সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২

সারা দেশের পেট্রলপাম্প বন্ধের আশঙ্কা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৯ পিএম | 47 বার পড়া হয়েছে
সারা দেশের পেট্রলপাম্প বন্ধের আশঙ্কা

জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনো সময় দেশের পেট্রলপাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। গতকাল রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় সংগঠনটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রলপাম্পগুলোর অবস্থা খুবই করুণ। কারণ, কোম্পানি থেকে পাওয়া দৈনিক তেল দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীন দায়িত্ব পালনের অভ্যাস না থাকায় শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপে পড়ছেন পাম্পে কর্মরত ব্যক্তিরা। সব মিলিয়ে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে যেকোনো সময় সারা দেশের পেট্রলপাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

সংগঠনটির দাবি, ঈদের আগের দিন একটি জেলা শহরের একটি পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল ও একই পরিমাণ অকটেন মজুত ছিল। তাদের আরেকটি পাম্পে ছিল প্রায় ৮ হাজার লিটার জ্বালানি। স্বাভাবিক হিসাবে এই মজুত কয়েক দিন বিক্রি করার কথা থাকলেও হঠাৎ অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার কারণে অল্প সময়ে তা শেষ হয়ে যায়।

এ ছাড়া গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে পাম্পে এসে মব সৃষ্টি করে পেট্রলপাম্প খুলিয়ে জোরপূর্বক তেল নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, সেখানে জ্বালানি সরবরাহ চলাকালে লাঠিসোঁটা নিয়ে সব শেষ করে দেওয়া হয়েছে। এমন ঘটনা সব পেট্রলপাম্প মালিকদের ভাগ্যেই ঘটতে চলেছে। এখানে ন্যূনতম নিরাপত্তা নেই।

সংগঠনটির দাবি, বর্তমানে জ্বালানি তেলের ঘাটতির সঙ্গে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পেট্রলপাম্পের নিরাপত্তাবিষয়ক ইস্যুগুলো আরও বেশি সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময়ও নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে; ট্যাংকারগুলো পথে লুট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই বলে শঙ্কা প্রকাশ করে সংগঠনটি।

আজমিরীগঞ্জ  প্রতিনিধি

আজমিরীগঞ্জে টমটম স্ট্যান্ড নিয়ে দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী দুই গ্রামের সংঘর্ষ: গুরুতর আহত ১

আজমিরীগঞ্জ  প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৬ পিএম
আজমিরীগঞ্জে টমটম স্ট্যান্ড নিয়ে দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী দুই গ্রামের সংঘর্ষ: গুরুতর আহত ১

আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়পুর গ্রাম ও পাশের বানিয়াচং উপজেলার আড়িয়ামুগুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে টমটম স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) পাহাড়পুর গ্রামের টমটম চালক দেবু দাস প্রতিদিনের মতো যাত্রী নিয়ে বানিয়াচং যান। সেখান থেকে যাত্রী নামিয়ে ফেরার পথে বানিয়াচং উপজেলার আড়িয়ামুগুর গ্রামের গৌতম দাসের বাড়ির সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি তার গতিরোধ করে।
‎অভিযোগ রয়েছে, আড়িয়ামুগুর গ্রামের পংকজ দাস, প্রণব দাস, অরবিন্দু দাস, উৎপল চন্দ্র দাস ও পিন্টু চন্দ্র দাসসহ কয়েকজন মিলে দেবু দাসকে মারধর করে গুরুতর আহত করেন।
‎খবর পেয়ে পাহাড়পুর গ্রামের জুয়েল দাস, সঞ্জয় তালুকদার, আনন্দ দাস ও মহারত্ন দাস ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
‎এ ঘটনায় আজমিরীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
‎এদিকে, স্থানীয়দের আশঙ্কা—দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে। বর্তমানে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
‎ইদের ছুটি থাকায় এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার ওসির বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
‎প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

মোঃ আশিক আহমেদ শেখ

জিন্দাণী (রহঃ) ওরশকে কেন্দ্র করে নর্তকী নাচ

মোঃ আশিক আহমেদ শেখ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৫ পিএম
জিন্দাণী (রহঃ) ওরশকে কেন্দ্র করে নর্তকী নাচ

নওগাঁ জিন্দাণী (রহঃ) ওরশকে কেন্দ্র করে নর্তকী নাচ, গান-বাজনা ও বিভিন্ন অপসংস্কৃতির বিস্তার ঘটছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে এ ধরনের কর্মকাণ্ড মুসলিম সমাজের ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করে এবং ইসলামের মূল শিক্ষার সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।
যেই জিন্দানি (রহঃ) নামকে কেন্দ্র করে এসব আয়োজন করা হচ্ছে, তিনি কখনোই এ ধরনের কার্যক্রমকে সমর্থন করেননি বা শিখিয়ে যাননি। অথচ আজ তার নাম ব্যবহার করে একধরনের বাণিজ্যিক ও অশালীন পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা ক্রমেই সীমা অতিক্রম করছে।

এ ধরনের কর্মকাণ্ড সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে—ঈমান, আখলাখ, চরিত্র ও সামগ্রিক নৈতিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ এর মাধ্যমে কোনো প্রকৃত কল্যাণ অর্জিত হচ্ছে না।

আমি তাড়াশ এলাকার সম্মানিত আলেম-ওলামাদের প্রতি বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন এ বিষয়ে সচেতন ভূমিকা গ্রহণ করেন এবং ইসলামবিরোধী এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।

 

 

৪৩ বছরের মধ্যে সর্বাধিক দরপতন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৩ পিএম
৪৩ বছরের মধ্যে সর্বাধিক দরপতন

ইরান যুদ্ধের প্রভাব যেন পড়েছে বৈশ্বিক সোনার বাজারেও। বৈশ্বিক সোনার বাজারে দর আজ সোমবার ৫ শতাংশের বেশি কমে ২০২৬ সালের সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে নেমে এসেছে। প্রায় ৪৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ সাপ্তাহিক পতনের পর এই ধস দেখা দিল। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত তীব্র হওয়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে এবং বিশ্বজুড়ে সুদের হার বাড়তে পারে এমন প্রত্যাশাও জোরালো হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গ্রিনিচ মান সময় আজ সকাল ৬টা ৩৩ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে (যেসব সোনা তাৎক্ষণিকভাবে বিক্রি করা হবে এবং নিটক ভবিষ্যতেই এর ডেলিভারি দেওয়া হবে) সোনার দাম ৫ দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২২৬ দশমিক ১৬ ডলারে দাঁড়ায়, যা ১১ ডিসেম্বরের পর সর্বনিম্ন। টানা নবম দিনের মতো পতন অব্যাহত ছিল আজ।

গত সপ্তাহে এই মূল্যবান ধাতুর দাম ১০ শতাংশের বেশি কমেছে, যা ১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতন। ২৯ জানুয়ারি প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৫৯৪ দশমিক ৮২ ডলারের রেকর্ড উচ্চতা থেকে সোনা ইতিমধ্যে ২০ শতাংশেরও বেশি নেমে এসেছে। এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনার ফিউচার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৪ হাজার ২৩১ দশমিক ৮০ ডলারে নেমে এসেছে।

বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, ইরান সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে গড়ানোর পাশাপাশি তেলের দাম ১০০ ডলারের আশপাশে থাকায় সুদের হার কমানোর প্রত্যাশা সরে গিয়ে এখন বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে আয়ের সুযোগ না থাকা সম্পদ হিসেবে সোনার আকর্ষণ কমে গেছে।

গতকাল রোববার ইরান জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরানের বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার হুমকি বাস্তবায়ন করলে প্রতিশোধ হিসেবে তারা উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি ও পানি অবকাঠামোতে আঘাত হানবে।

এর প্রভাবে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতেও শেয়ারের দাম পড়ে যায় এবং তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১১০ ডলারের অনেক ওপরে স্থির থাকে। ওয়াটারার আরও বলেন, উচ্চ তারল্যই এখন সোনার জন্য বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঝুঁকি এড়ানোর এই সময়ে শেয়ারবাজারে পতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা অন্য সম্পদের মার্জিন কল মেটাতে সোনার অংশ বিক্রি করে দিচ্ছেন।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অপরিশোধিত তেলের দাম উঁচু অবস্থায় রয়েছে। এতে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে এবং মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা জোরদার হচ্ছে। সাধারণত মূল্যস্ফীতি বাড়লে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার চাহিদা বাড়ে, কিন্তু উচ্চ সুদের হার সুদবিহীন এই সম্পদের চাহিদা কমিয়ে দেয়।

ফিচ সলিউশন্সের একটি ইউনিট বিএমআই বলেছে, নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বিনিয়োগ থেকে সরে গিয়ে বৃহত্তর অর্থনৈতিক প্রবণতাভিত্তিক অবস্থান নেওয়ার ঝোঁক বাড়লে সোনার দর আরও নিচে নামার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদ কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়াই এখন বাজারের প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

সিএমইর ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে এমন বাজার প্রত্যাশা বেড়েছে। ২০২৬ সালের শেষে সুদ কমানোর চেয়ে বাড়ার সম্ভাবনাই এখন বেশি দেখা যাচ্ছে।

অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও তীব্রভাবে কমেছে। স্পট রুপা ৮ দশমিক ৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬১ দশমিক ৭৬ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনাম ৯ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭৪৯ দশমিক ৩১ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৩০ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

error: Content is protected !!