রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২

মানুষ নয়, বনের মহিষই যখন প্রিয় বন্ধু

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৭ পিএম | 62 বার পড়া হয়েছে
মানুষ নয়, বনের মহিষই যখন প্রিয় বন্ধু

এক তরুণী ও মহিষের রূপকথাকেও হার মানানো বন্ধুত্বের গল্প! ইন্টারনেটে কোটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে!
​স্বার্থের এই দুনিয়ায় যেখানে মানুষে-মানুষে সম্পর্কের টানাপোড়েন স্পষ্ট, সেখানে এক তরুণী ও বনের এক মহিষের অকৃত্রিম
ভালোবাসা আমাদের নতুন করে ভাবতে শেখাচ্ছে। প্রকৃতির এই নিস্বার্থ মায়ার কোনো সীমানা নেই, তা আবারও প্রমাণিত হলো এই ভাইরাল ভিডিওতে।
​অবিশ্বাস্য সেই বন্ধুত্বের মুহূর্ত:
​ডাক দিলেই ছুটে আসা: নির্জন প্রান্তর থেকে তরুণী কেবল একবার ডাক দিলে বা পায়ের আওয়াজ পেলেই সব সংশয় কাটিয়ে ঝড়ের গতিতে ছুটে আসে বিশালদেহী সেই মহিষ।
​ভয়হীন বিশ্বাস:
কোনো হিংস্রতা নেই, নেই কোনো ভয়। মহিষটি পরম তৃপ্তিতে তরুণীর হাত থেকে খাবার খাচ্ছে। এই দৃশ্য যেন কোনো সাজানো সিনেমা নয়, বরং হৃদয়ের গভীর থেকে প্রবাহিত এক সহজাত অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ।
​মানুষ বনাম প্রকৃতি:
যেখানে মানুষ প্রতিনিয়ত প্রকৃতির ওপর আধিপত্য বিস্তার করছে, সেখানে এই তরুণীর মায়া প্রকৃতি আর মানুষের ভারসাম্য রক্ষার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।
​আমাদের শিক্ষা:
পশু-পাখি বা বন্য প্রাণী কেবল ভালোবাসার ভাষাই বোঝে। একটু মমতা আর সহমর্মিতা থাকলে সবচেয়ে হিংস্র প্রাণীও যে পরম বন্ধু হতে পারে, এই ঘটনাটি তারই প্রমাণ। এই অদ্ভুত বন্ধুত্ব কি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়?

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ খনন

সোনাগাজীর চরচান্দিয়ায় গাছ কেটে পাকা দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:১৫ পিএম
সোনাগাজীর চরচান্দিয়ায় গাছ কেটে পাকা দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরচান্দিয়া ইউনিয়নের রসূলপুর এলাকায় এক প্রবাসী পরিবারের ফসলি জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে।

গভীর রাতে ভারী স্কেভেটার এনে জমির মাটি কেটে ট্রাকে করে বিক্রির চেষ্টা এবং গাছ কেটে পাকা দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ইতালি প্রবাসী মাহমুদুল হাসানের পক্ষে তার ভায়রা ভাই মো. আবদুল্লাহ বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দা মরহুম মাওলানা জিয়াউল হকের ছেলে গোলাম মাওলাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে মাহমুদুল হাসানের মালিকানাধীন জমি দখলের চেষ্টা করে আসছিল একটি পক্ষ।

সম্প্রতি সুযোগ বুঝে তারা জোরপূর্বক জমিতে প্রবেশ করে সেখানে থাকা বিভিন্ন গাছ কেটে ফেলে এবং জমির মাটি কেটে বিক্রির উদ্যোগ নেয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল গভীর রাতে একটি ভারী স্কেভেটার এনে প্রবাসীর ফসলি জমিতে মাটি খনন শুরু করে অভিযুক্তরা।

পরে সেই মাটি ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসে।

এতে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা দ্রুত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ডকে বিষয়টি অবহিত করেন।

খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধভাবে মাটি খননের কাজ বন্ধ করে দেন এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এর আগেও অভিযুক্তরা ওই জমিতে থাকা প্রায় ১০ থেকে ১২টি মেহগনি ও নারিকেল গাছ কেটে ফেলেছে।

পাশাপাশি জমির চারপাশে পাকা দেয়াল নির্মাণের কাজও শুরু করে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে দাবি করেছেন জমির মালিক পক্ষ।

প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা জানান, বিদেশে থাকার সুযোগে পরিকল্পিতভাবে তাদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।

বাদী মো. আবদুল্লাহ বলেন, “আমার ভায়রা ভাই দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে বসবাস করছেন।

তিনি দেশে না থাকায় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি তার জমি দখলের চেষ্টা করছে।

আমরা প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।”

এলাকাবাসীর অনেকেই জানান, প্রবাসী পরিবারের জমি হওয়ায় দখলদার চক্র প্রায়ই এমন সুযোগ নেয়।

তারা প্রশাসনের কাছে এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।

বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে প্রবাসী পরিবারের জমি রক্ষা পাবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উলিপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
উলিপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ মার্চ) বিকেলে পৌর শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের তেঁতুলতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় উলিপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি’ কার্যালয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উলিপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির আহ্বায়ক মমিনুল ইসলাম। সদস্য সচিব আব্দুল মান্নানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন এন এস আমিন রেসিডেনসিয়াল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক শামীম আখতার আমিন।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব মোঃ ফরহাদ হোসেন মোল্লা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ মহসীন আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম দৈনিক করতোয়া ও প্রতিদিনের উলিপুর কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি মোঃ সাজাদুল ইসলাম (সাজু), দৈনিক সংগ্রাম উলিপুর কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা প্রেসক্লাব উলিপুরের সদস্য মোঃ শাহজাহান খন্দকার এবং কুড়িগ্রাম পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব শ্রী স্বপন কুমার সাহা।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উলিপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু রায়হান আলী উলিপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও দৈনিক প্রথম খবর, দৈনিক ঢাকা রিপোর্ট পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি, মোঃ রুহুল আমিন (রুকু) উলিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ মতলেবুর রহমান, মোহাইমিনুল ইসলাম, মোঃ নুর মোহাম্মদ রোকনসহ অন্যান্য সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে ইফতার মাহফিলের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

মানবাধিকার রক্ষায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান

নবনিযুক্ত সদস্য মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী ও একরামুল হক আরিফকে পরিচয়পত্র প্রদান

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
নবনিযুক্ত সদস্য মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী ও একরামুল হক আরিফকে পরিচয়পত্র প্রদান

ফেনীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার উদ্যোগে নবনিযুক্ত সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) প্রদান করা হয়েছে।

মানবাধিকার রক্ষায় সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার কার্যনির্বাহী পরিষদের সহকারী যুগ্ম মহাসচিব ও ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক, সাংবাদিক মোহাম্মদ হানিফ নবনিযুক্ত সদস্য মোহাম্মদ ইয়াকুব আলীর গলায় আইডি কার্ড পরিয়ে দেন।

একই অনুষ্ঠানে সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক আবুল কাশেম একরামুল হক আরিফের গলায় আইডি কার্ড পরিয়ে দেন।

এ সময় বক্তব্যে মোহাম্মদ হানিফ বলেন, মানবাধিকার রক্ষা ও মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগঠনের প্রত্যেক সদস্যকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, সমাজের অবহেলিত, নির্যাতিত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবুল কাশেম বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা একটি চলমান প্রক্রিয়া। এজন্য সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনি সহায়তা প্রদান এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন সদস্যরা সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্থার তথ্য অফিসার মোহাম্মদ ইব্রাহিম মিয়াজী, আলা উদ্দিন ভুঁইয়া, দাগনভূঞা উপজেলা সভাপতি সাইফুল ইসলামসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং সদস্যরা।

উপস্থিত অতিথিরা মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী ও একরামুল হক আরিফকে সংগঠনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য শুভেচ্ছা জানান এবং মানবাধিকার রক্ষায় তাদের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।

বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে মানবাধিকার রক্ষায় সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের বিভিন্ন স্তরে এখনও অনেক মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এসব মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের আইনি সহায়তা প্রদান করার জন্যই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে।

তারা আরও বলেন, সংগঠনটি দেশব্যাপী মানবাধিকার রক্ষায় বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি, সেমিনার, প্রশিক্ষণ এবং আইনি সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ফেনী জেলা শাখাও স্থানীয় পর্যায়ে মানবাধিকার রক্ষায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।
অনুষ্ঠানের শেষে নবনিযুক্ত সদস্য মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং মানবাধিকার রক্ষায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, মানুষের অধিকার রক্ষা এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সংগঠনের সঙ্গে থেকে কাজ করতে পারা তার জন্য গর্বের বিষয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা মানবাধিকার রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

error: Content is protected !!