বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২

ভয়েস অব কাজিপুরের উদ্যোগে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৫ পিএম | 8 বার পড়া হয়েছে
ভয়েস অব কাজিপুরের উদ্যোগে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন ভয়েস অব কাজিপুর–এর উদ্যোগে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে মানবিক এই কার্যক্রম স্থানীয় মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

রোববার সকাল ১১টায় কাজিপুর উপজেলার মেঘাই এলাকার ১ নং বাঁধে প্রায় ২০০টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এলাকার দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে এসব খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে সংগঠনের নেতাকর্মীরা সকাল থেকেই প্রস্তুতি নেন। পরে সুশৃঙ্খলভাবে তালিকাভুক্ত পরিবারের হাতে ইফতার সামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়।

প্রতিটি প্যাকেটে ছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী। এর মধ্যে ছিল সয়াবিন তেল, খেজুর, চিনি, লবণ, ছোলা, মশুর ডাল, ট্যাং, সাবান, গুঁড়া দুধ, বেসন, সেমাই, মুড়ি, খেসারী ডালসহ আরও বেশ কিছু প্রয়োজনীয় দ্রব্য। এসব সামগ্রী দিয়ে একটি পরিবারের কয়েকদিনের ইফতারের প্রয়োজনীয়তা মেটানো সম্ভব হবে বলে আয়োজকরা জানান।

ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা সাজ্জাদুল ইসলাম মিন্টু, আনিছুর রহমান, রোকন সিরাজী ও আব্দুল মজিদ বাবু।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আশকার পাইন, যিনি ভয়েস অব কাজিপুরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এছাড়া সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফার্মাসিস্ট কালাম আজাদ, সহ-সভাপতি হাজী নুরুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আশা সরকারসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান মাসে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো একটি মানবিক দায়িত্ব। সমাজের বিত্তবান মানুষ যদি এগিয়ে আসে, তাহলে দরিদ্র মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব। তারা বলেন, ভয়েস অব কাজিপুর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

প্রধান উপদেষ্টা প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “রমজান মাস সংযম, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই মাসে সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভয়েস অব কাজিপুর সেই দায়িত্ববোধ থেকেই এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।”

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আশকার পাইন বলেন, “আমাদের সংগঠন সব সময় সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি তারই একটি অংশ। আমরা চাই সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষও যেন সম্মানের সাথে রমজানের ইফতার করতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তামূলক নানা কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবে ভয়েস অব কাজিপুর।

সাধারণ সম্পাদক ফার্মাসিস্ট কালাম আজাদ বলেন, “সংগঠনের সকল সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। ভবিষ্যতেও আরও বড় পরিসরে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।”

ইফতার সামগ্রী পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলোর সদস্যরা আনন্দ প্রকাশ করেন এবং আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তাদের অনেকেই বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ ধরনের সহায়তা তাদের জন্য অনেক বড় সহায়তা।

স্থানীয়রা জানান, সামাজিক সংগঠন হিসেবে ভয়েস অব কাজিপুর দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানা ধরনের মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। অসহায় মানুষের সহায়তা, শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে সংগঠনটি ইতোমধ্যেই স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও সমাজের অসহায় মানুষের পাশে থেকে মানবিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছে ভয়েস অব কাজিপুর।

পবিত্র রমজান মাসে এমন মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের মাঝে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

error: Content is protected !!