিনি ল্যাপটপের বাটন চাপার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ দেশের ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের প্রত্যেকের কাছে মোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আড়াই হাজার টাকার নগদ অর্থ চলে যায়। টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক-কিষানি এই অর্থ পেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে ১৫ জন কৃষক-কিষানির হাতে কৃষক কার্ড এবং গাছের চারা তুলে দেন। তিনি কৃষক-কিষানিদের উদ্দেশে বলেন, ‘এই যে গাছের চারা দিচ্ছি, তা বড় হলে ফল কিন্তু আমার জন্য পাঠাবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই অবগত হয়েছেন যে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আমরা কৃষকের কাছে সরাসরি ১০টি সুবিধা পৌঁছে দিতে চেষ্টা করব ইনশা আল্লাহ। ১০টি সুবিধার মাধ্যমে কৃষক তাঁর অবস্থান অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন করতে সক্ষম হবেন।’

বিএনপির চেয়ারম্যান দলের নির্বাচনী ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এই মঞ্চে যত মানুষ উপস্থিত আছেন, হয়তো সবাই সরাসরি কৃষক বা কৃষির সাথে সম্পৃক্ত নন। কিন্তু আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ আছেন, যে মানুষটি কৃষির সাথে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশে আমরা যত মানুষ আছি, তার মধ্যে চার কোটি পরিবার আছে, তাদের পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে সম্পৃক্ত; অর্থাৎ এই দেশের প্রধান পেশা হচ্ছে কৃষি।’

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিশ্বাস করে, বর্তমান নির্বাচিত সরকার বিশ্বাস করে যে এই দেশের কৃষক যদি সচ্ছল থাকে, এই দেশের কৃষক যদি বেঁচে থাকে, এই দেশের কৃষক যদি ভালো থাকে; তাহলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে।’

এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামলে কৃষক ও কৃষি ক্ষেত্রে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, যার মাধ্যমে আমরা দেখেছিলাম এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষিতে মোটামুটিভাবে শস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। আমরা দেখেছি দেশে ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ না খেয়ে মারা গিয়েছিল। সেই বাংলাদেশে আমরা দেখেছি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুধুমাত্র খাল খনন করার ফলে, কৃষক সেচ সুবিধা পাওয়ার ফলে কৃষির উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছিল। সেই সময় এই বাংলাদেশ থেকে অল্প পরিমাণে হলেও বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হয়েছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যতবার দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে, বিএনপি সরকার কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। আপনারা বিএনপির ওপরে বিগত নির্বাচনে আস্থা রেখেছেন ইনশা আল্লাহ এই সরকার আপনাদের সেই আস্থার পূর্ণ মর্যাদা দেবে।’ তিনি বলেন, ‘আমি বলতে চাই, এখন আমাদের দেশ গড়ার সময়। কৃষক ভাইদের পাশে আমরা যেমন দাঁড়াব, একই সাথে দেশের কিষানি বোনসহ দেশের যে নারীসমাজ আছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়াব।’

দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘নারীসমাজকে যদি আমরা স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব না। সেই কারণেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হই তাহলে বাংলাদেশের মা-বোনদের জন্য, নারীদের জন্য, পরিবারের নারীপ্রধানের জন্য আমরা ফ্যামিলি কার্ড চালু করব। আল্লাহর রহমতে সেই কাজটি পাইলট প্রজেক্ট আকারে আমরা শুরু করতে সক্ষম হয়েছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে আগামী পাঁচ বছরের ভেতরে আমরা পরিবারের সকল নারীপ্রধানের কাছে এই কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করব।’

 

বাংলাদেশে পেপ্যালের কার্যক্রম আরম্ভে কমিটি গঠন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৬ পিএম
বাংলাদেশে পেপ্যালের কার্যক্রম আরম্ভে কমিটি গঠন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে পেপ্যালের কার্যক্রম শুরু করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, হাই-টেক পার্ক ও আইসিটি সেন্টারগুলো কার্যকর পরিচালনার জন্য এবং বাংলাদেশে পেপ্যালের কার্যক্রম আরম্ভে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এর আগেও বিভিন্ন সময়ে পেপ্যাল বাংলাদেশে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সর্বশেষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এ বিষয়ে আগ্রহ দেখায় আন্তর্জাতিক এই সংস্থা।

গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছিলেন পেপ্যাল বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করবে। মূলত ফ্রিল্যান্সার, ই-কমার্স উদ্যোক্তা এবং আইটি খাতকে সহজ লেনদেনের সুবিধায় আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন আহসান এইচ মনসুর। ওই সময় পেপ্যালের দক্ষিণ এশিয়া (সিঙ্গাপুর ভিত্তিক) টিম বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার ও আইসিটি বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করে।

error: Content is protected !!