রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

শিক্ষক হতে চায় তাবাচ্ছুম

হার না মানা তাবাচ্ছুম তোহুরা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:০৬ পিএম | 93 বার পড়া হয়েছে
হার না মানা তাবাচ্ছুম তোহুরা

শাররিক অক্ষমতা আর দুঃসহ দারিদ্রতা-এই দুই পাহারসম বাধা নিয়েও শিক্ষক হতে চায় তাবাচ্ছুম তোহুরা। নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মধুগুড়নই গ্রামের এই কিশোরী প্রমান করেছে, শারীরের শক্তি বড় কথা নয়,মনের জোর আর স্বপ্ন দেখার সাহস থাকলে যে কোন প্রতিকুলতা জয় করা সম্ভব। জন্ম থেকেই তাবাচ্ছুম তোহুরার এক পা জন্ম থেকেই নেই।তার ডান পা- হাত দুটো তার চলার একমাত্র সম্বল। বাবা হাফিজুর রহমান মেয়ের চিকিৎসার জন্য ১৬ শতক জমিও বিক্রি করেছেন কোন চিকিৎসা করে ফেরেনি তার শারীরিক স্বাভাবিকতা। তবুও তাবাচ্ছুম তোহুরা থেমে থাকেনি।পড়াশুশোনার প্রতি প্রচন্ড আগ্রহ দেখে বাবা তাকে দুই কিলোমি টার দূরের স্কুলে ভত্তি করে দেন। প্রতিদিন ভ্যানগাড়িতে আবার একটি ক্রেস বা ঠেঙ্গার উপর ভর করে ঝড় বৃষ্টি উপক্ষো করে স্কুলে দিয়ে জান। বর্তমানে তাবা চ্ছুম তোহুরা উপজেলা একমাত্র আত্রাই পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালযের সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষা;থী। মেয়ের স্বপ্ন ফূরন করতে গিয়ে বারা হাফিজুর নিজের জীবিকাও বিসর্জন দিয়েছেন।আগে কৃষিকাজ করলেও মেয়েকে বারবার স্কুলে ও প্রাইভেটে আনা-নেওয়া করার প্রয়োজনে তাও ছেড়ে দিয়েছেন। এখন উপজেলা নিউমার্কেটে একটি ষ্টেশনারী দোকান দিয়ে চলে তাদের সংসার। বাবা সিরাজুল দীঘ শ্বাস ফেলে বলেন, মেরে জন্য বাহিরে গিয়ে কাজ করা বা ব্যবসা করার সুযোগ পাই না।ওকে বার বার আনতে হয়,নিতে হয়। সংসার চালানো এখন খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। বান্ধবী সুমাইয়া আক্তার বলে,তাবাচ্ছুম তোহুরা আমাদের বন্ধু ও যে প্রতিবন্ধী সেটি আমরা ওকে বুঝতে দেই না। প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিম উদ্দিন ও শ্রেণী শিক্ষক সাহাদত ওয়াশিম তাকে নিয়ে গবিত।তাঁর মতে,তাবাচ্ছুম তোহুরা অত্যন্ত বুদ্ধিমতি এবং পড়াশুনায় তার মনোযোগ অন্য শিক্ষাথীদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। তাবাচ্ছুম বড় হয়ে শিক্ষক হতে চায়। কিন্তু আক্ষেপ করে বলে,“ আমি পড়াশুনা করতে ভালোবাসি। একটা অটোমেটড(মোটর চালিত) হুইল চেয়ার থাকলে বা আমাকে কৃত্তিম পা লাগানো হলে নিজেই স্কুলে যাতায়াত করতে পারবো। বাবার কষ্টটা একটু কমত। তাবাচ্ছুম তোহুরার এই জীবন-সংগ্রামে র পৌঁছেছে প্রশাসনেরও কাছেও। উপজেলা নিবার্হী অফিসার শেখ মোঃ ওয়ালিউল ইস লাম জানিয়েছেন, এই সংগ্রামী শিক্ষাথীর কষ্ট লাঘবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কাযকর উদ্যোগ গ্রহন করবেন।

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে

নড়াইলে তেল না পেয়ে পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাক দিয়ে পিষে হত্যা

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩০ এএম
নড়াইলে তেল না পেয়ে পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাক দিয়ে পিষে হত্যা

নড়াইলে তেল না পেয়ে পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাক দিয়ে পিষে হত্যা আহত আরেক কর্মী পলাতক ট্রাকচালককে ধরতে অভিযান। নড়াইলে পেট্রোল পাম্পে তেল না পাওয়াকে কেন্দ্র করে তীব্র বাগবিতণ্ডার জেরে পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে নড়াইল-যশোর মহাসড়কের তুলারামপুর এলাকায় মের্সাস তানভীর ফিলিং স্টেশনের পাশে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। নিহত নাহিদ সর্দার (৩৩) ওই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার এবং তুলারামপুর ইউনিয়নের পেড়লী গ্রামের বাসিন্দা আকরাম সর্দারের ছেলে। পাম্পের ক্যাশিয়ার মো. জসিমউদ্দীন জানান, ট্রাকচালক মো. সুজাত তেল নিতে এসে পাম্পে তেল না থাকায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় ম্যানেজার নাহিদ সর্দারের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সুজাত প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলে, তোরে আজ ট্রাকের নিচে চাপা দিমু।
পাম্পের কর্মচারী সোহান ইসলাম জানান, হুমকি দেওয়ার পরও ট্রাকচালক ঘটনাস্থলেই অবস্থান করছিল। পরে রাত আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটে নাহিদ সর্দার তার পরিচিত জিহাদুল ইসলামকে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কিছুক্ষণ পর সুজাত ট্রাক ঘুরিয়ে তাদের পিছু নেয়। সন্দেহ হলে পাম্পের দুই কর্মী মোটরসাইকেলে তাদের পিছু নেন। গিয়ে তারা দেখতে পান, ট্রাকচালক সুজাত নাহিদ সর্দারকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছে।
ঘটনাস্থলেই নাহিদ সর্দারের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত জিহাদুল ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতের চাচাতো ভাই মঞ্জুর সর্দার অভিযোগ করে বলেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। হুমকি দিয়েই ট্রাকচালক ইচ্ছাকৃতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
তুলারামপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেকেন্দার আলী জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ট্রাকচালক ও ট্রাকটি আটকের জন্য অভিযান চলছে। তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে মুহূর্তেই ভয়াবহ রূপ নেওয়া এই হত্যাকাণ্ড এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি স্থানীয়দের।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রামে গ্রেফতার এড়াতে আসামীর অভিনব কৌশল

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৬ এএম
চট্টগ্রামে গ্রেফতার এড়াতে আসামীর অভিনব কৌশল

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে গ্রেফতার এড়াতে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ডোবায় লাফ দেন এক পরোয়ানাভুক্ত আসামী। কাদায় কোমর পর্যন্ত আটকে পড়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ডোবায় অবস্থান করেন তিনি। এ সময় ধারালো রামদা হাতে আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে পুলিশকে ঘিরে রাখেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় তাকে জীবিত উদ্ধার করে গ্রেফতার করে পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে নগরের হালিশহর থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার স্কাইভিউ টাওয়ারসংলগ্ন একটি ডোবায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার মো. রুবেলের বিরুদ্ধে মাদক, ছিনতাই ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ অন্তত আটটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে দুপুর ১২টার দিকে রুবেলকে ধরতে অভিযান চালায় হালিশহর থানা পুলিশ। এ সময় একটি দোকান থেকে ধাওয়া দিলে তিনি দৌড়ে পাশের একটি ভবনে উঠে যান। পরে সেখান থেকে নেমে পাশের ডোবায় লাফ দিলে কাদায় কোমর পর্যন্ত আটকে পড়েন।
একপর্যায়ে তার স্ত্রী ছাতার আড়ালে একটি ধারালো রামদা এনে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রামদা হাতে নিয়ে তিনি পুলিশকে ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন এবং আত্মহত্যার হুমকিও দেন। এতে ঘটনাস্থলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। তবে হাতে রামদা থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘ সময় বুঝিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর তাকে ডোবা থেকে তুলে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দিন বলেন, গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে গেলে রুবেল পালিয়ে ডোবায় পড়ে যান। পরে আত্মহত্যার হুমকি দিলে পরিবারের সহায়তায় পরিস্থিতি শান্ত করে তাকে উদ্ধার করা হয়।

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা ও ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৪ এএম
ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা ও ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

২৮ মার্চ ২০২৬ খ্রি, শনিবার বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ব্যবস্থাপনায় পটিয়াস্থ দলীয় কার্যালয়ে সংগঠনের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব গাজী মঞ্জুরুল করিম রেফায়ীর সভাপতিত্বে মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা ও ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের যুগ্ম মহাসচিব মজলুম জননেতা কাজী সোলাইমান চৌধুরী। মহান স্বাধীনতা দিবসের উপর আলোচনা করেন সহ-সভাপতি পীরে তরিকত আল্লামা ছৈয়্যদ এয়ার মুহাম্মদ পেয়ারু, উপাধ্যক্ষ মুহাম্মদ মফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জননেতা আলহাজ্ব মুহাম্মদ আলী হোসাইন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ মুখতার হোসাইন শিবলী। সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার মোহাম্মদ কমর উদ্দীন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলার আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলা নেতৃবৃন্দের মধ্যে আব্দুল মোতালেব ছিদ্দিকুন নুরী, মো: আখতার হোসাইন, আবদুল গফুর, মাস্টার আবদুল হালিম, রফিকুল ইসলাম তৈয়্যবী, আবু তালেব, আবদুল্লাহ আল হেলাল, সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনায় প্রধান অতিথি আল্লামা কাজী সোলাইমান চৌধুরী বলেন, ১৯৭১সালের ২৫ মার্চ কালো রাত্রিতে পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠী এদেশের নিরস্ত্র বাঙালি জাতির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে অনেক মানুষকে হত্যা করে, অনেক মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন করে এবং অনেক বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। তারা পৃথিবীতে একটি কলংকজনক অধ্যায়ের সৃষ্টি করে। যা ভুলার মত নয়। তাই তিনি দৃঢ়চিত্তে বলেন, কেউ চাইলেও স্বাধীনতার ইতিহাস মুছে দিতে পারবেনা। বাঙালি জাতি যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন স্বাধীনতার ইতিহাস কথা বলবে। পরে সভাপতি মহোদয় স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

error: Content is protected !!