সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

✍️ জাহারুল ইসলাম জীবন এর লেখা ও সম্পাদনায় রচিত নারী ও পুরুষের দেহতত্ত্বের গবেষণা‌‌

রতি থেকে জ্যোতি☞পর্ব:-৫

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম | 133 বার পড়া হয়েছে
রতি থেকে জ্যোতি☞পর্ব:-৫

এই বিশ্ব-জগৎতে গভীরতম আধ্যাত্মিক দর্শনের অবতারণা সত্যিই এক অনন্য সাধনার বাস্তব নিদর্শন! এখানে সুফিতত্ত্বের মারেফাত এবং দেহতত্ত্বের সংযোগ সূত্র একত্রে এক দুর্লভ সমন্বয় ঘটিয়েছে, যেখানে ‘আদম তত্ত্ব’ এবং ‘লতিফা’র বিন্যাস কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, বরং এক জীবন্ত সাধনার জ্যোতির্ময় পথ। এই আধ্যাত্মিক দর্শনের সাথে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট্ এবং বিজ্ঞানের কিছু সূক্ষ্ম চিন্তার মিরাক্কেলীয় সমন্বয় সাধনে ঘটেছে রতি থেকে জ্যোতি তত্ত্বের তাত্ত্বিকতায় মূল্যবান গবেষণালব্ধ তথ্য সমূহ:
আধুনিক বিশ্বের মানুষ যখন কেবল দৃশ্যমান বস্তুজগৎ আর যান্ত্রিকতায় নিমগ্ন, তখন আধ্যাত্মিক সাধকগণ দেহের ভেতরে-ই খুঁজে পান এক বিশাল মহাবিশ্বের মানচিত্র। সুফি দর্শনের ‘আদম তত্ত্ব’ এবং লতিফার বিন্যাস আমাদের শেখায় যে, মানুষ কেবল রক্ত-মাংসের স্তূপ নয়, বরং এটি নূরের এক প্রজ্জ্বলিত আঁধার।
**১. আদম তত্ত্ব ও লতিফা সমূহের বিন্যাস আর আধুনিকতার প্রেক্ষাপটে্ ‘ইনসাইড-আউট সাইড’ জীবন ধারা:- সুফি সাধনায় লতিফা বা সূক্ষ্ম শক্তি কেন্দ্রগুলো (কলব, রূহ, সিরর, খফি, আখফা) মূলত মানুষের চেতনার ভিন্ন ভিন্ন স্তর।
* নফসের নিয়ন্ত্রণ ও সাইকোলজি:- বর্তমানে আমরা যাকে ‘ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স’ বা আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা বলি, দেহতত্ত্বের ভাষায় তাই হলো ‘লতিফায়ে নফ্স’কে পরিশুদ্ধ করা। মাটির টানে নিচে পড়ে থাকা কামকে যখন সাধক ঊর্ধ্বমুখী করেন, তখন তার জৈবিক চাহিদাগুলো সৃজনশীল শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
* নারী-পুরুষের পরিপূরকতা:- আধ্যাত্মিক পরিমন্ডলে নারী ও পুরুষ একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। আদমের বাম পাঁজরের তত্ত্বটি মূলত শক্তির ভারসাম্যের কথা বলে। আধুনিক কোয়ান্টাম ফিজিক্সের ভাষায় যেমন প্রতিটি কণার একটি প্রতি-কণা থাকে, তেমনি আধ্যাত্মিক মিলনে এক নূরের সাথে অন্য নূরের একীভূত হওয়া হলো সেই পরম ভারসাম্য লাভ।
**২. ‘মরণ জিতা’ বা ‘জ্যান্ত মরা’: ইগো বা অহং-এর বিনাশ:- রাসুলুল্লাহ (সা:)-এর বাণী “মরার আগে মরো” বর্তমানের মানসিক প্রশান্তি বা ‘Mindfulness’ এর সর্বোচ্চ স্তর।
* ইচ্ছা মৃত্যু বনাম জৈবিক মৃত্যু:- বর্তমান যুগে মানুষ মানসিক চাপে জর্জরিত। ‘মরণ জিতা’ সাধনা শেখায় কীভাবে নিজের ‘আমি’ত্ব বা ‘ইগো’কে বিসর্জন দিয়ে স্রষ্টার ইচ্ছায় সমর্পিত হতে হয়। যখন সাধকের ভেতর থেকে ‘আমি’ মুছে যায়, তখন সেখানে কেবল ‘তিনি’ (স্রষ্টা) বিরাজ করেন।
* রতি থেকে জ্যোতি:- এটি শক্তির রূপান্তর বা Energy Transformation। জৈবিক শক্তি (রতি) যখন সাধনার মাধ্যমে প্রজ্ঞায় (মতি) রূপান্তরিত হয়, তখন তা চেহারায় ও চরিত্রে এক অলৌকিক জ্যোতি বা নূর সৃষ্টি করে। একেই আধুনিক পরিভাষায় ‘Positive Vibration’ বলা যেতে পারে।
**৩. সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে্ আধ্যাত্মিক অমরত্বের গুরুত্ব:- আজকের পৃথিবী যখন ভোগবাদ আর ক্ষণস্থায়ী সুখে মত্ত, তখন ‘আদম তত্ত্ব’ আমাদের এক শাশ্বত পথের দিশা দেয়।
* সম্পর্কের গভীরতা:- মহামায়া বা সঙ্গিনীকে কেবল ভোগের বস্তু না ভেবে যখন তাকে সাধনার সহযাত্রী ভাবা হয়, তখন সামাজিক অবক্ষয় ও বিচ্ছেদ দূর হয়।
* ইনসানে কামেল বা পূর্ণ মানুষ:- আধুনিক সমাজ আজ আদর্শ মানুষের সংকটে ভুগছে। লতিফাগুলোর সঠিক বিন্যাস এবং নূরের পথে পদার্পণই পারে একজন মানুষকে ‘ইনসানে কামেল’ বা পূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে, যিনি সময়ের ঊর্ধ্বে গিয়েও মানবতার সেবা করেন।
>>সর্বপরি সারকথা হলো, ‘মরণ জিতা’ মানে জীবন থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়, বরং জীবনের মূলে পৌঁছে মৃত্যুকে জয় করা। রতি, মইথন, মতি এবং জ্যোতির এই চতুর্মুখী যাত্রাই মানুষকে তার খোদায়ী সত্তার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।
পরবর্তী ধাপে আমি আপনাদের সম্মুখে- ‘ফানা-ফিলাহ’ (নিজেকে নূরে বিলীন করা) এবং ‘বাকা-বিল্লাহ’ (পরম সত্তায় স্থিতি লাভ) এর গূঢ় রহস্য সম্পর্কে ইনশাল্লাহ্ আলোচনা করবো- আমিন।>>চলমাস পাতা।

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম
গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!