শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

পবিত্র মাজার শরীফ জিয়ারত কেনো করবো?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:০২ পিএম | 86 বার পড়া হয়েছে
পবিত্র মাজার শরীফ জিয়ারত কেনো করবো?

আল্লাহর বন্ধুদের কোনো ভয় নেই এবং তাঁরা চিন্তিতও হবেন না।” (আল-কুরআন)
অলি-আল্লাহর সান্নিধ্যে গেলেই অনুভব করা যায় যে, শান্তি ইট-পাথরের অট্টালিকায় নয়, বরং অন্তরের গভীর ভক্তি আর রূহানিয়তের মাঝে লুকিয়ে আছে। মাজার শরীফ জিয়ারত মানে হলো নিজের নফসকে (অহংবোধ) বিলীন করে দিয়ে স্রষ্টার প্রিয়জনের উসিলায় তাঁরই রহমত অন্বেষণ করা।
পবিত্র মাজার শরীফ জিয়ারত কেবল একটি ধর্মীয় প্রথা নয়, বরং এটি আত্মিক পরিশুদ্ধি এবং মহান আল্লাহর প্রিয়জনদের (আউলিয়া কেরাম) সান্নিধ্য লাভের একটি আধ্যাত্মিক মাধ্যম। নিচে মাজার জিয়ারতের আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক তাৎপর্য তুলে ধরা হলো:
১. আত্মিক প্রশান্তি ও আধ্যাত্মিক সংযোগ (Spiritual Connection)
সুফি দর্শনে বিশ্বাস করা হয় যে, মহান আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ (অলি-আল্লাহ) কবরে জীবিত এবং তাদের রূহানিয়ত বা আধ্যাত্মিক শক্তি আগের মতোই কার্যকর থাকে। যখন একজন মুমিন মাজার জিয়ারত করেন, তখন জিয়ারতকারীর রূহ এবং সেই মহান অলির রূহের মধ্যে একটি সূক্ষ্ম সেতুবন্ধন তৈরি হয়। একে বলা হয় ‘ফয়েজ’ বা আধ্যাত্মিক আলোকচ্ছটা লাভ করা। এটি মনের অস্থিরতা দূর করে প্রশান্তি বয়ে আনে।
২. প্রেম ও ভক্তির অনুশীলন (Doctrine of Love)
সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা ছাড়া স্রষ্টার ভালোবাসা পাওয়া অসম্ভব। মাজার জিয়ারত হলো সেই ভালোবাসারই একটি বহিঃপ্রকাশ। আউলিয়া কেরাম সারাজীবন আল্লাহর প্রেমে মগ্ন ছিলেন এবং মানুষকে সঠিক পথ দেখিয়েছেন। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রদর্শন করা আসলে মহান আল্লাহর প্রতি ভালোবাসারই একটি অংশ। এটি আমাদের অহংকার কমিয়ে বিনয় ও ভক্তি শেখায়।
৩. মৃত্যুচিন্তা ও বৈরাগ্য (Reflecting on Mortality)
দার্শনিক দৃষ্টিকোণ থেকে, মাজার জিয়ারত মানুষকে পৃথিবীর নশ্বরতা মনে করিয়ে দেয়। যখন কেউ রাজকীয় কোনো মাজার বা সাধারণ কবরের পাশে দাঁড়ান, তখন তিনি উপলব্ধি করেন যে পার্থিব শান-শওকত সব ক্ষণস্থায়ী। এই ‘মৃত্যুচিন্তা’ মানুষের ভেতরের লোভ-লালসা কমিয়ে দেয় এবং পরকালের প্রস্তুতির প্রেরণা দেয়।
৪. শাফায়াত ও মধ্যস্থতা (Intercession)
ইসলামি আধ্যাত্মিক তত্ত্বে বিশ্বাস করা হয় যে, নেককার বান্দাদের সান্নিধ্যে থাকলে আল্লাহর রহমত দ্রুত পাওয়া যায়। মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি এই উসিলায় যে— “হে আল্লাহ, তোমার এই প্রিয় বান্দার অসিলায় আমার মনের নেক মকসুদ কবুল করো।” এটি নিজের ক্ষুদ্রতা স্বীকার করে আল্লাহর মহানুভবতার কাছে আত্মসমর্পণ করার একটি বিশেষ প্রক্রিয়া।
৫. ইতিহাসের সাথে মেলবন্ধন
মাজারগুলো মূলত ইতিহাসের জীবন্ত দলিল। যারা ইসলামকে আমাদের পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে আমরা তাঁদের সেই সংগ্রামকে শ্রদ্ধা জানাই। এটি আমাদের শেকড় এবং ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত রাখে, যা একজন মানুষের আত্মপরিচয় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সারকথা: মাজার জিয়ারত কোনো মূর্তিপূজা নয়, বরং এটি মহান স্রষ্টার প্রিয় বন্ধুদের সাথে প্রেমের সুতোয় বাঁধা পড়ার একটি নাম। এটি অন্তরের আয়নাকে পরিষ্কার করার একটি আধ্যাত্মিক সাবান, যা দুনিয়ার ধুলোবালি ঝেড়ে ফেলে রূহকে উজ্জ্বল করে।

বোয়ালখালীতে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন রশীদ ইন্তেকাল: বিভিন্ন মহলে শোক

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৩ এএম
বোয়ালখালীতে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন রশীদ ইন্তেকাল: বিভিন্ন মহলে শোক

বোয়ালখালী পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ডের পূর্ব গোমদণ্ডী মুফ্তি পাড়া,ফজর আলীর বাড়ি নিবাসী মরহুম নুরুর রহমান এর প্রথম পুত্র,

দৈনিক জনতা, দৈনিক ইনফো বাংলা প্রতিনিধি পটিয়া প্রেসক্লাব ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ সেলিম চৌধুরী’র ফুফাত ভাই ও বোয়ালখালী প্রেসক্লাবের সাবেক অর্থ, প্রচার, প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক আল সিরাজ ভাণ্ডারী’র বড়ভাই, আহসান উল্লাহ জামে মসজিদের সহসাধারণ সম্পাদক, হাজিরহাট ইকবাল পাঠাগার সহসভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদ (৭১) ১লা এপ্রিল ২০২৬ বুধবার দুপুর ২ টার সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
আল্লাহ তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসাবে কবুল করুন আমিন। ১ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার মুফ্তিপাড়া আহসান উল্লাহ জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দানে মরহুমের জানাজার নামাজের তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। মৃত্যুকালে হারুনুর রশীদ দুইভাই এবং ৫জন মেয়ে নাতি, নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে যান।
মরহুম হারুন অর রশিদ এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন, জিয়া স্মৃতি পরিষদ বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আহবায়ক সাংবাদিক মন্জুর আলম মাস্টার, দৈনিক কর্ণফুলী স্টাফ রিপোর্টার এম এ মন্নন, দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি শাহিনুর কিবরিয়া মাসুদ, ক্রাইম রিপোর্টার সাংবাদিক আজম খান, বাণিজ্যিক রাজধানীর সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী রানা, বোয়ালখালী প্রেসক্লাব, নাগরিক টিভি রিপোর্টার তৌহিদুর রহমান, সূফিকথা সম্পাদনা পরিষদের সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ, আহসান উল্লাহ জামে মসজিদ এর পরিচালনা কমিটি, রেজা মোঃ ইকবাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা ইকবাল হোসেন চৌধুরী, জলিল ভাণ্ডার দরবার শরীফের শাহজাদা জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ সাইফুউদ্দিন, খোকা ভাণ্ডারী,
মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ গোমদণ্ডী সদর শাখা, হযরত শাহসুফি মাওলানা সৈয়দ মানজি শাহ্ মাজার শরীফ কমিটি, রমেশভাণ্ডার পরিচালনা কমিটি ও রমেশ পরিবার, হাজিরহাট ইকবাল পাঠাগার। তাজকিয়া কেন্দ্রীয় পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক নুরে আহমদ জিয়াউল হাসান।

 

From
Salim Chowdory
Patiya Corresponden
Chittagong
01819349442

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ময়মনসিংহ সফর

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩০ এএম
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ময়মনসিংহ সফর

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, এমপি আগামী শনিবার (০৪এপ্রিল) ময়মনসিংহ সফর করবেন। সফরকালে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী শনিবার সকাল ১০:৩০ টায় ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগের জেলাসমূহের জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন। এরপর দুপুর ১২:০০ টায় ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়াও বিকাল ০৩:০০টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ বাইপাসের ৫০০ মিটার সামনে শিকারিকান্দা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করবেন। এবং দিনের শেষে বিকাল ৫ টায় প্রতিমন্ত্রী সার্কিট হাউজে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ এএম
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী সাড়া গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঈশ্বরদীর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহান্নবীপাড়া গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে।

তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ছাত্রদল সদস্য ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে গোপালপুর রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে এসে তাকে এলোপাথাড়ি কুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় গুলির শব্দও শোনা যায় বলে জানায় স্থানীয়রা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সোহাগ।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তার মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি)
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
মোবাঃ ০১৭৪৫১৮৫৪৫৪

error: Content is protected !!