শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

সাব্বির আলম বাবু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মহিষ পালনের মাধ্যমে ভাগ্যবদল

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:২০ পিএম | 65 বার পড়া হয়েছে
মহিষ পালনের মাধ্যমে ভাগ্যবদল

মহিষ পালনের মাধ্যমে ভাগ্যবদলে আগ্রহী ভোলার মহিষচাষীরা। কথায় আছে ‘ধান সুপারি আর ইলিশের গোলা এই তিনে দ্বীপ ভোলা জেলা’। এছাড়া ভোলার অনন্য ঐতিহ্য ‘মহিষ পালন’। জেলার প্রায় অর্ধশতাধিক বিছিন্ন দ্বীপ চরগুলোতো মহিষ পালনের পরিবেশ ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রায় দুইশো বছর ধরে মহিষ বাতান আকারে পালন করে আসছেন চাষীরা। প্রতিটি মহিষের বাতানে দু’শ থেকে হাজার পর্যন্ত মহিষ পালন হয়ে থাকে। যা ঘরোয়া পরিবেশে একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু বর্তমানে এ মহিষ পালন অধিক লাভজনক হওয়ায় স্থানীয়রা বসত বাড়ির গোয়ালঘরে পালন শুরু করেছেন। মহিষ পালনের ব্যাপকতায় এলাকার দরিদ্র কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বি হয়ে উঠছেন। একদিকে মহিষ বিক্রি অন্যদিকে মহিষের দুধ বিক্রির টাকায় চাষীরা দেখছেন দিন বদলের স্বপ্ন।
জানা গেছে, জেলার ভোলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, তজুমদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক বিচ্ছিন্ন চর রয়েছে। এসব চরে সরকারি হিসেবে ১ লক্ষ ৪০ হাজার মহিষের হিসেব থাকলেও সংখ্যায় প্রায় ২ লক্ষ মহিষ রয়েছে। ৯৭ টি মহিষের বড় বাতান (খামার) সহ প্রায় ৭০৫ দুগ্ধ খামার রয়েছে। এসব খামার থেকে প্রতিদিন ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লিটার দুধ আসে। এসব দুধ ও দুধের তৈয়ারি দই দিয়ে জেলার ২১ লক্ষ মানুষের চাহিদা ফিলাপ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় চাহিদা পুরণ করছে। নদীর মাঝখানে এসব চরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল এলাকা জুড়ে সবুজ ঘাসের সমারোহ। আর এসব চরে পালন করা হয় হাজার হাজার মহিষ। সবুজ ঘাস খেয়ে পালিত হয় এসব মহিষ। যুগ যুগ ধরে বংশপরপ্রমাক্রমে বহু পরিবার এখানে মহিষ ও দই বিক্রির পেশায় নিয়জিত রয়েছেন। অনেকে আবার নিজস্ব মহিষের মাধ্যমে দুধ উৎপাদন করে দই তৈরি করেন। দই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন চরে গড়ে উঠেছে শত শত মহিষ নিয়ে বাতান। প্রতিদিন সকালে বেলা বাড়ার সাথে সাথে এসব বাতান থেকে মণে মণে দুধ আসতে শুরু করে শহর ও বাজারগুলোতে। গ্রামাঞ্চলে হাটের দিনে মহিষা দই এর টালির পসরা সাজিয়ে বসেন অনেক বিক্রেতারা। বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হয় মহিষের দুধের দই। প্রায় ১২২০ সালে বঙ্গোপসাগর মোহনায় জেগে উঠে দ্বীপ জেলা ভোলা। এরপর এখানে গত ৪০০ বছর ধরে ক্রমশই জনবসতি গড়ে ওঠে। ধীরে ধীরে মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হলে তারা মহিষ, গরু, ছাগল পালন শুরু করেন। ভোলা দ্বীপ হওয়াতে এখানকার ছোট বড় অসংখ্য চরে মহিষ পালনে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। বিশেষ করে অবস্থা সম্পন্ন গৃহস্থ পরিবারগুলোর শত শত মহিষ পালন করে।
স্থানীয়দের ধারণা, প্রায় ২০০ বছর ধরে এই জেলায় মহিষের দুধ থেকে কাঁচা দই উৎপাদন শুরু করে। যা ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু হয়ে বর্তমান সময়েও জনপ্রিয়। এখানে বিয়ের অনুষ্ঠানসহ এমন কোন অনুষ্ঠান খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে দই দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়নি।
মহিষ পালনকারী ভোলার চরের আব্দুল রশিদ বলেন, মাত্র ৫০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ২০০১ সালে চারটি মহিষ নিয়ে যাত্রা শুরু করি। এখন আমার ৪১টি মহিষ। বর্তমানে তার দুই একর জমি হয়েছে। যার বাজার মূল্য ২০ লাখ টাকা। এ মহিষের দুধ বেঁচে তিনি তার সংসারের খরচ মেটান। ভোলায় এখন মহিষ পালনে চরাঞ্চলের সবাই ঝুঁকছে। এতোদিন শুধু বাতানে পালন হলেও এখন তা বাড়িতে বাড়িতে ঘরোয়া পরিবেশেও পালন হচ্ছে। মহিষ পালনে দিন বদলের এ গল্প জেলার অনেক কৃষকের। মহিষের বাতান মালিক জাকির হাওলাদার বলেন, তার ৯৫টি মহিষ রয়েছে। এটা আমার দাদা পালন করেছে। তারপর চাচা পালন করেছে, এখন আমি করছি। তবে আগে মহিষ একটু কিছু না হতেই মরে যেত। তাই অনেকে বেশি পালন করতে চাইতো না। কিন্তু এখন কৃমি নাশক ওষুধ ও বিভিন্ন রোগের ভ্যাকসিন দেওয়ার কারণে মহিষ মারা যাওয়ার ঝুঁকি কমেছে। অন্যদিকে মাংস ও দুধের দাম বাড়ার কারণে লাভের পরিমানও বেড়েছে। তাই অনেকের মতো আমারও বেশি মহিষ পালনের আগ্রহ বেড়েছে। আমি এ মহিষ পালন করে প্রায় ৫ একর জমি কিনেছি। মহিষের বাতানের মালিক মো. ইউনুছ বলেন, দৌলতখান উপজেলার মদনপুর চরে তাদের বাতানে প্রায় আড়াই শত মহিষ রয়েছে। যা তারা চার পুরুষ ধরে লালন করে আসছেন। দৈনিক এখান থেকে ১৩০ থেকে ১৫০ কেজি দুধ হয়। জেলায় অনেকেই ঐতিহ্য ধারণ করে মহিষ পালন করে আসছেন। যা তাদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
স্থানীয় দই বিক্রেতারা বলেন, সাধারণত দেড় থেকে দুই কেজি ওজনের দই (টালির) চাহিদা বেশি। বর্তমানে দেড় কেজি ওজনের দধি ২০০ ও দুই কেজি ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ দই থেকে মাখন, ঘি ও ঘোল বানানো হয়। মাখনের কেজি ৯০০ ও ঘিয়ের কেজি ১২ শত ১৪ শত টাকায় বিক্রি হয়। এর ভালো দাম পাওয়ায় তাদের লাভও ভালো হয়। তবে দুধের দাম বৃদ্ধি পেলে দইর দামও বাড়ে বলে জানান তিনি।
জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ভোলা সরকারী হিসেবে জেলায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার মহিষ রয়েছে। এতে প্রতিদিন গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লিটার দুধ আসে। এসব গুলোই জলা মহিষ, এসব মহিষ পালন করে তারা মাংস ও দুধ উৎপাদনের জন্য। আমাদের মুদ্রাজাতের মহিষ উৎপাদনের জন্য বাগেরহাট ও টাংগাইলে ২ টা মহিষ প্রজোনন খামার আছে। সেখান থেকে ভোলাতে আমরা ১৫০টির মত চেলা মহিষ বিতরণ করেছি, এই চেলা মহিষ দিয়ে বাতানের মহিষগুলোকে কোড়াছ করে উন্নত জাতের মুদ্রাজাতের মহিষ উৎপাদনের জন্য কাছ করছি যাহাতে প্রতিটি মহিষ প্রথম থেকেই ১০ থেকে ১৫ কেজি দুধ উৎপাদন করতে পারে। তিনি আরো বলেন, আমরা ভোলা জেলায় ১০০ একর জমির উপর ডি এল আরই ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রাণালয়ের যৌথ উদ্দ্যেগে উন্নত মুদ্রাজাতের মহিষ উৎপাদনের খামার করার কাজ করে যাচ্ছি, আশা করি ভোলার মহিষের বাতান মালিকরা খুব শিগ্রই এর সুফল পাবে।

বোয়ালখালীতে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন রশীদ ইন্তেকাল: বিভিন্ন মহলে শোক

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৩ এএম
বোয়ালখালীতে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন রশীদ ইন্তেকাল: বিভিন্ন মহলে শোক

বোয়ালখালী পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ডের পূর্ব গোমদণ্ডী মুফ্তি পাড়া,ফজর আলীর বাড়ি নিবাসী মরহুম নুরুর রহমান এর প্রথম পুত্র,

দৈনিক জনতা, দৈনিক ইনফো বাংলা প্রতিনিধি পটিয়া প্রেসক্লাব ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ সেলিম চৌধুরী’র ফুফাত ভাই ও বোয়ালখালী প্রেসক্লাবের সাবেক অর্থ, প্রচার, প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক আল সিরাজ ভাণ্ডারী’র বড়ভাই, আহসান উল্লাহ জামে মসজিদের সহসাধারণ সম্পাদক, হাজিরহাট ইকবাল পাঠাগার সহসভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদ (৭১) ১লা এপ্রিল ২০২৬ বুধবার দুপুর ২ টার সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
আল্লাহ তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসাবে কবুল করুন আমিন। ১ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার মুফ্তিপাড়া আহসান উল্লাহ জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দানে মরহুমের জানাজার নামাজের তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। মৃত্যুকালে হারুনুর রশীদ দুইভাই এবং ৫জন মেয়ে নাতি, নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে যান।
মরহুম হারুন অর রশিদ এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন, জিয়া স্মৃতি পরিষদ বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আহবায়ক সাংবাদিক মন্জুর আলম মাস্টার, দৈনিক কর্ণফুলী স্টাফ রিপোর্টার এম এ মন্নন, দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি শাহিনুর কিবরিয়া মাসুদ, ক্রাইম রিপোর্টার সাংবাদিক আজম খান, বাণিজ্যিক রাজধানীর সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী রানা, বোয়ালখালী প্রেসক্লাব, নাগরিক টিভি রিপোর্টার তৌহিদুর রহমান, সূফিকথা সম্পাদনা পরিষদের সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ, আহসান উল্লাহ জামে মসজিদ এর পরিচালনা কমিটি, রেজা মোঃ ইকবাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা ইকবাল হোসেন চৌধুরী, জলিল ভাণ্ডার দরবার শরীফের শাহজাদা জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ সাইফুউদ্দিন, খোকা ভাণ্ডারী,
মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ গোমদণ্ডী সদর শাখা, হযরত শাহসুফি মাওলানা সৈয়দ মানজি শাহ্ মাজার শরীফ কমিটি, রমেশভাণ্ডার পরিচালনা কমিটি ও রমেশ পরিবার, হাজিরহাট ইকবাল পাঠাগার। তাজকিয়া কেন্দ্রীয় পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক নুরে আহমদ জিয়াউল হাসান।

 

From
Salim Chowdory
Patiya Corresponden
Chittagong
01819349442

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ময়মনসিংহ সফর

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩০ এএম
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ময়মনসিংহ সফর

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, এমপি আগামী শনিবার (০৪এপ্রিল) ময়মনসিংহ সফর করবেন। সফরকালে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী শনিবার সকাল ১০:৩০ টায় ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগের জেলাসমূহের জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন। এরপর দুপুর ১২:০০ টায় ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়াও বিকাল ০৩:০০টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ বাইপাসের ৫০০ মিটার সামনে শিকারিকান্দা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করবেন। এবং দিনের শেষে বিকাল ৫ টায় প্রতিমন্ত্রী সার্কিট হাউজে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ এএম
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী সাড়া গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঈশ্বরদীর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহান্নবীপাড়া গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে।

তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ছাত্রদল সদস্য ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে গোপালপুর রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে এসে তাকে এলোপাথাড়ি কুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় গুলির শব্দও শোনা যায় বলে জানায় স্থানীয়রা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সোহাগ।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তার মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি)
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
মোবাঃ ০১৭৪৫১৮৫৪৫৪

error: Content is protected !!