রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২

রাউজান উত্তর গুজরায় জ্বালাকুমারী মাতৃ মন্দিরে অষ্টপ্রহরব্যাপী মহোৎসব অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৩ পিএম | 49 বার পড়া হয়েছে
রাউজান উত্তর গুজরায় জ্বালাকুমারী মাতৃ মন্দিরে অষ্টপ্রহরব্যাপী মহোৎসব অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার উত্তর গুজরা সার্বজনীন শ্রীশ্রী জ্বালাকুমারী মাতৃ মন্দিরের বার্ষিকী পূজা উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী মহতী ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা ও অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞ সংকীর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ১৯, ২০ ও ২১ মার্চ আয়োজিত এই মহোৎসবে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, ধর্মীয় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক ও নৃত্যানুষ্ঠান এবং ধর্মীয় ব্যান্ড টিম ‘ডমরু’-এর মনোজ্ঞ পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রনতোষ মহাজন।
মহতী ধর্মসভায় প্রধান শুভ আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তর গুজরার শ্রীশ্রী আদ্যাপীঠ মন্দিরের প্রধান পৌরহিত্য শ্রী তপন চক্রবর্ত্তী। শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠ ও সপ্তশতী তুলসী দান অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রাউজান গীতা শিক্ষা পরিষদের সভাপতি ভক্তপ্রবর শ্রী সমরজিৎ বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে পার্থ সারথি গীতা বিদ্যাপীঠ, উত্তর গুজরা সবুজ সংঘসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। কর্মসূচির মধ্যে আরও ছিল গঙ্গা আহ্বান, মহানাম যজ্ঞের শুভ অধিবাস, শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞের শুভারম্ভ, জ্বালাকুমারী মায়ের পূজা, রাজভোগ নিবেদন, ভোগরতি কীর্তন, শ্রীকৃষ্ণ প্রদর্শনী এবং দিবারাত্রি অন্নপ্রসাদ বিতরণ।
জ্বালাকুমারী মায়ের পূজায় পৌরহিত্য করেন দোলন চক্রবর্ত্তী। শুভ অধিবাস কীর্তন পরিবেশন করেন অধ্যাপক রাজীব বিশ্বাস এবং এতে পৌরহিত্য করেন শ্রীল অদ্বৈত দাস বাবাজী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন দাশ গুপ্ত, সম্মানিত উপদেষ্টা পূরনঞ্জয় মজুমদার, প্রণব মহাজন ও প্রভীত মহাজনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উত্তর গুজরা সবুজ সংঘ ও মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মিটু মজুমদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি বিদ্যুৎ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক দেবু মহাজন, সহ-সাধারণ সম্পাদক রুবেল মহাজন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রনতোষ মহাজন, অর্থ সম্পাদক সুকান্ত মহাজন, নির্বাহী সম্পাদক দয়াল মহাজনসহ অন্যান্য সদস্যরা সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়াও উৎসব পরিচালনা কমিটির সভাপতি খোকন চৌধুরী, সহ-সভাপতি অশোক মজুমদার ও শিবু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব বিশ্বাস, সহ-সাধারণ সম্পাদক বিশু বিশ্বাসসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা অনুষ্ঠানের সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
উক্ত মহোৎসবে দূর-দূরান্ত থেকে আগত হাজার হাজার নারী-পুরুষ ভক্তবৃন্দের সমাগমে মন্দির প্রাঙ্গণ এক আনন্দঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়।

সেলিম মাহবুবঃ

শান্তিগঞ্জ থেকে শিমুলবাগান যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১

সেলিম মাহবুবঃ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
শান্তিগঞ্জ থেকে শিমুলবাগান যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১

সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার গাগলী গ্রামে দিরাই মদনপুর সড়কে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত ও অপর যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত যুবক শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক শিমুলবাক ইউনিয়নের মুক্তখাই গ্রামের উকিল আলীর ছেলে সফিকুল ইসলাম (২৬) ও অপর গুরুতর আহত দুই যুবক একই গ্রামের মৃত আক্কল আলীর ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩০), হানিফ উল্লাহের ছেলে গুলজার আলী (৪০)। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (২২ মার্চ) দুপুর ১ টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের গাগলী গ্রামে দিরাই মদনপুর সড়কে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক ইউনিয়নের মুক্তিখাই গ্রাম থেকে ঈদ আড্ডা দিতে মুক্তখাই গ্রামের যুবক সাইদুল ইসলাম, তাহার বন্ধু একই গ্রামের সফিকুল ইসলাম ও গুলজার আলীকে নিয়ে তাহিরপুর উপজেলার শিমুলবাগানের উদ্দেশ্যে নতুন মোটর সাইকেল নিয়ে রওয়ানা দেন। পথিমধ্যে দুপুর ১ টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার গাগলী গ্রামে দিরাই মদনপুর আঞ্চলিক সড়কের ঈদগাহের পাশে পৌছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত গতিতে রাস্তার পাশে থাকা বড় রেন্ট্রি গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে মোটর সাইকেল চালক সাইদুল ইসলামের পায়ের একটি হাড় ভেঙ্গে গাছের সাথে আটকে যায় এবং মোটর সাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরে মোটর সাইকেল চালক সাইদুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ও গুলজার আলীগণকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়া চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোটর সাইকেল আরোহী উকিল আলীর ছেলে সফিকুল ইসলাম (২৬) মারা যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মোটর সাইকেল চালক সাইদুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তার সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন এবং আরোহী গুলজার বর্তমানে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসাধীন আছেন।
শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলি উল্লাহ বলেন, দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং আহত মোটর সাইকেল চালক ও আরোহীদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। শুনেছি একজন মোটর সাইকেল আরোহী মারা গেছেন।

কুড়িগ্রামে পুত্রের আঘাতে পিতার মৃত্যু: ঘাতক ছেলে গ্রেফতার

রূহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:০৬ পিএম
কুড়িগ্রামে পুত্রের আঘাতে পিতার মৃত্যু: ঘাতক ছেলে গ্রেফতার

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ছেলের ছুরিকাঘাতে এক অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্য নিহত হয়েছেন। রোববার (২২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বেপারীহাট এর মশ্চিমে নিলুর খামার কাইট্টারি সাতানী পাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তি আব্দুল খালেক, তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি/সাবেক বিডিআরএর একজন অবসরপ্রাপ্ত সদস্য)

জানা গেছে, অভিযুক্ত ছেলে আসাদুজ্জামান মানিক মিয়া (২৯), নিহত ব্যক্তির ছোট ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হতে থাকলে এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে মানিক মিয়া ঘর থেকে শাবল এনে তার বাবার ওপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই আব্দুল খালেকের মৃত্যু হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান মানিক (২৯) মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল্লাহিল জামান জানান, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে । প্রাথমিকভাবে জানা গেছে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন রোগে ভুগতেছেন। নিহতলা উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনার আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন চলছে।

কলকাতা থেকে মনোয়ার ইমাম

মমতার উন্নয়ন কে হাতিয়ার করে ভাঙড়ে জোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে শওকাত মোল্লা

কলকাতা থেকে মনোয়ার ইমাম প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম
মমতার উন্নয়ন কে হাতিয়ার করে ভাঙড়ে জোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে শওকাত মোল্লা

আসন্ন ২০২৬,শে পশ্চিম বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ভাঙড় বিধান সভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন সুন্দর বন উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান ও ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক জননেতা শওকত মোল্লা। তিনি তার পাশে র কেন্দ্র থেকে এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। তার পরিবর্তে তাকে লড়াই করতে হচ্ছে পাশে র কেন্দ্র ভাঙড় বিধান সভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে।কারণ এবার নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বহু বিধায়ক টিকিট দেওয়া হয়নি। প্রায় ৭৫, টি র বেশি বিধায়ক ও মন্ত্রী টিকিট দেয়নি তৃনমূল কংগ্রেস। তার ব্যতিক্রম দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা নয়।এই জেলার প্রায় সাতটি বিধায়ক টিকিট দেয়নি দল।এই ঘটনার পর ক্যানিং পূর্ব আসন থেকে শওকাত মোল্লা কে পাশের কেন্দ্র ভাঙড় থেকে লড়াই করতে হচ্ছে।এই ভাঙড় বিধান সভা কেন্দ্র এর বর্তমান বিধায়ক ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি ইতিপূর্বে এই বিধান সভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন। এবার তাকে লড়াই করতে হবে হেভিওয়েট প্রার্থী জননেতা শওকত মোল্লা র সাথে। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন ও বিকাশ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা কে সামনে রেখে ময়দানে নেমে পড়েছে শওকাত মোল্লা। তিনি ইতিমধ্যে মধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছে।আজ ভাঙড় বিধান সভার ঘটক পুকুর থেকে যাদবপুর লোকসভা র এম পি সায়নী ঘোষ এবং যুব সভাপতি সাদেক লস্কর সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ কে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। অন্যদিকে আই এস এফের প্রার্থী হেভিওয়েট নেতা পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী ও সাবেক তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা ও সদ্য আই এস এফে যোগদান করা ভাঙড়ের ভূমিপুত্র সাবেক বিধায়ক আরাবুল ইসলাম ও সাবেক তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা কাইজার আহমেদ ও রফিকুল ইসলাম কে নিয়ে নির্বাচনের ময়দানে নেমে পড়েছে। তবে এই কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কে জিতবে তা লাখ টাকার প্রশ্ন উঠেছে।

error: Content is protected !!