মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন

ভাঙ্গুড়ার শরৎনগর হাটের টোল রেট পুনঃনির্ধারণের দাবি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম | 13 বার পড়া হয়েছে
ভাঙ্গুড়ার শরৎনগর হাটের টোল রেট পুনঃনির্ধারণের দাবি

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শরৎনগর হাট-বাজারের সরকারি টোল রেট পুনঃনির্ধারণ বা বৃদ্ধির দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন হাটটির ইজারাদার।

জানা গেছে, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার আওতাধীন শরৎনগর হাট-বাজারের বাংলা ১৪৩৩ সনের অনুমোদিত ইজারাদার মো. ফজলে আজিম সম্প্রতি পাবনা জেলা প্রশাসকের কাছে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন দাখিল করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা ও ইজারা সংক্রান্ত নীতিমালা-২০১১ অনুযায়ী ইজারা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে টোল আদায়ের হার নির্ধারণের বিধান রয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, জেলা প্রশাসকের অনুমোদনে ভাঙ্গুড়া উপজেলার সকল হাট-বাজারের জন্য বাংলা ১৪৩২ থেকে ১৪৩৪ সন পর্যন্ত তিন বছরের জন্য টোল রেট নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই টোল চার্ট অনুযায়ী বড় গরু বা মহিষ প্রতি ৬৫০ টাকা, ছোট গরু বা মহিষ ৪৪০ টাকা, বড় ছাগল ৩০০ টাকা, ছোট ছাগল ২০০ টাকা, ভেড়া ১৫০ টাকা এবং হাঁস-মুরগির খাঁচি প্রতি ৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে আবেদনকারী দাবি করেন, পাবনা জেলার অন্যান্য উপজেলার তুলনায় ভাঙ্গুড়া উপজেলার টোল রেট কম নির্ধারণ করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ঈশ্বরদী উপজেলার টোল চার্ট উল্লেখ করে বলেন, সেখানে বড় গরু প্রতি ৮০০ টাকা, ছোট গরু ৬০০ টাকা, মহিষ ১ হাজার টাকা এবং হাঁস-মুরগির খাঁচি প্রতি ১২০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
তার দাবি, শরৎনগর হাট-বাজারটি অত্র অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। কিন্তু তুলনামূলক কম টোল রেটের কারণে হাট পরিচালনা এবং ইজারা কার্যক্রমে আর্থিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে হাট-বাজার থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব পৌরসভার আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হওয়ায় টোল রেট কম থাকলে পৌরসভার রাজস্ব আয়ও কমে যেতে পারে।
এ অবস্থায় ভাঙ্গুড়া উপজেলার (পৌরসভাসহ) সকল হাট-বাজারের অনুমোদিত টোল রেট সংশোধন করে ১৪৩৩-১৪৩৪ সনের জন্য পুনঃনির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান বলেন, শরৎনগর হাট-বাজারের টোল রেট পুনঃনির্ধারণ সংক্রান্ত আবেদনটি প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা বলেন, আবেদন পেয়েছি বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রিপন আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিল দখলের চেষ্টা

রিপন আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৩ পিএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিল দখলের চেষ্টা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে চৌধুরী ইসমাঈল সাজ্জাদ জোহাদ ওয়াকফ স্টেটের কুমিরাদহ বিল দখলকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। হামলার ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের সাতরসিয়া গ্রামে গত ১৫ মার্চ কুমিরাদহ বিলে এ ঘটনা ঘটে। এতে কেউ আহত না হলেও আতঙ্কে রয়েছে এলাকাবাসী । এ ঘটনায় ১২ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থানায় মামলা করা হয়েছে। এর আগে ১৩ মার্চ দুপুরে একই স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এ নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় নিউজ প্রকাশ হলেও কোন ব্যবস্থা নেননি দাবি এলাকাবাসীর।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, লিজ সূত্রে পাওয়া বিলের মালিক আলফাজ উদ্দীন । রবিবার দুপুরের দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, হাসুয়া কাতা, লাঠি, লোহার রড নিয়ে বিলের, কয়েকটি বাথান ঘর, জাল রাখার ঘর, নৌকা, স্যালো মেশিনসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়।

এ বিষয়ে আলফাজ উদ্দীন বলেন, আমাদের অনেক কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে আমিসহ ৫ শত জেলে পরিবার এই কুমিরাদহ বিলটি লিজ নিয়েছি। অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমাদের বিলে ব্যপক ভাঙচুর ও লুটপাট করে করে। এখন তারা হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। আমরা বিল ছেড়ে না দিলে, আমাদের উপর হামলা করবে, এবং তারা নিজেরাই হত্যা করে সেই মামলায় আমাদের আসামি করবে। শুধু তাই নয় যেকোন ধরনের মাদক, ও অস্ত্র গোলাবারুদ রেখেও আমাদের ফাসানো হতে পারে বলে দাবি করেন আলফাজ উদ্দীন।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, পেশিশক্তি ব্যবহারে বিল দখলকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটছে। গত ১৩ মার্চ, ও ১৫ মার্চ হঠাৎ করে কুমিরাদহ বিলে ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

তিনি আরও বলেন, আমি শিবগঞ্জ সনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা করি কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর বিরুদ্ধে, মামলা নম্বর ২০৯/২৩ , আমার মামলা বাতিলের জন্য ২৪-০৮-২০২৫ ইং সালে আবেদন করেন কাইয়ুম রেজা চৌধুরী, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই মামলার আবেদনটি বাতিল করেন সিনিয়র সহকারী জজ আদালত এবং আমার পক্ষে মামলার আদেশ দেন সিনিয়র সহকারী জজ আদালত, আদেশে বলা হয়েছে, দরখাস্তকারী/বিবাদী পক্ষের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত প্রতিপক্ষের/ বাদীর বিরুদ্ধে দোতরফা সূত্রে বিনা খরচায় না মঞ্জুর করা হল । আদেশে আরও বলা হয়েছে, যে পক্ষ দখলে আছে তারাই দখলে থাকবে। আদেশে উভয় পক্ষকে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। বর্তমানে আলফাজ উদ্দিনের ২০৯/২৩ নম্বর মামলা এখনও চালু রয়েছে।

আলফাজ উদ্দীন আরও বলেন, ১৩ মার্চ ঘটনার পর উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে পাঠান , আমাদের বলেন নিজ নিজ কাগজ দেখাতে, আমি আমার কাগজ পত্র জমা দেওয়ার পরেও আমার বিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়, এবং তার মেয়ে সাবেক সংরক্ষিত সংসদ সদস্য জারা জাবীন মাহবুব এর ফোনে কয়েকবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শিবগঞ্জ থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, কুমিরাদহ বিল সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছে। ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়ে তিনি বলেন, ১৩ মার্চ বা ১৫ মার্চ সেখানে কোন ককটেল বিস্ফোরণ হয়নি, লুটপাটের বিষয়ে তদন্তের পর মামলা দায়ের করা হবে বলে জানান তিনি।

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিমের পরিচালক মো: সেলিম রানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৯ পিএম
ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিমের পরিচালক মো: সেলিম রানা

পবিত্র রমজান মাস শেষে মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব Eid al-Fitr উপলক্ষে দেশ ও প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশি এবং প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিমের পরিচালক, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মো: সেলিম রানা।
তিনি সৌদি আরব থেকে এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে। এই পবিত্র দিনে তিনি দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশি, বিশেষ করে প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
মো: সেলিম রানা বলেন, প্রবাসে থাকা অনেক শ্রমজীবী মানুষ নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করেন। তাদের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর নেওয়া এবং বিপদে পাশে দাঁড়ানো একজন প্রবাসী হিসেবে নিজের নৈতিক দায়িত্ব মনে করেন তিনি। বিশেষ করে সৌদি আরবে কাজহীন, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত প্রবাসীদের সহায়তায় তিনি নিয়মিত মানবিক উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, সমাজের অবহেলিত ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার মূল লক্ষ্য। একজন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী হিসেবে দেশ ও বিদেশে যেখানে অন্যায়, নির্যাতন বা মানবিক সংকট দেখা দেয়, সেখানেই তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।
প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি উপলব্ধি করেছেন যে, বেকারত্ব ও দারিদ্র্য অনেক সমস্যার মূল কারণ। তাই বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ভুক্তভোগী মানুষের সমস্যা সমাধানে কাজ করাই তার অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
একজন সাধারণ পরিবারে জন্ম নেওয়া মানুষ হিসেবে তিনি বলেন, “আমি গরিবের সন্তান। তাই গরিব ও অসহায় মানুষের কষ্ট আমি খুব কাছ থেকে বুঝতে পারি। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখাই আমার জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য।”
শেষে তিনি দেশবাসী ও প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পবিত্র Eid al-Fitr আমাদের মাঝে শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করুক। সবাই যেন সুখ, শান্তি ও নিরাপদে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন—এই কামনা করেন তিনি।
ঈদ মোবারক। 🌙🤲

২০২৫ সালে শুরু করেন স্মার্ট কৃষির যাত্রা 

সমালোচনা পেরিয়ে সফলতায় রানা দাস

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি-খুলনা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৬ পিএম
সমালোচনা পেরিয়ে সফলতায় রানা দাস

খুলনা দিঘলিয়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের এক উদ্যমী তরুণ রানা দাস, যিনি প্রচলিত চাকরির পথে না হেঁটে বেছে নিয়েছেন কৃষিকে—তাও আবার আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট কৃষি। সরকারি মুহসিন কলেজ থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা এই তরুণ নিজের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এলাকায় সৃষ্টি করেছেন এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
কৃষক পরিবারে জন্ম নেওয়ায় ছোটবেলা থেকেই মাটির সঙ্গে তার ছিল গভীর সম্পর্ক। সেই আগ্রহই পরিণত হয় বাস্তব উদ্যোগে, যখন ২০২৫ সালে তিনি শুরু করেন স্মার্ট কৃষির যাত্রা। মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষের মধ্য দিয়ে তার এই পথচলা শুরু হলেও সময়ের সাথে তিনি আধুনিক ও লাভজনক চাষাবাদের দিকে অগ্রসর হন।
বর্তমানে তিনি ১২ শতক জমিতে চাষ করছেন “সাথি প্লাস” জাতের শসা। উন্নত মান, আকর্ষণীয় গঠন এবং সুস্বাদের কারণে এই শসা ইতোমধ্যেই বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ফলে এটি এখন স্মার্ট কৃষকদের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য ফসল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
খুলনার প্রতিচ্ছবি’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রানা দাস বলেন, “একজন স্থানীয় সফল কৃষকের অনুপ্রেরণায় আমি এই পথে যাত্রা শুরু করি। শুরুতে নানা সমালোচনা ছিল, তবে এখন সেই সমালোচনার জায়গায় এসেছে প্রশংসা। আমি বিশ্বাস করি, শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে আধুনিক কৃষিকে গ্রহণ করলে তরুণদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে যেতে পারে।”
তিনি আরও জানান, “স্মার্ট কৃষিতে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী সেচ দেওয়া, উপযুক্ত সার প্রয়োগ এবং রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে উৎপাদন বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। ভবিষ্যতে আমি এই উদ্যোগ আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দিতে চাই এবং নতুনদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।”
তার এই কৃষি উদ্যোগে নিয়মিত সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে বঙ্গচাষি-এর অভিজ্ঞ উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি দিঘলিয়া কৃষি অফিস নিয়মিত প্রকল্প পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে তাকে এগিয়ে যেতে সহযোগিতা করছে।
স্থানীয়দের মতে, রানা দাসের মতো শিক্ষিত তরুণদের কৃষিতে সম্পৃক্ততা শুধু ব্যক্তিগত সফলতা নয়, বরং দেশের কৃষিখাতকে আধুনিক ও টেকসই করে গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

error: Content is protected !!