বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩

কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৮ পিএম | 53 বার পড়া হয়েছে
কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই সরকার কৃষক কার্ড চালু করেছে। তিনি বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচিত সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। সে জন্যই এই কৃষক কার্ড আমরা দিয়েছি।’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেবে।

টাঙ্গাইলে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দেশের ১১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ১৫ জন প্রান্তিক কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়ার মাধ্যমে সারা দেশে প্রিপাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকা থেকে সড়কপথে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি টাঙ্গাইলে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আসেন। দুপুর ১২টা ২২ মিনিটে তিনি ল্যাপটপের বাটন চাপার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ দেশের ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের প্রত্যেকের কাছে মোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আড়াই হাজার টাকার নগদ অর্থ চলে যায়। টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক-কিষানি এই অর্থ পেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে ১৫ জন কৃষক-কিষানির হাতে কৃষক কার্ড এবং গাছের চারা তুলে দেন। তিনি কৃষক-কিষানিদের উদ্দেশে বলেন, ‘এই যে গাছের চারা দিচ্ছি, তা বড় হলে ফল কিন্তু আমার জন্য পাঠাবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই অবগত হয়েছেন যে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আমরা কৃষকের কাছে সরাসরি ১০টি সুবিধা পৌঁছে দিতে চেষ্টা করব ইনশা আল্লাহ। ১০টি সুবিধার মাধ্যমে কৃষক তাঁর অবস্থান অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন করতে সক্ষম হবেন।’

বিএনপির চেয়ারম্যান দলের নির্বাচনী ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এই মঞ্চে যত মানুষ উপস্থিত আছেন, হয়তো সবাই সরাসরি কৃষক বা কৃষির সাথে সম্পৃক্ত নন। কিন্তু আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ আছেন, যে মানুষটি কৃষির সাথে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশে আমরা যত মানুষ আছি, তার মধ্যে চার কোটি পরিবার আছে, তাদের পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে সম্পৃক্ত; অর্থাৎ এই দেশের প্রধান পেশা হচ্ছে কৃষি।’

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিশ্বাস করে, বর্তমান নির্বাচিত সরকার বিশ্বাস করে যে এই দেশের কৃষক যদি সচ্ছল থাকে, এই দেশের কৃষক যদি বেঁচে থাকে, এই দেশের কৃষক যদি ভালো থাকে; তাহলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে।’

এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামলে কৃষক ও কৃষি ক্ষেত্রে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, যার মাধ্যমে আমরা দেখেছিলাম এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষিতে মোটামুটিভাবে শস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। আমরা দেখেছি দেশে ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ না খেয়ে মারা গিয়েছিল। সেই বাংলাদেশে আমরা দেখেছি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুধুমাত্র খাল খনন করার ফলে, কৃষক সেচ সুবিধা পাওয়ার ফলে কৃষির উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছিল। সেই সময় এই বাংলাদেশ থেকে অল্প পরিমাণে হলেও বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হয়েছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যতবার দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে, বিএনপি সরকার কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। আপনারা বিএনপির ওপরে বিগত নির্বাচনে আস্থা রেখেছেন ইনশা আল্লাহ এই সরকার আপনাদের সেই আস্থার পূর্ণ মর্যাদা দেবে।’ তিনি বলেন, ‘আমি বলতে চাই, এখন আমাদের দেশ গড়ার সময়। কৃষক ভাইদের পাশে আমরা যেমন দাঁড়াব, একই সাথে দেশের কিষানি বোনসহ দেশের যে নারীসমাজ আছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়াব।’

দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘নারীসমাজকে যদি আমরা স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব না। সেই কারণেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হই তাহলে বাংলাদেশের মা-বোনদের জন্য, নারীদের জন্য, পরিবারের নারীপ্রধানের জন্য আমরা ফ্যামিলি কার্ড চালু করব। আল্লাহর রহমতে সেই কাজটি পাইলট প্রজেক্ট আকারে আমরা শুরু করতে সক্ষম হয়েছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে আগামী পাঁচ বছরের ভেতরে আমরা পরিবারের সকল নারীপ্রধানের কাছে এই কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করব।’

 

সদরঘাটে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ যুবক গ্রেপ্তার

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৫ পিএম
সদরঘাটে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ যুবক গ্রেপ্তার

রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা থেকে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ওই যুবকের নাম আলী আজগর সিকদার (২৩)।

‎‎বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) এন এম নাসিরুদ্দিন।

নাসিরুদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাতে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের ৯ নম্বর গেটে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জাল নোটসহ আটক করে স্থানীয় জনতা। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে জনতার হাতে আটক আলী আজগর সিকদারকে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ।

‎এ সময় ওই যুবকের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকার নোট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে উদ্ধার করা নোটগুলো জাল বলে শনাক্ত করা হয়েছে।

‎পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার যুবক দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে পারিবারিক কলহের জেরে পিতাকে হত্যা: ঘাতক ছেলে গ্রেফতার

অন্তর মিয়া ​স্থানীয় প্রতিবেদক, শ্রীমঙ্গল প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩২ পিএম
শ্রীমঙ্গলে পারিবারিক কলহের জেরে পিতাকে হত্যা: ঘাতক ছেলে গ্রেফতার

 

​ শ্রীমঙ্গলের কালাপুর ইউনিয়নে গাজীপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ছেলের ছুরিকাঘাতে আকল মিয়া (৮৮) নামে এক বৃদ্ধ পিতা নিহত হয়েছেন। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে ছোট ভাইয়ের হামলায় বড় ভাই শহিদুর মিয়া (৪৫) গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।
​ঘটনার মাত্র ৩ ঘণ্টার মাথায় ঘাতক ছেলে মো. মুশফিকুর রহমান মশিককে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯।
​আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ১:১০ মিনিটের দিকে শ্রীমঙ্গলের কালাপুর ইউনিয়নের গাজীপুর আনসার ক্যাম্প এলাকায় এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাবা আকল মিয়ার সাথে ছোট ছেলে মশিক মিয়ার কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তর্কের একপর্যায়ে মশিক উত্তেজিত হয়ে ধারালো ডেগার দিয়ে তার বাবার পাঁজরের নিচে সজোরে আঘাত করেন।
​এ সময় বড় ভাই শহিদুর মিয়া তার বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে পাষণ্ড মশিক তাকেও উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।​উদ্ধার ও বর্তমান অবস্থা
​চিৎকার শুনে স্থানীয়রা দ্রুত রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক বাবা আকল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, বড় ভাই শহিদুর মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।​দ্রুত অভিযানে ঘাতক গ্রেফতার
​ঘটনার পরপরই শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ ও র‍্যাব-৯ এর একটি চৌকস দল ঘাতককে ধরতে অভিযানে নামে। প্রযুক্তির সহায়তায় ও স্থানীয় তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যে কালাপুরের পাহাড়ি এলাকা থেকে ঘাতক মো. মুশফিকুর রহমান মশিককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‍্যাভ ৯ শ্রীমঙ্গল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
​পুলিশের বক্তব্য, “তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত মশিককে আমরা গ্রেফতার করেছি। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রানাকে কোন কৌশলে সামলাবে নিউজিল্যান্ড?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৮ পিএম
রানাকে কোন কৌশলে সামলাবে নিউজিল্যান্ড?

পোলা তো নয় যেন আগুনের গোলা—নাহিদ রানার বোলিং দেখে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মমতাজের এই গান অনেকের মনে পড়তেই পারে। উচ্চগতির পাশাপাশি লেংথের পরিবর্তন ও নিচের উচ্চতা কাজে লাগিয়ে বাউন্সারে ব্যাটারদের ঘায়েল করতে ওস্তাদ রানা। বাংলাদেশের এই গতিতারকাকে ট্রাম্পকার্ড মনে করেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স।

সবশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজ জয়ে নাহিদ রানা অসামান্য অবদান রেখেছেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে চোখে রীতিমতো সর্ষেফুল দেখেছেন পাকিস্তানি ব্যাটাররা। ৩ ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়ে হয়েছেন সিরিজসেরা। যার মধ্যে প্রথম ওয়ানডেতে ৫ উইকেট পেয়েছেন। ক্যারিয়ারসেরা ওয়ানডে বোলিংয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন।

সিমন্সের মতে রানার মতো পেসার বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ বলেন, ‘নাহিদ রানার ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই তার ওয়ার্কলোড এবং অন্যান্য বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। সে আমাদের অন্যতম ট্রাম্প কার্ড এবং তাকে আগলে রাখা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যখনই সে মাঠে নামবে, যেন বাংলাদেশের জন্য নিজের সেরাটা দিতে পারে।’

পাকিস্তান সিরিজের পর পাকিস্তান সুপার লিগেও (পিএসএল) কাঁপিয়ে এসেছেন রানা। পেশোয়ার জালমির হয়ে ৪ ম্যাচে ৫.৪২ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৭ উইকেট। যার মধ্যে এক ম্যাচে ৪ ওভারে ৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে রেকর্ড বইয়ে নাম লিখিয়েছেন রেকর্ড বইয়ে। আজ সংবাদ সম্মেলনে নিউজিল্যান্ডের প্রধান কোচ রব ওয়াল্টারের কাছে এসেছে নাহিদ রানাকে নিয়ে প্রশ্ন। উত্তরে কিউই কোচ বলেন, ‘শুরুতেই বলতে হয় সে একজন চমৎকার ফাস্ট বোলার। আমার মতে কন্ডিশন তাকে সাহায্য করবে। বাংলাদেশে একজন পেসারকে খেলতে দেখাটা দারুণ ব্যাপার। তার সামর্থ্যকে ছোট করে দেখছি না। ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতির বোলারকে মোকাবিলা করার মতো দক্ষতা অর্জন করা এবং বিভিন্ন কন্ডিশনে খেলতে নিজেদের প্রস্তুত রাখাই আসল কথা।’

পেস আক্রমণে নাহিদ রানার সঙ্গে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদরা। বাংলাদেশের পেসারদের প্রশংসায় ভাসিয়ে নিউজিল্যান্ড কোচ ওয়াল্টার বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, তার (রানা) পাশাপাশি আরও কয়েকজন ভালো পেসার আছে। কিন্তু আমাদের জন্য পেসারদের মোকাবিলা করা নতুন কিছু নয়। আমাদেরও পেসার আছে। কিন্তু আবারও বলছি, সবকিছু নির্ভর করে একটা নির্দিষ্ট দিনের ওপর।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে সবশেষ ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ খেলেছে ফ্লাডলাইটের আলোয়। বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজও দিবারাত্রির হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিদ্যুৎ বাঁচাতে সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। সকাল ১১টায় শুরু হবে তিনটি ওয়ানডে। ম্যাচের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে অনুশীলনও দিনের আলোয় করছে বাংলাদেশ। সিমন্স বলেন, ‘কিছুটা পার্থক্য তো তৈরি করেই (উইকেটের আচরণ)। দিনের বেলা উইকেটে গ্রিপ ভালো পাওয়া যায়। হয়তো কিছুটা ধীরগতির হতে পারে। তবে আমাদের অনুশীলন সেশনগুলো সকালেই হচ্ছে। আমরা সেভাবেই নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।’

মার্চে পাকিস্তান সিরিজে ১৭৫ রান করে সিরিজসেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন তানজিদ হাসান তামিমও। যার মধ্যে ১৫ মার্চ সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করে পেয়েছেন সিরিজসেরার পুরস্কারও। তবে উদ্বোধনী জুটিতে তাঁর আরেক সঙ্গী সাইফ হাসান রীতিমতো ব্যর্থ। উদ্বোধনী জুটি বারবার বদলানোর পরও বেশির ভাগ সময়ই দ্রুত জুটি ভেঙে যাচ্ছে। তবে সিমন্স এটা নিয়ে চিন্তিত নন। বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা এখন অনেকটাই থিতু। কারণ, গত কয়েকটা ম্যাচে আমাদের জুটি ভালো ছিল এবং সাইফ প্রস্তুতি ম্যাচেও দেখিয়েছে যে সে ছন্দে ফিরছে। আপাতত তাই উদ্বোধনী জুটি নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা নেই।’

সাইফ ব্যর্থ হলেও পাকিস্তান সিরিজের দলে থাকা আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার তিনটা ম্যাচ কাটিয়েছেন বেঞ্চে বসে। অথচ ঠিক তার আগের সিরিজে (অক্টোবরে ওয়ানডে সিরিজ) সৌম্য দুর্দান্ত খেলেছেন। আর পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটা ওয়ানডে একই একাদশ নিয়ে খেলেছে বাংলাদেশ। সেই সিরিজের দল নিয়েই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

error: Content is protected !!