শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

তাড়াশ ডিগ্রী কলেজ মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক পক্ষে নির্বাচনীয় জনসভা অনুষ্ঠিত

Md. Jhurul Islam
Md. Jhurul Islam - Crime Reporter, TARASH (SIRAJGONG) প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১০ পিএম | 73 বার পড়া হয়েছে
তাড়াশ ডিগ্রী কলেজ মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক পক্ষে নির্বাচনীয় জনসভা অনুষ্ঠিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনীয় জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ‎

‎রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে তাড়াশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে আয়োজিত এ জনসভায় জনসমুদ্রের সৃষ্টি হয়।

সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মাঠে এসে জড়ো হন। স্লোগান, ব্যানার-ফেস্টুন ও ধানের শীষের প্রতীকে মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।   ‎

‎এ জনসভায় তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সভাপতি স.ম আফসার আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক। ‎

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্ময়  খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর। ‎

‎জনসভাটি  সঞ্চালনা করেন, তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান টুটুল।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ‎তাড়াশ পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক তপন গোস্বামী, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল বারিক খন্দকার, উপজেলা যুবদলের  আহব্বায়ক এফ এম শাহআলম, সদস্য সচিব রাজীব আহম্মেদ মাসুম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ ফকির, সদস্য সচিব খন্দকার শাহাদাৎ হোসেন, তাড়াশ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহাদাৎ হোসেন, সদস্য সচিব সাইফুল খান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা, সদস্য সচিব হাসান মির্জা সহ ‎উপজেলা বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী গণ।  ‎

ঈদ উপলক্ষে হ্নীলা ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২০ পিএম
ঈদ উপলক্ষে হ্নীলা ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন

ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:১০ পিএম
ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রঙ্গন মিউজিক নির্মাণ করেছে বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’। শফিকুর রহমান শান্তনুর রচনায় নাটকটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ আহমেদ রানা ও সুব্রত মিত্র। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরা, মিরপুর ও আগারগাঁওয়ের বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির চিত্রধারণ সম্পন্ন হয়েছে।
নাটকটির গল্প আবর্তিত হয়েছে নাগরিক জীবনের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ষাটোর্ধ্ব হায়াত সাহেব, যিনি সারা জীবন মফস্বলে চাকরি করে একমাত্র ছেলেকে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর অসুস্থ হায়াত সাহেব চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছেলের বাসায় আসেন।
শুরুতে আনন্দ থাকলেও শহরের ব্যস্ততা আর বাস্তবতার চাপে বাবা-ছেলের সম্পর্কের মাঝে তৈরি হয় নানা তিক্ততা ও মানসিক দূরত্ব। নিদারুণ বাস্তবতায় বাবা ও সন্তানের চিরায়ত সম্পর্কের দেওয়ালে ঘেরা এক আবেগঘন কাহিনি ফুটে উঠবে এই নাটকে।
পরিচালক সুব্রত মিত্র বলেন, এটি পারিবারিক গল্পের নাটক। বাবা আর সন্তানের সম্পর্কের গল্পের নাটক। তাদের সাধ অনেক কিন্তু সাধ্যটা সীমিত। ছেলের ইচ্ছা করে বাবার জন্য জীবনের পুরোটা দিয়ে দিতে, কিন্তু বাস্তবতা তাকে দাঁড় করায় ভিন্ন এক দেয়ালের সামনে।
নাটকটিতে হায়াত সাহেবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াত। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ইরফান সাজ্জাদ, সুনেরাহ বিনতে কামাল, এস এম আশরাফুল আলম সোহাগ, রেশমা আহমেদ, আজম খান, ইফতেখার পলাশ ও শিশুশিল্পী ইব্রাহিমসহ আরও অনেকে।
মো. জামাল হোসেনের প্রযোজনায় নাটকটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন সুমন হোসেন এবং আবহসংগীত করেছেন প্রত্যয় খান। নাটকটি ‘রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্ট’ এর ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেওয়া হবে।

ট্রলিংয়ের একটা লিমিট থাকা উচিৎ : শ্রাবন্তী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:০৯ পিএম
ট্রলিংয়ের একটা লিমিট থাকা উচিৎ : শ্রাবন্তী

সামাজিক মাধ্যমে তারকাদের নিয়ে চলা ট্রল, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন ওপার বাংলার নায়িকা শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। এমন সম্মানহানি ঠেকাতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও কঠোর আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অভিনেত্রী।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে শ্রাবন্তী জানান, বাকস্বাধীনতা মানেই যা খুশি বলা নয়। মানুষের ভেতরের হতাশা এভাবে প্রকাশ করা কাম্য নয়। বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলিংয়ের একটা সীমা থাকা উচিত। আমি অনেক উপেক্ষা করেছি, কিন্তু এখন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি নারীরাই অন্য নারীকে অসম্মান করছেন।
এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তারকাদের নিয়ে তৈরি কুরুচিপূর্ণ ভিডিওর প্রসঙ্গও টানেন অভিনেত্রী। জানান, এসব কারণেই তিনি বাধ্য হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
অভিনেত্রী মনে করেন, সামাজিকমাধ্যমে যারা নাম পরিচয় লুকিয়ে বা প্রকাশ্যেই গালিগালাজ ও অশালীন মন্তব্য করেন, তাদের সতর্ক করতে কঠোর আইন প্রয়োজন। বলেন, শুধু নারী নয়, পুরুষরাও এখানে অপমানিত হচ্ছেন। তবে নারীদের বেশি লক্ষ্যবস্তু করা দীর্ঘদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এই অসভ্যতা বন্ধ হওয়া জরুরি।
অনলাইনে এত নেতিবাচকতা সত্ত্বেও সামাজিক মাধ্যম ছেড়ে দেওয়ার পক্ষপাতী নন শ্রাবন্তী। তার মতে, সেখানে তাকে ভালোবাসার মানুষের সংখ্যাও অনেক। এছাড়া বর্তমান ডিজিটাল যুগে পেশাগত কারণেই সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

error: Content is protected !!