সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

রতি থেকে জ্যোতি☞পর্ব: ২ (দ্বিতীয় ধাপ)

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম | 94 বার পড়া হয়েছে
রতি থেকে জ্যোতি☞পর্ব: ২ (দ্বিতীয় ধাপ)

দেহতত্ত্বের নিগূঢ় আলোচনা এবং আধ্যাত্মিক দর্শনের আলোকে মাং(মায়াবী), মাম(মায়া), কাম, প্রেম এবং নূর- এই পাঁচটি স্তম্ভের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ নিচে আলাদা আলাদা শিরোনামে আপনাদের সম্মুখে উপস্থাপন করার চেষ্টা করিলাম:>>
**১. মাং(মায়াবী):> নারীর আভ্যন্তরীণ আধ্যাত্মিক শক্তি বা মায়ারস:- “মাং(মায়াবী)” শব্দটি প্রচলিত কোনো শব্দ নয়, বরং এটি দেহতত্ত্বের একটি বিশেষ সাংকেতিক প্রতীক। এটি মূলত নারীর দেহের সেই বিশেষ “মায়ারস” বা “মা-তাত্ত্বিক” শক্তিকে নির্দেশ করে যা সাধনার প্রাথমিক উপাদান। এই শক্তিটিই সাধকের কাম-ভাবনাকে পরিশুদ্ধ করে প্রেমে রূপান্তরিত করার শক্তি জোগায়। চিত্রে এটি নারীর অনন্য শক্তিকে চিহ্নিত করে, যা পুরুষের “রতি” শক্তির সাথে মিলিত হয়ে ঊর্ধ্বমুখী এক জ্যোতি বা নূরের সৃষ্টি করে। সহজ কথায়, “মাং(মায়াবী)” হলো সেই আধ্যাত্মিক রস যা সাধনার পথে নারীকে কেবল ভোগের আধার নয়, বরং শক্তির আধার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
**২. মাম বা মায়া:> সৃষ্টির মমতা ও শক্তির ভারসাম্য:- “মাম বা মায়া” শব্দটি আধ্যাত্মিক সাধনায় একটি গভীর রূপক। এটি মূলত “মায়ারস” বা “মায়াবী মায়া” এর সংক্ষিপ্ত রূপ। নারী যেহেতু সৃষ্টির জননী রূপের আধার, তাই তার ভেতরের পরম মমত্ব ও আধ্যাত্মিক রসকে এই সংকেত দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। এটি একটি রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে, পুরুষের জৈবিক “কাম” যখন নারীর এই “মমত্ব” বা “মায়া” রসের সংস্পর্শে আসে, তখন তা লালসা মুক্ত হয়ে শুদ্ধ হতে শুরু করে। “মাম” বা মায়া হলো সেই শক্তি যা কামের বিষকে অমৃতের দিকে ধাবিত করে এবং সাধককে জ্যোতির পথে এগিয়ে নেয়।
**৩. কাম:> রূপান্তরের কাঁচামাল ও সাধনার প্রথম ধাপ:- দেহতত্ত্বে “কাম” কেবল শারীরিক আকর্ষণ নয়, বরং এটি একটি সুপ্ত এবং শক্তিশালী জীবনী শক্তি। সাধকদের মতে, কাম বর্জনীয় নয়, বরং শোধনযোগ্য। এটি একটি আগুনের মতো, যা কাঁচা সোনাকে পুঁড়িয়ে খাঁটি করে। যখন পুরুষের কাম-ভাবনা নারী-ভাবনায় জারিত হয় এবং সাধক তার সঙ্গিনীকে সৃষ্টিকর্তা/ঈশ্বরের কুদরতের দর্পণ হিসেবে দেখতে শুরু করেন, তখনই কাম তার ধ্বংসাত্মক রূপ (কালনাগিনী) হারিয়ে দিব্যভাবনায় পরিণত হয়। কাম হলো সেই কাঁচামাল বা বীজ, যা সঠিক সাধনার মাটিতে রোপণ করলে নূরের বৃক্ষ জন্ম নেয়।
**৪. প্রেম:> রতিকে জ্যোতিতে রূপান্তরের অনুঘটক:- প্রেম কোনো সাধারণ আবেগ নয়, এটি একটি “কিমিয়া” বা পরশপাথর। যখন কাম নিজেকে পুঁড়িয়ে ভস্ম করে, তখন তার ছাঁই থেকে প্রেমের জন্ম হয়। সাধকের কাছে প্রেম হলো রতিকে অপচয় না করে দেহের ঊর্ধ্বে- হৃদয়ে (কলবে) বা মস্তিষ্কের জ্যোতি দেশে টেনে তোলার প্রধান চালিকাশক্তি। প্রেমহীন মিলন দেহরসকে বিষাক্ত করে জীবনী শক্তি হ্রাস করে, পক্ষান্তরে প্রেমময় মিলন দেহরসকে ওজঃ শক্তিতে পরিণত করে। এটি-ই সেই আধ্যাত্মিক মইথনের চাবিকাঠি যা রতিকে মতিতে এবং মতিকে জ্যোতিতে রূপান্তরিত করে সাধককে অমরত্বের স্বাদ দেয়।
**৫. নূর:> পরম সত্যের আলো ও সাধনার চূড়ান্ত প্রাপ্তি:- “নূর” হলো আধ্যাত্মিক সাধনার সর্বোচ্চ স্তর বা জ্যোতির দেশ। রতি যখন প্রেমের প্রভাবে মতির সাথে মিলিত হয়ে মেরুদণ্ডের পথ ধরে মস্তিষ্কের “সুলতানুল আজকারে” পৌঁছায়, তখন সাধকের ভেতরে এক মহাজাগতিক আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে। এই স্তরে পৌঁছালে সাধকের নিজস্ব কোনো আমিত্ব থাকে না, তার ইচ্ছা স্রষ্টার ইচ্ছায় বিলীন হয়ে যায়। এই নূর বা জ্যোতি-ই হলো অন্ধকার (কামনা-বাসনা) থেকে মুক্ত হয়ে পরম সত্যের সাথে একীভূত হওয়া। যখন পুরুষের সংরক্ষিত রতি এবং নারীর রূপান্তরিত প্রেমরস একীভূত হয়, তখন-ই সেখানে “নূরুন আলা নূর” বা ঐশী জ্যোতির উদয় ঘটে- আমিন >চলমান পাতা।

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম
গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!