বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

অপেক্ষায় ছিলেন সাবরিনা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:৫৭ পিএম | 107 বার পড়া হয়েছে
অপেক্ষায় ছিলেন সাবরিনা

আমি সিদ্ধান্ত নিয়েই ওটা আপাতত খাচ্ছি না – ক্যাপাচিনো অর্ডার করে বললেন ‘এসপ্রেসো’ গায়িকা। কফি দিবস চলে গেছে, তবু আলাপের শুরুতেই কফির কথা বলার কারণটা বিশ্বসংগীতের শ্রোতারা বুঝে যাবেন। বলা হচ্ছিল বিশ্ব সংগীতে চলতি সময়ের আলোচিত গায়িকা সাবরিনা কার্পেন্টারের কথা। এই বছর বিশ্বসংগীতে নাটকীয় উত্থান ঘটেছে ২৫ বছর বয়সী এই মার্কিন গায়িকার। তার গান ‘এসপ্রেসো’কে এখন পর্যন্ত বছরের সবচেয়ে আলোচিত গান বললে কি ভুল বলা হয় ? তাই সাবরিনার সঙ্গে আলাপের শুরুতেই কফির প্রসঙ্গটা তুলল একটি বিদেশী গণমাধ্যম। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী এই সাময়িকীর ‘টাইম ১০০ নেক্সট ২০২৪’ এর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন সাবরিনা। মূলত এটা নিয়েই সাময়িকীটির সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
টাইম এর মতে – এক ‘এসপ্রেসো’ দিয়েই অনেক রেকর্ড ওলটপালট করে দিয়েছেন সাবরিনা। চলতি বছরের ১১ এপ্রিল মুক্তি পাওয়া গানটি যুক্তরাষ্ট্রসহ ২০টি দেশের টপ চার্টের শীর্ষে ছিল। মিউজিক স্ট্রিমিং সাইট স্পটিফাইতে এক বিলিয়ন স্ট্রিমিং হওয়া প্রথম গান এটি। গানটির জন্য সাবরিনা এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে বর্ষসেরা গানের পুরস্কার জেতেন। এ ছাড়া তার আরেকটি গান ‘প্লিজ প্লিজ প্লিজ’ও টপ চার্টগুলোয় ঝড় তোলে।
জানা গেছে, দ্বিতীয় গানটি মূলত ‘এসপ্রেসো’র সিকুয়েল গান। এই গানের ভিডিওতে দেখা যায়, সাবরিনা গ্রেপ্তার হয়েছেন, ‘প্লিজ প্লিজ প্লিজ’ তাই শুরু হয় জেল থেকে। গানটির মিউজিক ভিডিও নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়। কারণ, ভিডিওতে সাবরিনার সঙ্গে জুটি হন তাঁর বাস্তব জীবনের প্রেমিক আইরিশ অভিনেতা ব্যারি কিয়োগান। আলোচিত এই দুই গানই তার ষষ্ঠ স্টুডিও অ্যালবাম ‘শর্ট অ্যান্ড সুইট’ এর। ২৩ আগস্ট মুক্তি পায় অ্যালবামটি।
টাইম এর কাছে সাবরিনা স্বীকার করেছেন – ২৫ বছর বয়সেই এমন সাফল্য পেলেও অবাক নন হননি। তিনি মনে করেন, শৈশব থেকে নিজেকে এভাবেই তৈরি করেছেন। আর এমন কিছুরই অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। সাবরিনা বলেন, ছোটবেলায় কত কিছুই না করার স্বপ্ন দেখেছিলাম। এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসের পারফরম্যান্স দেখতাম, মনে মনে একদিন নিজেকেও সেখানে দেখার স্বপ্ন দেখতাম। আজকের এই সাফল্য আমার দীর্ঘ অধ্যবসায়ের ফল। এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস দেখে বড় হওয়া সাবরিনা এবারের আসরে পুরস্কার পেয়েছেন, পারফর্মও করেছেন।
জানা যায়, মাত্র ১০ বছর বয়স থেকেই গান গেয়ে ইউটিউবে দিতেন সাবরিনা। মূলত গাইতেন ক্রিস্টিনা অ্যাগুইলেরা ও অ্যাডেলের গান। তার গানের সুবিধার জন্য বাড়িতে স্টুডিও তৈরি করেন বাবা। ব্যস, এরপর গান নিয়ে স্বপ্ন দেখতে আর দ্বিতীয়বার চিন্তা করেননি। তাই তো সাবরিনা গানকে পুরোদস্তুর পেশা হিসেবে ভাবতে শুরু করেন ২০০৯ সাল থেকেই। ওই বছর সংগীত প্রতিযোগিতা ‘দ্য নেক্সট মাইলি সাইরাস’ এ তৃতীয় হন সাবরিনা। প্রতিযোগিতাটির উদ্যোক্তা ছিলেন বিখ্যাত গায়িকা মাইলি সাইরাস।
টাইম এর ‘টাইম ১০০ নেক্সট ২০২৪’ তালিকায় সাবরিনাকে নিয়ে লিখেছেন তার শৈশবের তারকা ক্রিস্টিনা অ্যাগুইলেরা। সেখানে ‘হোয়াট আ গার্ল ওয়ান্টস’ গায়িকা সাবরিনাকে নিয়ে লিখেছেন – তার মধ্যে একটা নির্ভার ব্যাপার আছে, এটা আমার সবচেয়ে ভালো লাগে। গান গাওয়া, মঞ্চে পারফর্ম করা, এমনকী সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময়ও তার মধ্যে একটা অনায়াস ভঙ্গি আছে, এটা কিন্তু দারুণ। জানা যায়, ক্রিস্টিনা অ্যাগুইলেরা, অ্যাডেলসহ সাবরিনাকে প্রেরণা জুগিয়েছেন ম্যাডোনা, ব্রিটনি স্পিয়ার্স, বিয়ন্সে ও রিয়ানা।
গানের পাশাপাশি অভিনয়ও শুরু করেছিলেন সাবরিনা। ২০১২ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি টিভি সিরিজ, মঞ্চনাটক ও চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন। তবে গানের মতো অভিনয়ে সেভাবে নিজের ছাপ রাখতে পারেননি। তবে তার সাম্প্রতিক জনপ্রিয়তার কারণে অনেক প্রযোজক ও প্ল্যাটফর্ম তরুণ এই গায়িকাকে নিয়ে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। এর মধ্যেই জানা গেছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরে নেটফ্লিক্সের জন্য শো ‘আ ননসেন্স ক্রিসমাস উইথ সাবরিনা কার্পেন্টার’ নিয়ে আসছেন তিনি।
সাবরিনা টাইম এর সঙ্গে দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ট্রলসহ নানা প্রসঙ্গেই কথা বলেন। তিনি এই বিষয়ে জানান, অনেকেই নেতিবাচক মন্তব্য থেকে দূরে থাকতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এড়িয়ে চলেন। কিন্তু এক্ষেত্রে তিনি ব্যতিক্রম। তার সম্পর্ক সব ধরনের নেতিবাচক খবর পড়েন, এটা তাকে প্রভাবিত করে না। আর সব সময় মনে করেন, তার বয়স কম। সাবরিনা জানান, মনে মনে তরুণ থাকার এই মন্ত্র মানসিকভাবে তাকে চাঙা রাখে।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

error: Content is protected !!