মালিকুজ্জামান কাকা
যশোর কে সিটি কর্পোরেশন করার ঘোষণা জামায়াত আমীরের
কানায় কানায় পরিপূর্ণ যশোরে জামায়াতের জনসভা। ২৭ জানুয়ারি সাত সকালে যশোর শহর হয়ে ওঠে জনতার নগরী। ঈদগাহ ময়দান এদিন ভিন্ন একটি চিত্র’র স্বাক্ষী হয়েছে যশোরবাসী। আর সেটি হচ্ছে ভোটের মাঠে আওয়ামীলীগ বিএনপির বাইরে তৃতীয় ধারা।
জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন জনগণের ভোটে ক্ষমতায় গেলে জামায়াতে ইসলামী ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করবে। তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। এই পাল্লার মাপে আমরা ইনশাল্লাহ কোনো কমবেশ করব না।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় মঙ্গলবার সকালে যশোর শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত জনসভায় এ কথা বলেন জামায়াত আমির।
জামায়াতে ইসলামী দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে যশোরকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ডাঃ শফিকুর রহমান।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালার রহমতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে আমরা যশোর শহরকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করব। মেডিকেল কলেজ, সদর হাসপাতাল, জলাবদ্ধতা, ভৌত অবকাঠানো, যোগাযোগ ব্যবস্থা এ সমস্ত দাবি উত্থাপিত হয়েছে। এগুলো অযৌক্তিক ও আহামরি কোনো দাবি নয়। এগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক দাবি।
‘আমরা নির্দিধায় একথা বলতে পারি আমাদের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। এই পাল্লার মাপে আমরা ইনশাল্লাহ কোনো কমবেশ করব না। যার যেখানে যেটা পাওনা তাদের হাতে সেটা তুলে দেওয়া হবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’
সমাবেশে গণভোটে হ্যাঁ দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানান শফিকুর রহমান। বলেন, হ্যাঁ মানে আজাদী আর না মানে গোলামী।
এছাড়া জনসভায় জামায়াত ক্ষমতায় গেলে যশোরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দলের পরিকল্পনা তুলে ধরেন শফিকুর রহমান। এ সময় যশোরে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাওয়া হয়।
জামায়াতের আমিরের সফরকে ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।
জনসভাস্থলে উপস্থিত ছিলেন যশোর-৩ (সদর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল কাদের, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম কুদ্দুস ও রেজাউল করিম, প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস, শিক্ষা সম্পাদক আবুল হাশিম রেজাসহ জেলা ও মহানগরের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। জনসভা সুষ্ঠু ও সফল করতে মাঠে কাজ করেছেন শত সহস্র স্বেচ্ছাসেবক।














