শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

পারস্য সাম্রাজ্য: পৃথিবীর প্রথম পরাশক্তি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৪ পিএম | 6 বার পড়া হয়েছে
পারস্য সাম্রাজ্য: পৃথিবীর প্রথম পরাশক্তি

ইতিহাসে এমন কিছু সাম্রাজ্য আছে যেগুলো শুধু ভূখণ্ড নয়, পুরো সভ্যতার গতিপথ বদলে দিয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো Achaemenid Empire, যাকে অনেক ইতিহাসবিদ পৃথিবীর প্রথম প্রকৃত সুপারপাওয়ার বলে মনে করেন।
👑 সূচনা: এক মহান নেতার হাত ধরে
খ্রিস্টপূর্ব ৫৫০ সালে মহান শাসক Cyrus the Great বিভিন্ন পারস্য গোত্রকে একত্রিত করে প্রতিষ্ঠা করেন পারস্য সাম্রাজ্য। তার নেতৃত্বে পারস্য দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং অল্প সময়েই বিশাল ভূখণ্ড দখল করে ফেলে।
🌏 বিস্তৃত সাম্রাজ্য
পারস্য সাম্রাজ্য একসময় বিস্তৃত ছিল তিন মহাদেশ জুড়ে—
Asia
Africa
Europe
এর অন্তর্ভুক্ত ছিল আজকের Iran, Iraq, Egypt, Turkey, Greece এবং আরও বহু অঞ্চল। ইতিহাসে এত বিশাল ভূখণ্ড প্রথমবারের মতো একক শাসনের অধীনে আসে।
⚖️ উন্নত প্রশাসন
পারস্য সাম্রাজ্যের শক্তির মূল রহস্য ছিল তাদের আধুনিক প্রশাসন ব্যবস্থা। সম্রাট Darius I সাম্রাজ্যকে বিভিন্ন প্রদেশে ভাগ করেন, যেগুলোকে বলা হতো Satrapy। প্রতিটি প্রদেশে একজন গভর্নর নিয়োগ করা হতো।
তিনি আরও চালু করেন—
📜 একক আইন ব্যবস্থা
💰 একক মুদ্রা
🛣️ বিখ্যাত Royal Road, যা যোগাযোগ ও বাণিজ্যকে দ্রুত করে তোলে।
🕊️ ধর্মীয় সহনশীলতা
পারস্য শাসকেরা ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। Cyrus the Great দখলকৃত অঞ্চলের মানুষদের নিজস্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বজায় রাখতে দিয়েছিলেন—যা সেই সময়ের জন্য ছিল অত্যন্ত বিরল।
⚔️ পতনের শুরু
পারস্য সাম্রাজ্যের শক্তি এতটাই বড় ছিল যে বহু শতাব্দী ধরে এটি অপ্রতিরোধ্য ছিল। কিন্তু খ্রিস্টপূর্ব ৩৩০ সালে মহান সেনাপতি Alexander the Great পারস্যকে পরাজিত করে এই বিশাল সাম্রাজ্যের পতন ঘটান।
📚 তবুও ইতিহাসে পারস্য সাম্রাজ্য স্মরণীয়—কারণ এটি প্রমাণ করেছিল যে সুবিশাল ভূখণ্ডকে প্রশাসন, আইন ও সংস্কৃতির মাধ্যমে একত্রে পরিচালনা করা সম্ভব।
✨ ইতিহাসের পাতায় পারস্য সাম্রাজ্য শুধু একটি সাম্রাজ্য নয়, বরং মানব সভ্যতার প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বিকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

কাহারোলে খাল খনন কর্মসূচি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী

কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৬ পিএম
কাহারোলে খাল খনন কর্মসূচি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশ ব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১৬ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখে দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার বলরাম পুর সাহা পাড়া এলাকায় খাল খননের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আগমন উপলক্ষে ১৩ মার্চ শুক্রবার দুপুরে নির্ধারিত কর্মসূচির স্হান, উপজেলার রামচন্দ্র মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং শুকান দিঘি মাঠ সরেজমিন পরিদর্শন করেন, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী ডাঃ এ জেড,এম জাহিদ হোসেন এম পি। খাল খননের উদ্বোধনী স্থান ও মাঠ পরিদর্শন শেষে মাননীয় মন্ত্রী সাংবাদিক দের সামনে বক্তব্য রাখেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান মিয়া এম পি, দিনাজপুর -১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন কচি,কাহারোল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা বাদশা, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোঃ শামীম আলী সহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অপর দিকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মোঃ ফরহাদ হোসেন আজাদ এম পি শুক্রবার সকালের দিকে এই কর্মসূচি পরিদর্শন করেন।

‎মোঃ কুতুব উদ্দিন

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি কেন বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক?

‎মোঃ কুতুব উদ্দিন প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি কেন বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক?

‎আজ ১৩ মার্চ শুক্রবার গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির উদ্যোগে “যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি কেন বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক?” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেমিনারটি সকাল ১০.৩০ মিনিটে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে (পল্টন টাওয়ার, বিজয়নগর, ঢাকা) অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ড. গোলাম রসুল, আলোচনা করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা, ড. মাহা মীর্জা, সভাপ্রধান হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

‎সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় ড. গোলাম রসুল বলেন, “এই বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে বাংলাদেশের উপর অনেকগুলো জনস্বার্থ বিরোধী শর্ত চাপিয়ে দিয়েছে। এতে দেশের কৃষি-শিল্প খাত ঝুঁকিতে পড়বে, খাদ্যমূল্য বাড়বে। এই অসমম চুক্তির ফলে বাংলাদেশকে বিপুল অর্থের সামরিক অস্ত্র  সামরিক অস্ত্র কিনতে হবে। অর্থাৎ এটি শুধু অর্থনৈতিক চাপই বাড়াবে না, ভূরাজনৈতিকভাবেও বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে চুক্তি করার সক্ষমতাও হারাবে, যা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্যে হুমকি।”

‎ড. মাহা মীর্জা বলেন, “এই চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যকে বাংলাদেশের বাজারে শুল্ক ছাড় দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বাংলাদেশের কৃষি ও শিল্প খাতগুলোর সক্ষমতা কম। তাই পোল্ট্রি, ডেইরি, ঔষধসহ দেশের সম্ভবনাময় কৃষি ও শিল্প খাতকে অসম প্রতিযোগিতায় পড়তে হবে। এতে বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

‎সেমিনারে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, “অন্তবর্তীকালীন সরকার এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে এই বাণিজ্য চুক্তি করেছে। এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগেই বর্তমান সরকার অন্য দেশের সাথে চুক্তি করার আগে নতজানু হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চাচ্ছে, এটা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্যে হুমকি। সংসদে এই জনস্বার্থ বিরোধী চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা জরুরি।”

‎অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা বলেন, “সারাবিশ্বে চলমান যুদ্ধ উন্মাদনারই অংশ বাণিজ্য যুদ্ধ, শুল্ক যুদ্ধ। ট্রাম্পসহ যুদ্ধোন্মাদনায় উন্মত্ত নেতাদের তৈরি নীতি, চুক্তির ফলে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের অসংখ্য মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে।”

‎অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ উল্লেখ করেন “সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে স্পষ্ট করতে হবে তারা এই চুক্তির সাথে ছিল না। তারা দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে হলে অবশ্যই এই চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে হবে। চুক্তির সাথে যুক্তদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সত্যিকার অর্থে ধারণ করতে হলে সবার আগে দেশের জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে, জনস্বার্থ বিবেচনা না করে চুক্তি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। তা নাহলে এই স্লোগান অর্থহীন হবে বলে জানান।

কামরুল ইসলাম

কুতুবদিয়ায় মসজিদ কমিটির নতুন কমিটি গঠন

কামরুল ইসলাম প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫০ পিএম
কুতুবদিয়ায় মসজিদ কমিটির নতুন কমিটি গঠন

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কুতুবদিয়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সমাজ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে মসজিদ কমিটির নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে আবুল কালামকে সভাপতি, মাওলানা রহমতউল্লাহকে সহ-সভাপতি, শামসুল আলমকে সহ-সহ সভাপতি এবং মাওলানা আবুল বাশার সিদ্দিকীকে সহ-সহ সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এছাড়া আহসানুল্লাহকে ক্যাশিয়ার এবং সাইদুল ইসলামকে সহকারী ক্যাশিয়ার করা হয়েছে।

প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাওলানা আব্দুল মজিদ এবং সরকারি সদস্য হিসেবে রয়েছেন মাওলানা আব্দুল আজিজ।

কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাস্টার হাবিবুল্লাহ ও মাওলানা আব্দুল জলিল।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল খলিল চৌধুরীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অন্যান্য সদস্যরা। বক্তারা মসজিদের সার্বিক উন্নয়ন, ধর্মীয় কার্যক্রম জোরদার এবং সমাজের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নবগঠিত কমিটির সদস্যরা মসজিদের উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

error: Content is protected !!