শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

নিজস্ব প্রতিনিধি (পেকুয়া)

পেকুয়ায় অসহায় নারীর উপর পাশবিক হামলা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩৩ পিএম | 112 বার পড়া হয়েছে
পেকুয়ায় অসহায় নারীর উপর পাশবিক হামলা

কক্সবাজারের পেকুয়ায় অসহায় নারীকে বেধড়ক পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দিলেন দূর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আহত নারীকে উদ্ধার পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নারীর আঘাত গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

বুধবার (২৫ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৫টায় উপজেলার টইটং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি এলাকার মগঘোনার বিল জাদুখালী ছড়ায় নিজ মালিকানাধীন জমি থেকে বারবাকিয়ার পূর্বপাহাড়িয়াখালীর ইসমাঈল মেম্বারের দুইপুত্র মোঃ ইলিয়াছ উদ্দিন সুমন ও জামাল উদ্দিন অবৈভাবে বালু উত্তোলন করার সংবাদ পেয়ে অসহায় নারী গুলজার বেগম বালু উত্তোলন না করতে বলায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত গুলজার বেগম বারবাকিয়া ইউনিয়নের পূর্বপাহাড়িয়াখালী এলাকার আবদুল মালেকের স্ত্রী।
আহত গুলজার বেগম জানান, আমার স্বামীর দালিলিক জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিলেন ইসমাঈল মেম্বারের দুই পুত্র ইলিয়াছ উদ্দিন সুমন ও জামাল উদ্দিন। খবর পেয়ে আমি স্বামীর জমিতে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে বালু উত্তোলন না করতে বলার সাথে সাথে তারা আমাকে ভ্যানছা দিয়ে পরপর আঘাত করে আমার হাত ভেঙ্গে দেয়। আমার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসতে দেখে তারা আমাকে ছেড়ে দিলে আমি হামাগুড়ি দিয়ে চলে আসি এবং পরিবারের লোকজন আমাকে পেকুয়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের ডাক্তার আমার হাতের আঘাত গুরতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। আমি ভূমিদস্যূ ইসমাঈল মেম্বারের দুইপুত্র ইলিয়াছ উদ্দিন সুমন ও জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করবো এবং জনগণের কাছে আবেদন করতেছি এ সন্ত্রাসীদের ধরে আইনের হাতে সোপর্দ করার জন্য। এদের অত্যাচারে এলাকাবাসীরা অতিষ্ট।
অভিযুক্ত ইলিয়াছ উদ্দিন সুমন এর কাছে জানতে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোনে বাবার রিং হলেও সে সংযোগ না দেয়ায় বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ খায়রুল আলম ঘটনার বিষয়ে লিখিত এজাহার পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এনামুল হক রাশেদী চট্টগ্রাম

বাঁশখালী উপকূলীয় বেড়িবাঁধ পরিদর্শনে নবনির্বাচিত এমপি অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম

এনামুল হক রাশেদী চট্টগ্রাম প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৮ এএম
বাঁশখালী উপকূলীয় বেড়িবাঁধ পরিদর্শনে নবনির্বাচিত এমপি অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম

চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ ও সাধনপুর ইউনিয়নের উপকূলীয় এলাকায় চলমান বেড়িবাঁধের কাজ পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপি। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি এ উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে এমপি অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, “বেড়িবাঁধে বারবার বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজের মান ঠিক না থাকায় বাঁধ টেকসই হয় না। ফলে উপকূলীয় এলাকার মানুষ বারবার জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবার কাজের মানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে ইনশাআল্লাহ। অন্যথায় বর্ষা মৌসুমে এ এলাকার মানুষ আরও ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “উপকূলবাসীর নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। সুতরাং বেড়িবাঁধ প্রকল্প নিয়ে কাউকে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবহেলার সুযোগ দেওয়া হবে না।”
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা খানখানাবাদের প্রেমাশিয়া পয়েন্টে জেগে ওঠা চর অপসারণ করলে বেড়িবাঁধ ভাঙনের ঝুঁকি কমবে বলে এমপি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আমলে নিয়ে তিনি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ

কাজিপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ২ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক আটক

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৫ পিএম
কাজিপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ২ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক আটক

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ২ পিস ইয়াবাসহ এক যুবককে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

আজ ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর চারটায় সোনামুখী দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চালিতাডাংগা ইউনিয়নের মোঃ সেজাব আলীর ছেলে আব্দুস ছাত্তারকে আটক করা হয়। তার নিকট থেকে ২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

আটক আব্দুস ছাত্তার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৯(১)(ঘ) ভঙ্গ করে মাদকদ্রব্য বহন করায় এবং তার নিকট মাদকদ্রব্য পাওয়ার অপরাধে একই আইনের ধারা ৩৬(১) (ক্রমিক ১৭) অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত হন। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ৩ (তিন) মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান। অভিযানে সহযোগিতা করেন কাজিপুর থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান ও তার টিম।
জব্দকৃত ২ পিস ইয়াবা তাৎক্ষণিকভাবে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ইয়াবা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন। প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরবর্তীতে আরও অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ অভিযানে স্থানীয় সাধারণ শিক্ষার্থী ও অন্যান্যরা আসামিকে আটক করতে সহায়তা করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

সালেহ আহমেদ

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন সম্পন্ন

সালেহ আহমেদ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২০ পিএম
সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন সম্পন্ন

দীর্ঘ দুই বছর সাত মাসের প্রতীক্ষার পর অবশেষে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে সাংবাদিকদের কল্যাণভিত্তিক সংগঠন “সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন।‍‍‍‌‌ সংগঠনটির নিবন্ধন নম্বর S-14517 নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘ ২৩ বছরের সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি উপলব্ধি করেন—সাংবাদিক সমাজের জন্য একটি শক্তিশালী, কার্যকর ও দায়িত্বশীল সংগঠন সময়ের দাবি। বিভিন্ন জেলা ও এলাকায় কাজ করতে গিয়ে তিনি দেখেছেন, অনেক সাংবাদিক পেশাগত ঝুঁকি, মামলা-মোকদ্দমা, হেনস্তা ও আর্থিক সংকটে পড়লেও তাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্মের অভাব রয়েছে। সেই প্রয়োজনীয়তা থেকেই এই ফাউন্ডেশনের যাত্রা।

প্রতিষ্ঠানের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য

সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ধারা-৪ অনুযায়ী, ফাউন্ডেশনটি একটি অরাজনৈকিত, কল্যাণমুখী, স্বেচ্ছাসেবী ও অলাভজনক জাতীয় সংগঠন হিসেবে সাংবাদিকদের অধিকার, সুরক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করবে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

১. অসহায় সাংবাদিকের মৃত্যুতে সহায়তা:
কোনো অসহায় সাংবাদিক মৃত্যুবরণ করলে তার দাফন-কাফনের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি পরিবারকে ১০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত এককালীন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের পড়াশোনার দায়িত্ব গ্রহণ এবং প্রাপ্তবয়স্ক বেকার সন্তানদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

২. স্বল্প ব্যয়ের আবাসন প্রকল্প:
সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বে সাংবাদিকদের জন্য কমিউনিটি-ভিত্তিক আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

৩. সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন:
প্রতিটি জেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন, নৈতিকতা, তথ্যপ্রযুক্তি ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

৪. স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা:
প্রতিটি বিভাগে সাংবাদিকদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল বা নির্ধারিত স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন:
সাংবাদিকদের সন্তানদের জন্য প্রতিটি জেলা শহরে একটি বিদ্যালয় ও একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের সন্তানদের জন্য বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

৬. নারী সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়ন:
নারী সাংবাদিকদের অর্থনৈতিক ও পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে টেইলারিং, ফ্যাশন ডিজাইন, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, হ্যান্ডিক্রাফট, ফুড প্রসেসিং, ই-কমার্স, ফ্রিল্যান্সিং ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

৭. আইনি সহায়তা:
প্রতিটি জেলায় তিনজন করে অভিজ্ঞ আইনজীবী নিয়োগের মাধ্যমে সাংবাদিকদের আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে। হামলা, মামলা, হয়রানি বা মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

৮. চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ নিয়োগ:
জেলা ও থানা পর্যায়ে দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক নিয়োগ এবং বিভাগীয় শহরে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

৯. কারামুক্ত সাংবাদিক পুনর্বাসন:
কারামুক্ত সাংবাদিকদের পুনর্বাসন, মানসিক পরামর্শ, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১০. ভ্রমণ ও যোগাযোগ সুবিধা:
দূরপাল্লার যানবাহন, টোল প্লাজা, বিমান, লঞ্চ, ট্রেন ও মেট্রোরেলে সাংবাদিকদের জন্য অগ্রাধিকার ও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

১১. পেশাগত ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন:
যোগ্য সাংবাদিকদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ, আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি এবং বৈশ্বিক গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নিবন্ধনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষায় নতুন দিগন্তের সূচনা হবে এবং একটি শক্তিশালী কল্যাণভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফাউন্ডেশন দেশব্যাপী ভূমিকা রাখবে।

error: Content is protected !!