শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলা, মৃত ২২

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৪, ৬:৪৬ পিএম | 104 বার পড়া হয়েছে
বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলা, মৃত ২২

বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, লেবাননের রাজধানীতে এপর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী আক্রমণ চালিয়েছে ইসরায়েল। তারা দুইটি আলাদা আবাসিক এলাকায় দুইটি অ্যাপার্টমেন্টকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। একটি বাড়ি ভেঙে পড়েছে। অন্যটির নিচের তলাগুলি ধ্বংস হয়ে গেছে।

হিজবুল্লার আল মানার টিভির দাবি, ইসরায়েল ওয়াফিক সাফাকে টার্গেট করে আক্রমণ চালিয়েছিল। সাফা হিজবুল্লার সমন্বয়কারী ইউনিটের দেখভাল করেন। তারা জানিয়েছে, সাফা কোনো বাড়িতেই ছিলেন না।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে সূত্র জানিয়েছে, দক্ষিণ বৈরুত থেকে নিয়ে আসা তিন শিশু-সহ আটজনের পরিবার মারা গেছেন।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনী হিজবুল্লার শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত দক্ষিণ বৈরুতে একের পর এক বিমান হামলা করছে। সেনার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এবার খুবই ঘিঞ্জি মধ্য বৈরুত আঘাত হানার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষাকারী মিশন থাকবে

জাাতিসংঘের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা সত্ত্বেও তাদের শান্তিরক্ষাকারী মিশন সরানো হবে না।

লেবাননে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষাকারী মিশনের নাম ইউএনআইএফআইএল। তারা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার নাকাউরাতে তাদের সদরদপ্তরে ইসরায়েলি কামান থেকে আক্রমণ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের এই সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, ”গত ১২ মাসে এই ধরনের ভয়ংকর ঘটনা আগে হয়নি। আমরা ওখানে আছি, কারণ, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ওখানে থেকেই কাজ করতে বলেছে।”

এই আক্রমণের ফলে ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা দুই শান্তিরক্ষী আহত হয়েছেন। কিছু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে। যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিবৃতিতে আরো জানানো হয়েছে, ইসরায়েলের সেনা ইচ্ছে করে তাদের উপর আক্রমণ করেছে। আক্রমণের আগে তারা এলাকার ক্যামেরাগুলি বন্ধ করে দেয়।

জাতিসংঘের এই মিশনে ৫০টি দেশের ১০ হাজার শান্তিরক্ষী আছেন। তাদের লেবানন ও ইসরায়েলের সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে।

তাদের মূল কাজ হলো, লেবাননের সেনার সাহায্যে দেশের দক্ষিণ অংশে অস্ত্র উদ্ধার ও সশস্ত্র মানুষকে নিরস্ত্র করা। এই দক্ষিণ অংশই হিজবুল্লার নিয়ন্ত্রণে।

হাজার হাজার মানুষ ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন। তবে বেশ কিছু বেসামরিক সাধারণ মানুষ লড়াইয়ের মাঝখানে আটকে পড়েছেন। জাতিসংঘ ও কিছু এনজিও তাদের কাছে খাবার ও পানীয় জল পৌঁছে দিচ্ছে।

সূত্র: ডয়েচে ভেলে

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ এএম
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী সাড়া গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঈশ্বরদীর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহান্নবীপাড়া গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে।

তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ছাত্রদল সদস্য ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে গোপালপুর রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে এসে তাকে এলোপাথাড়ি কুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় গুলির শব্দও শোনা যায় বলে জানায় স্থানীয়রা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সোহাগ।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তার মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি)
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
মোবাঃ ০১৭৪৫১৮৫৪৫৪

নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০১ এএম
নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহিনুল ইসলামের নির্দেশনায় এসআই শাহিনুর ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শেখের বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে তথ্যের ভিত্তিতে বড়চাঁপা ইউনিয়নের চন্ডীতলা গ্রামের জুয়েল রানার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল রানা (৩৫) পালিয়ে যায়।
পরে তার স্ত্রী অপু (৩০)-কে আটক করা হয়। নারী পুলিশের মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে তার দেহ থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটককৃত নারী ও তার পলাতক স্বামী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মনোহরদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক অপুকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং পলাতক জুয়েল রানাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

মোঃ সুজন বেপারী

মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মোঃ সুজন বেপারী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ এএম
মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ওস্তাদ মোতালেব পাটোয়ারী সুপরিচিত মিরকাদিম পৌর রিকাবী বাজার মিনি স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি গঠনে দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা জানিয়েছেন মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ।

মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক নতুন মিনি স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে জনাব মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ বলেন, সারাবাংলাদেশে ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য যে প্রকল্প নিয়েছে এটা একটা উল্লেখযোগ্য কারণ আমাদের জাতি কে ও সমাজ কে যারা উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে আমাদের তরুণ সমাজ উপকৃত হবে, রাষ্ট্রীয় উপকৃত হবে, তবে আমি আশাবাদী এজন্যই আল্লাহ্ রহমতে খেলাধুলা তরুণদের লক্ষ্য এগিয়ে যাওয়ার সহায়তা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম এর ক্রিকেট ও মাঠ পরিচালক ও জেলা সহ-সভাপতি ক্রিকেট এসোসিয়েশন ক্রীড়া মোঃ রনি খাঁন বলেন, ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল, মাদক ছেড়ে মাঠে চল, আমরা শুধু ভালো ক্রিকেটার তৈরি করতে চাই না, আমরা ভালো মানুষও তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশে আমরা ক্রিকেটের মাধ্যমে ভালো তরুণ খেলোয়াড় খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দেওয়া প্রজন্মেদের গড়ে তুলতে চাই।

রনি খাঁন কথাতেই বোঝা যায়, তিনি ক্রিকেটকে জাতীয় আত্মপরিচয়ের অংশ হিসেবে দেখেন। তার ভাবনায় মিরকাদিম স্টেডিয়াম ক্রিকেট শুধু মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নয়, আচরণ ও মূল্যবোধ দিয়েও নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করবে। বলেন, ‘ক্রিকেট আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় ঐক্যের জায়গা। এখান থেকেই আমরা শিখতে পারি পরিশ্রম, নিয়মানুবর্তিতা, দেশপ্রেম। এই গুণগুলোই আমাদের ভালো তরুন প্রজন্মেদের হতে সাহায্য করবে।’

মিরকাদিম পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠের ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার নিজেরই সঁপ্ন ছিলো অনেক বড় পিলিয়ার হওয়া যেটা আমি যখন দেখেছি যে একটা সময় ভালো জায়গায় পোঁছাতে পারিনি তো সেটা আমার নিজেরই ব্যার্থতা।

ফুটবল এর কোচ তিনি আরও বলেন, তবে আমরা আপনারা মাধ্যমে সবাইর কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যদি অনেকেই বলে যে মাদক ছেরে মাঠে আয় আসলে এটা সবাইর মুখেমুখেই বাস্তবে সেটা হয়না। বাস্তবে অনেক ছেলেবেলেরা দেখি এন্ড্রয়েড বড় বড় মোবাইল নিয়ে বসে থাকে এবং গেমস খেলে যদি বলি মাঠে আসতে তো আমি অনেক চেষ্টা করি সবাইকে মাঠে আনার জন্য নিজেকে ফুটবল বা ক্রিকেট একটা খেলার সাথে সম্পৃক্ত রাখার জন্য যাতে ফুটবল বা ক্রিকেট খেললে মনমানসিকতা এবং শারীরিক সুস্থ্যতা অনেক ভালো থাকে।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম মাঠের দায়িত্ব পদে ক্রিকেট পরিচালক রনি খাঁন ও ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোহাম্মদ মোজ্জামেল হোসেন বলেন, আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখেন, আমরা পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলোয়াড়দের এমন উচ্চতায় নিয়ে যাব, যাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ফুটবল নিয়ে গর্ব করতে পারি মিরকাদিম পৌরবাসী ইনশাআল্লাহ্।

error: Content is protected !!