রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

গানে গানে নকশীকাঁথার ২০ বছর

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম | 36 বার পড়া হয়েছে
গানে গানে নকশীকাঁথার ২০ বছর

দেশের ব্যান্ডসংগীতে যখন প্রেম, বিচ্ছেদ কিংবা নগরজীবনের ব্যক্তিগত অনুভূতির আধিক্য, তখন একেবারে ভিন্ন সুরে, ভিন্ন দায়বদ্ধতায় টানা দুই দশক ধরে কথা বলে চলেছে নকশীকাঁথা। লোকজ সুরকে হাতিয়ার করে সমাজের অসংগতি, পরিবেশ বিপর্যয় ও মানুষের অধিকার নিয়ে গানে গানে সচেতনতা তৈরি—এই দর্শন নিয়েই ২০ বছর পার করল ব্যান্ডটি।
সংগীতশিল্পী ও সাংবাদিক সাজেদ ফাতেমীর নেতৃত্বে নকশীকাঁথা ব্যান্ড প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৬ সালের ২৫ জানুয়ারি। ২০০৭ সালের ২৫ জানুয়ারি এটি পায় প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। সময়ের হিসাবে দেখলে ২০ বছর কেবল একটি সংখ্যা; কিন্তু নকশীকাঁথার ক্ষেত্রে এই সময়ব্যাপ্তি মানে সমাজের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক নিরবচ্ছিন্ন সাংস্কৃতিক আন্দোলন।
গান মানেই দায়বদ্ধতা
শুরু থেকেই নকশীকাঁথা নিজেকে আলাদা করে চিহ্নিত করেছে বিষয়বস্তুর কারণে। এখানে গান শুধু বিনোদনের উপকরণ নয়; গান হয়ে উঠেছে প্রশ্ন তোলার, প্রতিবাদ জানানোর এবং মানুষকে ভাবানোর মাধ্যম। নদী ও বৃক্ষ রক্ষা, পরিবেশ ধ্বংস, শিশুশ্রম, বাল্যবিয়ে, নারীর অধিকার, বর্ণবাদ, সীমান্ত সহিংসতা—সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেসব সংকট সমাজকে ক্ষতবিক্ষত করেছে, নকশীকাঁথার গানে সেগুলোরই প্রতিধ্বনি শোনা যায়।
এই গানগুলোর বড় শক্তি তাদের সুর। দেশের সমৃদ্ধ লোকসংগীতের ভান্ডার থেকে নেওয়া সুর ও ছন্দে তৈরি এসব গান যেন পরিচিত হয়েও নতুন। ব্যান্ডটি মনে করে, বিলুপ্তপ্রায় লোকগানের নানা ধারাকে আধুনিক ব্যান্ডের কাঠামোয় উপস্থাপন করে নকশীকাঁথা একদিকে ঐতিহ্য রক্ষা করেছে, অন্যদিকে নতুন প্রজন্মের কানে পৌঁছে দিয়েছে লোকজ সংগীতের ভাষা।
নাটক থেকে গানে
নকশীকাঁথার জন্মকথার পেছনে আছে মাঠে-ঘাটে ঘুরে কাজ করার অভিজ্ঞতা। সাজেদ ফাতেমী বলেন, ‘একসময় আমি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার হয়ে নাটক করতাম। ডেঙ্গু, নারীর প্রজননস্বাস্থ্য, শিশুশ্রম, বাল্যবিয়ে, বর্ণবাদ—এ ধরনের ইস্যু নিয়ে হাটে-মাঠে-ঘাটে ঘুরে ঘুরে প্রায় সাত বছর নাটক করেছি। তখনই মনে হলো, এই বিষয়গুলো গানেও বলা যায়। বরং গানের সুরে নদী, বৃক্ষ ও পরিবেশ বাঁচানোর কথা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।’ এই ভাবনা থেকেই নাটকের ভাষা বদলে গেল গানের ভাষায়। লোকজ সুরের সঙ্গে যুক্ত হলো সময়ের কঠিন বাস্তবতা—এভাবেই গড়ে উঠল নকশীকাঁথার নিজস্ব পরিচয়।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রামে গ্রেফতার এড়াতে আসামীর অভিনব কৌশল

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৬ এএম
চট্টগ্রামে গ্রেফতার এড়াতে আসামীর অভিনব কৌশল

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে গ্রেফতার এড়াতে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ডোবায় লাফ দেন এক পরোয়ানাভুক্ত আসামী। কাদায় কোমর পর্যন্ত আটকে পড়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ডোবায় অবস্থান করেন তিনি। এ সময় ধারালো রামদা হাতে আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে পুলিশকে ঘিরে রাখেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় তাকে জীবিত উদ্ধার করে গ্রেফতার করে পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে নগরের হালিশহর থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার স্কাইভিউ টাওয়ারসংলগ্ন একটি ডোবায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার মো. রুবেলের বিরুদ্ধে মাদক, ছিনতাই ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ অন্তত আটটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে দুপুর ১২টার দিকে রুবেলকে ধরতে অভিযান চালায় হালিশহর থানা পুলিশ। এ সময় একটি দোকান থেকে ধাওয়া দিলে তিনি দৌড়ে পাশের একটি ভবনে উঠে যান। পরে সেখান থেকে নেমে পাশের ডোবায় লাফ দিলে কাদায় কোমর পর্যন্ত আটকে পড়েন।
একপর্যায়ে তার স্ত্রী ছাতার আড়ালে একটি ধারালো রামদা এনে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রামদা হাতে নিয়ে তিনি পুলিশকে ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন এবং আত্মহত্যার হুমকিও দেন। এতে ঘটনাস্থলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। তবে হাতে রামদা থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘ সময় বুঝিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর তাকে ডোবা থেকে তুলে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দিন বলেন, গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে গেলে রুবেল পালিয়ে ডোবায় পড়ে যান। পরে আত্মহত্যার হুমকি দিলে পরিবারের সহায়তায় পরিস্থিতি শান্ত করে তাকে উদ্ধার করা হয়।

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা ও ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৪ এএম
ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা ও ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

২৮ মার্চ ২০২৬ খ্রি, শনিবার বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ব্যবস্থাপনায় পটিয়াস্থ দলীয় কার্যালয়ে সংগঠনের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব গাজী মঞ্জুরুল করিম রেফায়ীর সভাপতিত্বে মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা ও ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের যুগ্ম মহাসচিব মজলুম জননেতা কাজী সোলাইমান চৌধুরী। মহান স্বাধীনতা দিবসের উপর আলোচনা করেন সহ-সভাপতি পীরে তরিকত আল্লামা ছৈয়্যদ এয়ার মুহাম্মদ পেয়ারু, উপাধ্যক্ষ মুহাম্মদ মফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জননেতা আলহাজ্ব মুহাম্মদ আলী হোসাইন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ মুখতার হোসাইন শিবলী। সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার মোহাম্মদ কমর উদ্দীন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলার আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলা নেতৃবৃন্দের মধ্যে আব্দুল মোতালেব ছিদ্দিকুন নুরী, মো: আখতার হোসাইন, আবদুল গফুর, মাস্টার আবদুল হালিম, রফিকুল ইসলাম তৈয়্যবী, আবু তালেব, আবদুল্লাহ আল হেলাল, সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনায় প্রধান অতিথি আল্লামা কাজী সোলাইমান চৌধুরী বলেন, ১৯৭১সালের ২৫ মার্চ কালো রাত্রিতে পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠী এদেশের নিরস্ত্র বাঙালি জাতির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে অনেক মানুষকে হত্যা করে, অনেক মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন করে এবং অনেক বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। তারা পৃথিবীতে একটি কলংকজনক অধ্যায়ের সৃষ্টি করে। যা ভুলার মত নয়। তাই তিনি দৃঢ়চিত্তে বলেন, কেউ চাইলেও স্বাধীনতার ইতিহাস মুছে দিতে পারবেনা। বাঙালি জাতি যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন স্বাধীনতার ইতিহাস কথা বলবে। পরে সভাপতি মহোদয় স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী

বেগমগঞ্জে ৩৯ বোতল বিদেশি মদসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:১২ এএম
বেগমগঞ্জে ৩৯ বোতল বিদেশি মদসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ৩৯ বোতল বিদেশি মদসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুর পৌনে ২টার দিকে উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের মা-মনি নিবাস’ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, একলাশপুর ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের পাটোয়ারী বাড়ির মো.নুরুল আমিনের ছেলে মো.মাহফুজুর রহমান সাকিব (৩০) চৌমুহনী পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ডের মন্ডল পাড়ার ভক্ত বাড়ির শংকর সাহার ছেলে হৃদয় সাহা (৩২) ও চৌমুহনী পৌরসভার ৩নম্বর ওয়ার্ডের কুরি পাড়া নিকুঞ্জ ঘোষের বাড়ির নারায়ন চন্দ্র ঘোষের ছেলে শিপন চন্দ্র ঘোষ (৩২)।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের মা-মনি নিবাস ভবনের দ্বিতীয় তলার ৬নম্বর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় পুলিশ। অভিযানে মাদক কারবারি সাকিবের শয়ন কক্ষ থেকে ৩৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করা হবে।

error: Content is protected !!