শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

জামায়াত কর্মীর স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের বিচার চাইতে গিয়ে নিহত আইয়ূব নবী তারেক; ঘটনায় একই পরিবারের চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পলাতক আসামি ধরতে অভিযান

সোনাগাজীতে তাঁতি দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:২১ পিএম | 79 বার পড়া হয়েছে
সোনাগাজীতে তাঁতি দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের গুণক গ্রামে এক জামায়াত কর্মীর স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় আইয়ূব নবী তারেক (২৬) নামে এক তাঁতি দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তারেক বগাদানা ইউনিয়ন তাঁতি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও গুণক গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় জামায়াত কর্মী নাহিদ দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও কয়েকবার বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসা করেন তারেক। বুধবার সন্ধ্যায় ফের নির্যাতনের অভিযোগ তুলে বিচার চেয়ে তারেককে ওই বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, সেখানে গেলে নাহিদ, তার ভাই আবু সাঈদ, বাবা ওহিদুর রহমান এবং মা নুর নাহার মিলে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে তারেকের ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
উপজেলা জাতীয়তাবাদী তাঁতি দলের সদস্য সচিব আবদুল আল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. মোস্তফা বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং এটি পারিবারিক ঘটনা কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহতের পিতা কামাল উদ্দিন অভিযোগ করেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তিনি দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন; তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ

কাজিপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ২ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক আটক

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৫ পিএম
কাজিপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ২ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক আটক

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ২ পিস ইয়াবাসহ এক যুবককে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

আজ ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর চারটায় সোনামুখী দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চালিতাডাংগা ইউনিয়নের মোঃ সেজাব আলীর ছেলে আব্দুস ছাত্তারকে আটক করা হয়। তার নিকট থেকে ২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

আটক আব্দুস ছাত্তার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৯(১)(ঘ) ভঙ্গ করে মাদকদ্রব্য বহন করায় এবং তার নিকট মাদকদ্রব্য পাওয়ার অপরাধে একই আইনের ধারা ৩৬(১) (ক্রমিক ১৭) অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত হন। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ৩ (তিন) মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান। অভিযানে সহযোগিতা করেন কাজিপুর থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান ও তার টিম।
জব্দকৃত ২ পিস ইয়াবা তাৎক্ষণিকভাবে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ইয়াবা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন। প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরবর্তীতে আরও অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ অভিযানে স্থানীয় সাধারণ শিক্ষার্থী ও অন্যান্যরা আসামিকে আটক করতে সহায়তা করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

সালেহ আহমেদ

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন সম্পন্ন

সালেহ আহমেদ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২০ পিএম
সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন সম্পন্ন

দীর্ঘ দুই বছর সাত মাসের প্রতীক্ষার পর অবশেষে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে সাংবাদিকদের কল্যাণভিত্তিক সংগঠন “সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন।‍‍‍‌‌ সংগঠনটির নিবন্ধন নম্বর S-14517 নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘ ২৩ বছরের সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি উপলব্ধি করেন—সাংবাদিক সমাজের জন্য একটি শক্তিশালী, কার্যকর ও দায়িত্বশীল সংগঠন সময়ের দাবি। বিভিন্ন জেলা ও এলাকায় কাজ করতে গিয়ে তিনি দেখেছেন, অনেক সাংবাদিক পেশাগত ঝুঁকি, মামলা-মোকদ্দমা, হেনস্তা ও আর্থিক সংকটে পড়লেও তাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্মের অভাব রয়েছে। সেই প্রয়োজনীয়তা থেকেই এই ফাউন্ডেশনের যাত্রা।

প্রতিষ্ঠানের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য

সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ধারা-৪ অনুযায়ী, ফাউন্ডেশনটি একটি অরাজনৈকিত, কল্যাণমুখী, স্বেচ্ছাসেবী ও অলাভজনক জাতীয় সংগঠন হিসেবে সাংবাদিকদের অধিকার, সুরক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করবে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

১. অসহায় সাংবাদিকের মৃত্যুতে সহায়তা:
কোনো অসহায় সাংবাদিক মৃত্যুবরণ করলে তার দাফন-কাফনের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি পরিবারকে ১০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত এককালীন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের পড়াশোনার দায়িত্ব গ্রহণ এবং প্রাপ্তবয়স্ক বেকার সন্তানদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

২. স্বল্প ব্যয়ের আবাসন প্রকল্প:
সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বে সাংবাদিকদের জন্য কমিউনিটি-ভিত্তিক আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

৩. সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন:
প্রতিটি জেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন, নৈতিকতা, তথ্যপ্রযুক্তি ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

৪. স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা:
প্রতিটি বিভাগে সাংবাদিকদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল বা নির্ধারিত স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন:
সাংবাদিকদের সন্তানদের জন্য প্রতিটি জেলা শহরে একটি বিদ্যালয় ও একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের সন্তানদের জন্য বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

৬. নারী সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়ন:
নারী সাংবাদিকদের অর্থনৈতিক ও পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে টেইলারিং, ফ্যাশন ডিজাইন, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, হ্যান্ডিক্রাফট, ফুড প্রসেসিং, ই-কমার্স, ফ্রিল্যান্সিং ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

৭. আইনি সহায়তা:
প্রতিটি জেলায় তিনজন করে অভিজ্ঞ আইনজীবী নিয়োগের মাধ্যমে সাংবাদিকদের আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে। হামলা, মামলা, হয়রানি বা মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

৮. চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ নিয়োগ:
জেলা ও থানা পর্যায়ে দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক নিয়োগ এবং বিভাগীয় শহরে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

৯. কারামুক্ত সাংবাদিক পুনর্বাসন:
কারামুক্ত সাংবাদিকদের পুনর্বাসন, মানসিক পরামর্শ, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১০. ভ্রমণ ও যোগাযোগ সুবিধা:
দূরপাল্লার যানবাহন, টোল প্লাজা, বিমান, লঞ্চ, ট্রেন ও মেট্রোরেলে সাংবাদিকদের জন্য অগ্রাধিকার ও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

১১. পেশাগত ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন:
যোগ্য সাংবাদিকদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ, আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি এবং বৈশ্বিক গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নিবন্ধনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষায় নতুন দিগন্তের সূচনা হবে এবং একটি শক্তিশালী কল্যাণভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফাউন্ডেশন দেশব্যাপী ভূমিকা রাখবে।

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় গরুবোঝাই ভ্যান খাদে পড়ে নিহত ১

মোঃ আজগার আলী, খুলনা ব্যুরো প্রধান প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৫ পিএম
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় গরুবোঝাই ভ্যান খাদে পড়ে নিহত ১

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় গরুবোঝাই ইঞ্জিনভ্যান খাদে পড়ে চালক নিহত এবং অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। একই স্থানে মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে আরও একটি গরুবোঝাই আলমসাধু উল্টে গিয়ে নতুন করে চারজন আহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ দ্রুত সংস্কার না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা ইউনিয়নের বালিগাদার মোড়ের একটি ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইঞ্জিনভ্যান চালকের নাম ইশার আলী (৬০)। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর এলাকার বাসিন্দা। আহতরা হলেন—সদর উপজেলার গোবরদাড়ী এলাকার মো. মামুন হোসেন, মোতালেব হোসেন এবং সরাফপুর এলাকার মো. আমিনুল ইসলাম। এছাড়া দ্বিতীয় দুর্ঘটনায় আহত আরও চারজনের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বৃহস্পতিবার সকালে ইশার আলী তিনটি গরু বোঝাই ইঞ্জিনভ্যান নিয়ে আবাদের হাট থেকে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তার সঙ্গে ছিলেন মামুন হোসেন, মোতালেব হোসেন ও আমিনুল ইসলাম। পথিমধ্যে বালিগাদার মোড় এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ইঞ্জিনভ্যানটির পেছনের চাকা পাংচার হয়ে যায়। এতে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং ভ্যানটি রাস্তার পাশে গভীর খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ইশার আলীর মৃত্যু হয় এবং সঙ্গে থাকা তিনজন গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই প্রায় দুই ঘণ্টা পর একই স্থানে আরেকটি গরুবোঝাই আলমসাধু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে আরও চারজন আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পাটকেলঘাটার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করেন।
পাটকেলঘাটা থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) জাহিদুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আহতরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কের ওই অংশে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার পাশে ড্রেন ও খাদ উঁচুনিচু অবস্থায় রয়েছে। ভারী বা বোঝাই যানবাহন চলাচলের সময় সামান্য ত্রুটিতেই বড় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত ইশার আলীর পরিবারে চলছে মাতম। সড়ক নিরাপত্তা জোরদার এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে সতর্কতামূলক চিহ্ন বসানোর দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

error: Content is protected !!